ইউজার লগইন
ব্লগ
স্বাধীনতা তুমি এসেছিলে বলে
স্বাধীনতা তুমি এসেছিলে বলে
দিনভর
প্রশান্ত মনে জীবিকার সন্ধানে ঘুড়ি
রাতে সুখ নিদ্রা যাই
তব দানে পাওয়া মাতৃভুমির ক্রোড়ে ।
সকালে নির্মল শীতল
সমীরণে, প্রশান্ত মনে
সূর্যি মামার রক্তিম আগমন পথে
যখন নজর পড়ে
মনে পড়ে যায়
উপরে বিধাতা, নীচে ১৮ বছর
জেল খানার অন্ধকার প্রকষ্ঠে কাটানো
জনকের কথা।
তুমি এসেছিলে বলে
আমি
লেখক, কবি, গীতিকার, গায়ক
কৃষক, গর্বিত গাড়ী চালক।
আরও আরও কত কি!!
তুমি এসেছিলে বলে
আমি কুদ্রাপি ছুটে চলা ঝঞ্ঝা।
আমি মুক্ত বিহঙ্গ,
আমি ঋদ্ধি, আমি ধন্য।
নিজের হাতে বানানো ঘূড়ি
পত পত করে উড়ে
ছুটে যেতে চায় সপ্তাকাশে,
তা না পারলেও আকাশের বাসিন্দাদের জানিয়ে দেয়
তার মুক্তির স্বাদ আস্বাদনের কথা
ডিগবাজি খেয়ে ইয়া আলী বলে
হুংকার ছুড়ে
আয় আয় হায়েনার দল,
আর একবার দেখি তোদের।
তুমি এসেছিলে বলে
আমার হাতে সবুজ পাসপোর্ট
দিনলিপি
সকাল বেলা সূর্য তাতিয়ে ওঠার আগেই কানের পাশে শিশ্নকাতর এক প্রেমিকের প্রেমের আঁচ হজম করলাম। অফিসগামী মানুষের ভীড়ে বাস আগাচ্ছে এক পা দুই পা করে, কানের পাশে প্রেমের উত্তাপ। কানে জীপার থাকলে ভালো হতো, ঠিকমতও লাগিয়ে দিলেবাইরের কোলাহল, উত্তেজনা এবং নানাবিধ শব্দঝঞ্ঝাট এড়িয়ে নিজের মতো অফিসের জ্যাম ঠেলে গন্তব্যে পৌঁছানো সহজ হতো। অভিযোগে পর্যুদস্ত করে, অনুযোগ অভিমানজর্জর মেকী প্রেমালাপের ফাঁকে যতটুকু স্পষ্ট হলো আমার গন্তব্যের তিনটা স্টপেজ আগে প্রেমিক নামবে। রাস্তায় এলেমেলো ছড়িয়ে থাকা গাড়ী, ট্রাফিকের তুলে রাখা হাত, লাঠি আর বাতিতে সাজানো আমাদের বিপর্যস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থায় যাত্রীর মানসিক উত্তেজনার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রৌদ্রের তাপ। অল্পতেই বিক্ষুব্ধ, সহিংস হয়ে উঠতে চাওয়া যাত্রীর সাথে কন্ডাক্টরের বচসা। পাশে মৌলানা ধাঁচের একজন বসেছে, সেও ক্রুদ্ধ।
আমাদের লাল সবুজ পতাকা – প্রয়োগ চাই পতাকা নীতির
আমাদের লাল সবুজ পতাকা – প্রয়োগ চাই পতাকা নীতির

কত সংগ্রাম করে,লক্ষ মানুষের তাজা রক্তের বিনিময়ে আমরা একটা স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র পেলাম । এই সেই লাল-সবুজের পতাকা আমাদের । লাখো বাঙালির চেতনায় ধরে রাখা আমাদের জাতীয় পতাকা আমাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রতীক।এটির ভেতরে লুকিয়ে আছে আমাদের সাংস্কৃতি,স্বপ্ন,আমাদের চেতনা,সব কিছু ।হাজারো ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত এই পতাকা আমাদের চোখের সামনে নিমিষেই

নিঃসঙ্গ শালিখ
কোন একদিন ঠিকই খুঁজে পাবো আকাশের ভাঁজে লুকানো রং পেন্সিলের গোপন পকেট।
জানা যাবে বাতাসের মীড়ে মীড়ে মিশে থাকা শিতিগন্ধা সুরের রহস্য।
আনন্দেবিষাদে প্রতিটি বিকেল পান করি দ্রাক্ষারসের মতো।
অবকাশে দস্যিবালকের ক্রিকেটের ভেন্যু হয়ে যাওয়া গলি,
কার্নিশে ঝগড়াটে কাকের সালিশ,
বাঘের ভাবগরিমায় ঘাপটি মেরে বসা বেড়াল,
বৈকালিন চায়ের পেয়ালা এবং স্মৃতিমেদুরতা;
পায়ের পাতায় এখনো সর্ষে ফুলের ঘ্রাণ।
চলন্ত ট্রেনের জানালা দিয়ে দেখা দৃশ্যের মতো;
দেখা না দেখার দ্বিধা-দ্বন্ধে ফেলে আসা দিন।
কী যে তীব্র জীবনের গতি!
অজানা দুঃখের সংকেত দিয়ে করমচার ডাল থেকে একটি নিঃসঙ্গ শালিখ উড়ে গেলে
সবুজ পাতায় ফিকে রোদের মতো এক টুকরো বিষাদ লেপ্টে থাকে সারাটা বিকেল।
এই বিকেলটা হতে পারতো অন্যরকম;আকাশ দোলের আবীর মেখেছিল।
ব্যাঞ্জন বর্ণের ছড়া
ক দিয়ে কদম ফুল
বর্ষাকালে ফোটে
খ দিয়ে খরগোশ
দ্রুত বেগে ছোটে।
গ দিয়ে গরুর গাড়ি
নেইতো এখন ঢাকা
ঘ দিয়ে ঘর বানিয়ে
খেলছে খোকা একা।
ঙ দিয়ে ব্যাঙ ডাকে
ঘ্যাঙর ঘ্যাঙর ঘ্যাঙ
চ দিয়ে চশমা যেন
মেলে আছে ঠ্যাং।
ছ দিয়ে ছাতা মাথায়
যাচ্ছে দাদাবাবু
জ দিয়ে জলাশয়ে
জাল ফেলেছে হাবু।
ঝ দিয়ে ঝরনা ধারা
বইছে পাহাড় চিড়ে
ঞ দিয়ে মিঞা সাহেব
ফিরছে উঁচু শিরে।
ট দিয়ে টাকা-কড়ি
মিছে আশা সব
ঠ দিয়ে ঠেলাগাড়ি
নেইতো কোনো রব।
ড দিয়ে ডাবের পানি
সুস্বাদু মিষ্টি জল
ঢ দিয়ে ঢাকা শহর
ম্যাগাসিটি অবিকল।
ণ দিয়ে হরিণ হয়
দেখতে বেশ সুন্দর
ত দিয়ে তাল খেয়ে
বেতাল লখিন্দর।
থ দিয়ে থালা বাসন
সাজানো থরে থরে
দ দিয়ে দইচিড়া
শিশুর মন কাড়ে।
ধ দিয়ে ধনশালী
সবাই তাকে চেনে
ন দিয়ে নৌকাখানি
চলছে ভাটার টানে।
প দিয়ে পদ্ম ফোঁটে
বর্ষাকালের জলে
ফ দিয়ে ফল-ফলাদি
সবাই খাও মিলে।
ব দিয়ে বাবুই পাখি
ওয়াইনের নেশায় বুনে মাকড়সা
হঠাৎ করে একগোছা প্রজাপতি উড়ে এসে জুড়ে বসে এবং
ঘর ভর্তি রঙ বেরঙের ফ্যাশান পাদুকাগুলো পরে নেয়
ভোজন-রঞ্জন শেষে এক একে বাড়ি থেকে বের হতে হতে
যেই তারা দরজায় রাখলো পা
এক মস্ত মাকড়শা-জাল পথ করে রোধ
তারা ভু্লে গেলো ওয়াইনের পেয়ালায় রাখা
ফুলের রেণু যে নেশার রঙ মাখছিলো
সেই ঐক্যতানেই মাকড়সা জাল বুনছিলো।
বসন্ত রঙ
কখনো কখনো শৈশবের গন্ধ নাকে এসে লাগলে মেঘে
হারিয়ে যাওয়া চাঁদ সহাস্যে মেলে নরম রূপোলি আলো
বুকের গহীনে সযত্নে লুকোনো তার সফেদ জোড়া কবুতর
বিনীত ভঙ্গি তুলে আলোর মুখ দেখে উঁকি দিলে
চলন্ত ট্রেনের জানালা গলে এগিয়ে আসা বসন্ত রঙের হাওয়া
কোন এক যাত্রীর চোখের তারায় ঝিকিমিকি ঝিলিক তুলে।।
আই হ্যাভ ট্রাইড ইন মাই ওয়ে টু বি ফ্রি!
শিরোনামটা আমার না, মহাত্মা লিওনার্ড কোহেনের। এরকম অসাধারণ সংরাইটার, সিঙ্গার, আমার চোখে আর পড়ে নাই। তাঁর গান না শুনে, শুধু লিরিকস পড়লেই সুখ। মনে হবে সুনীলের কবিতা পড়ছেন। আমি অবশ্য উনার নাম শুনেছি বন্ধুবর জেমসের মুখেই। সে আবার এই কানাডা নিবাসী মহাত্মার নাম শুনেছে কবীর সুমনের কোন লেখায় পড়ে। রাত তিনটাতেও আমার ঘুম আসে না যখন, তখন আমার সংগী লিওনার্ড কোহেনের বারোটা গান। কি যে অসাধারণ লাগে মনে হয় আমার মনের শান্তির জন্যই লেখা। উনার সিস্টার অফ মার্সি গানের সুর ও কথার অনুপ্রেরনাতেই অঞ্জন দত্তের অসাধারণ গান 'শুনতে কি পাও'। তার 'বার্ড ওন দ্যা ওয়ার; এর কিছুটা প্রভাব পাবেন অঞ্জন দত্তের আরেক বিখ্যাত গান 'আমি বৃষ্টি দেখেছি' তেও। আর কবীর সুমনের গানেও দেখবেন কিছুটা কোহেনের নিরাসক্তিময় ছন্দময় শব্দের ব্যাপার গুলো আছে। তা থাকুক, আমি লিওনার্ড কোহেনের সব গান শুনি নি এখনো। যে গোটা দশেক শুনছি তাতেই আসক্তি হচ্ছে, শু
দূরদর্শন এবং ঝিঁ ঝিঁ পোকা (ক্রিকেট) সমাচার-১
বাল্যকাল হইতেই 'দূরদর্শন' নাম্নীয় চৌকোনা একটা বাক্সের প্রতি ছিল সীমাহীন তীব্র কৌতুহল। ইহার ভিতরে মানব-মানবীরা কি সুন্দর করিয়া কথা বলিয়া হাসাহাসি করিত তাহা দেখিতাম আর মুগ্ধ হইয়া যাইতাম। আর ভাবিতাম-"আহা! আমিও যদি ইহার ভিতরে যাইতে পারিতাম কি মজাই না হইত।" আস্তে আস্তে শৈশব পার করিয়া কৈশোরে উপনীত হইলাম। তখন একটু একটু করিয়া বুঝিতে শিখিয়াছি ভদ্রলোকেরা ইহাকে আদর করিয়া 'টেলিভিশন' নামে অভিহিত করিয়া থাকেন।
বহ্নি জ্বালা
আজ বজ্র যেন হানিছে আঘাত
বহ্নি জ্বালায় জ্বলিছে দেহ মন
অবারিত অক্ষিদ্বয় যেদিকে তাকায় শুধুই শুন্যতা।
ক্ষনকাল অতীতেও যা ছিল
চাঁদ, তারা, নিহারিকা বা উদিয়মান সূর্যের
হাজারও আলোক রশ্মিতে আলোকিত,
ভোরের নির্মল শীতল সমীরণের পরশে
যেমন থাকে দেহমন পরিপূর্ণ।
এ কি কিছু হারানো ?
না কোন কিছু হারানো নয়
কখনও না হারানোর ব্যথাও যে বহ্নি জ্বালাকে হার মানায় আগে বুঝিনি।
দিন পনের ঢাকাতে হেড অফিসে ছিলাম বিভিন্ন কাজ নিয়ে, ডাইরেক্টার স্যার বললেন প্রজেক্ট তো শেষ প্রায়, মানষিক ভাবে প্রস্তুত থাক, অন্য প্রজেক্টে যেতে হবে,
জিজ্ঞেস করেছিলাম,কোথায় যেতে হবে, বললেন না,
ঘোলাটে হাওয়ায় হারিযে ফেলেছি কৈশোরের ডায়েরি
মানুষের জীবনের এই যে সীমিত সময়- যদ্দিন বাঁচি খেয়ে পরে আয়েশে কাটাতে হবে। কিন্তু কি করে তা সম্ভব হবে? কয়েক বছর আগেও উত্তরটা সিরিয়াসলি খুজিনি। কয়েক বছর আগে একটা পরিকল্পনা ছিলো। ইন্টার পাশ করে বরফ পড়া কোনও এক দেশে পড়াশোনা করতে যাবো। রাস্তার নির্জনতা মাড়িয়ে ঘরে ফিরবো। ভেবেছিলাম দারুণ হবে ব্যাপারটা।
কিন্তু দেখা গেলো ক্লাসমেটদের ভিতরে যাদের মুখে কখনো বিদেশ যাবার কথা শুনিনি তাদের কেউ কেউ চলে গেছে চীন কিংবা ইন্ডিয়া। আর এদিকে আমি মিশে যাচ্ছি এই শহরের হাহাকারে।
কলেজের দিনগুলো ছিলো নিশ্চিন্তে পথচলার মত। প্রতি রাতে ভবিষ্যতের পরিকল্পনাদের বুকে আগলে রেখে আমি ঘুমাতাম। সেই ঘুম ছিলো সত্যিকারের শান্তির ঘুম। দিনগুলো কিভাবে যে শেষ হয়ে গেছে তা আমি জানি না। সেই সব দিনে কখনোই ভাবি নি পরের বছরগুলো কেমন হবে।
হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের বাঙ্গালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যর প্রতীক গুলি
হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের বাঙ্গালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যর প্রতীক গুলি
হাজার বছরের চলে আসা বাঙ্গালিদের কিছু ঐতিহ্যবাহী জিনিস যা আমরা সেই প্রাচীন কাল হতে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করে আসছি। এই ঐতিহ্যবাহী জিনিস গুলি হাজার বছরের বাংলার সংস্কৃতির এক একটি উপাদান ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি - ঐতিহ্যর ধারক যা গ্রাম বাংলার গৃহস্থের সচ্ছলতা ও সুখ সমৃদ্ধির প্রতিক হিসাবে প্রচলিত ছিল। আজ এই আধুনিক যুগে আধুনিক পণ্যের কাছে , আধুনিক কলা কৌশলের নিকট মার খেয়ে আস্তে আস্তে বিলুপ্তির পথে। বাংলাদেশের গ্রামে গঞ্জে এখন পুরোপুরি যান্ত্রিক ঢেউ লেগেছে। মাছে ভাতে বাংগালীর ঘরে এক সময় নবান্নের উত্সব হতো ঘটা করে। উত্সবের প্রতিপাদ্যটাই ছিল মাটির গন্ধ মাখা ধান। ঢেকি ছাটা ধানের চালের ভাত আর সুস্বাদু পিঠার আয়োজন।
এখন চৈত্র মাস!
পত্রিকার দোকানে গিয়ে দেখি ঝলমল করছে ম্যাগাজিন মৌচাকে ঢিল, তাদের চৈতালি ভালোবাসা সংখ্যা নিয়ে, দোকানদার আলাউদ্দীন ছেলেটা কোনো অদ্ভুত কারনে আমাকে খুব ভালো পায়। আমার জন্য আনন্দলোক, ক্রীড়ালোক, কালি ও কলম রেখে দেয়, যখন তখন পত্রিকা বাকীতে দেয়, রাস্তা ঘাটে যেখানেই দেখা হোক দাঁড়িয়ে কথা বলে। আমিও ভালো পাই তাই দিনের নিউএইজ কিংবা ঢাকা ট্রিবিউন সেখান থেকেই কিনি। জিগেষ করলাম আজ, মৌচাকে ঢিলের বেচা বিক্রি কেমন?
স্বরবর্ণের ছড়া
অ দিয়ে অজগর
আসছে ওই তেড়ে
আ দিয়ে আমলকি
রোগ নিরাময় করে।
ই দিয়ে ইক্ষু রস
করে নাও পান
ঈ দিয়ে ঈদ হয়
মানে মুসলমান।
উ দিয়ে উৎসব
আসে সবার তরে
ঊ দিয়ে ঊষা হাসে
আঁধার বিলীন করে।
ঋ দিয়ে ঋষি মশায়
বসে করে ধ্যান
এ দিয়ে একতারায়
বাউল ধরে গান।
ঐ দিয়ে ঐকতানে
কণ্ঠ মেলায় খুকী
ও দিয়ে ওল খেলে
কমে রোগের ঝুঁকি।
ঔ দিয়ে ঔষধ হয়
জানা কথা সবার
ঔষধেই রোগ সারায়
বলবো কত আর।
২২.০৩.২০১৪
পঞ্চাশ বছর পর আজকের সুন্দর পৃথিবী
সম্ভবত ২৪ বছর পর গতকাল বাবুল ভাইয়ের সাথে ফোনে কথা হল। এই যান্ত্রিক ও সীমাহীন ব্যস্ত জীবনে স্বার্থ ছাড়া খুব কমই আমরা কেউ কারও খোজ করি।আমিও তেমনই একটি স্বাথের জন্যই বাবুল ভাইকে ফোন করেছিলাম।
বাবুল ভাইকে বাবুল ভাই হিসেবে হয়ত খুব কম জনই চিনবেন কিন্তু যদি বলি আমিনুর রশিদ, আমার বিশ্বাস ফেবুর সকল বন্ধুরাই চিনবেন। উনি আমাদের প্রিয় বাবুল ভাই হলেও আজ উনি দেশের একজন বিশাল বিজনেজ ম্যাগনেট আমিনুর রশিদ। দেশের সুবিখ্যাত ও সুবিশাল কম্পানি Energypac এর সেলস ও মার্কেটিং এর প্রধান আর এই কম্পানিটি দেশের গন্ডি পেরিয়ে দেশের বাইরেও তার শাখা প্রশাখা বিস্তার করেছে।
শিক্ষা সংস্কারের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা
সংবাদপত্রে কয়েকদিন আগে দুটো প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে- একটির বিষয়বস্তু ছিলো শিশুদের শিক্ষাজীবন সম্পর্কিত- যেখানে বলা হয়েছে অধিকাংশ শিশুই বিদ্যালয়ে পড়াশোনা উপভোগ করে না। তাদের শিক্ষাপাঠ্যক্রম কিংবা পাঠদান পদ্ধতিতে তারা আনন্দ পায় না। অন্যটির বিষয়বস্তু ছিলো বিদ্যমান প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় একজন শিশু ক্লাশের পর ক্লাশ পাশ করার পরেও সরকার নির্ধারিত মাণে শিক্ষিত হতে পারছে না। যদিও প্রাথমিক কারিকুলামে বলা হয়েছে দ্বিতীয় শ্রেণীর একজন শিক্ষার্থী বানান করে বাংলায় লেখা যেকোনো বক্তব্য পড়তে পারবে এবং তৃতীয় শ্রেণীর পর বানান না করেই বাংলা গল্প ছড়া পড়তে সক্ষম হবে কিন্তু বাস্তবে তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা বানান করেও বাংলা পড়তে পারছে না। অথচ এই শিশুরাই ৯৭% পাশ করছে পিএসসি পরীক্ষায়। কারিক্যুলাম অনুযায়ী পঞ্চম শ্রেণীর পড়াশোনা শেষ করার পর তাদের যেসব বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করার কথা, তারা সেসব দক্ষতা অর্জন করছে না।