ইউজার লগইন
ব্লগ
সিনেমা দেখচক্র : ইন দ্য হিট অব দ্য নাইট ও সিডনি পয়েটিয়র
নজরুলের প্রস্তাবটা মানলাম। অনেকে দেখলাম সমর্থনও করেছে। সিনেমা দেখচক্র। আসুন, তাহলে শুরু করি।
আর্জেন্টিনা না ব্রাজিল?
কদিন পরেই শুরু হয়ে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবল। সারাবিশ্বে বিশ্বকাপ ফুটবলের মতো জনপ্রিয় ইভেন্ট আর একটাও নাই। এমনকি অলিম্পিকও না।
ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপ ভাইরাস হানা দিয়েছে মানুষের মনে মনে। পত্রিকার খেলার পাতাগুলো এখন বিশ্বকাপময়। দর্জির সেলাই করছে নানান দেশের পতাকা। আড্ডাগুলো এখন বিতর্ক হয়ে গেছে।
ব্রাজিল না আর্জেন্টিনা? মেসি না রোনালদো? এই নিয়ে তর্ক চলছেই।
মা দিবসের eপুস্তক...
ব্লগারদের আগ্রহের কারণে আজ থেকে ব্লগারদের অংশগ্রহণে ইতিমধ্যেই প্রকাশিত eপুস্তক থেকে প্রত্যেকটি গল্প এই পুস্তক নিকে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করা হবে।
এ পর্যন্ত আমরাবন্ধু ব্লগের ব্লগারদের সমন্বয়ে তিনটি eপুস্তক প্রকাশ হয়েছে।
১. স্বপ্নের বাংলাদেশ
২. স্মৃতির পহেলা বৈশাখ
৩. মায়াবতী আমার মা
কি করে তার কাছে যাই?
বুকের গহীনে ঝরণা তলায়
কে যেন গায় কাঁচ ভাঙ্গা গান
তার কাঁখের কলসের ঠম ঠম ঠুমরিতে
উড়ে উড়ে যায় অন্ধকারের চাঁদে ভেজা
ঘুম ঘুম মেঘ।
আমি ইট তোলা দেওয়ালের ভাঙ্গাচোড়া
নকশায় সে গানের সুর খুলে খুলে
দুঃখ ফুলে পথ সাজাই-
সে যদি আসে।
উদাসী শাড়ির ভাঁজে ভাঁজে
গাঢ় উষ্ণতা জমিয়ে রাখি
সে যদি জল নিয়ে ফেরে,
আমি তার গাঢ় অপেক্ষায় থাকি।
আমি ফিনিক্স পাখির মত বেঁচে থাকি
নিয়তি কি বদলানো যায়?
শূন্যে তড়িৎ পাখা মৃদু কান্নায় বেদনা ছড়ায়।
আমি অন্ধকারের ফোঁকড় গলে টেনে নেই ম্লান জোৎস্নার অলস ঘ্রাণ
মাঝ রাতে আমার চোখের ভেতর
ডানা ঝাপটায় থোকা থোকা শূন্যতা ।
সে কি ভুলে গেছে?
আমার দিন যায় রাত্রি যায়
আমি অরুন্ধুতি তারার বুকের ওমে
অপেক্ষা করি
এই পথে সে গিয়েছে কি?
তার অস্তিত্ব থেকে
খুঁজে নেই বেঁচে থাকার একবিন্দু নাকছাবি।
গান তার বড় প্রিয়।
হাতে আমার বিরহী বাঁশি
সে বাঁশির নৈশব্দকে
হরণ করে
আরও একটি প্রেমের কবিতা
তাই নিঃশ্বাসের সাথে নিকোটিন মিশিয়ে
সে যখন প্রকৃতিতে দুষন ডেকে আনলো
তখনও নিশ্চুপ ছিলাম।
আমি নিরবতায় অভ্যস্ত।
এই যে এক খন্ড কাপড় দেখছো লাল সবুজের
সেখানে আমার হৃদয় মিশিয়ে রাখিনি।
এই যে স্মৃতির মিনারে সহস্র ফুলের বর্ষা দেখছো
সেখানে আমি বৃষ্টি ঝরাইনি।
মন আমার প্রেয়সির আঁচলে বাঁধা
আর তাই সাড়ে সাত হাজার বর্গমাইল
বুটের আঘাতে বিক্ষত হলে
আমি বিদ্রোহী হয়ে উঠিনি।
ব্লগর ব্লগর............
অনেকদিন ধরেই ভাবছি কিছু লিখবো কিন্তু কি লিখবো বুঝতে পারছি না। ঠিক কাগজে কলমে লেখা না, টাইপ করা। ব্লগ খুলি, লেখা পড়ি , লিখতে বসি, মাথায় কিছু আসে না , বন্ধ করে দেই ব্লগের খাতা।
কি লিখবো ? কি নিয়ে লিখবো ? রাজনীতি ? পঁচা দুর্গন্ধযুক্ত নিয়ে কিছু লিখতে ইচ্ছা করেনা। মেধা, সময় ও শ্রমের অযথা নষ্ট ।
আহা, আজি এ বসন্তে
এক ঝড়ের রাতের কথা।
পলাশীর মোড়ে আগে একটা ছাপড়া মতো বাজার ছিল। বুয়েটের টিচারদের ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন থেকে একটা বহুতল মার্কেট বানাবে, তাই বাজারটা উঠায় দেয়া হল। পাশেই বুয়েটের নতুন ক্যাম্পাস। সাময়িক ভাবে তার পেছনে একটা জায়গায় বাজার তৈরি করে দেয়া হয়েছে। আধাপাকা দালান আছে কিছু। উপরে টিন, দেয়াল ইট-সিমেন্টের মিশেলে গড়া। পলাশীর সেই পুরনো ফটোকপি মেশিনগুলো রাখা সেখানে, বুয়েটের বিখ্যাত চোথাশিল্পের সূতিকাগার বলা যায়।
যাই হোক, যা বলছিলাম...এক ঝড়ের রাতের কথা।
সহজ কথা
রবি ঠাকুর বলেছিলেনঃ
সহজ কথা কইতে আমায় কহ যে, সহজ কথা যায়না বলা সহজে।
আসলেই তাই।
কত সমস্যা, কত ছোটো ছোটো অব্যক্ত বেদনার কথা বলতে চাই, কিন্তু ঠোঁটের কোণায় এসেও আবার ফিরে যায় সেগুলো, চুপ হয়ে যাই।
ভালো লাগে না।
চাকরির অনিশ্চয়তা আমাকে ভীষণভাবে বিক্ষিপ্ত করে দিচ্ছে।
ভয়ঙ্কর নিঃসঙ্গ লাগে নিজেকে আজকাল।
কী হবে, ভবিষ্যতে কী আছে, জানিনা।
শুভ জন্মদিন রন !
"রনি" অরফে “রন”- এই ছেলেটাকে এই ব্লগের কম বেশি সবার-ই চেনা’র কথা।
আজ যে নাম এর বদৌলতে আমরা এই ব্লগ দুনিয়া’য় দাপোটের সাথে চলি, এই “আমরা বন্ধু” নামটি যে ছেলেটির মাথা থেকে এসেছে, আমি তার কথা বলছি।
ভেতর-বাহির (দ্বাদশ পর্ব)
ঐ নাটকটা সবার দেখা উচিৎ ছিল, এমনই মনে হয়েছিল নাট্যশালা থেকে বের হতে হতে। কিন্তু ভুলটা পরক্ষণেই বুছতে পারি...ওটা মানে গন্ডার তুল্য আমরা সকলে এমনেতেই হযে উঠেছি, দেখেও তাই কোন ভাবগত লাভ হবে না। গতসন্ধ্যায় বউ আর আমি শিল্পকলায় ফরাসী নাট্য উৎসবের ”গন্ডার” (a translation of “The Rhinoceros” by Eugene Ionesco, http://www.levity.com/corduroy/ionesco.htm) নাটকটি দেখতে গিয়েছিলাম। অসাধারন। প্রাচ্য নাট্যদলের
ফুটবল: খেলার চেয়ে লেখা উত্তম
ফুটবল হইলো গরীবদের খেলা।
বাইশজন বেকুব, লগে আবার তিন রাম বেকুব মাঠে দৌড়ায় মাত্র একটা বল নিয়া। সেইটা দেখনের লাইগ্গা স্টেডিয়ামে যায় আবার হাজার হাজার বেকুবে।
কোনো মানে হয়?
শুনতেছি কয়দিন পরে নাকি বিশ্বকাপ ফুটবল। সারা বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ সামান্য একটা বল দখলের জন্য কত্তো পেরেশান। বেকুবগুলা আমগো দেশের নেতাগো দেইখাও শিখে না কিছু। নেতারা জমি দখল করে, নদী দখল করে, চর দখল করে... তারপর খায় ধরা।
যা দেখছি, যা পড়ছি, যা শুনছি (ভার্সন মে '১০)
যা দেখছি-
অনেক বছর আগে "The Fabulous Destiny of Amelie Poulain" সিনেমাটা দেখে অবাক হয়ে চিন্তায় বসে ভেবেছিলাম, এমন শৈল্পিক ভাবে পর্যায়ক্রমে দৃশ্যপট এনে এত সুন্দর উপস্থাপনা কিভাবে সম্ভব!!!!
সেই দুর্দান্ত অভিনেত্রী Audrey Tautou, সেই দুর্দান্ত পরিচালক Jean-Pierre Jeunet এর আরেক সিনেমা 'A Very Long Engagement' নেট থেকে নামিয়ে দেখা শুরু করেছি।
obosthar poriborton chai...
আবজাব
প্রিয় ঈশ্বর
বহুদিন তোমাকে ডাকি না। এইসব বয়ে চলা জীবনের ব্যস্ততায় পাশের মানুষটির মৃতদেহ মাড়িয়ে চলে যাই, পিছন ফিরে একটু দীর্ঘশ্বাস ফেলার সময় মেলে না। আর তুমিতো রয়েছো কত দূরে, সাত আকাশের ওপাশের অদেখা স্বর্গে, যেখানে আমাদেরও থাকার কথা ছিল, যেখান থেকে আমাদের তাড়িয়ে দিয়েছ।
আমি, তুমি, সে
২০০৬ সালের শুরুতে যখন রইন্যা আমরা বন্ধু তে ঢুকালো, তখন ভাবতেই পারিনি আমার জীবনের মোড় কোনদিকে যাবে কিনবা আমার জীবনটা আদৌ আমার থাকবে কিনা। আমরা বন্ধু তে ঢুকতেই এক চরম ফাউল লোক আমারে স্বাগতম জানালো। যাইহোক তখন আমার স্নাতক পরীক্ষা শেষ। হাতে অফুরন্ত সময়।সারা দিনরাত নেটেই পইরা থাকি। এখানে অইখানে উকিঝুকি মারি আর এবির হাজার হাজার মেইল পড়ি। খুব অল্প সময়েই নিজেকে মানিয়ে নিলাম এবির হাজারো মেইলের সাথে, আমি এব