ইউজার লগইন
ব্লগ
অচিন দেশে যাত্রা( প্রথম পর্ব)
মিনহা খালাকনাকুম, ওয়া ফি হা নুয়ীদুকুম ওয়া মিনহা নুখরিজুকুম তারাতান উখড়া। এই মাটি হতেই তোমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে,এই মাটিতেই তোমাকে রাখা হল এবং এই মাটি হতেই তোমাকে আবার পূনরুত্থিত করা হবে।
পশুর শরীরে মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ
মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিরাট অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু এক্ষেত্রে বড় সমস্যা একটাই। প্রতিস্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় একটি কিডনি, লিভার বা অন্য কোন প্রত্যঙ্গ প্রয়োজনের সময় খুঁজে পাওয়া। এখনো পর্যন্ত এজন্যে নির্ভর করতে হয় ‘organ donor’ বা প্রত্যঙ্গ দানকারী মানুষের ওপর। কিন্তু জাপানী বিজ্ঞানীদের পরীক্ষা যদি সফল হয়, কয়েক বছরের মধ্যেই শুকর বা ছাগলের মতো পশুর শরীরেই তৈরি হতে পারে মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ। এ নিয়ে শুনুন টোকিও থেকে পাঠানো বিবিসির রুপার্ট উইংফিল্ড-হেস এর প্রতিবেদন, পরিবেশন করছেন মোয়াজ্জেম হোসেন:
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পোলিওমুক্ত হওয়ার অপেক্ষায়
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া পোলিওমুক্ত হওয়ার অপেক্ষায়
শুভজ্যোতি ঘোষ
শুভজ্যোতি ঘোষ
বিবিসি বাংলা, দিল্লি
সর্বশেষ আপডেট সোমবার, 13 জানুয়ারি, 2014 16:31 GMT 22:31 বাংলাদেশ সময়
Facebook
Twitter
Google+
এই পাতাটি বন্ধুকে পাঠান
প্রিন্ট
ভারতে পোলিও সংক্রমণের শেষ ঘটনাটি শনাক্ত হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলায় ২০১১ সালে
ভারতে শেষ পোলিও সংক্রমণের ঘটনাটি চিহ্নিত হওয়ার পর আজ সোমবার পুরো তিন বছর পূর্ণ হল।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী এর ফলে গোটা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলকে এখন পোলিওমুক্ত ঘোষণা করা যাবে – যে অঞ্চলের মধ্যে ভারত ছাড়াও বাংলাদেশ, মায়ানমার ইত্যাদি মোট এগারোটি দেশ রয়েছে।
সম্পর্কিত বিষয়
বাংলাদেশ,
ভারত,
আন্তর্জাতিক,
স্বাস্থ্য
তবে ভারতের সাফল্যকে অভিনন্দন জানালেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যেহেতু ভারতের পশ্চিম সীমান্তে পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে পোলিও সংক্রমণের এখনও অনেক ঘটনা ঘটছে, তাই ভারতের আত্মসন্তুষ্টির কোনও অবকাশ নেই।
সারভাইভিং হলোকাস্ট, বাডি
শিরোনামের কথাটা লিখেছিলাম এক পুরোনো বন্ধুকে, যে সম্প্রতি মেসেঞ্জারে জানতে চেয়েছিল- হেই ইউ, হোয়াট আর য়ু ডুয়িং নাউ?
অথচ আমি একসময় নিজের শার্টের ভেতর হাত লুকিয়ে রেখে মানুষকে বোঝাতে চাইতাম যে, আমার একটি হাত কাটা পড়েছে। সেটা খুব বেশিদিন আগের কথা না।
সে সময় একটা চাররঙা টিপ-কলম ছিল আমার। প্রায়ই যেটার চারটা বাটন একসঙ্গে টিপতাম। কোন শীষই বের হতো না। ওই সব দিনে বাড়ির মানুষদের ভয় দেখানোর জন্য দরজার পেছনে লুকিয়ে থাকতাম। দীর্ঘ সময় পর্যন্ত কেউ আসতো না, একসময় নিজেই আড়াল থেকে বেরিয়ে পড়তাম। ভগ্ন মনে।
ঈদের সময় বা বার্ষিক পরীক্ষা শেষে বাড়ি যাওয়াটা জীবনের একটা অন্যতম প্রিয় অনুষঙ্গ ছিল। রাতের ট্রেনে বাড়ি ফেরার সময় মনে করতাম, চাঁদটাও আমাদের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ি যাচ্ছে।
আর প্রায়ই ঘরের সুইচবোর্ডে অবস্থিত ফ্যান, লাইট ইত্যাদির সুইচকে মাঝামাঝি জায়গায় ব্যালেন্স করার চেষ্টা চালাতাম। এই কাজ করতে গিয়ে প্রচুর বাল্বের ফিলামেন্ট কেটেছে আমার হাতে। এছাড়া ফ্রীজের লাইট কখন বন্ধ হয় তা দেখার জন্য খুব আস্তে আস্তে সেটার দরজা বন্ধ করতাম।
ধূসর গোধূলিঃ ২৭ - আর্তনাদ

বাড়ির সামনে আসতেই মিরাজের চোখ পড়ে বড় বাগানটির একপাশে অযত্নে অবহেলায় পড়ে থাকা মায়ের কবরটির দিকে। অনেক ডালপালা ছড়ানো কাঠবাদাম গাছটার নিচে আগাছা আর জঙ্গলে ঢেকে থাকা কবরটিকে দেখে ওর কেবলই মনে হতে থাকে এ বাড়িতে বেঁচে থাকতেই যে মায়ের কোন মূল্য ছিলনা এখন কবরের আর কি কোন যত্ন হবে! তবুও মায়ের জন্য ওর ছোট্ট মনে জমে থাকা কষ্টগুলো আরও বেড়ে যায়। মিরাজ বেশ কিছুক্ষণ চুপচাপ রাস্তায় দাঁড়িয়ে মায়ের কবরের দিকে তাকিয়ে থাকে। রফিক কিছুটা এগিয়ে গিয়ে আবার ফিরে আসে মিরাজের কাছে।
-মা তো চইলাই গ্যাছে, খালি খালি কষ্ট বাড়াইস না মিরাজ, রফিক মিরাজের উদ্দেশ্যে বলে।
-মার কবরডা জঙ্গলে ভইরা গ্যেছে রফিক ভাই, একটি দীর্ঘশ্বাস ছেঁড়ে মিরাজ বলে
-হ, এই জঙ্গল অনেকদিন পরিষ্কার করা অয়নাই। ল, বড়ির ভিতরে যাই
ভুলতে পারিনা
কখনো ভুলতে পারিনা, আমি তাহাকে।
গভীর রাতে কত কাঁদি, খোদার কাছে ;
হে খোদা মহান ! আমাকে দাও সে শক্তি,
তাকে ভুলে থেকে, আমি পাই যেন তৃপ্তি।
না পেলাম তাকে, তবু নেই কোন ক্ষতি।
আমি তো শুধু ভুলতে চাই, তার স্মৃতি !
তার'ই করুণ সুর এ হৃদয় মাঝে,
ছন্দ-তালে, আর ও করুণ হয়ে বাজে।
কি করে মুছবো আমি হৃদয়ের ব্যাথা।
সারাক্ষণ ভর করে শুধু অস্থিরতা।
জানিনা কোনদিন পারব কি ভুলতে,
নাকি আজীবন থাকব শুধু জ্বলতে !
মনের মুকুরে ভেসে ওঠে তার ছবি,
তাকেই ভেবে আজ আমি হয়েছি কবি।
সময় কেবল, সময় শুধু-সময় নিয়ে যাবে!
টেকনিক্যাল হিসেবে আজ, আমার হিসেবে কাল বাড়ীতে যাচ্ছি ট্রেনে। সকালের ট্রেন। এই ট্রেনটার নামটা অসাধারণ- অগ্নিবীনা। কিন্তু নাম যতো সুন্দর এই ট্রেনের সার্ভিস ততই বাজে। নয়টা চল্লিশে ছাড়ার কথা, কিন্তু ছাড়ে মাঝে মাঝে একটায়। কপাল সুপ্রসন্ন থাকলে সাড়ে দশটা কিংবা এগারোটায় ছাড়বে, ততক্ষণ বলদের মত প্লাটফর্মে বসে বসে পত্রিকা মুখস্থ করতে হবে কিংবা মানুষের দিকে চেয়ে থেকে থেকে উজবুকের মত প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। ভেবেছিলাম পাভেলরা এত দামী ফ্ল্যাট কিনলো কমলাপুরে, এখন গেলে সময় কাটবে আনন্দে আড্ডায়। কিন্তু কাল পাভেলের এক্সাম, তাই ফ্রি নাই। সেই সাত সকালে বাসে ঝুলতে ঝুলতে এসে খালি পেটে আমাকে একা একাই থাকতে হবে। তবে এত কিছুর ভেতরেও বাড়ী যাওয়ার আনন্দের কমতি নাই। আড়াই তিন মাস পর বাড়ীতে যাচ্ছি কিন্তু মনে হচ্ছে অনেক দিন পর বাড়ীতে যাচ্ছি। কারন নভেম্বরে যখন গিয়েছিলাম তখন মামার বিয়ে শাদী নিয়েই হন্তদন্ত, বাড়ী যাওয়ার ফিলই পেলাম না কোনো। আমার আবার ৯-১০ দিন বাড়ীতে বসে ভালো মন্দ খেয়ে, টিভি দেখে বোর না হলে বাড়ী যাওয়ার ফিলিংস পাই না। কী এক সমস্যা!
শেষ অনুরোধ
এ আমার শেষ অনুরোধ তোমার প্রতি।
আর কাউকে করবেনা এমন,
যেমন করেছ আমার ক্ষতি।
মন ভাঙলে কাঁচের মত,
বুঝলেনা সে কাঁচের মুল্য কত।
আমার ভুলেই তাই,
আমি আজ কেঁদে যায়।
ছিল এই পরিণতি।
নিঠুর হাতে মেরো না, আর কার অনুভূতি!
এ আমার শেষ অনুরোধ তোমার প্রতি।
অনেক কিছুই চেয়েছিলাম দিতে,
বিনিময়ে চাইনি কিছুই নিতে।
ব্যাথায় আজ আমার আঁখি ছল্ ছল্ !
হয়ত দিয়ে গেলাম, এক টুকরো কলঙ্ক,
আর দু ফোঁটা চোখের জল।
হে নিষ্টুর, নির্দয় রূপবতী !
আর কাউকে দিও না কষ্ট,
কনো জীবন করনা নষ্ট,
এ আমার শেষ অনুরোধ তোমার প্রতি।
কিছু সুপ্ত ভালোবাসা আর নির্লিপ্ত প্রকৃতি
সুপ্ত সামাজিকতার এই যুগে ভুল করে জন্ম নেয়া একটি ছেলে। অসামাজিক হলেও সামাজিক সাইটে তার একটি একাউন্ট আছে। সকলের অলক্ষ্যে থেকে সবার লেখা পড়ে বেড়ায়। ভালো লাগলে লাইক দিয়ে সহমত জানায়। এছাড়া ওই নিভৃতচারীই থেকে যায় সকলের অগোচরে।
তার ইনবক্সে কতশত জিজ্ঞাসু মানুষের ভীড়। সবাই পরিচিত হতে চায়। কিন্তু সে ভেবে পায় না, কোথা থেকে শুরুকরে কি বলবে। সবাই তার এই চুপচাপ থাকাকে তার দেমাগ মনে করে। বিরক্ত হয়ে সাথ ছেড়ে যায়।
কিন্তু এই ছেলেটিই এক কথায় দুই কথায় পরিচিত হয় প্রকৃতির সাথে। ওদের দুজনের খুব জমে। কিসের একটা অজানা টানে যে এরা ভালো সংগীতে পরিনত হয় তা কেউ জানেনা। প্রকৃতির নীরবতা সুপ্তকে বিমুগ্ধ করে। প্রবল বেগে কাছে টানে। এই টানকেই হয়তো সবাই ভালোবাসা বলে।
সাধারনের কাছে সুপ্ত একজন আহাম্মকই রয়ে যায়। যে তার আবেগ প্রকাশে ব্যার্থ। কিন্তু সুপ্ত তার হৃদয়ের কোথায় যেনো একটি দুর্বলতা অনুভব করে প্রকৃতির জন্য। হয়তো প্রকৃতি সেটা বোঝে, হয়তোবা বোঝেনা। তাতে কি ই বা যায় আসে?
কবিতা
হায়! বড়ই দুর্ভাগ্য আমার জীবন।
সারাক্ষণ হাত ছানি দিতেছে মরণ।।
এ জীবনে স্বাধ করে চাইলাম যারে।
অনেক চেষ্টা করে পাইলাম না তারে।।
অন্তরে ভরে আছে, শত ব্যাথা বেদনা।
মনকে বুঝালাম তুমি আর কেঁদো না।।
জীবনে সব "চাওয়া "পাওয়া যায়না।
সবাই' সব কিছু চাইতে ও হয়না।।
তবু, মন তো আমার মানতে চায়না।
ছোট বাচ্ছার মত ধরে শুধু বায়না।।
জীবনের প্রতি আর নেই কনো মায়া।
যেখানে থাকি অন্তরে পড়ে তার ছায়া।।
নিজেকে করে চলেছি, শুধু অবহেলা।
জীবন আমার হয়ে গেলো মিছে খেলা।।
শুভেচ্ছা বাণী
আমরা বন্ধু" ব্লগে আমি আজ নতুন এসেছি, তাই সবাইকে জানাই শুভেচ্ছা! সবাই যদি আমাকে আপনাদের বন্ধু হিসাবে যোগ করে নেন তাহলে নিজেকে ধন্য মনে করিব। নতুন এসেছি তাই ভুল হওয়া সাভাবিক ; সবার কাছে একান্ত আবেদন আমাকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আর আমার জন্য দোয়া করবেন যেন সুন্দর কিছু লিখতে পারি। সকলের সুন্দর সাস্থ্য ও দীর্ঘ জীবন কামনা করে এখানেই শেষ করছি।
যন্ত্রনাদায়ক প্রশ্নের বিব্রতকর উত্তর ১৮+
বঙ্কিম এর জীবনিতে পড়েছিলাম , তাকে যখন ম্যাজিস্ট্রেসির জন্য মৌখিক পরীক্ষায় একজন বিলেতী সাহেব জিজ্ঞাসা করেছিল " হোয়াটস দা ডিফারেন্স বিটুইন আপড এন্ড বিপড। তিনি জববে অনেকটা এমনই বলেছিলেন ---একজন বাঙালী হয়ে বিলেতী র সামনে বাংলা পরীক্ষা দিতে হচ্ছে এটা বিপদ আর যে পরীক্ষা নিচ্ছে সে আপদ।
আমি এই আপদ বিপদের আশে পাশে পড়ি কিনা বুঝি না ,বা জানি না ,তবে যার মাঝে পরেছিলাম তাই বয়ানে বসেছি।
সময় রাত ১০:৩০।
স্থান: শোবার ঘর।টিভির সামনে মাটিতে কার্পেটের উপর বসা ১০+ ও ৭+ দুই পুত্র কন্যা। আমি হাতে " নট উইদয়াউট মাই ডটার " বইটি নিয়ে সোফায় শুয়ে কেবল মন দিতে যাচ্ছি।
টিভি চ্যানেল : ডিসকভারি, ওয়াইল্ড ভার্সের ম্যান বা ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড। যাই হোক মনে নাই মনে করার ইচ্ছাও নাই।
১০+ বাচ্চা ----মা মা
আমি: বলো
বাচ্চা: দেখন না।
মা: হ্যঁা শুনছি বলো কি?
বাচ্চা: সেক্স না করলে তো বাচ্চা হয় না।
তাকালাম বাচ্চার দিকে।এক সেকেন্ডের ও কম সময় ভেবে বললাম --হ্যাঁ ।
বাচ্চা : তার মানে তুমি সেক্স করছ ?!
মা:
এবার তিন সেকেন্ড সময় নিয়ে উত্তর দিলাম, ---হ্যাঁ।
হ্যাপি বার্থডে লিল ব্রো "আরাফাত শান্ত"
“আরাফাত শান্ত” “আমরা বন্ধু” ব্লগের সবচেয়ে একনিষ্ঠ ব্লগারের নাম। সবচেয়ে নিবিষ্ট মনে যে তার চাওয়া পাওয়া, আনন্দ বেদনা, দিনলিপি, সিনেমা, বই, ঈদের টিভির অনুষ্ঠানের কড়চা আমাদের সাথে সততার সাথে ভাগাভাগি করে যায়, কে পড়লো কে পড়লো না কিংবা কে মন্তব্য করলো আর করলো না, কে তার পোষ্ট পড়ে তাকে কী ভাবলো আর ভাবলো না তার তোয়াক্কা না করে। এক কথায় আমাদের ব্লগের প্রাণ এই ছেলেটা। অনেক ব্যস্ততা কিংবা একঘেয়ে অফিস রুটিনের ফাঁকে এক ঝলক ব্লগে উঁকি দেয়ার কারণ এই ছেলেটা। আজ তার শুভ জন্মদিন। অনেক অল্পদিনে অনেক কাছের মানুষ হয়ে যাওয়া এই ছেলেটাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা দেয়ার জন্যে আজকের এই লেখা। শুভেচ্ছা লেখার মান যেমনই হোক, ভালবাসা, স্নেহ, শুভ কামনা অফুরন্ত তাই জানাতে চাই।
স্ক্রিবলস...
২৫০৯১৩
সাদাকালো আকাশের অশ্রু মেখে বিষণ্ণ হয় কাশদল...
২৭০৯১৩
বৃষ্টি থেমে এলে স্থবির নগর
কাদা মাখা পথে বিহ্বল ইঁদুরের পাল...
২৮০৯১৩
ফুলার রোডে সন্ধ্যা নামে...
রঙীন অন্ধকার...
চোখের কোনের অশ্রু আর এলোমেলো কথামালা
বার বার হারিয়ে যেতে থাকে রিকশার ঘন্টায়...
তুই...
ভালো থাকিস রঙীন অন্ধকার রাতে
ঘুমন্ত বালিশের আদরে...
০৪১০১৩
শহর ভরা মেঘের গুঁড়ো,
আকাশ ভরা মেঘ
দুপুর জুড়ে সাঁঝের মায়া,
অবাক দিনের শেষ..
০৯১০১৩
ভুলে যাবার চেষ্টা আসলে তোমারই স্মৃতিচারণ..
১২১০১৩
অনিবার্য সকাল হেঁটে আসে,
মৃদুপায়ে;
আধা জোছনার নাগরিক পথ ধরে...
১৯১০১৩
রাত কিভাবে কালো হয়?
২০১০১৩
পাঁচিল ভাবলেই তোমার চোখ।
মেলে ধরা হাতের পাতায় লালচে আলো।
এসফল্ট, কালো ধোঁয়া আর ধুলো ওড়া বাতাসের পটভুমিতে দৃঢ় সংবদ্ধ চিবুক।
পাঁচিল ভাবলেই পায়ে দলে যাওয়া রোদ।
ড্রেনে পড়ে থাকা শুকনো পাতা।
ওভারব্রীজের জলাকীর্ণ সিঁড়িতে খানিকটা চাঁদ।
পাঁচিল ভাবলেই আমার অস্থিরতা এবং ভুল।
২৩১০১৩
দেয়ালে দেয়ালে ছায়া দিয়ে আঁকা গল্পগুলো সব পাখি হয়ে যায় কৃষ্ণপক্ষের রাতে...
২৪১০১৩
উত্তরসূরী

চাপাতলায় ফুলের গন্ধ নেই-
ওখানে আজ শুধুই বুকের আর্তনাদ।
আর্তনাদ! তোমাদের তাতে কি?
তোমরা অধিকারের কথা বলছ?
অধিকার তো হয় কেবল মানুষের।
ওরা কি মানুষ?
ওখানে তো সংখ্যালঘু নামের
কিছু আজব জীবের বাস !
কি দরকার ওদের কথা ভেবে?
ওদের জ্বলে যাওয়া ঘরের আগুনে
কারো উল্লাস হলে তোমাদের কি আসে যায়?
জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও-
জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাক সব,
হিংসার আগুনে, লোভের দাবানলে
রচিত হোক নতুন সম্প্রীতির ইতিহাস।
ত্রিশ লক্ষের উত্তরসূরীরা
আজ আবার নতুন করে জেনে যাক-
একাত্তর এমনই ছিল!