ইউজার লগইন
ব্লগ
মেঘ পিওনের ব্যাগের ভিতর
শীতের তীব্রতা কেটে গেলে আমরা স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলের লোকেরা গুহা থেকে মাথা বের করি। দেখি আহা নীল আকাশ কতো ব্ল, ফুলের কতো রঙ, প্রজাপতির কতো ঢঙ। মাঝে মাঝে আবার এসব রঙ - ঢঙ দেখার জন্য পকেটের পয়সা খরচ করে ইতি উতিও যাই। আজকে এসব ইতি উতি ঘুরার কিছু নমুনা পেশ করবো। এবারের ইতি উতি হলো, বেলজিয়ামের আরডেন। Dochamps & Durbuy. আমার নতুন কেনা Lumix এর সৌজন্যে।
বলেন কি করি!
ব্লগে আমি নতুন। এটা নিয়ে তাই আমার ব্যাপক উত্তেজনা। ভাবছি টুকটাক করে লিখতে থাকবো..কিন্তু সেটার একটা নাম তো দেয়া চাই..! টুকটাক লেখার নাম। গল্প বা অন্য কিছু নয়। কিন্তু ঝামেলা হলো, এই অধমের মাথায় কোন নামই বজ্রপাতের মতো গর্জন করছে না। ওদিকে হাতও নিশপিশ করছে..নজরুল ভাই-এর সাগরেদ বলে কথা..এতো মানুষের সাথে মিশি..কতো ঘটনাই তো জমা হয়..কিছু কিছু শেয়ার করতে পারলে মন্দ হতোনা..আপনারাই উপায় বলে দেন..
ttOttএকটা খোলা চিঠি...
আমি তো কখনো কার পিছুটান হতে চাই নি । তার পরেও যখন পিছুটান বলেছো তাও মেনে নিয়েছি। কোনো প্রতিবাদ করিনি। কারন প্রতিবাদ করার মত ভাষা আজ আর আমার জানা নেই। আমি তো কখনো বলছি না তুমি বা তোমরা আমার পিছুটান হয়ে আছ। কাও কে কোনো দোষারোপ ও করছি না । তুমি ভাল থাকতে চেয়েছো, তোমার চাওয়া, পাওয়া পুরন করতে চেয়েছো , আর তার জন্য যাকে তোমার যোগ্য ভেবে নিয়েছো তার সাথেই তো আছ আজ। আমি তো কোন প্রশ্ন করিনি। কারন জানতে চেয়েও জানি কোনো উত্তর পাব না। তাই আর জিজ্ঞাসা করিনি। আমি তো এখন আর তোমার কথা জানতে চাই না। না তোমার কাছে না অন্য কারো কাছে থেকে।
আমি তো তোমাকে , তোমাদের কে তোমাদের মত থাকতে দিয়েছি। তাহলে আমাকে কেন আমার মত করে থাকতে দিচ্ছ না। তোমাদের সমস্যা টা কোথায়। তোমরা তোমাদের মত করে থাকতে চেয়েছো আমি তো না করিনি। কোন বাধা ও দেই নি, বা চলার পথে কাঁটা হয়েও থাকি নি কারো। দয়া করে আমাকে আমার মত করে থাকতে দাও। অতীত কে তার জায়গায় থাকতে দাও। তা বর্তমানে টেনে এনে অযথা আর ঝামেলা করো না।
আমরা বন্ধু ! আমরা আড্ডাও দেই!
ফাটাফাটি একটা আড্ডা হয়েছিলো গতকাল নজরুল ভাই এর বাসায় । আড্ডা হলেই আমি নানান ঝামেলায় আটকে পড়ি। এবারে ভাগ্য ভালো ছিলো । তাই যেতে পেরেছিলাম । যারা যেতে পারেন নি তারা বিশাল মিস করেছেন!
প্রায় ১৭/১৮ ব্লগার গিয়েছিলেন এই আড্ডায় । আড্ডার মধ্যমণি কিন্তু এমন একজন ছিলেন যিনি আড্ডায় ছিলেন না! যার কবিতা নিয়ে সবাই মুখোমুখি ঝাপাঝাপি করেছেন!
আমার ব্লগের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানাই...
আজ আমার ব্লগের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী.. আমরা বন্ধু ব্লগের ব্লগারদের পক্ষ থেকে আমার ব্লগ, ব্লগার এবং ব্লগের পেছনে শ্রম দিয়ে যাওয়া মানুষগুলোকে অভিনন্দন। সময়ের প্রয়োজনে বিভিন্ন ইস্যুত নতুন নতুন ব্লগের আবির্ভাব ঘটবে। কারো সাথে বৈরীতা নয়… আমরা বন্ধু সব সময় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল ব্লগের সাথে সহবস্থানে বিশ্বাসী… বন্ধুত্বে বিশ্বাসী।
কীভাবে আপনি আজিমপুর থেকে মগবাজার যাইবেন
আপনি আজিমপুর থেকে মগবাজার যাবেন ? নো প্রব্লেম ! প্রথমে সিদ্ধান্ত নিন, আপনার বাহন কী হবে ? সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন, গুড ! দাম-টাম ঠিক না করেই রিকশায় চেপেছেন ? তাতেও সমস্যা নেই। রিকশা চলতে শুরু করলো। আপনাকে একা পেয়ে রিকশাওয়ালা বেশ জোরেই পেডেল মারছে। আপনি চিন্তিত ? নো চিন্তা।
শিরোনামহীন : অর্ধসমাপ্ত

মনে করো , আমি যদি আমি না হতাম....
তবে কি আমায় ভালোবাসতে?
আমি ছিলাম মুক্ত বিহঙ্গের মতো...
খারাপ মেয়ের খোঁজে
মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে একটা খারাপ মেয়ের গল্প লিখি।
কিন্তু বিষম একটা সমস্যায় পড়ে যাই। বারবারই।
খারাপ মেয়ে মানেটা যে কী, সেটা ঠিক ধরে উঠতে পারিনা।
ছোটবেলায় ব্যাপারগুলো অনেক সহজ ছিলো। এই যেমন ধরি, দুধ না খেলে খারাপ মেয়ে, চুল আঁচড়ে না বাঁধলে, দাঁত না মেজে দাঁতে পোকা হলে, ঝগড়াঝাঁটি করলে, পুতুল খেলায় খামচাখামচি করলে - এগুলোকে অনায়াসেই খারাপ মেয়ের বৈশিষ্ট্য বলে চালিয়ে দেয়া যেতো।
| সৃষ্টিতে যাপনে কথাশিল্পী মাহবুব-উল আলম |
আদুরির শব্দকঙ্কাল : পুনঃপাঠ : পর্ব এক ও দুই এক সঙ্গে
পাগল ছাগলের পাল্লায় পড়লে যা হয়। সময়টা গোল্লায় যাচ্ছে। ভাবনা আসছে। লিখতে বসছি। কিন্তু তখনি ব্যা ব্যা ডাক। লেখালেখি বাদ। এরকম করে হয় না। পিছিয়ে পড়ছি বারবার। আর নিজেরও কিছু ফালতু আবেগ আছে। গ্রাম গ্রাম ভাব পুষে রাখলে যা হয় আর কি। আবার শুরু করা যাক আমার বন্ধুতে যদি এডমিন পারমিশন দেন--
সহজ কথা
১
আমার মনের ভালোলাগাগুলো খারাপলাগার মতই নড়বড়ে।
খোলা হাওয়া, দম্কা বাতাস অনেককিছুই তাকে নাড়িয়ে বেড়ায়, তাড়িয়ে বেড়ায়।
তাই ভাবছি কী লিখি, কী লিখি।
ব্লগ মানে সবার কাছে যে রকম দরজা জানালা খোলা হুট করে ঢুকে পড়া অন্দরমহল, আমার কাছে সেটা একটা না হোক একটুখানি অসোয়াস্তি মত লাগে।
সবাই শুধু জানতে চায় সব অন্দরকার কিছু।
কয়েকটি পাখির ডাক ও অন্যান্য
আজ রাতে কয়েকটি পাখির ডাক শোনা যাবে তোমাদের তেমাথায়। সেখানে একটি গর্তের ভেতরে লুকানো রয়েছে আধেক গোধূলী রঙ। আজ রাতে গোধূলী দেখবেন যাঁরা, তাঁদের স্মৃতিমালা রক্ষিত হবে প্রতি শতকের রৌদ্রতম দিনে। অধরা, অদৃশ্য হ্যাঙ্গারে ঝুলে আছি - আমায় শুষে নেবে শীতল আলখেল্লার গভীর কালো রঙ। নিঃশব্দে।।
গুলনাহার সাহাবউদ্দিন নামা
১।
একটা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে
কুটকে বসে আছি এক কোনার সোফায়।
পত্রিকা পড়ছিলাম, আশে পাশে খেয়াল নেই
হঠাৎ ছুঁড়ির শব্দে পত্রিকা থেকে দুইচোখ সামনাসামনি-
একটা গাত্তা মেয়ে বসে আছে
ভীষন রিস্টপুস্ট দেহ, গোলগাল মুখ, চোখে মায়াবি হাসি,
ছুঁড়ি গুনছিলেন, দুই হাতে মেহেদির উল্কি,
সাজগোজ আহামারি নয়, আমার দিকে নজর নেই।
আমার শরীর স্থির, মন অস্থির হলো
নেড়ে চেড়ে বসি আমি- সেই আমাদের প্রথম চোখাচুখি।
আমি বিবাহিত, বিবাহের আঠার বছর কদিন আগে হয়েছে-
কিন্ত এ প্রথম মনে হল আমার অনেক কিছু বাকি!
জন্মদিনের কেক কাটা হল
সারাঘর ভর্ত্তি লোকজন, এখানে ওখানে জটলা
সবাই ব্যস্ত একে ওকে নিয়ে, আমার দুই চোখে শুধুই সে
আমি তাকেই খেয়াল রাখছি, সেও আমাকে!!
কেমন যেন তার ভাব, সে কি আমার প্রসঙ্গে জানে আগে!
নাকি ধরে নিচ্ছে - একটা নুতন প্রেম পাগলা!
তার চোখের ভাষায় আমি খই হারাছি - বসে ভাবছি,
আমার বাপের মৃত্যু- জানা অজানায় করা পাপের শাস্তি
১.
আমি হচ্ছি আমার বাপ মায়ের তিন নম্বর বাচ্চা। ছাগল হতে হতে মানুষ হয়ে জন্মানো, এই যা।..কারণ ভাই মায়ের ফেভারিট আর বোন হলো বাপের আদরের। আমি সবসময়ই ছিলাম ত্রৈধ বিন্দু অবস্থানে। কেউ কি বিশ্বাস করবেন? আমি ভিষণ চুপচাপ ছিলাম..একা থাকতে পছন্দ করতাম..অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এখনও আমি একা থাকতে পছন্দ করি।
২
কবিতারা
মাঝে মধ্যে কবিতায় পায় আমাকে। সেল্ফ থেকে কবিতার বই বার করি, বার বার পড়া কবিতা বার বার পড়ি। উপন্যাস বা প্রবন্ধ বারবার পড়া যায় না। কবিতা যায়।
আঞ্চলিক ভাষায় লেখা কবিতা কেমন লাগে? আমি তো মুগ্ধ হয়ে পড়ি।
কাকে দিয়ে শুরু করবো? সৈয়দ শামসুল হক?
জামার ভিতর থিকা যাদুমন্ত্রে বারায় ডাহুক,
চুলের ভিতর থিকা আকবর বাদশার মোহর,
মানুষ বেকুব চুপ, হাটবারে সকলে দেখুক
