ইউজার লগইন
ব্লগ
মিষ্টি কেনার টাকা নেই, তাই....
**পোস্টটি দুদিন আগের। সময়মতো দিতে পারিনি বলে দুঃখিত।***
[sb]এটি একটি কপি পেস্ট পোস্ট.....[/sb]
ব্লগে, পেপারে, নিউজে দেখলাম প্রচুর জিপিএ৫ পাওয়া পরীক্ষার্থী তাদের আনন্দ শেয়ার করছেন। ভালো লাগে। কারো আনন্দে শামিল হতে পারাটা কম ভাগ্যের ব্যাপার নয়।
আনন্দ বেদনার কাব্য
খুব ছোট করে দুইটি অনুভূতির কথা বলে আমারা বন্ধু ব্লগে আমার বিচরন শুরু করছি। আমি ব্লগে লেখা লেখি শুরু করেছি একবছরের বেশি হয়েছে। আমরা বন্ধু ব্লগটির নাম শুনবার পর থেকেই ইচ্ছা হয়েছে আমি এই ব্লগে লিখব। আজ আমি আমরা বন্ধু ব্লগে লিখবার সুযোগ পেয়েছি। এটা আমার মত অভাজনের জন্য একটি বড় সুখ সংবাদ।
আমারে আর ফায় খে ??
আমী এখঠা নথুন দরনের ভানান ফদ্ধথি ছালু খরথে ছাই।
ছিন্থা খরে ধেকলাম, শভাই শভ দরনের ফোশ্ট ধেয়...
আমার অথ গেন নাই। থাই নথুন এই বাশার মাদ্যমে
লেকথে ছাই...
বুল থ্রুঠি হইলে নিজ ঘুনে ক্ষমা খরে ধিভেন।
আমি লেকতে ছাই, ভঢ় দরনের লেকখ হইতে আষা
রাকি। নথুন এই বাশাঠা একভার ছালু খরথে ফারলে
আমারে আর ফায় খে ??
পাঁচ পরহেজগার ব্যক্তির গল্প (শেষ অংশ)
ইহুদীর গৃহে আশ্রয়ের প্রশ্নে ঈমানী জোশ আর তাকতের কারণে উত্তেজিত মুসাফিরগণ ক্লান্তি ভুলিয়া যথেষ্ট পরিমাণ তর্কে লিপ্ত হইলেও, আশ্রয় লইবার সিদ্ধান্তে উপনীত হইবার পর প্রথম তাহারা অনুধাবন করিতে সক্ষম হইলো যে কিরূপ ভয়াবহমাত্রার ক্লান্তিতে তাহারা আচ্ছন্ন হইয়া পড়িয়াছে। বস্তুতঃ মরূর বুকে খাদ্য এবং পানীয়বিহীন অবস্থায় অনবরত তিন রাত্রি আর চারদিবস ধরিয়া পথচলার ফলে তাহাদের কেহ যদি মৃত্যুর কোলেও ঢলিয়া পড়িত তাহাতেও
অভিনন্দন তোমাদের :: এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা ছোট্ট বন্ধুরা
শুধু আমি নয়... আমাদের অনেকের জীবনের সবচাইতে বড় পরীক্ষাটাই ছিল এসএসসি। প্রথম সার্টিফিকেশন এক্সাম। আর কোন এক্সামের কথা এত পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মনে নাই। বাসার সব্বাইকে ছালাম করে হলের দিকে রওনা দিয়েছিলাম। সাথে মসজীদের হুজুরের দেয়া তাবিজ ডান হাতে বেধে দেয়া ;)। আম্মা গিয়ে ছিলেন সাথে। এক্সাম শেষে সাথে করে আবার নিয়েও এসেছেন। মনে হইতে ছিল নয়া...
পলকবিহীন
যখন তুমি দাঁড়াও এসে বারান্দায়
সামনে তোমার টলোমলো দীঘির জল
গালেতে হাত দিয়ে ভাব আনমনে
তখন আমার বুকে শুধু ছলাৎ ছল্।
কেউ জানে না আমার মনে কী তখন
জানে আমার পলকবিহীন দুই নয়ন।
মাঝে মাঝে দাঁড়াও তুমি অনেকক্ষণ
মাঝে মাঝে একটু থেকেই যাও চলে
ঠান্ডা বাতাস ঝিরি ঝিরি যায় বয়ে
বলতে থাকে তোমার কথাই সারাক্ষণ।
খুঁজতে থাকি কোথায় থামে তোমার মন
অবুঝ আমার পলকবিহীন দুই নয়ন।
যখন তুমি হাঁটছ ছাদে আলতো পায়
প্রথম দেখা লেটেষ্ট কম্পিউটার
আশির দশকের দ্বিতীয়ার্ধে প্রথমবারের মতো শুনতে পাই কম্পিউটার নামক আজব বস্তুটার কথা। এই যাদুকরী বাক্সটিতে নাকি হেন কিছু নাই পাওয়া যায় না। তখনো সচক্ষে কোন কম্পিউটার দেখিনি। কেবল শুনে শুনেই গপ্পো করি। টিভিতে তখন নাইট রাইডার সিরিজ চলছিল। গাড়ীর সাথে কথা বলে নাইট রাইডারের নায়ক মাইক। সকল প্রশ্নের উত্তর দেবার এবং তার সকল ক্ষমতার উৎস এই গাড়ীটা। আমার ধারনা হয় মাইক তার গাড়ীকে যেভাবে হুকুম দিয়ে চালায়, কম্পিউটার
জাকির তালুকদারের মুসলমান দর্শন-মুসলমানমঙ্গল উপন্যাসের পাঠ থেকে।
একটা উপন্যাসের নাম মুসলমানমঙ্গল-লেখক জাকির তালুকদার। আগ্রহী হইলাম নাম শুইনা। জাকির তালুকদারের আলাপ সালাপ কিছু শোনা আছে, লেখাপত্রও পড়ছি কিছু। তাছাড়া মুসলমানমঙ্গল নামটা উপন্যাসের নাম হিসেবে দারুন পছন্দ হইছে। বার কয়েক কেনার চেষ্টা কইরাও পারলাম না। এইবারের বই মেলা থেকে কিনলাম। পড়তে শুরু করলাম, আর প্রচন্ড রকম বিরক্ত হইলাম। প্রথমত গ্রন্থখানাকে উপন্যাস বলিবার কোন সুযোগ আমি
কদু’তে মধু!
গত ক’দিন ধরে আমরা ক’জন অফিসার,
কাজ করছি, বসাবো একটা হেল্প সেন্টার।
নিয়ম অনুযাযী নানা কসরত করা হ্ল,
ঢাকার নানা মুখি এক্সপার্ট ডাকা গেল।
একে একে চলছে- মহডা, নানাবিধ কথামালা
প্রজেক্টরে চলছে অনলাইন দেমো।
আমরা শিখছি, আর জানছি কত কি
টেকনিক্যাল কথায় আমরা এখন হিরো!
নুতন একটা কোম্পানির মিটিং, আজ শেষ দিন
কোম্পানির উপদেস্টা হিসাবে এলেন তিনি!
বন্ধু তোদের............
আমার ব্লগিং জীবন দুই বা আড়াই মাসের অন্যমানুষ হিসেবে আমার ব্লগে।বন্ধু মুক্ত বয়ানের সাথে থাকার লোভ সামলাতে না পেরে আমরা বন্ধুতে অনুপ্রবেশ।এমন এক সময়ে এ প্রবেশ যখন আর দিন সাতেক পর আমার শেষ সেমিস্টার ফাইনাল।আনুষ্ঠানিক ছাত্রজীবনে বাজছে বিদায়ের বাঁশি।হারিয়ে যাবে এ জীবন থেকে আমার অনেক বন্ধুরা।দেখা হবেনা অনেকের সাথে আর কখনও।আমি এ পর্যন্ত যত পোস্ট দিয়েছই তার সবই আগে লিখেছি তারপর শিরোনাম দিয়েছি ...।এ প্রথম
হঠাৎ বৃষ্টি
অফিসের কাজ নিয়ে চরম ব্যস্ততা ছিল গত কিছুদিন। এই ব্যস্ততা সামাল দিতে গিয়ে শুক্রবারে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে, ফলে মাসখানেক কোন আড্ডা নাই , কারো সাথে দেখা নাই। এর মাঝেই নজরুল ভাই আর নুপুরের ফ্ল্যাটে একদিন আড্ডা দিলাম, গত এক মাসে নিজের ও অফিসের কাজের মধ্যে ঐটাই ছিল আড্ডা বা বন্ধুদের সাথে দেখা।
ছোট্ট মেয়ে
---------------------------
---------------------------
আঁধার ঘরে কালো, একা ছোট্ট আমি মেয়ে
চারপাশেতে শুধুই আঁধার।
অল্প একটু আলো আসে, জানালাটার ফাঁকে
রেলিং গ'লে-- বাইরে আমার দু'চোখ চেয়ে থাকে ---
দিন যে কাটে, রাত যে কাটে চারপাশের এই অন্ধকারে
জানিনা তো কবে হবে শেষ।
শুধু জানি--- থামতে যে নেই
চলে যাওয়া, ঘিরে থাকা, এগিয়ে যাওয়া মানেই
জীবন নামের দেশ।।
----------------------------
nnnnn
সে অনেক কাল আগের কথা প্রজা বৎসল রাজা অস্বপতির ঘর আলো করে ছিলো এক অনন্য ষুন্দর, বিদূষী ও সাহসি রাজকন্যা সাবিত্রী, তার চারিত্রিক দৃরতা, আত্মবিশ্বাস ও স্বাধিনচেতা মানসিকতা তার সৌন্দর্য্য কে অন্য এক মাত্রা দিয়েছিলো। রাজ কন্যার কহ্যাতি ছড়িয়ে পরলো নিজ রাজ্যর গণ্ডি ছাড়িয়ে আরো অনেক দূরে । লহজলজ কজগলক কূঘলক কজগল কহলজ কজঘলকঝ লহজলজ লকহলজ কঝলজ হজ;লজ লজ;জ লকজল;কজ ;জ;ক;লজ ;কজকজ ;লজক জ;জ লকহলজ
কৃতজ্ঞতা প্রকাশের অন্যরকম ঝক্কি ......!!!
আজকাল যদিও লেখা লিখি তেমন আর হয়ে ওঠে না , তবুও কদিন আগে নাজ আপুর জ্যাকেট মালিকের কাহিনী পড়ে মনে হলো নিজেও দু লাইন লিখে ফেলি ...
কথিকা-নো টেনশন
আজ সকালে ঘুম ভাংছে একটা খারাপ স্বপ্ন দেখে..কথিকা কাদছে আর আমি বলছি ব্যাপার না।।ও বলছে ব্যাপার। আমি পরীক্ষায় ফেল করেছি।আতকে উঠে আবার ওপাশ হইয়ে ঘুমালাম তারপর আবার স্বপ্ন দেখি ও গোল্ডেন এ প্লাস পায়ছে...
ক্লাস থেকে এসে বাসায় ফোনদিলাম আম্মাকে জিজ্ঞাসা করলাম ওর ভাব সাব কি??আম্মা কয় যথারীতি আছে... নো টেনশন মুডে। কেমনে পারে এইসব? আমার নিজেরই হাত পা শুকিয়ে আসতেছে আর ও বলে নো টেনশন মুডে আছে...এই হলো আমাদের কথিকা আমার একমাত্র ছোটবোন কথিকা...কাল ওর এস এস সি এর রেজাল্ট...