ইউজার লগইন
ব্লগ
শুভ দিনে শুভেচ্ছা!
আজ শুভ দিন নিঃসন্দেহে,আজ আমার একমাত্র ভাইয়ার জন্মদিন। তাই আজ দিন খানা শুভ এবং মঙ্গলজনক। ভাইয়া না থাকিলে আমার জীবনের এত এরোগেন্স, এত ডায়লগবাজী মার্কা ব্লগিং, এত এক্টিভিজম, এত সময় উদযাপন, সব মাঠে মারা যেত। দুনিয়ার কথা জানি না, তবে দেশে বড় ভাই থাকলে একটাই আছে সে আমার ভাই। এত দারুন ভাই লাখে একটা জোটে না অন্যদের, আর আমি বাই ডিফল্ট পেয়ে গেছি। কোটি কোটি সালাম ও শুভকামনা, উনার জন্যে। এমন শুভ দিনে এই ব্লগের আরেক বড় মানুষ জ্যোতি আপুর জন্মদিন। যিনিও আমাকে স্নেহ করেন অত্যাধিক, সুখেরদিন কুদিন যাই আসুক খবর নেন নিজের গরজে, কোথাও গেলে আমাকে ডাক দেন কত আপন লোক ভেবে, আমি পিছলাই মাঝে মাঝেই, শুভ দিনে জন্ম নিলেও তিনি আশা করি ভালো নাই এখন কারন ঢাকায় ছিল পানির কষ্ট, মনের দুঃখে গেলেন বাড়ী সেখানে দুদিন ধরে কারেন্ট নাই। রাগে দুঃখে বেলী আপা আমায় কহিলেন "Ovaga jedike jabe pech lagbei" দোয়া করি তাঁর উপর থেকে শনির প্র
ফারাবী বিষয়ক জটিলতা এবং বাংলাদেশ
ফেসবুকে কাজী রায়হান রাহীর সাথে বিখ্যাত ফারাবী শফিউর রহমানের একখন্ড কথোপকথন থেকে মনে হলো, কাজী রায়হান রাহী যেসব প্রশ্ন করেছেন, সবই যুক্তিসংগত এবং এটাকেই বলে মুক্ত বুদ্ধির চর্চা। তার উল্টো হলেই সেটা হবে অন্ধত্ব, গোঁড়ামী, অজ্ঞতাকে ঢেকে দেয়া। আর কতদিন এভাবে ধর্মকে প্রশ্ন না করে আন-চ্যালেজ্ঞ যেতে দেবেন? যুগ যত আগাবে সত্য-মিথ্যার প্রশ্নতে প্রতিটা ধর্মই কষ্টিপাথরে বাছাই করার প্রয়োজন হয়ে পড়বে। আসলে কোনটা সত্য ধর্ম, তা মানুষকেই বুঝে নিতে হবে সত্যানুসন্ধানীর মত। ইসলাম যদি সত্য ধর্ম হয়, তবে আপনাদের মানুষের সব প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে। শুধু নবীজির স্ত্রীদের সম্পর্কে অশ্লীল কথা বলা হচ্ছে বলে আপনাদের এমন মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ধর্মকে টিকিয়ে রাখতে ও তার বহুল প্রচার করতে ব্যর্থ হবেন।
নিবর্তনমূলক ৫৭ ধারার অবলুপ্তিসহ আটক দুই কিশোর ব্লগারের মুক্তি ও নিরাপত্তা চাই
বাংলাদেশের স্বাধীনতার চেতনা ও ইতিহাসের সংরক্ষণে বাংলা ব্লগ ও বাঙালি ব্লগারদের যে ভূমিকা তার চূড়ান্ত প্রকাশ আমরা দেখেছিলাম শাহবাগ আন্দোলনের মাধ্যমে। এবং বাংলাদেশের অস্তিত্ববিরোধী শক্তির হাতিয়ার হিসেবে ধর্মের ব্যবহারটাও আমরা দেখতে পেরেছিলাম সেই একই সময়ে। দেখেছিলাম ধর্মকে ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে নব রূপে জন্ম নিয়েছে রাজাকার বান্ধব হেফাজতী আন্দোলন। এরই প্রেক্ষিতে পহেলা এপ্রিল ২০১৩ তারিখে চারজন নাস্তিক ব্লগারকে ডিবি পুলিশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ৫৭ (১) ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছিলো। যে ধারাটির সন্নিবেশন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন, মহান সংবিধানের ধর্ম-নিরপেক্ষতার মূলনীতি এবং বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার চূড়ান্ত অবমাননা। [১] এরপরে জল গড়িয়েছে অনেকটাই, অসাংবিধানিক এই ধারাটি তার বিষবৃক্ষের ডালপালা ছড়িয়েছে আরো বহুদূর।
হলপ্রিন্ট (২)
গরমে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। চৈত্র মাসের কেবল ষোলো সতেরো চলে, তাতেই এই অবস্থা, এখনো তো আসল গরম বাকি। তবে গরম নিয়ে লোকজনের উৎকণ্ঠা শুনলে হাসি আসে, মনে পড়ে নিজের হাল হাকিকতের কথা। যে গৃহে আমার বাস, সেই ঘর নরকের আগুনের মতো গরম। ছোটবেলায় শুনেছি এই আগুনের চেয়েও দোযখের আগুন ৭০ গুন নাকি বেশী তীব্র। মানুষের বাসায় টাসায় যেয়ে যখন নিজের ঘরে ফেরত আসি তখন মনে হয় ৭০ গুনের চেয়েও বেশী তাপ আমার রুমে। তবে এইসব নিয়ে আমি কখনোই হা হুতাশ বা আফসোস জানাই না। কারন এখন তো তবুও বিদ্যুৎ থাকে, আগে ঘন্টায় ঘন্টায় লোডশেডিং, তীব্র গরমে খালি ঘামি আর ঘামি, তাতেই আনন্দ আহলাদে কত কী করেছিলাম। আর এখন তো কত আরাম, একটা লেখাও মিস হয় না, সব সেইভ করে লিখি, কারেন্ট গেলেও সমস্যা নাই নোটবুকে অফুরন্ত চার্জ, গরম টা আগের মতই তীব্র কিন্তু তাতে কি?
ক্লোনিং সাইকোলজি
১৯৯৬ সালের জুলাই মাসে বিশ্বের প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণীর ক্লোন তৈরী হলো, ডলি। অমেরুদন্ডী সরল প্রাণী নয় বরং স্তন্যপায়ী মেরুদন্ডী একটি প্রাণীর অবিকল প্রতিরূপ তৈরীর সংবাদের নিজস্ব বৈজ্ঞানিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং রাজনৈতিক গুরুত্ব আছে। সে সময়ে অবশ্য আমরা রাষ্ট্র, অর্থনীতি সমাজ বিষয়ে খুব বেশী সচেতন ছিলাম এমনটা বলা যাবে না, বরং আমাদের মনে হয়েছিলো পৃথিবীতে ক্লোনিং পদ্ধতির সুচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিণতি হতে পারে মনোবিজ্ঞানে। মনোবিজ্ঞান আদৌ বিজ্ঞান কি না, মানুষের বেড়ে ওঠায়, তার আচরণে স্মৃতি এবং সামাজিকতার প্রভাবগুলো চমৎকার পর্যবেক্ষণ করা যাবে। ক্লোন মানব আমাদের এমন অনেকগুলো শিশু দিবে যাদের শাররীক গঠন থেকে শুরু করে মস্তিস্কের কোষের গঠন অবিকল একই রকম। সুতরাং আমরা এমন অনেকগুলো স্যাম্পল নিয়ে কাজ শুরু করবো যেগুলোকে অনায়াসে " আইডেন্টিক্যাল" বলা যাবে। তাদের ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে রেখে তাদের পরিণতি পর্যবেক
স্যানেটারি ন্যাপকিনের হালের একটি বিজ্ঞাপন এবং বিজ্ঞাপনে মতাদর্শ নির্মাণ-বিনির্মাণের দায়
ক.
হাজী ও আলহাজ্ব
হাজী ও আলহাজ্ব
আমাদের বাংলাদেশে হজ্ব এখন যেন এক বড় ফ্যাশন। আর হজ্ব করে এসে পৃত্তি প্রদত্ত নামের আগে হাজী ও আলহাজ্ব শব্দ দুটি ব্যবহারে মানুষের এমনই উৎসাহ যে এটিও যেন ফ্যাশন ও প্রচারের( আত্ম অহংকারে) মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে।
বিশেষ করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতাদের নামের আগে পিছে এই হাজী ও আলহাজ্ব শব্দ ব্যবহার এমন এক মাত্রা নিয়েছে এ যেন এক পদবী সর্বস্ব( খান, চৌধুরী, তালুকদার, সৈয়দ---- এমন ) হয়ে পড়েছে। অথচ এই হজ্ব হবে শুধু আল্লাহর জন্য। শুধু নামের আগে পিছে হাজী/আলহাজ্ব টাইটেল/উপাধি পাবার জন্য হজ্ব নয়, কিন্তু বাংলাদেশের বিত্তবান মানুষদের হজ্বের উদ্দেশ্য যেন এই উপাধি পাবার জন্য হজ্বে যাওয়া।
এলেবেলে স্টেটাস-২
১.
স্বীকারোক্তি
আমাকে দিয়ে বিপ্লব হয়নি..
ভাতের মাড়ের দিনগুলোত মনোযোগ ছিল খাবারে..
একটুও যেন উপচে না যায়
একটুও যেন পাতে কম না পড়ে..
বিপ্লবে তখন মন নেই..
মন ছিল খালি থালাটার দিকে..
থলেটার শূণ্যতা ছিল চোখে
আমাকে দিয়ে বিপ্লব হয়নি..
বছর শেষে পরীক্ষার ফিস মিস না করার টেনশনে
যেন টিউশনিটা হাতছাড়া না হয়- আনমনে
যেন সবার সাথে যেতে পারি ক্যান্টিনে
আমাকে দিয়ে বিপ্লব হয়নি..
মাস শেষে পকেটের টান সহ্য হয়নি বলে
দিন শেষে পেটের টান মানতে পারিনি বলে
প্রতি ঘণ্টায় নিজের ধূসর প্রতিবিম্ব সহ্য করিনি বলে
আমাকে দিয়ে বিপ্লব হবে না
মাঝ রাস্তায় দাঁড়িয়ে ঘণ্টা কাটাতে পারিনা তাই
বেলাশেষে ফ্যান ফুলস্পিডে দিয়ে গুটিশুঁটি মারতে চাই
অপরিচতর হাত ধরতে শঙ্কায় মরে যাই..
জীবন সংগ্রামে ব্যস্ত মানুষ বিপ্লবী হতে পারে না
জীবন সে সুযোগ দেয়না
আমাকে দিয়েও বিপ্লব হয়নি
আমাকে দিয়ে বিপ্লব হবে না..
চিঠি
ঘুড়ির কাগজে লিখা চিঠি, দূর মেঘের উজানে হারিয়ে গেলে
মনে পড়ল; ঠিকানা লিখা হয়নি।
লোডশেডিংয়ের রাতে ঘর জুড়ে নেমে আসে মন ভার করা অন্ধকার।
পোর্সিলিন মোমদানে সান্তাক্লজ;
কাঁপাম্লান আলোর বরাভয় রেখে চলে যান ছায়ার আড়ালে।
আয়না আছড়ে ফেলে বাতাসের পরী।হাতের তালুতে
ভাংগা কাঁচের টুকরা, দীর্ঘশ্বাস এবং এক বিন্দু রক্তের দাগ।
মোমের আলোয় লিখি স্বপ্ন এবং স্বপ্নভঙ্গের কথা।রূপকথার ভুলে যাওয়া গল্পগাঁথা
আবার পড়ছে মনে। জিগস পাজলের মতো সব জুড়ে দিতে গেলে দেখি,
কিছু টুকরো হারিয়ে গেছে ;কিছু বিসদৃশ বেমানান ফাঁক।
বাইরে বৃষ্টির গান। ডম্বরুমৃদঙ্গের তালে ঝরছে আকাশ।শব্দ লিখি।
শব্দের ভেতরে বাজে 'মিয়াঁ কি মল্লার' ।
স্মৃতির বুদবুদ থেকে রংধনুর সাত রং মেখে নেয় যে বর্ণমালা
তার ঘ্রাণ অবিকল বেলীফুলের মতো।অক্ষরের চিবুকে হাত রেখে
সাজাই স্বপ্ন এবং রূপকথার চিঠি। দীর্ঘশ্বাস লিখি।
ছবি আঁকি কড়ি ও কোমলের।
হলপ্রিন্ট (১)
রিসেন্ট টাইমে সানি লিওনের এক সিনেমার উদ্ভট এক গান আছে, নেচে গেয়ে নায়িকা বলে যায় সেখানে যার বঙ্গানুবাদ হলো 'এই দুনিয়া পিতলের', তাই এই পিতলের দুনিয়ায় ক্রিকেটে হার জিতে আর কি হবে! আমি অবশ্য আজ খেলার আগে থেকেই জানতাম কেন জানি বাংলাদেশের জয় হবে না, কারন হংকং এর কাছ থেকে হারের পর থেকে আমার মন কেন জানি উঠে গেছে, টিটুয়েন্টির নাম শুনলেই জিদ উঠে যায়। লোকজনের মুখে গল্প শুনি, কত টানটান ম্যাচ ছিল তার বর্ণনা শুনি, পত্রিকায় টূকটাক দেখি খবর এতটুকুই আমার পার্টিসিপেশন এবারের দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ব্যাপারে। আর মাঠে যাওয়া দুরের ব্যাপার, দেড়শো টাকার টিকেট ব্ল্যাকে পুলাপান বিক্রি করছে তিন চার হাজার টাকায়। আমি চিনি এমন অনেক ছেলেকে যারা মাঠে গিয়ে খেলা দেখে স্রেফ গার্লফ্রেন্ডের আবদার মেটাতে,ভাগ্যিস প্রেম পীরিতের বাজারে আমি নাই, থাকলে খেলা দেখাতাম কিভাবে? মানুষকে ঠেক দিয়ে টাকা আনতে হতো!
আমি, তুমি আর অন্ধকারের গান.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
আমার
একচিলতে
হৃদাকাশ,
আজও -
নীল।
তোমার ভালোবাসার
সুবিশাল ডানায়,
নেই দু'দন্ডের অখন্ড অবসর।
নিরন্তর উড়ালপথ -
জোড়া,
রিম ঝিম ঝিম রোদ্দুর।
যেখানে স্মৃতির করস্পর্শে
রৌদ্রস্নান করে -
অজস্র শঙ্খচিল,
রাতের পরিযায়ী মুহুর্ত;
আর স্বাপ্নিক আদর্শে বেড়ে উঠা আদুরে ঘুমপালক চোখ।
আর
বেখেয়ালে
ছন্দ কুড়োয় -
হারানো দিনের মতন
পুরাতন হাওয়ায়
বৃষ্টিস্নাত নগ্ন পদধ্বনি।
পাছে,
তালে ভুল না হয়ে যায় -
ভালোবেসে, অন্ধকারের গান
অথবা
দেখা না দেখার পথচলা
আর
বলা না বলা কথার সুর।।
চেতনা
চেইতোনা................থুক্কু চেতনা!! চেতনা নিয়া সবাইরে খালি চিক্কুর পাইরা গলা ফাটাইয়া ফেলতে দেখি। চেতনা নিয়া চিল্লাইতে চিল্লাইতে আমাগো রাজনীতিবিদ গণ, তাদের সাথে যুক্ত কিছু দালাল গ্রুপ বরেণ্য ব্যাক্তি গণ তাদের জীবনের সব শিক্ষা, ব্যাক্তিত্ব ভুলে হাত কচলাইতে কচলাইতে তাদের সাথে সামিল হয়ে চেতনার আসল মর্ম, অর্থ কুয়ায় ফেলে মুখ দিয়া ফেনা তুইলা ফেলে।
জাতীয় নির্বাচনের আগের মুহু্র্ত গুলিতে দেশে যখন হরতাল অবরোধের জোয়ার চলছিলো তখন সাধারণ অসাধারণ সব মানুষ রিক্সা গাড়ি যেহেতু চলেনা সেহেতু চলাচলের জন্য তারা অ্যাম্বুলেন্স কে সুবিধাজনক বাহন হিসেবে ব্যাবহার করা শুরু করলো। অফিসে যাওয়ার সময় দেখি খালি অ্যাম্বুলেন্স এর চলাচল। একটা গুরুত্বপূর্ণ বাহনের অপব্যরহার।
আমার কাছে তখন অ্যাম্বুলেন্স টারে ঐসব লুকের মুখের চেতনা শব্দটার মত মনে হইলো। চেতনা তাদের কাছে একটা সাইনবোর্ড !!!!
মন তার যতই নাচায়, যে পাখির বাঁচাই খাঁচায়, সেই বোঝে ভাঙা কত কঠিন।
শিরোনামের লাইনটা যথারীতি আমার মাথা থেকে উৎপত্তি না, উৎপত্তিস্থল শিলাজিতের গান, 'স্বাধীনতা' থেকে নেওয়া। গানটা আমার যেকোনো দিনই অসম্ভব প্রিয়, কি অসাধারণ লিরিক। প্রথম দু তিন লাইন এমনঃ 'তুমি হায় বুঝবে কি ভাই, ফুরফুরে দিন কেটে যায়, বোঝাচ্ছো স্বাধীনতার মানে/ যে অধীন দিনে রাতে, বুলেটে যে বুক পাতে, সে বুঝেছে স্বাধীনতার মানে!' আসলেই আমরা কতটুকু বুঝি এই স্বাধীনতার? আহমদ ছফার একটা কথা খুব মানি, যে গত দুই হাজার বছরের বঙ্গ অঞ্চল কিংবা বাঙ্গালীর ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো একটা রাষ্ট্র স্বাধীনতা যুদ্ধ করে পাওয়া!
জাতীয় পতাকার অবমাননা
আমি যদি ভুল বলি তাই প্রথমে জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।কারন এটা জাতীয় ইস্যু। গতকাল জাতিয় প্যারেড গ্রাউন্ডে সরাসরি উপস্থিত থাকতে না পারলেও টিভির সামনে দাঁড়িয়ে সমস্ত সহকর্মীদের নিয়ে গলা ছেড়ে গাইলাম প্রানের চেয়ে প্রিয় জাতীয় সঙ্গীত।