ইউজার লগইন
ব্লগ
ঘরের ভেতরে নিরাপদে আছে তো আমার কন্যা শিশুটি
অনেকদিন পর একটা ছবি দেখলাম।হিন্দি ছবি। ‘হাইওয়ে’।পুরো ছবিটা দেখে কিছুক্ষণ আমি বুদ হয়ে ছিলাম।আর ছবির বিষয়টা আমার মাথায় কুট কুট করে যন্ত্রণা দিচ্ছিল বেশ কয়েকদিন। ছবির নায়িকা আলিয়া ভাট অভিনয়ও করেছে দুর্দান্ত।নিজের ঘরের ভেতর বাবার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধুর হাতে দিনের পর দিন যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছিল মেয়েটা। একদিন নিজের মাকে বিষয়টা জানানোর পর মা বলেছিল, চুপ, চুপ কাউকে কিছু বলো না।মেয়েটার বিশ্বাস ভেঙ্গে যায়।কষ্ট হয়। কিডন্যাপাররা যখন মেয়েটাকে কিডন্যাপ করে কিছুদিন পর ছেড়ে দিতে চায় , মেয়েটা যেতে চায় না। কিডন্যাপারকে বলে, যে জীবনটা সে ফেলে এসেছে সে জীবনে সে আর কখনো ফিরে যেতে চায় না। মহাবীর নামক সেই কিডন্যাপারকে তার অনেক বেশি বিশ্বস্ত এবং নির্ভরযোগ্য মনে হয়েছে যে, যখন তার প্রভাবশালী বাবা তাকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করে সে ফিরে যেতে চায় না নিজের বাবা- মায়ের কাছে। কারণ তাদের কাছে তাদের সোশ্যাল স্ট্যাটাস তাদের ক
মানব প্রগতির দায়
আমাদের সমাজ কেন দিনদিন হিংস্র হয়ে যাচ্ছে? এর উত্তর খুঁজে বের করতে হবে। এসব বিষয়ে সমাজ বিজ্ঞানী, মনোবিজ্ঞানীরা গবেষণা করে থাকেন। রাষ্ট্র একদিকে বিচার না করে ‘ক্রসফায়ার’ দিচ্ছে। অন্য দিকে পাবলিক দুই টাকার জন্য পিটিয়ে মেরে ফেলতে পিছ পা হচ্ছে না। সংখ্যালঘুর বাড়ি যেহেতু দখল করলে কেউ কিছু বলে না, সুতরাং যতোদিন সংখ্যালঘুর কাছে জমি থাকবে, ততদিন এগুলো চলতে থাকবে রাষ্ট্রের পরোক্ষ মদদে।
গল্প: কেপলার ৪৫২'র বাসিন্দারা
সকাল থেকে আকাশ কালো করে বৃষ্টি ঝরছে। থেমে থেমে দমকা হাওয়া এসে আছড়ে পড়ছে কাচেঁর জানালায়। আজ যেন একটু বেশিই ঠান্ডা। ঘুম ভেঙ্গে যাবার পরও অনেকক্ষণ চোখ খুলতে ইচ্ছে করে না। কম্বলটা আরও একটু ভাল করে জড়িয়ে নিয়ে বিছানার আরামে ডুবে থাকতেই বেশি ভাল লাগে। ছোট-বড়, দরকারী-অদরকারী কত রকমের ভাবনারা যে সে সময় এসে মাথায় ভিড় জমায়, তার হিসাব কে রাখে।
শুভ জন্মদিন বাবা :)
১.
লিফটে ওঠার সময় যদি সাথে ঋহান থাকে তাহলে লিফটের বাঁটন প্রেস করার সুযোগ আর কেউ পায় না। ঋহান কখনো অফিসে আসলে... লিফটে অন্য কেউ থাকলে সে যদি কাঙ্খিত বাঁটন প্রেস করে ফেলে... ঋহানের চেহারা দেখলে মনে হয় সারাদিন লিফটেই ঘুরি
। একটা সময় সে শুধু GF প্রেস করতে পারত... এখন সে 5 প্রেস করতে পারে। বিষয়টা আসলে কিছু না... ঋহান ধীরে ধীরে বড় হয়ে যাচ্ছে...
২.
পার্থিব এই জগতে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নির্ধারিত জন্ম মৃত্যু চিরন্তন সত্য। সময়ের পরিক্রমায় আমরা ছোট হতে হতে নিঃশেষ হতে থাকবো... শিশুরা বড় হতে থাকবে... প্রকৃতির অমোঘ নিয়মতো এটাই। আকাশের সাথে প্রতিযোগিতায় ঋহান... আমরা ফিরবো মাটির কাছে... মানতে না চাইলেও এটাই সত্যি।
৩.
নানু বাড়ীর গল্প
ঘুম আসছে না। দুপুরে বৃষ্টি ছিল। ভালো ঘুমিয়েছি। বাড়ীতে বৃষ্টি হলে কোনো টেনশন লাগে না। ভাবা লাগে না যে রাস্তা ঘাট ভেসে গেল নাকি। মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে ভাবনাও আসে না মাথায়। মনে হয় নামছে নামুক না। টিনের চালে ঝপঝপ শব্দ মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনি।দুটো শব্দ আমার খুব প্রিয়, এক আম্মু যখন সেলাই করে সেই মেশিনের শব্দ আর বৃষ্টির শব্দ ঢাকায় আগে যখন এক রুমের বাসায় থাকতাম, মাথার উপরে দীর্ঘ চার বছর ছিল টিনের চাল আর ফল সিলিং। গরমে কষ্ট হতো, কিন্তু বৃষ্টিতে যখন শব্দ শুনতাম কি যে ভালো লাগতো। আর বাড়ীতে ছাদ দেয়ার অবস্থা আমাদের ছিল কিন্তু আমার কারনেই দেয়া হয় নি এক যুগ আগে নতুন করে বাড়ী বানানোর সময়। কারন টিন আমার ভালো লাগে, মাথার উপরে টিন না থাকলে কি আর গ্রামের বাড়ীর ফিলিংটা আসে। আরতি মুখোপাধ্যায়, আমার এককালে কত ভালো লাগার শিল্পী। দেশটিভিতে লাইভ গাইছেন, সেই ভালো আর লাগে না। কারণ উনার বয়স হয়ে গিয়েছে, গলার সেই শার্পনেস
কবিতা: ভীষণ বাজে
আমরাবন্ধু ব্লগে কবিতা পোস্ট করার একটা ছোট্ট সমস্যা আছে। কবিতা বেশি বড় না হলে, পুরোটা বাইরে থেকে দেখা যায়। বিষয়টা আমার কাছে কিছুটা অশ্লীলমতো লাগে। যে কারণে সাধারণত এ ধরনের পোস্টের শুরুতে কিছু অপ্রয়োজনীয় বাক্য জুড়ে, কবিতা ঢেকে রাখার চেষ্টা করি। তো এবার ভেবেছি, কবিতার শানে নুযুলকে এই অংশে অন্তর্ভূক্ত করে দেবো।
তোমার ঘরের আলমারিটার ঝুলন-চাবি আমায় দেবে?
১.
বাংলাদেশ আর দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার শেষ দুইটা ম্যাচ দেখে মনে হলো, আমার ভেতরে ক্রিকেটের প্রতি আগে যে আকর্ষণটা ছিল, সেটা কমতে শুরু করেছে। আজকাল এত হেসেখেলে নিজের দেশকে জিততে দেখলেও সেই আনন্দে ফেটে পড়তে ইচ্ছে করে না, যেটা একসময় মোহাম্মদ রফিককে একটা ছক্কা পিটাতে দেখলে করতো। মুস্তাফিজ-সৌম্যদের চোখ ধাঁধানো বোলিং-ব্যাটিং দেখে সেই উত্তেজনা টের পাই না, যেটা একসময় অনিশ্চিত আফতাবকে ব্যাট হাতে মাঠে নামতে দেখলেই টের পেতাম। তবে নিজের কথা বাদ দিয়ে যদি ভাবি, তাহলে বলতে হবে- বাংলাদেশের খেলা দেখাটা এখন একটা শান্তির উপলক্ষ হয়ে গড়ে উঠেছে। পুড়ে যাওয়া ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাতাসে আমি কি কখনো খুব বেশি সুসংবাদ ভাসতে দেখেছি? রাজাকার কাদের মোল্লা আর কামারুজ্জামানের ফাঁসি এবং ক্রিকেট দলের উন্নতি ছাড়া?
২.
তসলিমা নাসরিনের মেয়েলীপনা
আমাদের দেশের সংস্কারপন্থী মানুষেরা বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েরা অন্য মেয়েদের বিশেষ করে তাদের তুলনায় আপাত আধুনিক বা অগ্রসর মেয়েদের সমালোচনায় ব্যস্ত থাকে। কেমন করে কাপড় পরে, ওড়না কেন গলায় দেয় বুকে না, চুল কেন রঙ করে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিংবা কারো ডিভোর্স হয়ে গেলে কেন মেয়েটি তারপরও হাসিখুশী থাকে, সাজগোঁজ করে অফিসে যায় সবই তাদের আলোচনার কিংবা সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তাদের জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে, কোন মেয়ে যখন একটা আনওয়ান্টেড রিলেশানশীপ থেকে মুক্তি পায় তখন তার কী আনন্দ হওয়া অস্বাভাবিক?
নীরব রাতের ভাবনা
জামালপুরে একটা জিনিসই আমার ভালো লাগে খুব। তা হলো এমন নিশুতি রাত। পিনপতন নিঃস্তব্ধ একা একা একেকটা মুহূর্ত। খুব আনন্দ লাগে এমন রাত গুলোতে জানলার দিকে তাকিয়ে থাকতে। হালকা বাতাস আসে, জানলার পর্দা সরে যায়, ঘুটঘুটে অন্ধকার, শেয়ালের ডাক, খারাপ লাগে না, মনে হয় এই বেশ ভালো আছি। যদিও রোজার দিনে একটু অসুবিধা, রাত দুটা থেকেই হুজুররা মসজিদে চিল্লাচিল্লি শুরু করে দেয়। এখানে অনেকে রাতে রান্না করে খায়, সেই সুবিধার্থে।আমার বিরক্ত লাগে, কিন্তু কিছু করার নাই। হুজুররা বারবার অনুরোধ করে ঘুম থেকে জাগুন, সেহরী খান। এমন একটা ভাব যেন মসজিদ সবাইকে খাওয়াচ্ছে। সময়ের শেষের দিকে শুরু হয় নতুন জিনিস, আহবান জানায়, জলদি খান, এখনি খান, আর মাত্র ১০ মিনিটে না খেলে রোজা রাখতে পারবেন না। হুজুরেরা জানে না যে সেহরী না খেলেও রোজা হয়। সেহরীতে দু বেলার খাবার এক সাথে খাওয়া কোনো ইসলামিক কালচারের অংশ নয়। তবে দেখতে দেখতে রোজাই শেষ।
হ্যাপি বার্থ ডে, মাই ডিয়ার তাতাপু!
অনেকদিন ব্লগ লেখি না। অনেকদিন মানে দু মাস। দুমাসে আমি পোষ্ট সংখ্যা ৩৩০ থেকে হয়তো ৩৫০-৩৬০ লিখে ফেলতে পারতাম। কিন্তু লিখতে ভালো লাগে না আর, লেখার সময় থাকলেও অন্য কাজ করে ভুলে যাই লেখার কথা। আজও যে খুব লিখতে ইচ্ছে করছে বলে লিখছি এমন নয়। লিখছি, পোষ্ট দিবো কারন আজ তানবীরা আপুর জন্মদিন। এই খবর খুব বেশী মানুষ জানার কথা না, আমিও জানতাম না- যদি দু বছর আগে বাসায় হুট করে গিয়ে দেখি কেক কাটা চলছে, তার চাক্ষুষ সাক্ষী না হতাম। এরপর এই দিনটার কথা মনেই রাখা যায়। আমার স্মৃতি শক্তি ভালোই, কোনো কিছু মনে রাখতে চাইলেই তা পারি। আগে আরো পারতাম এখন তা বয়সের কারনে কমেছে। আমি বই মার্ক করে পড়তাম না কখনো, কারন যা মনে রাখতে চাই তা সব না পারলেও বেশীর ভাগই মনে রাখতে পারি। তাই তানবীরা আপার জন্মদিন ২ বছর আগের সেই উপস্থিতির উসিলায় স্মৃতি থেকে মুছে যাই নি। তাই লেখার উপরে চরম অনীহা থাকার পরেও লিখছি কারন জন্মদিনটা তানবীরা আপুর
*শর্ত প্রযোজ্য.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
তুমি ছুঁয়ে দিলেই,
বৃষ্টি।
নাতিশীতোষ্ণ শিহরনে,
এলোমেলো মনে;
রাস্তা ভুল।
আলো আধারির মিশেলে,
নীল নির্জনে;
অজানা সুখের ঘ্রান।
তুমি ছুঁয়ে দিলেই -
রোদ্দুর মনে মেখে,
শেষ বিকেলের আলোয়;
ছায়াময় পথচলা।
মেঘ মেঘ সন্ধ্যার,
হঠাৎ নীরবতা -
আর নিনির্মেষ চুমুকের;
আধ্-কাপ চা-ই থাকুক সাক্ষি।
অগোছালো এলোচুলই,
ভালো মানায়;
আঙুলের ফাঁকে।
ঘোরলাগা জোছনায়,
দিন আর রাত কি?
ভুল ভালোবাসায়,
তুমি ছুঁয়ে দিলেই;
মিলে যাবে অপার্থিব হাহাকার।
অবাক দ্বীর্ঘশ্বাসে,
আলতো হাসিতে;
বুক ভরে দিবে মহাকাল।
বেখেয়ালে,
শুধু একবার;
তুমি ছুঁয়ে দিলেই..।। *
#অযথাই
আমার শুরু এখানে
অদ্ভুতুড়ে মুক্তবাস
-------------------
মাথা বন বন করছে কিছুই যেন চিন্তা করতে পারছিনা।
কিছুতেই কিছু মনে আসতে চাইছেনা,
ঘৃণার সকল স্তর পার করে এসে শুধু করছি হাপিত্যেশ,
মনে করে হাতড়ে খুঁজে ফিরছি এ আমার কোন দেশ।
আমার গর্ব, আমার অহংকারের একি সর্বনাশ-
পারছিনা বেরোতে, পারছিনা কিছুই, শুধু ধুঁকে ধুঁকে বসবাস!
মানি নাকো অনিয়ম, মানবিনা বলেছেন বড় কর্তা,
না না কেউ হারেনি, হেরেছি আমরা, হেরেছে আমার সত্তা-
অপমানে আঘাতে মহান মুক্তিযোদ্ধার আত্মহত্যা।
--মহান মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব খান এর স্মরণে
আরও কবিতা
Federico García Lorca যখন Madrigals নামের একটা কবিতা লিখেছিলেন, তখন নিশ্চয়ই আমি সেই রেস্তোরাঁর কাজ করতাম, লরকা যেখানে আসতো মাঝে সাঁঝে। আজ সেই কবিতাটা হাতে পেয়ে এক ধরণের অনুবাদকের ভূমিকা পালন করলাম।
ছিন্ন পদ্য
১
তোমার কথারা
সুরেলা ঢেউয়ের মত
আমার প্রাণে।
চুম্বনেরা
উড়ন্ত পাখির মত
আমার ঠোঁটে।
তোমার শরীর
বিকেলের ঝর্ণার মত
আমার খয়েরী চোখে।
২
আমি আবদ্ধ
তোমার বৃত্তে।
অপশক্তির মত
দুঃস্বপ্নের আংটি
আমার আঙুলে।
প্রিয়তমা!
এখনও ডুবে যাইনি,
ভেসেও উঠিনি।
( অনুবাদ করা হলে কবিতার আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না । )
ফাও খাওয়া!
"ফাও খাওয়া" এই শব্দটির সাথে প্রথম পরিচয় হয় ভার্সিটিতে এসে। রাজনৈতিক দলের পাণ্ডারা ফাও খেয়ে থাকেন। সবাই ফাও খায় না তবে অসংখ্য পাতি নেতারা ফাও খেয়ে থাকে। নেতা হয়ে যাওয়ার পর নিজে ফাও না খেলেও নিজের গ্রুপ বা দলের নবাগত মাস্তানদের ফাও খাওয়ার সুযোগ করে দেন। দুই দিন আগে তিতুমীর কলেজের ছেলেরা ফাও খাবারের জের ধরে দোকান মালিকদের সাথে মারামারি করে অতঃপর তারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা ৩০টি গাড়ি ভাংচুর করে নিজেদের মাথা ঠাণ্ডা করে। শুধু তিতুমীর নয় রাজনৈতিক দলের নেতারা বাংলাদেশের সকল প্রতিষ্ঠানগুলোতে এমন কাজ করে থাকে। ঢাকা কলেজের সামনে, নীলক্ষেতের মারামারি বেশির ভাগ সময় এই ফাও খাওয়াকে কেন্দ্র করে হয়ে থাকে। এখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় তাই ছাত্র লীগ ফাও খাচ্ছে! বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় ছাত্র দল ফাও খেয়েছিল। এটা আমাদের দেশে রাজনৈতিক অপসংস্কৃতির অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
গান গুলো মোর
আমার বাবা ছিলেন পল্লী গীতির স্রোতা, আর শুনতেন পুরুনো দিনের হিন্দি বা উর্দু ছবির গান (সাদা কালো যুগের)। কবি গান, বাউলদের গান, যাত্রা, নাটক, সিনেমার প্রতি ছিল তার দুর্নিবার আকর্ষণ।।।। অন্য দিকে আমার ছোট মামা ছিল পশ্চিম বাংলার নতুন- পুরনো আধুনিক গানের । ভক্ত। বাংলাদেশের আব্দুল জব্বার ছিল তার প্রিয় শিল্পী। আমার মামা র ও যে মামা ছিল একজন, যে প্রায় তার বয়সী বা তার চেয়ে কিছু বড়, সে ও ছিল গানের পোকা। তাদের মাথায় উঠলো তারা গান শিখবে। গ্রামে তো আর ওস্তাদ নেই। কোথা থেকে যেন একটা হারমনিয়াম কিনে নিয়ে এলো। এখন এই হারমোনিয়াম নিয়ে তারা কোথায় রাখবে? আমার মামার নানারা হলেন মোল্লা বাড়ির মানুষ। মোল্লা বাড়ির ছেলে গান বাজনা করে বেড়াবে। তার সাথে আবার ভাগনাকে নষ্ট করবে।!