আমার যাদুমনি (৭)
আজকে'র ছবি গুলো'তে ঋহানের সাথে রয়েছে রোহা। রোহা, আমার বড় ভাইয়া'র মেয়ে। আমাদের ভাই-বোন'দের বাচ্চা'দের মাঝে সে সবার বড়, লক্ষী একটা জান আমাদের!
ঋহান আর রোহা মিলে কি করে, আসুন দেখি। ওহ, ছবি গুলো দেখা'র আগে আমি একটা মজার ঘটনা বলে নেই।
আজ-কাল সকালে ঘুম ভাঙ্গে চড়-থাপ্পড় খেয়ে। আমাদের কিং ঋহান ঘুম থেকে জেগে যদি দেখেন মা এখনো চোখ বুজে আছে, তাহলে গড়িয়ে গড়িয়ে মায়ের কাছে গিয়েই "ঠাস ঠাস"। চড় খেয়ে যখনই মা চোখ খুলে, অম্নি সে জগৎ জুড়ানো একটা হাসি দিয়ে মায়ের মন জয় করে নেয় (যাতে সে উল্টা মাইর না খায়?)। তো আজও যথারীতি তিনি আমার আগেই উঠলেন। আমি আজ এমন ভাবে ঘুমুচ্ছিলাম, যে ওর বালিশের এক কোণায় আমার মাথা রাখা ছিলো। তাই আমার কাছে আসতে তার বেশি কষ্ট করতে হলো না। সে এসে আমার গালে লাগিয়ে দিলো একচোট। কিন্তু, আজ আমার চোখ খুলতে ইচ্ছে করছিলো না দেখে মার খেয়েও চোখ বুজে থাকলাম। মাঝে চোখ আলতো খুলে টের পেলাম, আমি চোখ খুলছিনা দেখে ঋহান এক দৃষ্টি'তে আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি তা-ও চোখ বুজেই থাকলাম। তার একটু পর হঠাৎ অনুভব করলাম, খুব সরু একটা কাঠি'র মত কিছু আমার এক চোখে খোঁচা দিলো। এইবার মোটামটি চোখ খুলতে বাধ্য হলাম। চোখ খুলে দেখি, ঋহান তার এক হাত পুরো মুঠি করে আছে, মুঠি থেকে কেবল একটা আঙ্গুল বের করে আমার চোখের একদম কাছে এনে রেখেছে। তারমানে তখন যদি চোখ না খুলতাম, আমার জন্য আরেকটা খোঁচা রেডি ছিলো আর কি
।
কি আর করা, চোখ খুলে তার দিকে তাকালাম, দেখলাম সেই মন জয় করা হাসি।
এরকম করে অন্য কেউ ঘুম থেকে জাগালে নিশ্চই যে কেউ-ই রেগে আগুন হয়ে যেত। কিন্তু ঋহান যে আমাকে এভাবে খুচিয়ে খুচিয়ে জাগায়, তাতে আমার একটুও রাগ লাগে না। উল্টো জেগে তাকে কয়েকটা আদর দেই। কেন? তা আমার জানা নেই। শুধু জানা আছে, এরই নাম আসলে "মা"।
ভাবজ 
এক মুহুর্তেই ভাব শেষ, দুষ্টুমি শুরু
রোহাঃ আমি রোআ, আর আমার পিতনে নিয়াত ভাইয়া 
"Niyat" - new name of Rihan, given by Roha.. hehehehe 
চোখে চোখে কথা 
রোহা আপুনি আদল কলে
ঋহান ভাইয়া-ও আদল কলে
ঋহানঃ এই আপুনি, খালি নড়িস কেন? দিলাম ধাক্কা 
রোহাঃ এই পাগল, এম্নে হাসোস কেন?
রোহাঃ তুই খালি একা পাগল? আমিও পাগল, দেখ আমিও হাসি 
ঋহানঃ এইটা কি চিনেন আপনারা? এত যে ঘোড়ার ডিম ঘোড়ার ডিম করেন, এইটা হইলো সেই ঘোড়ার ডিম 
ঋহান ঘোড়ার ডিম খায় 
আমার বাবা মনি এখনো হামাগুড়ি দিতে পারে না
ইষ্টাইল
আরামের শেষ নাই। বিছানা পাইলেই চিৎপটাং 
খিল খিল হাসি 





দারুন মজার ছবি গল্প।
ধইন্যা
আজকেরটা দারুণ হৈসে। আর ঋহানের স্টাইল, মুভমেন্ট সবই দারুণ! স্টাইলিশ ছেলে একটা। বাহ্।
হু! বাপের মত স্টাইলিশ, আয়নার নিজেরে দেখে নিজেই মুগ্ধ হয়
এই অভ্যাস কি মাএর কাছ থেকে পাইসে নাকি? অভ্যাসটা ভালু। বেশ ভালু।
ঋহানের দাঁত উঠছে দেখা যায়! দাঁতের পিঠা খাওয়ার একটা পার্টি তাইলে অচিরেই পাইতেছি
রোহা-ঋহান-নোহা বাচ্চাদের জন্য অনেক আদর।
*নোরা
সরি, ফাইনান্স পরীক্ষা'র ভয়ে এই সব কথা খেয়াল-ই করা হয়নাই।
যদিও আমাদের সিলেটে এসব প্রথা কোনদিন দেখিনি/শুনিনি। তবুও এখন অনেকে'র কাছে শুনি, প্রথম দাঁত উঠলে নাকি পিঠা/ মিষ্টি খাওয়ায়।
কবে খাবেন বলেন।
পিচ্চি গুলো'র জন্য দোয়া করবেন।
আশ্চর্য !! মাধূর্য আমার সাথে একি কাজ করে। চোখ বন্ধ দেখলেই আঙ্গুল দিয়ে চোখে খোঁচা দেয়। ওর নখে যা ধার একদম জ়্বলে যায়।
"ঋহান যে আমাকে এভাবে খুচিয়ে খুচিয়ে জাগায়, তাতে আমার একটুও রাগ লাগে না। উল্টো জেগে তাকে কয়েকটা আদর দেই। কেন? তা আমার জানা নেই। শুধু জানা আছে, এরই নাম আসলে "মা"" -------------
------ খুব সুন্দর একটা কথা বললা নাজ, মনে হল আমার নিজের কথা। আগে যে কত কিছু করতাম মেয়ের জন্য এখন আমি সব ছেড়েছি, তাতে আমার কোন আফসোস নাই, মনে হয় এখন আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময়, কারণ এখন আমি "মা"
ভাল থাকুক মা আর ছেলে .।.।। অনেক দোয়া
সহমত!
অবশ্য "মা" হওয়ার পর আমি আমার সারাজীবনের আরেকটা শ্রেষ্ঠ সময়'কে সবচেয়ে বেশি ফিল করি। সেটা হচ্ছে আমার মা'কে সবসময় কাছে পাওয়া'র দিন গুলো। এখন মনেহয়, বিয়ের আগে কেন ওইদিন গুলো'কে এমন তীব্র ভাবে ফিল করলাম না?
লেখা, ছবি দুইটাই আজকে জটিল হৈছে । বেবি গুলা এতো ইসটাইল জানে
। বাবাটা বড় হয়ে যাচছে মাশাললাহ । 
আসলেই বাবা'টা দেখতে দেখতে বড় হয়ে যাচ্ছে। মাশাল্লাহ!
গাবলুশটারে পাইলে হইতো পুরা আলু ভর্তা করতাম।সেদিন ফেসবুকে ওর প্রথমদিনের ছবিগুলো দেখছিলাম আর ভাবছিলাম সময় কত দ্রুত যায়।
সবগুলো ছবিই রক্স।
আসলেই
। বড় হয়ে যাচ্ছে বাবাটা।
থ্যঙ্কু থ্যঙ্কু
ওরে ওরে । আমার জান্টুসটা দেখি বড় হয়ে যাচ্ছে। ময়নাপাখিটাকে পাইলে এইবার কাঁদলেও টমেটো ভর্তা বানাবো।অনেক আদর সোনামনিটার জন্য। রোহা মাশাল্লাহ বড় হয়ে গেছে। রোহাকেও চুম্মা।নাজকে পোষ্টের জন্য
টমেটো ভর্তা বানাইলে আমি কার ছবি পোষ্টামু
আপনাকেও অনেক চুম্মা
ঋহাআআআআন ... ঋহান
টুকটাক করে জমানো এই লেখাগুলাই কি দারুন একটা স্মৃতিচারন হয়ে থাকবে ঋহানের জন্যে মায়ের পক্ষ থেকে!... নাজ এটা দারুন কাজ করতেছো... চলুক ঋহানের বেড়ে ওঠা ...
আসলেই কি তা হবে? ঋহান বড় হতে হতে আরো না জানি কত নতুন নতুন জিনিস আসে, দেখা যাক!
চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবো
ঋহানের জন্য অনেক অনেক অনেক আদর।
মেঘকে আমি জাগালে আমার মুখটা ওর মুখের কাছে থাকতো, ও ঠাস ঠাস আমার চড় মারতো, কেনো ঘুম থেকে ওকে জাগালাম।
ছবিগুলো নিয়ে কিছু বলার নেই। অদ্ভূদ সুন্দর সব ছবি। অনেক বড় হোক, হ্যান্ডশাম গাই আমাদের।
হায় হায়! চড় মারতো? কি বলে?
ঋহানও কি আগামীতে এমন করবে নাকি, কে জানে।
ছবি দেখে পাগল হয়ে যাইরে মনু , পাগল হয়ে যাই,
দেশে আমার এমন আছে পিচ্চি দুইটা ভাই
দেখতে ইচ্ছা করে না?
দেখতে হবে না কার ভাইগনা?
দারুণ
"ইস্টাইল" টা শিখছে কি বাপের মোটরবাইক চালানো দেইখা?
আবার জিগস
মন্তব্য করুন