ইউজার লগইন
ব্লগ
নাড়ির টান
ক্লাস শুরু হওয়ার পর থেকে গ্রামের বাড়ি যায় নি।বাড়ি থেকে ফোন আসছে "বাবু কবে আসবি"?তারাতারি চলে আয়। আম সব পেঁকে গেছে,লিচু গুলো বাদুড়ে খাচ্ছে,জাম গুলো রং হওয়ার আগেই বদমাইশ ছেলেপিলে পেড়ে নিয়ে যাচ্ছে, ৪ টা কাঁঠাল চুরি হয়ে গেছে!আরো কতশত অভিযোগ!
কাউকে কিছু না বলে হুট করে ভোর সাড়ে ছটায় চোখ দুটো দুহাতে কচলাতে কচলাতে কমলাপুর হাজির!
হ্যাঁ, বাড়ি যাচ্ছি নাড়ির টানে।তোমাদের এই ইট কাঠ, ধুলোবালির আর মিথ্যে কথার শহর ছেড়ে যাচ্ছি বুনোফুল আর কর্দমাক্ত মাটির ঘ্রাণ নেব বলে।খোলামাঠ আর মেঘ রৌদ্দুর আকাশটা দেখিয়ে বলব "এই দেখ আকাশটা আমার"
তোমাদের এই সুড়কি আর চুনাপাথরের শহরে সব কিছুই কেমন জানি মেকি মেকি লাগে এবং আকাশটাও।বাড়ি যাচ্ছি ট্রেনে চেপে! বাড়ি যাওয়া উপলক্ষে মনে
হয় মেঘ গুলো খুশি হয়েছে!ট্রেনের গতির সাথে
পাল্লা দিয়ে ছুটে চলেছে পিছু পিছু!
স্বপ্নহীন জীবনে যখন
আমি ঢাকার যে এলাকায় বড় হয়েছি সেখানে আমরা চার পুরুষ ধরে আছি হয়তো এখন পাঁচ পুরুষে পৌঁছে গেছি, কে জানে। আমাদের এলাকাতে আরো অনেকেই আছেন যারা কয়েক জেনারেশান ধরে এখানে আছেন। বাবাদের কাছে গল্প শুনেছি ছোট বেলায় বাতিওয়ালা এসে রাস্তায় বাতি জ্বেলে দিয়ে যেতো। গ্রাম থেকে লঞ্চে সদরঘাট এসে অনেকেই মাথায় বোঝা নিয়ে ধানমন্ডি, গ্রীনরোড পর্যন্ত হেঁটে আসতো। অনেক এলাকাতেই দিনের বেলায় শেয়াল ডাকতো, ঘন জঙ্গল ছিলো। আমি নিজেও ছোট বেলায় অনেক ফাঁকা ঢাকা দেখেছি। এখন ঢাকা অনেক ব্যস্ত, আমরা যে এলাকার বাসিন্দা সেতো মহাব্যস্ত।
অসুখের রাত
এরকম রাত অসহ্য লাগে
বন বন ঘোরে বিদ্যুতের পাখা
কানে বিরক্তি ঢালে হিন্দি চ্যানেলের সুর
বাতাসে উড়ে যায়
সস্তা বিড়ির ছাই
উড়ে আসে চোখের পাতার নীচে
যন্ত্রণা দেয় ভীষণ
কষ্ট দেয় তোমার অবিশ্বাস,
সঙ্কোচ আর অনর্থক ভয়-
আমাদের বন্ধুত্ব-ভালোলাগার নিবিড় পরিচয়
এ সব কিছু নিশ্চয়ই নিষ্ফল হবার নয়।
এরকম রাত অপার্থিব মনে হয়
মানবিক সন্দেহ আর দৈব ষড়যন্ত্র
ভারী করে দেয় বাতাস
হারিয়ে দেয় মানুষদের
বিষে ভরিয়ে দেয় নিঃশ্বাস
বালিশে, পেন্সিলে, টাইপ-রাইটারে
স্বস্তি খুঁজতে থাকি
শেষ কবে ঘুমিয়েছিলাম পেট পুরে খেয়ে -
মনে পড়ে না, এ অস্বস্তি পিছু ছাড়ে না
বাতাস বয় না, গাছের ডাল আর পাতারা নড়ে না
দীর্ঘশ্বাস অনুভবে; আবদ্ধ অন্ধকারে চেয়ে।
এরকম রাত নিঃস্ব করে দেয়
আমাদের যোগাযোগের সীমাবদ্ধতা
সম্পদ আর সুযোগের অভাব
আরও কয়েকগুণ বাড়ায় অস্থিরতা
শব্দে শব্দে মুহূর্তরা বলে শুধু- নাই
চোখের জল হয়ে ওঠে ছল
ভালোবাসা, প্রেম, প্রণয় ও পরিণয়- শব্দগুলো একে অন্যের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে। এদের সাথে আরও একটি শব্দ অঙ্গাঙ্গিভাবে সম্পৃক্ত, আর তা হলো ভালোলাগা। এই ভালোলাগা থেকেই ভালোবাসার জন্ম। কিংবা অন্যভাবে বললে ভালোলাগাই হচ্ছে ভালোবাসার সুতিকাগার। ভালোবাসা মানুষের এক গভীর মনোদৈহিক অনুভূতি। এ অনুভূতি সকলের মাঝেই প্রবাহমান। প্রতিটি সম্পর্কের ভিত্তিমূল এই ভালোবাসা। যেখানে ভালোবাসা নেই সেখানে সম্পর্ক মূল্যহীন। ভালোবাসা অন্তঃমানবিক সম্পর্ককে দৃঢ় করে। আর ভালোবাসা হ্রাস পেলে ব্যক্তি সর্ম্পকে অবনতি ঘটে। পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তি যে ভালোবাসা সেই ভালোবাসার প্রকাশ ভঙ্গি একেকজনের কাছে একেক রকম। প্রকৃত পক্ষে ভালোবাসা পূর্ণতা পায় বহিঃপ্রকাশের মধ্য দিয়ে। ভালোবাসা মানব মনের এক ধরনের আবেগজনিত অনুভূতি। এই আবেগেই মানুষকে ভালোবাসতে তাড়িত করে। আবেগ শব্দটির ইংরেজি প্রতিশব্দ ঊসড়ঃরড়হ। ল্যাটিন শব্দ ঊসড়াবৎব থেকে যার উৎপত্তি।
ভালোবাসি !!! ...
এক তরুণের কথা না বললেই নয়। তিনি ন্যাট বাগলে, মার্কিন তরুণ। ভালোবাসার গল্প শুনতে শুনতে তিতে হয়েছে উঠেছে তার মন। তবে এক পর্যায়ে স্ক্যান্ডাল ও ডিভোর্স এবং অপার্থিব রূপকথার গল্পে আগ্রহ বাড়ে তার। এক ছেলেমানুষি করে বসলেন তিনি। যে চাকরিটা করতেন তা ছেড়ে দিলেন। আর কিছু সঞ্চয় নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একটিই- নানা প্রান্তে ঘুরে ভালোবাসার গল্পগুলো খুঁজে বের করা। এ সফরে আমেরিকার আনাচে-কানাচ থেকে তিনি অসংখ্য জুটির সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এবং বের করে এনেছেন প্রায় ১০০টি সত্যিকার ভালোবাসার অসামান্য গল্প।
আমাদের ভবিষ্যত
শেখার সাথে মেধার সম্পর্কহীন শিক্ষাচর্চায় বিদ্যালয় নেহায়েত একটা যন্ত্র যার সদর দরজা দিয়ে উজ্জ্বল, উচ্ছ্বল শিক্ষার্থী প্রবেশ করে বিদ্যায়াতনে আর খিড়কি দুয়ার দিয়ে সার্টিফিকেটধারী মুর্খ জীবিকার সন্ধানে শ্রমবাজারে নেমে যায়। মুখস্তবিদ্যার উপরে অধিকতর নির্ভরতা বিদ্যার্জনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিকেই যান্ত্রিক করে ফেলেছে। শিক্ষার্থীরা না বুঝে মুখস্ত করে নিজেদের বিদ্যা উগড়ে দিচ্ছে পরীক্ষায় খাতায়। এই প্রবনতা কি খুবই সাম্প্রতিক কোনো প্রবনতা?
অল দা বেস্ট ফর ইউ
দেখ তুমি কতদুর এগিয়েছো-
পাওয়া হয়নি নিশ্চয়ই অনেক কিছু-
খুঁজতে থাকো
জীবনের হীরে মুক্ত।
আমি বহু দিন ধরে ওসব খুঁজে খুঁজে ক্লান্ত হয়েছি;
জেনে গেছি- সব বিলুপ্ত হয়ে গেছে কচ্ছপের মত নিঃশব্দে
তবু আমি কিছুই বলতে যাবো না-
বলতে যাবো না যে তুমি বহু আগেই পথ হারিয়েছ
পথ হারিয়েছে তোমার সাথীরাও
পথ হারিয়েছে তোমার সাজসজ্জা
বেশভূষা, অঙ্গভঙ্গি, মস্তিস্ক।
সহস্র দালানের ইট আর প্রেমিকার হাত
উল্টে পাল্টে সর্বস্বান্ত হয়েছি-
খুঁজে পাইনি এক ফোঁটা শীতল শান্তি;
তবু তোমাকে কিছুই বলার নেই- খুঁজতে থাকো
যা যা এখনো মহামূল্যবান-
জৌলুশ, আয়েশ, সুসন্তান
আমি বলতে আসবো না যে বহু আগে তোমার রক্ত নষ্ট হয়েছে
তাই ভ্রষ্ট হয়েছে তোমার সন্তান।
বলতে আসবো না যে এই অন্ধকারে
অর্থহীন তোমার জ্ঞান ও গনতন্ত্রচর্চা,
পেপার পড়া, টিভি দেখা, বেড়াতে যাওয়া এবং ছবি তোলা;
তুমি বরং এগিয়ে যাও-
কোথা হে মহাকাল
তোমার সৃষ্টি তোমারে পুজিতে সেজদায় পড়িছে লুটি
রক্তের বন্যায় প্রাণ বায়ু উবে যায় দেহ হয় কুটিকুটি।।
দেহ কোথা দেহ কোথা এ যে রক্ত মাংসের পুটলি
বাঘ ভাল্লুক নয়রে হতভাগা, ভাইয়ের পাপ মেটাতে
ভাই মেরেছে ভাইকে ছড়রা গুলি।।
মানব সৃষ্টি করেছ তুমি তব ইবাদতের আশে
তব দুনিয়ায় জায়গা নাহি তার সাগরে সাগরে ভাসে।
অনিদ্রা অনাহার দিন যায় মাস যায় সাগরে চলে ফেরাফেরি
যেমন বেড়াল ঈদুর ধরিছে মারব তো জানি, খানিক খেলা করি।।
যেথায় যার জোড় বেশী সেথায় সে ধর্ম বড়
হয় মান, নয়ত দেখেছ দা ছুড়ি তলোয়ার জাহান্নামের পথ ধর।
কেউ গনিমতের মাল, কেউ রাজ্যহীনা এই কি অপরাধ
স্বামী সন্তান সমুখে ইজ্জত নেয় লুটে, লুটেরা অট্টহাসিতে উন্মাদ।
আশ্চর্য ভুতের গল্প ( সত্য ঘটনা)
আজকে আপনাদের সাথে ছোট কিন্তু সত্য একটা ঘটনা শেয়ার করবো।
আমাদের গ্রামের বাড়ি নড়াইলে। বাস থেকে নেমে ১৫ মিনিট মেঠো পথ দিয়ে হেঁটে যেতে হয়। আমি প্রতি ১৫ দিনে একবার করে যেতাম বাড়িতে। এখন দেশের বাইরে থাকি তাই যাওয়া হয় না। আপনাদের সাথে যেদিনের কথা শেয়ার করবো তখন আমি ইন্টারে পড়তাম। ঢাকা কলেজে। কলেজ হটাত একদিন বিকালের দিকে বন্ধ দিলো কিছু রাজনৈতিক কারণে। ভাবলাম বাসায় চলে যাবো। মাকে ফোন করে জানালাম। কিন্তু স
েদিন বাসায় রাতে আমাকে আনতে যাবার মতো কেউ ছিল না। তাই মা বললেন আসিস না। আমি তবু জিদ করে গেলাম।
বাস থেকে নেমে হাঁটা ধরলাম বাড়ির দিকে। রাস্তা পরিষ্কার। তখন শীতের শুরু। তাই মানুষজন একদমই নেই। রাস্তায় কিছুদূর যাবার পর একটা ডোবা পড়ে। তার পাশেই এক বিশাল তাল গাছ। এখানে নাকি অনেকেই খারাপ জিনিস দেখেছে। যদিও আমার সাথে কখনো এমন কিছু ঘটে নি। এবার অনেকদিন পরে বাসায় যাচ্ছি, তাই আনন্দিত ছিলাম।
বন্ধু আমি শুধু তোমার !!!,,
নিজের সম্পর্কে লেখার কিছু নেই । সাদামাটা । আজ আন্তর্জাতিক বন্ধু দিবস । এইদিনে মিলিয়ে দেখুন, কে কতোটুকু কার “বন্ধু” ……… আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… আমার সাথে কথা বলতে হলে আগে তোমাকে ভাবতে হয় ...... আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… আমার উপস্থিতি তোমাকে অস্বস্তিতে ফেলে দেয় .............. আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… তোমার জন্যে আমি কিছু করলেই তুমি আমাকে “ধন্যবাদ” দাও ................. আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… তুমি আমাকে “স্যরি” বলো কথায় কথায় ............ আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… তোমাকে সাহায্য করার জন্যে আমাকে বলা যায় কিনা এমোন ভাবছো ………….. আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… তোমার জীবন সম্পর্কে ধারনাগুলোর কথা আমি জানতে উৎসুক হবো কিনা, এ নিয়ে তুমি ভাবনায় পড়.................. আমি তোমার বন্ধু নই, যদি…………… আমি যা বলি তুমি তা-ই শোন কিন্তু কখোনই বোঝনা, কি আমি বলতে চাইনি ............
ডিজিটাল পোলাপাইন

ফুল সে যার বাগানেই ফুটুক না কেন,সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হল ভাল লাগার,এর প্রতি ভালবাসা আমার মনে হয় সৃষ্টি কর্তার থেকেই ঐশী দান হিসেবে প্রদত্ত। কি ফুল নাম জানি বা না জানি সেটা বড় কথা না। তার রুপ ও গন্ধ চক্ষুস্মান তো বটেই একজন অন্ধকেও আকর্ষন করে।
আমার পাশের ফ্লাটের ভাড়াটে। দিন দশেক হল উঠেছেন। ভদ্রলোক, ভদ্রমহিলা আর দুটি ছোট্ট ফুটফুটে ছেলেসহ এই হিন্দু পরিবারটি এসেছেন চিটাগাং থেকে। ভদ্রমহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ভদ্রলোক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী।
আমি গত তিন বছর এই ফ্লাটে আছি কিন্তু এই বিল্ডিংয়ের কোন ফ্লাটের কারো সাথে পরিচয় হয় নি।তবে আমার বউ বাচ্চাদের সবাই চেনে।শুধু চেনেই না। খাবার দাবার ও প্রয়োজনে নিত্য ব্যবহার্য অনেক কিছুই রিতিমত আদান প্রদান হয়।
পুষ্টি কি জিনিস
পুষ্টি হল পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয় খাদ্যবস্তু আহরন করে খাদ্যবস্তুকে পরিপাক ও শোষণ করা এবং আত্তীকরন দ্বারা দেহের শক্তির চাহিদা পূরণ , রোগ প্রতিরোধ , বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করা ৷ অর্থ্যাৎ দেহ সুস্থ ও সবল রাখার প্রক্রিয়াকে পুষ্টি বলে৷ পুষ্টির ইংরেজি শব্দ (Nutrition)। অপরদিকে খাদ্যের যেসব জৈব অথবা অজৈব উপাদান জীবের জীবনীশক্তির যোগান দেয় , তাদের একসঙ্গে পরিপেষক বা নিউট্রিয়েন্টস (Nutrients) বলে ৷ যেমন :— গ্লুকোজ , খনিজ লবণ , ভিটামিন ইত্যাদি ৷
সূত্র : উইকিপিডিয়া
সমুদ্দুরের গ্রাম দেখা
অনেকদিন গ্রামের বাড়ি যাওয়া হয় না। শেষ গিয়েছিলাম তাও বছর খানেক আগে। সমুদ্দুরের বয়স এখন ৫ বছর ৩ মাস। বেশ কিছুদিন ধরে জ্বালাচ্ছিলো, গ্রামে যাবার জন্য। যদিও এর পেছনে তার মায়ের ইন্দন ছিলো স্পষ্টত। তাই প্ল্যান ছিলো রোজার ঈদের পরদিন বাড়ি যাবো। সপ্তাহ খানেকের জন্য।
আকাশে বাতাসে প্রচন্ড গরম। তারপরও হঠাৎ করে গ্রামে যেতে হলো। ২৪ তারিখ বাড়ি থেকে খবর এলো, একমাত্র ফুপুর অবস্থা খারাপ। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম, বাড়ি যাবো। ২৪ তারিখ বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটের বাসে চড়লাম। সায়েদাবাদ থেকে বাস। মাঝে কুমিল্লায় চা বিরতি ৪৫ মিনিট। তেল নিলো বাসে, আরো ১৫ মিনিট। ঢাকা থেকে বাড়ি যেতে সময় লাগে ৬ ঘন্টার মত। যদি যানজটে না পড়ে।
ভালোবাসার এক অদ্ভুত কাহিনী!
-কাল বিকেলে আমার সাথে যেতে পারবি?
-কোথায় ?
-আগে বল পারবি কিনা ?
-হ্যা পারবো ।
ভার্সিটি থেকে ফেরার পথে সাবিহা প্রায়ই এমন বায়না ঘরে ।তানিম কখনো না বলতে পারে না হয়ত পারবেও না ।সাবিহাকে সে ভালবাসে তবে বলতে পারে না ।সেই কলেজ থেকে তারা একে অপরের বন্ধু ।
.
তানিম জানে কোথায় দেখা করতে হবে ।তাই পরদিন সেই বকুল গাছের নিচে সাবিহার সাথে দেখা করে ।
.
সাজলে তাকে বেশ সুন্দর লাগে, কিন্তু মুখ ফুটে প্রশংসাটা করতে পারেনা তানিম ।
তারা যখন একসাথে থাকে তখন সাবিহার হাসিখুশি মুখের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে তানিম।
এভাবে যেন হাজার বছর কাটিয়ে দেয়া যায় ।
তবে আজ পরিবেশটা কেমন যেন থমথমে ।দেশের পরিস্থিতি ভালো না তাই তারা দুজন সেদিন বাড়ি ফিরে যায় ।
.
.
.
বেশ কিছুদিন হল ভার্সিটি বন্ধ, সেই রাতের পর থেকে দেশটা যেন কেমন হয়ে গেছে ।সন্ধ্যা হলেই মিছিলের আওয়াজ শোনে সাবিহা ।অনেকদিন তানিমের সাথেও দেখা নেই ।
.
চোখের নয় মনের হ্যালুসিনে’শন (দ্বিতীয় পর্ব )
চোখের নয় মনের হ্যালুসিনে’শন (দ্বিতীয় পর্ব )
রিক্সা চলছে, এই এলাকার রিক্সা ওয়ালারা প্রায় সকলেই বিহার থেকে আগত।কেন কি জন্য তারা নিজ দেশ জন্মভুমি ছেড়ে বাংলাদেশে এসেছিল তা আমার থেকে আপনারা সকলেই ভাল জানেন। আমি রাজনীতিবিদ নই তবুও মাঝে মাঝে আমি ভাবি এই পৃথিবীটা যত না তছনছ হয়েছে বেঁচে থাকার অবলম্বনের জন্য (অন্ন, বস্ত্র,বাসস্থান) তার চেয়ে অনেক অনেক বেশি তছনছ হয়েছি ধর্মীয় কারনে।
যে এলাকায় যে ধর্মের অনুসারী বেশী সেখানে সেই ধর্মই বড় বা সঠিক বলে মনে করে নিজ নিজ ধর্মের অনুসারীরা। আর চলে নিজের ধর্মে ধর্মান্তরিত করার নিলজ্জ বেহায়া ও বেআইনি জোড় জবরদস্তি। কিন্তু আপনার ধর্ম আপনার কাছে, আমার ধর্ম আমার কাছে। ধর্মের এই সার্বজনীন শ্বাশত বানী সেখানে কেউ মানে না। আধুনিক সভ্য জগতে কোথায় এর পরিসমাপ্তি ঘটবে আমার তো মনে হয় তা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে।