ইউজার লগইন
ব্লগ
শিশুদের নিউমোনিয়া প্রয়োজন একটু বাড়তি সতর্কতা
শিশুদের নিউমোনিয়া
প্রয়োজন একটু বাড়তি সতর্কতা
বাংলাদেশে গত কয়েকদিন ধরে যে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে তার তীব্রতা এখন ঢাকার রাস্তায় নামলেই দেখা যায়। শীতের কারণে দিনাজপুর, গাইবান্ধা, ঠাকুরগাঁ, রংপুর, কুড়িগ্রামসহ উত্তর জনপথ, ময়মনসিংহ, খুলনা, চট্রগ্রামসহ সারা বাংলাদেশে বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশু ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, জ্বর, মাথা ব্যথাসহ রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বিশেষ করে শীত এলে নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়ে যায়।
নিউমোনিয়া শিশুদের জন্য একটি আতঙ্কের নাম। বৃদ্ধ রোগিরাও এই রোগের বেশি আক্রান্ত হয়। যেসব শিশুর বয়স ৫ বছরের নীচে, তাদের মধ্যে নিউমোনিয়ায় কারণে মৃত্যুহার সবচেয়ে বেশী। তবে একটু সচেতন হলেই কিন্তু এই বিপদজনক অসুখ থেকে শিশুকে নিরাপদ রাখা যায় । শীতকালে নিউমোনিয়ার প্রকোপ বেড়ে যায়। শিশুরা যাতে ঠাণ্ডায় আক্রান্ত না হয় সেদিকে পরিবারের খেয়াল রাখতে হবে, বাচ্চাদের দিকে বাড়তি নজর দিতে হবে।কারণ শিশুদের শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা বড়দের তুলনায় কম।
নিউমোনিয়া ঃ
নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের ইনফেকশনজনিত একটি রোগ। এটি সাধারণতঃ ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া দ্বারা হয়ে থাকে।
কি নাম দিব?
সরাসরি বলার সাহস নায়। তাই ইনিয়ে বিনিয়ে বলার চেষ্টা করেছি।
মেয়েটার সাথে আমার পরিচয় প্রায় আড়াই বছরের। বন্ধুত্বের সম্পর্ক। মেয়েটা আমার সাথে দুষ্টুমি করত। আমিও দুষ্টুমি করতাম। কিন্তু এই দুষ্টুমি যে আমার জন্য ভয়ানক একটা নাট্য মঞ্চের জন্ম দিতে যাচ্ছিল বুঝি নি।
ডিপার্টমেন্টের এক বড় ভাইয়ের গুণ কীর্তন গাচ্ছিল তারা দু'বান্ধবী। তাদের সেই গুনকীর্তন আমার হার্ট বিট বাড়িয়ে দিয়েছিল কয়েকগুণ। একদম ভালো লাগে নি। শুরু হল খারাপ লাগার বসবাস। বুঝলাম আমি গেছি। কিন্তু আমি ভালো করেও জানতাম সে রাজী হবে না। তাই আমি নিজেকে তার কাছ থেকে গুটিয়ে নিয়ে লাগলাম। যোগাযোগ একদম কমিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু সারাক্ষন অস্থির লাগত। একটা সময় এই অস্থিরতা কমে গেল। ভাবলাম আমি উদ্ধার পেয়েছি। সাথে সাথে মনের মধ্যে দৃঢ প্রতিজ্ঞা এই ভুল আমি আর করব না।
কিন্তু যেদিন মেয়েটারে আবার দেখলাম বুকের মধ্যে যেন সুনামী বয়ে যাচ্ছিল। আল্লাহ্রে বললাম, খোদা, তুমি এইটা কি কাজ করলা? আমি তো মনে হয় আর বাঁচব না।
‘প্রতি ৩০ সেকেন্ডে নিউমোনিয়ায় একশিশুর মৃত্যু’
‘প্রতি ৩০ সেকেন্ডে নিউমোনিয়ায় একশিশুর মৃত্যু’
•
শিশুমৃত্যুর এক নম্বর কারণ নিউমোনিয়া
বিশ্বে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে প্রতি ৩০ সেকেন্ডে একটি শিশু মারা যায়। প্রতি বছর নিউমোনিয়ায় পাকিস্তানে পাঁচ বছরের কম বয়সী প্রায় ৯২ হাজার শিশু মৃত্যুবরণ করে।দ্য ডন পত্রিকা প্রকাশ করেছে, এটি দেশটির মোট শিশুমৃত্যুর ১৮ শতাংশ ।
বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস উপলক্ষ্যে স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বুধবার পাকিস্তানের একটি হাসপাতালের শিশুবিভাগের প্রধান ডা. তাবিশ হাজির বলেন, “টিকার সুযোগ পাওয়া যে শিশুদের অধিকার এবং এটা তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করে তা বুঝাতে অনেক কাজ করতে হবে। টিকার মাধ্যমে একটি শিশু নিউমোনিয়া এবং এ ধরনের বিভিন্ন রোগ যেগুলো টিকার মাধ্যমে প্রতিরোধ করা যায় সেগুলো থেকে সুরক্ষিত থাকবে।“
নিউমোনিয়া তীব্র শ্বাস প্রদাহ যেটা ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। নবজাতক এবং শিশু যাদের বয়স দুই বছরের নিচে তাদের নিউমেনিয়া হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। কারণ তাদের শরীরের অভ্যন্তরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তখনও পূর্ণরূপে বিকশিত হতে পারে না।
ধূসর গোধূলিঃ ২৫ - মুক্তনগর...
নিরিবিলি ছোট্ট শহর মুক্তনগর। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, লোকজনের ভিড়ভাট্টা তেমন একটা নেই। শহরের পাশ ঘেঁষেই বয়ে চলেছে ছোট্ট নদী, কাঁকন। এদেশের বেশীর ভাগ শহরের পাশেই বোধহয় নদী থাকে। হয়ত নদীর পাড়েই গড়ে ওঠেছে শহরটি। মুক্তনগরে এসে নতুন জীবনে প্রবেশ করেছে শিউলি। নতুন সংসার, টুকিটুকি কতকিছুই প্রয়োজন হয়! অফিস ছুটির পর ওকে নিয়ে বের হয় নাহিদ। প্রতিদিনই দুজনে মিলে ঘুরে বেড়ায়, সংসারের প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনে। দুজনের ছোট্ট সংসার মনের মত করে সাজিয়ে নেয়।
দেশ টিভিতে জনাব জয়ের চায়ের আড্ডা
যখন কোন ব্যক্তি ভুল পথে চলতে চলতে উদ্দেশ্য বা গন্তব্যে পৌছার কোন নিশানা বা আলোক বর্তিকা খুঁজে পায় না তখন সে পথ চলার ভুলটা বুঝতে পেরে সঠিক পথে চলতে চেষ্টা করে। আর সঠিক পথে চললে এক না এক সময় সে তাঁর গন্তব্যের আলোক বর্তিকা খুঁজে পাবেই।
এ উক্তিটি গতকাল রাতে (২/১/১৪) দেশ টিভিতে জনাব আসাদুজ্জামান নুরের চায়ের আড্ডায় জনাব সজিব ওয়াজেদ জয়ের, বর্তমান জামাত শিবিরের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে প্রাসঙ্গিক ভাবেই এ কথা বলেছেন। উনার দর্শন মূলক এ উক্তির সাথে আমার বিশ্বাস শুধু উনার দল কেন বিরুধীদলের অনেকই এককত পোষন করবেন।
আর আমি উনার এ উক্তির মাঝে আমাদের দেশের নেতৃত্বহীনতার মাঝে তিমিরও বিদারী, আলোক নিহারী এক নেতৃত্বের সুগন্ধ, সুবাতাস পাচ্ছি।
ভালো লাগা ভাবনারা- ৬
ছন্দের জাদুকর সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের এই কবিতাটা ছোটবেলার কোনো এক ক্লাসের পাঠ্য ছিলো। সম্ভবত প্রথম ষোল লাইন। তখন মুখস্ত করার জন্য পড়েছিলাম কিন্তু বোঝার জন্য পড়ি নাই। পুরো কবিতাটা বিশাল ভাবের। বহুত ভালো লাগা ভাবনার তালিকায় চলে গেলো।
দূরের পাল্লা
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ছিপখান তিন-দাঁড় -
তিনজন মাল্লা
চৌপর দিন-ভোর
দ্যায় দূর-পাল্লা!
পাড়ময় ঝোপঝাড়
জঙ্গল-জঞ্জাল,
জলময় শৈবাল
পান্নার টাঁকশাল |
কঞ্চির তীর-ঘর
ঐ-চর জাগছে,
বন-হাঁস ডিম তার
শ্যাওলায় ঢাকছে|
চুপ চুপ - ওই ডুব
দ্যায় পান্ কৌটি
দ্যায় ডুব টুপ টুপ
ঘোমটার বৌটি!
ঝকঝক কলসীর
বক্ বক্ শোন্ গো
ঘোমটার ফাঁক বয়
মন উন্মন গো|
তিন-দাঁড় ছিপখান
মন্থর যাচ্ছে,
তিনজন মাল্লায়
কোন গান গাচ্ছে?
রূপশালি ধান বুঝি
এইদেশে সৃষ্টি,
ধুপছায়া যার শাড়ী
তার হাসি মিষ্টি|
মুখখানি মিষ্টিরে
চোখদুটি ভোমরা
ভাব-কদমের - ভরা
রূপ দেখ তোমরা !
ময়নামতীর জুটি
ওর নামই টগরী,
জামাত ও সুশীল সমাজ: আমেরিকার শেষ ভরসা?
পরিবর্তিত বিশ্ব রাজনৈতিক বাস্তবতায় স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিভিন্ন আদর্শের মেরুকরণের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলি সমাজতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ও সামাজিক প্রেক্ষাপটের সাপেক্ষে যে রাজনীতি বিনির্মাণ অপরিহার্য ছিল তা করতে সর্বাংশে ব্যর্থ হয়েছে। অন্যদিকে ধর্মীয় রাজনৈতিক দলগুলি ধর্মের নামে রাজনীতিতে বিভাজন সহায়ক উগ্রবাদী আদর্শতা, সমাজ জীবনের বিভিন্ন স্তরে জ্যামিতিক হারে ছড়িয়ে দিতে সমর্থ হয়েছে। আমরা এখন বাঙ্গালি মুসলিম না হয়ে মুসলিম বাঙ্গালি পরিচয়ে পরিচিত হতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
রিস্টকাটার্স: আ লাভ স্টোরি
মৃত্যুর পরের জগতটা কেমন হতে পারে?
১৪৬০ দিন
বছরের প্রথম পোষ্টটা হোক স্মৃতিচারন মুলক, তাই এই লেখার সুত্রপাত। ১৪৬০ দিনের মর্মার্থ অতি সরল, ৪ বছরকে ৩৬৫ দিয়ে গুন দিলেই এই সংখ্যা পাওয়া যায়। তার মানে হলো ১৪৬০ কিংবা ১৪৬৫ দিন ধরে আমার এই ব্যাচেলর লাইফের মেস জীবন চলিতেছে সাড়ম্বরে। শুরু হয়েছিল ২০০৯ সালের ২৮ কিংবা উনত্রিশ ডিসেম্বরে- সেই দিনটার কথা খুব মনে পড়ে। আম্মু আব্বু চলে যাবে জামালপুর, বাসার নিচে ট্রাক সেখানে জিনিস নিয়ে চলছে ও লোড হচ্ছে, আমি নরমালই ছিলাম, করম আলীর দোকানে চা খাচ্ছি সাথে নিচে নেমে জিনিসপত্তের নামানো দেখছি। কাজ সব শেষ হয়ে গেল, আব্বু আম্মুর ট্রেন বিকেলে তাই সব গুছিয়ে আড়াইটাই বের হলো। বিদায়ের সময় আমার সেকি কান্না, তা আর দেখে কে! আমার কান্না দেখে আম্মুরও কান্না, বারবার মাথায় হাত বুলাচ্ছে আর আমার কোথা থেকে এত চোখের পানি আসলো তা ভাবতেই ভাবতেই সিএঞ্জি পাওয়া পর্যন্ত এসে পড়লাম। রাস্তায় সবার সামনেই কাঁদছি, কিছুতেই মানাতে পারছিলাম না যে চিরস্থায়ী ভাবে আম্মু আব্বুর সাথে এক বাসায় আর থাকা হবে না। রাতে ঘুম আসে না খালি মনে হয় আমি এখন কি করবো?
তোমায় খুঁজি
তোমায় খুঁজি
শীতের সকালে সবুজ ঘাসের উপর জমে
থাকা শিশির বিন্দুর মাঝে
তোমায় খুঁজি
কলসি কাঙ্ক্ষে হেলে দুলে চলা
নদীর ঘাটে জল আনতে যাওয়া
পল্লী নব বধূর মাঝে
তোমায় খুঁজি
পৌষ, অগ্রহায়নে নবান্নের নানা কাজে ব্যস্ত
লাজ রাঙ্গা গাঁয়ের বধূর মাঝে
মাড়ানো ধান কুলায় উড়ানো
ঘুর্ণী বাতাসে উড়ন্ত
চোচা ধান ও খড়ের মাঝে।
তোমায় খুঁজি,
রবি, নজরুল, শরতের লেখা
গান, কবিতা, গল্প উপন্যাসের মাঝে।
তোমায় খুঁজি
মাঠের পর মাঠ হলুদাভ
সরিষা ফুলের মাঝে।
তোমায় খুঁজি
হালুয়া, রাখাল, গারোয়ানের
মন প্রাণ উজার করে গাওয়া
গানের কথা ও সুরের মাঝে।
তোমাকে খুঁজি
লাউ সিম
হাজারো সবুজ সবজি বাগান
হাজারো ফুল বাগানের,ফুলের মাঝে।
তোমাকে খুঁজি
অতি ভোরে
নতুন ধানে নিরবিচ্ছিন্ন চিড়া কুটা
পল্লী বালার মাঝে।
তোমাকে খুঁজি
পৌষ পাবনে রাত জেগে
হরেক রকম পিঠা বানানো
রমণী কুলের মাঝে।
তোমায় খুঁজি
বাড়ির পাশে বয়ে যাওয়া নদীতে
নেয়ে আসা মেয়ের ভেজা কাপড়ে
অর্ধ-দৌড়ে ঘরে ফেরার মাঝে
তোমায় খুঁজি
সকালে রবির মিষ্টি রোদ,রোদেলা দুপুর।
বা ডুবন্ত সূর্যের আবেগময় অবয়বের মাঝে।
তোমায় খুঁজি
417427425
শহরের পথগুলো হঠাৎ পরিবর্তিত হয়ে গেছে। আজকাল কোনো গন্তব্যে ঠিকমতো পৌঁছুতে পারি না। বারিধারায় এলাকায় যাবার জন্য রওনা দিয়ে বসিলা ব্রীজে পৌঁছে যাই। ব্রীজের রেলিংয়ে বসে নদী দেখি। নদীর পানি দেখি, নৌকা দেখি, নৌকার বাদাম দেখি। উকিল মুনশির গান আছে,
পূবালী বাতাসে
বাদাম দেইখা চাইয়া থাকি
আমার নি কেউ আসে...
ফরম্যাট মামুন
স্লিপিং স্লিপিং ফরম্যাট ভাই
অফিসে এলে ভুলে যাই
নতুন বছরে ফরম্যাট নাই
কোথায় গেলে বল তা পাই।
তুমি ফরম্যাট জানে সবাই
তাইতো তোমার তুলনা নাই
ফরম্যাট ফরম্যাটে কাটে বেলা
কাজে তোমার নেই তো হেলা।
স্লিপিং স্লিপিং থাকো তুমি
কাজে তোমার ভিন্ন জমি
ক্যানভাসে তুমি আঁক ছবি
ফরম্যাট খেলা তোমারি হবি।
‘M’-ফর মামুন এটাই জানি
‘F’-ফর ফরম্যাট তাও মানি
তোমার ভাষা বোঝাই কঠিন
সব কিছুতেই সবুজ জমিন।
০২.০১.২০১৪
বিষণ্ণ হাহাকার

অসীম শূণ্যতায় নীরব অন্ধকারের দিকে তাকায়
ওখানে তো কোন আলো নেই!
কুয়াশা আঁধারে ঢেকে থাকে সতেজতা।
দেয়ালে প্রতিধ্বনিত হয়ে ফিরে ফিরে আসে
বিষণ্ণ হাহাকার।
পেজো তুলোর মত মেঘের আড়ালে
ভেসে বেড়ায় নীলাভ চাঁদ,
মাঝরাতে জ্যোৎস্না বৃষ্টিতে স্নাত হওয়া হয়না আর,
কবিতা লেখার চেষ্টাগুলো বিফলে যায়,
জট পাকানো শব্দমালা হারিয়ে যায়
নিঃসীম সময়ের গহ্বরে।
অশুদ্ধ সময় পরিহাস করে
অক্ষমতাকেই বার বার মনে করিয়ে দেয়,
নষ্ট সময়ে পিষ্ট হয়ে
গিনিপিগের মত বেঁচে থাকা
বাড়িয়ে দেয় আগুন হৃদয়ের উত্তাপ।
চাতকীর চোখে নতুন দিনের স্বপ্ন
সূতোকাটা ঘুড়ির মতই হাওয়ায় ভেসে বেড়ায়
অপ্রাকৃত সুন্দরের সন্ধানে হাত বাড়ায়,
মনে মনে ভাবে-
একদিন চলে যাব বহুদূরে, নিরুদ্দেশের পথে।
ছুটে চলা জীবনের এক ফাঁকে
ক্লান্ত পথিক এসে দাঁড়ায়
পথের শেষে; অবশেষে বুঝে নেয়-
এরা ভুল করেই সবকিছু চায়
ভুলে যায় এরা ভুল সময়ের মানুষ!
ইতিহাসে প্রহসনের বিচার (১) - সক্রেটিস ।
খ্রিস্টপূর্ব ৪৭০ সালের দিকে সক্রেটিসের জন্ম, তিনি ছিলেন প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক। এই মহান দার্শনিকের সম্পর্কে তথ্য লিখিতভাবে পাওয়া যায় কেবল মাত্র তাঁর শিষ্য প্লেটো এর রচনা থেকে। তৎকালীন শাসকদের কোপানলে পড়ে তাঁকে হেমলক বিষ পানে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়। তাকে পশ্চিমা দর্শনের ভিত্তি স্থাপনকারী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তিনি এমন এক দার্শনিক চিন্তাধারা জন্ম দিয়েছেন যা দীর্ঘ ২০০০ বছর ধরে পশ্চিমা সংস্কৃতি, দর্শন ও সভ্যতাকে প্রভাবিত করেছে। সক্রেটিস ছিলেন এক মহান সাধারণ শিক্ষক, যিনি কেবল শিষ্য গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রদানে বিশ্বাসী ছিলেননা। তার কোন নির্দিষ্ট শিক্ষায়তন ছিলনা। যেখানেই যাকে পেতেন তাকেই মৌলিক প্রশ্নগুলোর উত্তর বোঝানোর চেষ্টা করতেন।
অনেকের ব্যক্তিগত ক্রোধ ছিল সক্রেটিসের উপর। অনেকের জ্ঞানের অহংকার সক্রেটিসের কাছে চুর্ন হয়েছিল। সক্রেটিস প্রকাশ্যভাবে ঘোষণা করতেন
আমার কোন জ্ঞান নেই।--কিছুই না' আমি এই মাত্র জানি