ইউজার লগইন
ব্লগ
অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছে না বলে!
শিরোনাম দেখে কেউ অবাক হবেন না, আমি আজ কামাল ভাইয়ের এক গল্পগ্রন্থের রিভিউ লিখতে বসি নাই। যদিও বইটা আমার ভীষন প্রিয়, অনেক কাল আগেই বইটা নিয়ে লিখতে বসে আর লেখা হয় নি। কিন্তু আজ তা লিখছি না, লিখছি অন্ধকার ঘরে নিজের এই আকস্মিক রাত্রী যাপন নিয়ে। বাসায় আসলাম সাড়ে দশটায়, এসে দেখি বাতি জ্বলে না। সম্ভবত সুইচ নষ্ট। মোম জ্বালিয়ে ভাত খেলাম, মোম শেষ এখন তাই নোটবুকের অল্প আলোই ভরসা। এই অল্প আলো প্রায় অন্ধকারই বলা চলে। কিবোর্ডের কিছুই দেখা যায় না, অন্ধকারেই হাত চালাচ্ছি, চোখে কেমন জানি ব্যাথা করছে স্ক্রীনে তাকাতে, তার ভেতরেই লিখতে বসলাম। কারন এই অন্ধকারে সিনেমা দেখতে ইচ্ছা করছে না। ওলরেডি আজ দুখান সিনেমা দেখা শেষ। খালি কমার্শিয়াল সিনেমা সমানে গিললে হজম নাও হতে পারে। আর সিনেমা দেখা এক সময় নষ্ট, শেষ না করে উঠা যায় না।
গোলাপে তার নাম
আনোয়ার সাদী
এমন একটা দুপুর কত দিন পরে এলো। সাত নয়, আট নয় কিংবা নয় নয়, পুরো দশ বছর পর। চারদিকে রোদ অথচ তার আঁচ লাগছে না গায়ে। মনে হয় মখমলের মতো কোমল তাপ চামড়া ছুঁয়ে নেমে যাচ্ছে নিচে। মগডালে হালকা নড়ছে গাছের পাতারা। তার কোনো প্রভাব নেই নিচে। বাতাস তবে গেল কই? কলোনির শেষ মাথায়ও বাতাস নেই। অনেকটা দূরের খোলা প্রান্তরে কেবল রোদ আর কেমন যেন ঝিমুনি আসা নির্জনতা, একটা ঘুম ঘুম ভাব এনে দেয়। চোখের পাতা মেলে রাখা কষ্টের।
চা খাবি?
পচাশি বছরের যুবক যাবেদ আলী (প্রথম পর্ব)
আশি বা পচাশি বছরের যুবক। নাম যাবেদ আলী। আমার ড্রেইনেজ কন্ট্রাকটর। প্রথম যে দিন আমি তাকে দেখি রিতিমত আবাক হয়েছিলাম। লম্বায় প্রায় ছয় ফুটের কাছাকাছি, কাশ ফুলের মত দাড়ি গোফ ও মাথার চুল শরীরের রংগের সাথে মিলেমিশে একাকার। তদুপরি সাদা পাঞ্জাবি আরব্য উপন্যাসের জ্বিনের বাদশাহদের কথা মনে করিয়ে দেয়। পচাশি বছরের জাবেদ আলীকে ক্ষনিকে আমি ১৫ থেকে বিশ বছর বয়সের এক যুবকের প্রতিচ্ছবিতে দেখতে লাগলাম। আল্লাহ্ তায়ালা সকল মানুষকে সুন্দর অবয়বে তৈরী করেছেন। তাতে কোন সন্দেহ নেই। তবে এই জাবেদ আলীর যৌবনের দ্যুতি চলন্ত পথের সাথিদের বা অন্দর বাহির বা কোন আড়াল থেকে দেখা দৃষ্টিকে কি এলো মেলো করে দিত না। কেউ কি মহান সৃষ্টি কর্তার এই মহান সৃষ্টি দেখে বলত না
“তোমার সৃষ্টি পানে যদি চাওয়া হয় চোখ সুন্দর হয়।
তোমার নামে যদি গান গাওয়া হয় গান সুন্দর হয়।“
সিনেমা সিনেমা
ব্যস্ততা বেড়েছে। অফিস আসি দুপুর ১২টিায়, যাই রাত ১২ টায়। এর মধ্যেও কিছু সময় বের করতে হয়। অনেক সিনেমা জমে আছে, নতুন নতুন সিনেমাও আসছে। গান শোনার অভ্যাস খানিকটা এখনও রয়ে গেছে। আর বই তো নিত্য সঙ্গী। এর মধ্যে আবার মাঠে যেয়ে টিটুয়েন্টি বিশ্বকাপের তিনটি খেলাও দেখেছি। এই ফাঁকে বলে রাখি আমি মাঠে গেছি আর বাংলাদেশ জিতছে এমন একটা ঘটনাও কিন্তু নাই।

আজকের বিষয় কিন্তু সিনেমা। কয়টা ভাল সিনেমা দেখে ফেলছি। সেইগুলো নিয়ে আলাপ আলোচনা করতে পারি।
বেস্ট অফ ব্লগস প্রতিযোগিতা
অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধশালী দেশগুলো প্রতিনিয়ত প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছে। মুনাফালোভী ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর পারস্পরিক প্রতিযোগিতায় সেসব প্রযুক্তি নিত্যদিনের ব্যবহার্য পণ্যগুলো নির্মাণে ব্যবহৃত হয় এবং খুব দ্রুতই প্রযুক্তিনির্ভর পণ্য সাধারণ ভোক্তাদের জন্যে সহজলভ্য হয়ে যায়। উন্নত বিশ্ব এবং অনুন্নত বিশ্বের সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের মাণের ভিন্নতা মূলত প্রযুক্তি নির্ভর পণ্য ব্যবহারের সক্ষমতার ব্যবধান।প্রযুক্তিনির্ভর পণ্যগুলো উন্নত বিশ্বের সাধারণ মানুষের সংস্কৃতি নির্মাণ করছে অন্য দিকে অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পরা দেশগুলোর সাধারণ মানুষেরা প্রকৃতিনির্ভর সংস্কৃতিযাপন করছে।
অজানা পরি ।

আজ প্রথমেই ভার্সিটিতে মেয়েটির সাথে লিফটে উঠার সময় দেখা । তেমন একটা গুরুত্ত দেইনি । কত মেয়েইতো এরকম প্রতিদিন দেখি । যাইহোক আমার বন্ধু পান্থর ফ্লোরে মানে আঁট তালাতে উঠার পর মেজাজ খারাপ হয়ে গেল বাজে মাত্র ১১.৪৫ ওদের ক্লাস এখনও চলছে, আমাকে যে কমপক্ষে পৌনে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে । তার উপর বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হয়ে এখানে এসেছি ।
সোনালি রোদের আশায়...
অভিযোগের পালা শেষ হয়ে গেছে অনেক আগেই। এখন অনুযোগ আর অনুশোচনার পালা, একা একা নীরবে, অশ্রুজল দিয়ে। কিছু দিন থেকে দিনগুলো বড্ড অসহ্য যাচ্ছে, কেমন যেন উল্টা পাল্টা। প্রিয় গান গুলো শুনতেও অসহ্য লাগে, সহ্য করতে কষ্ট হয়। কী হয়েছে বুঝা কঠিন। ফাল্গুন ত শেষ হয়েছে বহুদিন, চৈত্র ও গেল গেল। বসন্ত চলে যাচ্ছে তার নিয়ম বেধেই, অজস্র ফুল, রং, সৌরভ, কীট উপহার দিয়ে। সাথে কিছু ভাইরাস ব্যাকটেরিয়ার উপদ্রব ত রেখেই গেল। কিন্তু আফসোস মন ভাল করার কিছু পেলাম না। হতাশায় ডানায় ভর করে মাঝে মাঝে উড়াল দেই সুরের দুনিয়ায়। লতা মুঙ্গেশকরের গান গুলো আবারো প্লে লিস্টে জমা হচ্ছে। একেই হয়ত বলে ওস্তাদের খেলা শেষ রাতে। মাঝে মন দিয়েছিলাম আধুনিক শিল্পী নামক ভাইরাসদের দলে। বলা বাহুল্য, এদেশে সংগীত সাধনা হয় না কিন্তু সংগীত ব্যবসা ঠিকই হয়। তিন বছরের ক্যারিয়ার, লক্ষ্য ত্রিশ বছরের অর্থ উর্পাজন। এসব ভেবে লাভ আছে কি না তাও আপেক্ষিক বিষয়। তব
এমন চৈত্র দিনে!
লিখতে বসলাম রাতে, কিন্তু লেখার মত কোনো বিষয়ই খুজে পাচ্ছি না, ল্যাপটপে নেটও নাই যে ইউটিউবে গান শুনে শুনে ক্লান্ত হয়ে লিখতে বসবো। এখন নেট চালাচ্ছি মোবাইল ওয়াইফাই করে- নোটবুকে। ভাবলাম এত সাধের ডাটা ইউস করছি, কিছু না কিছু লেখি। কিন্তু মাথা পুরো খালি। গরমের দিনে দুপুরে ঘুমালে যা হয় আর কি, সন্ধ্যে থেকে মাথা কাজ করে না। আমারও মাথা কাজ করছিলো না, বসে বসে ফেসবুক দেখছিলাম। ফেসবুকে তেমন কিছু করার নাই, কারো সাথে তেমন চ্যাটও হয় না আজকাল, তাও ফেসবুক খুলে বসে থাকি। এই যুগের মুদ্রাদোষ। আমার এক বন্ধু আছে তিনি ফেসবুকেই আসে না, ফেসবুকে মাঝারি মানের জনপ্রিয়তা উনার, তাও ভালো লাগে না। বললেই বলে, শান্ত সময় নষ্ট, আর কত একই কাজ বারবার করা। আমি জবাব দিতে পারি না, অনেকেই বলে এ কথা। তবে আমার বলা উচিত ছিল দুনিয়াতে কিছুই নষ্ট না, একেক সময় জীবনে একেক রকমের। প্রতিটাই নানান ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। জীবনে অনেক ইম্পরট্যান্ট কাজ আ
তোষামোদ
তোষামোদে নেই কখনো
খোশ মেজাজে থাকি,
তেল মারা নেইতো জানা
আছে এটাই বাকি।
তেল মারা তাদের সাজে
গো-বেচারা যারা,
তেলের পর তেল মারতে
ভুল করে না তারা।
মাস গুজারে কভু আমার
মাইনে যায় না পাওয়া,
সব শালার মালিক বুঝি
করে না নাওয়া-খাওয়া।
প্রকাশকের লানতখানি
নেয় ঝুলিয়ে গলায়,
মাসান্তে মাইনে চাইলে
লেজ গুটিয়ে পালায়।
প্রকাশকের ‘প’ বোঝে না
দিব্যি বনেছে মালিক,
সাংবাদিকরা ভাবে তাকে
গুখেকো এক শালিক।
ওয়েজবোর্ডের সব সুবিধা
দেয়ার অঙ্গীকারে
ভ্যাবাচেকা খেয়েই যেন
ধরফড়িয়ে মরে।
সাংবাদিক মানেই যেন
বাঁচার নিশ্চয়তা
নুন আনতে পান্তা ফুরায়
একি নিষ্ঠুরতা!
ভালোয় ভালোয় পত্রিকাটি
দিলাম একদিন ছেড়ে
শূন্যস্থান পূরণ করলো
খেঁকশিয়াল কুকুরে।
০৭.০৪.২০১৪
রেইন মেশিন!
মনটা কিছুটা উদাস। উদাস হবার নানান কারন, তবে এই মুহূর্তে সব চেয়ে বড় কারন হলো মামার অসুস্থতা ও অপারেশন পরবর্তী অবস্থায়। হুট করেই মামা অসুস্থ হয়ে পড়লো, হাসপাতালে এডমিট ও এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন। সব কিছু এত জলদি হয়ে গেল বুঝতেই পারলাম না। যদিও আমি কিছুই করি নাই, সব কাজ মামীর বাড়ী আর খালার বাড়ী লোকেরাই করলো তবুও অবাক লাগে। কত কিছু হয়ে যায়, ঘটনার আকস্মিকতায়, যা বুঝে উঠতেই সময় লেগে যায়। আমি অবশ্য সব জায়গাতেই পর্যবেক্ষক, করার তেমন কিছু নাই আর আগ বাড়িয়ে করিও না। সবার ধারনা আমাকে কিছুই স্পর্শ করে না, তাই কিছুতেই আমি থাকি না। আসলে ব্যাপারটা এমন না, ব্যাপার হলো আমি খুবই অসামাজিক ভাবে নিরাসক্ত মানুষ, নিজের বস্তায় বস্তায় আসক্তি ও আবেগ নিজের কাছেই গোপন রাখি। তাই মামার এই সাময়িক অসুস্থতা আমাকে বাকরুদ্ধ করে দিয়েছে। উত্তরায় স্কলাস্টিকার পাশে যে মেডিকেল কলেজ আছে সেখানের কেবিনে মামাকে রোজ দেখতে যাই, কিছুক্ষণ থে
চলো আরেকবার উড়ি
খুব একটা বৃষ্টি হলো কিছুদিন আগে। বৃষ্টি আমার বরাবরই ভীষণ প্রিয়। বৃষ্টির গন্ধ গায়ে মেখে ঘুরতে আমার খুব ভালো লাগে। আগে বৃষ্টি হলেই ভিজতাম। রিক্সা একটা নিয়ে হুড খুলে বৃষ্টিতে পুরা ক্যাম্পাস চক্কর দেয়ার মতো মজা আর কিচ্ছুতেই নাই। আরো বেশি মজা লাগতো বৃষ্টির মধ্যে দাঁড়িয়ে চা খাওয়া। বৃষ্টির পানি চায়ের মধ্যে টুপ করে পড়তো আর আমার মজা লাগতো। একবার বৃষ্টিতে ভেজার একটা গল্প বলি। সন্ধ্যার দিকে হঠাত করে পুরো ক্যাম্পাস কালো মেঘে ঢেকে গেলো। আমি হই চই শুরু করে দিলাম বৃষ্টিতে ভিজবো। কেউ রাজি হয়না। কিন্তু অনেক কষ্টে যন্ত্রণা করে করে সবাইকে রাজি করালাম। যন্ত্রণা করতে আমি আবার বিশেষ পারদর্শী ছিলাম। পরে ঠিক হল যখন বৃষ্টি নামবে আমরা সবাই ফুটবল খেলবো। আমি, মলয়দা, অপুদা, অতনুদা আমরা সবাই মিলে। ক্যাম্পাসে বন্ধু বলতে তখন আমার ওরাই ছিল। তো যথারীতি বৃষ্টি নামলো আর আমরা ফুটবল খেলা শুরু করলাম। হঠাত দেখি মলয়দা সেলিম চত্বর
অনাকাঙ্ক্ষিত দৃশ্যপট অতঃপর মায়াময় গোধূলি
সেদিন স্কুল থেকে বের হয়ে দেখি বড় মামা দাঁড়িয়ে। উনি থাকেন চিটাগাং। সকালে যখন স্কুলে আসলাম তখনও উনি ছিলেন না। এর আগেও তো ঢাকায় আসার কোন খবর দেননি। বন্ধুদের কাছে সারপ্রাইজ নামে একটা শব্দ শুনেছি। কেউ হঠাৎ করে না জানিয়ে বেড়াতে আসলে বা উপহার দিলে তাকে সারপ্রাইজ বলে। আমি কোনদিন কোন সারপ্রাইজ পাইনি, কাউকে না জানিয়ে বড় মামার বেড়াতে আসাটাই হয়তো আমার জীবনের প্রথম সারপ্রাইজ। আমি দৌড়ে মামার কাছে যেতে ধরে হোঁচট খেলাম, কিন্তু পরলাম না। মামা খপ করে ধরে আমাকে কোলে তুলে নিলেন, আমি যখন আরো ছোট, তখন মামা আমাকে এভাবে কোলে তুলে আকাশে ছুড়ে দিতেন। আমি তখন আনন্দ ধরে রাখতে পারতাম না। প্রাণচঞ্চল হাসির সাথে হাত পা ছোড়াছুড়ি করতাম। তারপর মামা আবার ক্রিকেট বলের মত আমাকে ধরে ফেলতেন। তবে মামার সেই হাস্যোজ্জ্বল মুখটা কেমন যেন মলিন হয়ে আছে, চোখ লাল হয়ে আছে। মামা আমাকে কোলে নিয়ে মৃদু হাসি দিলেন, যা ঠিক হাসি মনে হল না।
lplpl
প্রতিটি প্রযুক্তই মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে। নির্মাণের জটিলতা নয় বরং প্রযুক্তির প্রভাব নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হওয়া উচিত এটা কতগুলো মানুষকে সরাসরি উপকৃত করতে পারে। তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি যেভাবে বিশ্বকে অদৃশ্য সুতোয় পরস্পরের সাথে সংযুক্ত করতে পেরেছে, যেভাবে সময় এবং স্থানের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করতে পেরেছে বিশ্বের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রাযুক্তিক উদ্ভাবন ততটা স্পর্শ্ব করতে পারে নি।
গাঠনিক ও নির্মাণগত জটিলতা বিবেচনা করলে বিশ্বের সবচেয়ে জটিল, সুক্ষ্ণ উদ্ভাবনগুলোর সাথে পদার্থবিজ্ঞানীরা সরাসরি যুক্ত হয়ে আছেন। সেই প্রেক্ষাপট থেকে সার্নের লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডারকে কিংবা মহাশুণ্যে মহাবিশ্বের সুচনালগ্নের সংকেত খুঁজে পেতে পাঠানো বিভিন্ন যন্ত্রগুলোকে তালিকার উপর দিকে রাখা উচিত ছিলো।
সময় যে বহে যায়
এখন রাত ২টা। ঢাকা শহরের এই এলাকাটা এমনিতে দিনের বেলাতেও তেমন কোলাহল মুক্ত থাকে। প্রাইভেট কার, সি,এন,জি, টেক্সিক্যাপ, রিক্সা ও পথচারীর চলাচল ছাড়া মাঝে মাঝে ফেরিওয়ালার হাকডাক শুনা যায়। আর এখন গভীর রাত, রাস্তার বৈদ্যুতিক আলো ও কাছে দুরের নির্মাণাধীন ইমারতের নিরাপত্তা বাতিগুলো রাতের নিকস কালো আধারের কিয়দংশ দুর করলেও বাকি জায়গাগুলোর অন্ধকার দুর করার কাজটি মহান সৃষ্টিকর্তার নির্দেশে আজন্ম থেকে যে চাঁদ মামা করে আসছিলেন, আজও তিনি তাই করছেন।