ইউজার লগইন
ব্লগ
স্মৃতি বড় উচ্ছৃঙ্খল - পূর্ণেন্দু পত্রী
পুরনো পকেট থেকে উঠে এল কবেকার শুকনো গোলাপ |
কবেকার ? কার দেওয়া ? কোন্ মাসে ? বসন্তে না শীতে ?
গোলাপের মৃতদেহে তার পাঠযোগ্য স্মৃতিচিহ্ন নেই |
স্মৃতি কি আমারও আছে ? স্মৃতি কি গুছিয়ে রাখা আছে
বইয়ের তাকের মত, লং প্লেইং রেকর্ড-ক্যাসেটে
যে-রকম সুসংবদ্ধ নথীভুক্ত থাকে গান, আলাপচারীতা ?
আমার স্মৃতিরা বড় উচ্ছৃঙ্খল, দমকা হাওয়া যেন
লুকোচুরি, ভাঙাভাঙি, ওলোটপালটে মহাখুশি
তারে ভুলতেই পারলাম না
মনটা খুবই খারাপ। জব্বার কাগুর বিতলামি দেইখা আমোদ হয়, মন খারাপ হয় না। বার্সা ৩-১ গোলো হারছে, হতাশ হইছি, মন খারাপ করি নাই। সৌরভ দাদার দল সেমিফাইনালে উঠতে পারে নাই, কষ্ট পাইছি। তীব্র মন খারাপ করতে পারে নাই। সন্ধায় সবাই আড্ডা দেয়, তাও মাইনা নিছি। কিন্তু......
বিজয়ে তৈরি করা মাইক্রোসফট অফিস ফাইল বাংলা ইউনিকোডে রুপান্তর করবে “নিকস কনভার্টার”
যারা বিগত জীবনে বিজয়ে লেখা শত শত কিংবা হাজার হাজার ফাইল ইউনিকোডে রুপান্তর না করতে পেরে বাধ্য হয়ে এখনো প্রাগৈতিহাসিক বিজয়ে কাজ করছেন। অভ্র পছন্দ করা সত্ত্বেও যারা বিজয়কে পুরোপুরি ছাড়তে পারছেন না, তাদের জন্য সমাধান নিকস কনভার্টার।

সেই সময়!
ভুলি নাই তারে আমি ভুলি নাই ,
যে সময় চলে গেছে দূরে তারে আমি ভুলি নাই,
ভুলি নাই ছায়ায় হয়ে যে মোরে করেছে স্মরণ,
আঁচলে জড়ানো ফুল রূপে যে মোরে করেছে ধারন,
ভুলি নাই তারে আমি ভুলি নাই।
সহস্র নৈঃশব্দের রজনীর পর
ক্লান্ত আহত আমার অনুভতির পাড় জুড়ে এখনো ফিরে আসে সে ;জীবন্ত নয়,
আমার মেরুদন্ড বরাবর শির শির করে বেয়ে ওঠা আপাত শীতল কোন বাতাস অথবা
ডাইরী ৯৮
এক.
আহা আমার রুটিনবদ্ধ বিষন্নতা, আহা আমার যুক্তাক্ষর অন্তঃপ্রাণ। তোমাদিগের অস্তিত্ত্ব আর কতোকাল বয়ে যাবে পরম্পরায়? আহা আমার সময়, মাত্রা গুণে পড়ে আছে পথিমধ্যে। তারে ছোঁয়া গেলে আঙুলে আমার, জিহ্বা মেলে নিতাম তাহার স্বাদ।
আফসুসায়িত পোষ্ট...ম্যাহ
ফরমেটিং ঠিক করতে না পারায় একটা এত্ত বড় পোষ্ট মুইছা ফালাইলাম...দু:খে কষ্টে শেষ...
যাই হোক, আমি এগেইন আবার ব্যাক কৈরা ফেরৎ আসছি...
কিন্তু কথা হৈলো, ব্লগ এত ঝিমায় কেন??
ফরমেটিং সংক্রান্ত ঝামেলা সংক্রান্ত পোষ্ট সংক্রান্ত কোনো কমেন্ট দিলে উপকৃত হৈলেও হওনের সম্ভাবনা ছিলো ...
মা দিবস ইবুক - লেখা আহবান
মা - ছোট্ট শিশুর প্রথম ভালবাসা। নিরাপত্তা আর মমতায় গড়া সেই কোল, সেই উষ্ণতার পরশে সারাটা জীবন কাটিয়ে দিতে চায় মন। বড় হয়ে ওঠার সাথে সাথে মা'কে ঘিরে জমা হয় ভালবাসা, অভিমান আর দুষ্টুমির শত শত গল্প। সঙ্কটকালে কেবলই মনে হয় যদি সব কিছু ছেড়ে মা'র স্নেহমাখা কোলে মুখ লুকাতে পারতাম, তবে পৃথিবীর কোন কষ্টই আমাকে স্পর্ষ করতে পারতোনা। দৃশ্বত মা কারও কাছে থাকেন, কারও বা দূরে - কিন্তু মা আছেন সবার হৃদয়ে - সব সময়।
আমার মনে হয় ডারউইন মানসিক চাপের কারণে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন- পল বিটানি।
ডারউইনের অরিজিন অব স্পিসিস বইটার জগতময় আলোড়ন আজো থামেনি। একজন গবেষক হিসাবে না। একজন মানুষ হিসাবে ডারউইনরে যে পরিমাণ মানসিক সংকট আর শারীরিক দূরাবস্থা কাটাইতে হইছে তার ইতিহাস কেউ মনে রাখে না। নিজের বড়ো মেয়েক হারিয়ে, অনেক সংগ্রাম আর প্রতীক্ষার পরো মেয়েটাকে বাঁচাতে না পেরে, ঈশ্বর মানতো না যে ডারউইন সে-ই কি না মেয়ের সুস্থ্য হবার কামনায় চার্চে গিয়া মেয়ের জন্য প্রার্থণা করে। এসকল ঘটনা আসলে মানবিক
আমি কাউরে না করতে পারিনা
পুরা গ্রাম জুড়ে ছিছি, ঢিঢি, রিরি পড়ে গেলো। গ্রামের অতি উৎসাহী মুরুব্বিরা ইয়াং ছেলেপুলেদের উস্কে দিলো। এভাবে চলতে পারেনা। গ্রামের একটা ইজ্জত আছে না ? ঠিক, তাইতো ! যুবকেরা চিৎকার করে উঠে। এইসব অনাচার গ্রামে চলতে দেয়া যাবে না। এর একটা বিহিত করতেই হবে। সিদ্ধান্ত হলো, শুক্কুরবার বাদ আছর বিচার বসবে। বিচার হবে চেয়ারম্যানের বাড়িতে। গ্রামের ছোট বড়, ছেলে-বুড়ো সবাই এল সেই বিচার শুনতে।
বিচার করবে কে ?
দাড়িওয়ালা খেয়ে ধায়, গোঁফওয়ালা লটকে যায়
যে বয়সে ছেলেরা বালিকাদের কাছ থেকে একটু মনোযোগের আশায় জিন্সের তালি দেয়া প্যান্টের সাথে উল্টা সেলাই করা টিশার্ট পরে থুতনির গোড়ায় এক চিমটে দাড়ি নিয়ে রাস্তার মোড়ে কিংবা বালিকা স্কুলের গেটের অদূরে অপেক্ষমান থাকে, সেই বয়সে আমার এক বন্ধু রীতিমত কামেলত্ব অর্জন করেছিল বালিকা বান্ধবী সংগ্রহে। তার নেটওয়ার্ক ছিল সমগ্র বাংলাদেশ ৫ টনের মতো।
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- এর "পালামৌ"
যেকোন ভ্রমনকাহিনীতে একটা জায়গা সম্পর্কে লেখকের অভিজ্ঞতা, এলাকার মানুষজন, পারিপার্শ্বিকতার সাথে তার একাত্নতার কথা থাকে লেখাটা জুড়ে। তেমনি ভেবেই সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘পালামৌ’ পড়া শুরু করলাম। ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে বিজন বন এলাকা ‘পালামৌ’এ লেখককে যেতে হয়। পাহাড়ী ঐ এলাকায় একাকীত্বের বসবাস দুঃসহ মনে হওয়ায় যদিও তিনি ফিরে আসেন ওখান থেকে কিন্তু খারাপ লাগাটার পরিবর্তে আশপাশ ঘেরা সৌন্দর্যতাই এসেছে তার লেখায়। গল্পটা তিনি লিখেছেন পালামৌ ছেড়ে আসার অনেক পরে, তাই খানিকটা স্মৃতিতর্পন জাতীয় লেখা।
ভ্রমণকাহিনীগুলো অধিক ক্ষেত্রেই হয় দিনলিপি বা বর্ণনা টাইপ। কিন্তু পালামৌ একদম অন্যরকম। লেখক শুধু বর্ণনা করার খাতিরে কিছু করছেন না, অনুভবের প্রকাশটা খুব সুন্দর। ছোট্ট একটা বই, সাধু ভাষার কিন্তু তবু সুখপাঠ্য।
ডাইরী ৯৭
এক.
যতো দূর যেতে চাই কখনোই তার কাছাকাছি যাওয়া হয় নাই। আমি দূর থেকে আলোকোজ্জ্বল নগরীতে নিয়নের রূপ বদলানো দেখি, কখনো জানি নি কি কথা রয়েছে লেখা নিয়ন শরীরে। আক্ষরিক মূর্খ হয়ে অন্ধকারে পড়ে থাকা সার। আলোকের বর্তীকারা দূরে জ্বলে নিভে আমার চাহিদারে দ্বন্দ্বে ফেলে দ্যায়...
আমার ঘরের সাদাটে স্যুইচ অপেক্ষায় থাকে তোমার কোমল আঙুলের...
দুই.
ভাষা হোক উন্মুক্ত
কোথা থেকে শুরু করব বুঝতে পারছি না। পৃথিবীর সব অনুভূতি শুধু রাগ, ক্রোধ, ঘৃণা অথবা ভালবাসার মাপকাঠির সীমানায় বাঁধা থাকে না। এর বাইরে যে অসীমতা রয়েছে সে সব কি ভাবে লিখতে হয় আমি জানি না।
ভেতর-বাহির ( একাদশ পর্ব)
এ তো অনেকদিন পর। আজ রাতে প্রচন্ড ধোঁয়াতৃষ্ণা পেয়েছে। নিষ্কৃতির লক্ষ্যে একাকী প্রিয় রাত গুলোতে প্রাইমারি পর্যায়ে ধূমপান হতে ক্ষান্ত দিয়েছিলাম। তারপর ধীরে ধীরে দিনে। এখন পান করি খুব গুনে গুনে, কোন দিন একেবারেই না। না বোধক দিনই মাঝে মাঝে বেশী হয়ে যায়, আর আনন্দ চিত্তে অনুধাবন করি। কিন্তু আজ পাচ্ছে। ঘুম যতটা বেয়াড়া পনা দেখাচ্ছে ধোঁয়া পানের নেশা ততটাই তীব্রতর হচ্চে। ইচেছ হচ্ছে একসাথে ৩ টে বেনসন এন
কৃতজ্ঞতা
আমরাবন্ধু ব্লগের সাথে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে ধন্যবাদ জানাতে এলাম। অভ্রকে নিয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে ব্লগ কর্তৃপক্ষ, লোকেন বোস সহ সব ব্লগাররা যেভাবে এগিয়ে এসেছেন, আমরা আজীবন তা মনে রাখব।
বিনীত,
মেহ্দী হাসান খান
অভ্র টীমের পক্ষ থেকে