অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২৪ জন অতিথি অনলাইন

4

রাত বারটা বাজে। ফেইসবুকে কয়েক ঘন্টা নষ্ট করে ব্লগে আসলাম। মনে হচ্ছিলো যে আমার আর লেখার মতো কিছু নেই। তখন একজনের লেখার মাঝে এই বাক্যটা চোখে পড়লো- "অথবা আমি ঈর্ষান্বিত হই ওরা সব্বাই সুখী বলে।" মনে হলো এটা আমাদের সবার প্রব্লেম। এ নিয়ে কিছু কথা অন্তত লেখা যায়।

অবশ্য যা যা লেখার তা লেখা আছে অনেক আগে থেকেই। নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস থেকে শুরু করে The grass is greener on the other side of the fence বা এলআরবির আসলে কেউ সুখী নয়- সব ভাষাতেই এই কথা লেখা হয়ে আছে অনেক কাল ধরে। তবুও মানুষের এই এক সমস্যাঃ সবাই এতো সুখী আর আমার খালি কষ্ট! আসলে আমরা এ্যাতো জটিল প্রাণী যে আমাদের বেশীদিন সুখে থাকতেও বিরক্ত লাগে।

মাঝে মাঝে আমার মনে হয়, সবারই ম্যালা কষ্ট আছে। আমার এক বার মনে হইছিলো, পৃথিবীতে সবাই একই পরিমান সুখ এবং দুঃখ পায়। এটা হয়তো একটা হাস্যকর থিওরী, কিন্তু এটা সত্যি হতেও পারে।

কোনও এক কণিকার জন্য!

শুক্রবার আমার মন ভালো থাকে। ঘুম থেকে উঠি, গান বাজনা শুনি, নাস্তা করি হেলতে দুলতে। স্মুথ একটা দিন। কোনোকিছুর জন্যই তাড়া নাই। সকালটা শুরু হয় দরজার কোনায় পড়ে থাকা পত্রিকা দেখি, একটা পড়ে হয় না, অনলাইনে পত্রিকায় চোখ বুলাই। ফেসবুকের ইস্যু গুলোর সাথে তাল মেলাই। কিছু নিয়ে ইচ্ছে করলে স্ট্যাটাস দেই। বই পড়ি শুয়ে শুয়ে। একটার দিকে বের হই। নামাজে যাই। নামাজ শেষে জম্পেশ আড্ডা দেই অনেকক্ষণ। বাসায় আসি ভাত খাই। আবার সন্ধ্যায় বের হই। কোনো ভালোই রেস্তোরায় খাই, বারেক সাহেবের দোকানে ফিরি, আড্ডা মারি, বাসায় আসি। আজও সেইম কাজ গুলোই করলাম। কিন্তু সব আলগা ভালো থাকা মাটি করে দিলো একটা খবর। মধ্যম আয়ের দেশে, উন্নয়নের মহাসড়কে বুলেট গতিতে মার্সেডিজ চালানো বাংলাদেশের এক পত্রিকার অনলাইনে পাওয়া এক অকিঞ্চিৎকর খবর, শেরপুরে কণিকা নামের এক কিশোরীর আত্মহনন। কিশোরী, বৃদ্ধা, তরুনী,কন্যাশিশু, কারো জন্যেই এইদেশ নিরাপদ না এটা পুরোনো

ওয়েদার

আবহাওয়া বড় সমস্যা নয়, সমস্যা হলো এইভাবে বেঁচে থাকায় অভ্যস্ত হওয়া। বাইরে বাতাসে বসে আড্ডা মারার কোনো সুযোগ নেই। সবাই ঘরের ভেতরে।ফলে যার কোনো বন্ধু নেই তার শীতের রাস্তা বা নিজের ঘরে একা একা বসে থাকা ছাড়া তেমন কিছু করার নেই। অক্টোবর শেষ প্রায়। রুমের জানালাটাও খোলা রাখার উপায় নাই। আমি আসলে একটা ছোট শহরে থাকি। জাঁকজমক বা নাইট লাইফ বলতে তেমন কিছুই নেই। দিনের বেলায় সিটি সেন্টারের দিকে গেলে কিছু মানুষ দ্যাখা যায়। কেউ বাজার ঘাট করে, কেউ ফুটপাতে সাজিয়ে রাখা জামা কাপড় দ্যাখে। রোদ্দুর থাকলে ফুটপাতে পাতানো চেয়ার টেবিলে বসে বীয়ার বা কফি খায় কেউ কেউ। সন্ধ্যা বা রাতের বেলা বাইরে আমি যত জনকে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকতে দেখেছি, তারা নিশ্চয়ই বাস বা বন্ধুর জন্য অপেক্ষা করছিলো।

বুয়াসাবা

দুঃস্বপ্নের ঘণ্টাধ্বনি

জানালা গলে বিচ্ছিরি গন্ধটা ঘরময় ছড়িয়ে পড়লে পেটের ভেতরটা গুলিয়ে উঠলো। বৃষ্টি হলেই এই উৎকট গন্ধটা ঝিল থেকে ডানা মেলে আকাশে, তারপর দৈত্যের মত ছুটে এসে আশপাশের পুরো এলাকা গ্রাস করে নেয়। তখন টিকে থাকাই দায়। ঘরের ভেতরে গুমোট অন্ধকার। কেমন যেন আষ্টেপৃষ্ঠে মিশে আছে ঘরের কোণে কোণে, চারপাশের টিনের বেড়া আর চালের সাথে। বৃষ্টিটা থেমে গেলেই একটা ভ্যাঁপসা গরম ছাড়ে। কী অসহ্য! ইলেক্ট্রিসিটি নেই এক ঘণ্টা হল। বাঁশের সাঁকোর মোড়ে দু’টো কুকুর একটানা চেঁচাচ্ছিল। কে যেন ধমকে উঠল- অ্যাই চুপ, যাহ!
-উফ! আর তো পারা যায় না- মহিদুলের কণ্ঠে বিরক্তি।
-কী পারা যায় না? মহিদুলের দিকে ঘুরে জিজ্ঞেস করল জয়নাব। ছেলেকে তালপাখায় বাতাস করছিল সে।
-গন্ধে তো বমি হওয়ার দশা। এইহানে আর থাকা যাইবো না।

ক্ষমা করো বাবা

এয়ারপোর্টের ভিতর একটা কোনের চেয়ারে বসে অপেক্ষা করছি। আর একটু পর চলে যাব হাজার মাইল দূরে। প্রিয়জনেরা গেইট পর্যন্ত দিয়ে গেছে। বুক ফেটে গেছে ছেড়ে আসতে তবু চোখ ফাটে নি। আড়াই বছর পর দেশে ফিরে গেছি। জীবনসঙ্গী করেছি একজনকে। ২২ দিন একসাথে সংসার করেছি। এখন তাকে রেখেই চলে যাচ্ছি। আর পারলাম না। কোলের ব্যাগে মুখ লুকিয়ে কেঁদে ফেললাম। হয়ত অনেকে দেখছে। দেখলে দেখুক। এত কষ্ট প্রিয়জনদের ফেলে দূরে যেতে আগে বুঝি নি। ভাবতে ভাবতে আকাশের দিকে তাকালাম। যেখানে মনের কথা সব বাবাকে বলি।

পিএইচডি অ্যাপলিকেশন ব্যর্থ হওয়ার অভিজ্ঞতা: পর্ব ১

অনেকেই যখন পিএইচডি করতে যায় তখন বেশ জ্ঞাননির্ভর পোস্ট দিয়ে ব্যাখ্যা করে কিভাবে কিভাবে সে পিএইচডি পেলো। এই জ্ঞানটা নিশ্চিতভাবেই খুব জরুরি। তাদের নিয়মগুলো, পরিশ্রমগুলো থেকে হবু পিএইচডি করতে আগ্রহীরা অনেক কিছু শেখে।
তবে আমার মনে হলো, আচ্ছা ব্যর্থ পিএইচডি অ্যাপলিকেন্টদের অভিজ্ঞতাও জানানো জরুরি। এটাও হবু আগ্রহীদের কাজে দেবে। যদিও যারা আমার মতো পিএইচডি ফান্ড পায় না তারা লজ্জায় বলেও না। আমি তাই ভাবলাম নিজেরটাও তুলে ধরি। ব্যর্থতার কথা কেউ তো বলে না। বলে সফলতার কথা। আমি না হয় ব্যর্থতার কথা বলেই যা যা শিখলাম সেটা জানালাম। বিষয়টা হলো, আমি চেষ্টাটাকে চালিয়ে যাইনি। কেন পস দিয়ে রেখেছি। সে ব্যাখ্যা দ্বিতীয় পর্বে বলবো। আপাতত গল্পটা শুরু করা যাক---

এপিটাফ অফ লাভার'স ফ্রেইগ্র্যান্স

তোমার ঘ্রাণের জন্য আমার স্মৃতিরা বিষাক্ত নীল হয়ে এলে
আমি ক্যাফেটেরিয়ার ভাঙা সিঁড়ি ধরে একদম উপরে উঠে যাই।
দেখি প্রিয় মানুষেরা ডুবে যাচ্ছে ট্রাফিকে,
দেখি সিগন্যালের মতো পালটে যাচ্ছে প্রেমিকার মন।

দেখি এই দালানের ইটেরা কতো চুমু দেখছে অনিচ্ছাতে
তবু সয়ে গেছে,
এই খসে যাওয়া পলেস্তরা-রেলিংও টিকে আছে অনেক দিন;
এইখানে।
শুধু আমরা টিকিনি।

এই জঞ্জাল
এই কবি বেশ্যা খেলা
এই শব্দ বুনন
তোমার শহরের ধুলো চোখে লেগে গেলে,
আমি ছুটে আসি এই ক্যাফেটেরিয়ার ছাদে।

আমি আবার দেখেছি ওরা ছুটছে গোলাপ নিয়ে
গুনেছি প্রতিটা হুইসেল
দেখেছি ব্যস্ত মানুষ আর বেকার,
এসব বিকেলের আগে আগে দেখেছি
তোমার শহরের রোদেরা 'রোববার' ছুটি কাটিয়ে বাড়ি ফিরছে
শুধু আমরা ফিরিনা আর, আমাদের কাছে।

সুখ অসুখের মনোলগ

b2ap3_thumbnail_4_20131107-132259_1.jpg

আমার শহরে বৃষ্টি এলে সীমাহীন শূন্যতা আমারও হয়।
আমারও মনে হয় 'এসবের কোন দরকার ছিলো না'।

ক্যাম্পাসের ক্যাকোফোনিতে আমার বিষাক্ত লাগে,
বিষাদ মনে হয়,
অথবা আমি ঈর্ষান্বিত হই ওরা সব্বাই সুখী বলে।
আমি বুঝি, নিজের ভেতর এতো শূন্যতা অনুভব করিনি আগে।
এসব স্থিরতা, জ্যামে আটকে থাকা মানুষ আমাকে মোটেও ভাবায় না।
আমি তখনও ভেবেছি 'ওসব না করলেও পারতে'।

এরপর একা ঘরে, রাত নেমে এলে
দারোয়ানের হুইসেল ক্লান্ত হয়ে গেলে
মানুষেরা ওপাশে ফিরে শুচ্ছে যখন
তখনও আমি ভাবি 'মানুষ চেনা দায়'।

বাবা তোমায় মনে পড়ে

ঊনিশশ’ সাতাত্তর সাল
বাবার হলো এ কী হাল
ধরেছে ঘাতক রোগ
যন্ত্রণায় কাতর বুক।

দেহে বইছে পদ্মার ঢেউ
থামাতে পারছে না কেউ
দাও একবার শুইছে
বালিশে খানিকটা নুইয়ে।

এবার ধরে একটু তোলো
বাবার এ কী হাল হলো
যাও ঈদের নামাজ পড়ো
এসে পশু জবাই করো।

বাবাকে এই হালে রেখে
জামায় একটু সুগন্ধি মেখে
নামাজে হলো যাওয়া
হলো না ফিরনি খাওয়া।

ছয় তাকবিরে দুই রাকাত
ওয়াজিব হলো সারা
এসে দেখি বাবাকে এবার
যমদূত করছে তাড়া।

জিলহজ মাসের দশ তারিখ
রোববার সকাল বেলা
বাবা আমার নিলেন বিদায়
সাঙ্গ জীবনের খেলা।

-আগস্ট ২৬, ২০১৭ খ্রি.
গেন্ডারিয়া, ঢাকা

পুনশ্চ: (মরহুম বাবার ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে। যিনি ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে, ২২ নভেম্বর, পবিত্র ঈদুল আজহার দিন সকাল বেলা পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে মহাসত্যের কাছে আত্মসমর্পণ করেন)।

বিষাদনদী

হুমায়ূন আহমেদের নদীর নাম ছিল ময়ূরাক্ষী। আমার নদীর কোনও নাই নেই, আমার নদীর জেনেরিক নেইম- বিষাদনদী। ছোট শান্ত নদী। যেখানে নেই উত্তাল ঢেউ, কিংবা ব্যারেজ- বাধ- সেতু। খালি আছে স্বচ্ছ বিষাদের জলধারা। এ কুল ও কুল সব খানেই ছড়িয়ে আছে সব ঝলমলে বিষাদ। মুক্তি পাওয়া যাবে, নদীকে তিলে তিলে শেষ করে। কিন্তু ইচ্ছে করে না। টিকে থাক বিষাদ নদী, টিকে থাকুক বিষাদ গ্রস্থতায়। একদিন সময় হলে বিষাদের সমুদ্রর দেখা পাবে এই নদী। ততদিন পর্যন্ত নদীকে বাঁচিয়ে রাখবো, নদী বাঁচিয়ে রাখবে বিষাদগুলোকে।

তারেক মাসুদের গানে শ্রেণি, রাজনীতি ও জেন্ডার চেতনা: একটি সূচনামূলক আলাপ

Tareque_Masud.JPG
এক.

কাপুরুষ

দেখো, একদিন আমি লিখে ফেলবোই সেই অমর কবিতা!
কি করে তোমার বেড়াজ্বালে বন্ধি হয়ে আমি আমার জীবনের সব উচ্ছ্বাস হারিয়েছি!
কি করে আমি লেখক কিংবা সাধারন জীবনের ইতি টেনেছি!
কি করে আমি জীবনের সরল পথ হারিয়ে অন্ধকারে প্রবেশ করেছি!

দেখো, একদিন আমি বলেই ফেলবো!
তোমাকে ভাল রাখতে গিয়ে, কি করে আমি আমাকে গুটিয়ে নিয়েছি!
কি করে আমি নিজকে আমার সমাজের বাইরে টেনে ফেলেছি!
কি করে আমি ভুলে গিয়েছি আমার অতীত কিংবা শিশুকাল!

দেখো, আমি একদিন চিৎকার করে বলবোই!
কেন আমি আর মধ্য রাতের চাঁদের আলোয় আলোকিত হতে পারি না!
কেন শেষ রাতের শিয়াল গুলো জ্বলজ্বল চোখে আমাকে অবজ্ঞা করে যায়!
কেন আমার প্রিয় নীল আকাশ দূরে আরো!

দেখো, আমি একদিন জেগে উঠবোই!
বলবো কেন অর্থের প্রয়োজনে আমি এতটা বিভোর হয়েছি!
যদিও তোমাকে দেখলে আত্মহত্যার স্বাদ জেগে উঠে!
কিংবা কি করে আমি আমার যৌবন হারিয়েছি!

ভিনদেশী থ্রিলার

সিনেমা জনরের মধ্যে সম্ভবত থ্রিলারের দর্শক সবচেয়ে বেশি। অবসর কাটাতে একটি জম্পেস থ্রিলার থাকলে আর কি লাগে। এই থ্রিলারগুলোর অবশ্য একটা আলাদা বিশেষত্ব আছে, সবগুলো ভিনদেশী থ্রিলার। অবশ্যই আমার দেখার মধ্য থেকে বাছাই করা।

১. টেল নো ওয়ান: ফ্রেঞ্চ মুভি। আলেক্সান্দ্রে বেক একজন ডাক্তার। ৮ বছর আগে স্ত্রী নিহত হয়েছিল। স্ত্রীর বাবা এ জন্য তাকেই সন্দেহ করে। আট বছর পরে জোড়া খুনের সন্দেহ পড়ে আলেসান্দ্রের ওপরে। ঠিক একই দিনে একটি অদ্ভুত মেইল পায় আলেক্স।

215px-tell_no_one_2006.jpg

আদুরে বাবুর রিডিং অ্যাপস, শিশুদের জন্য ডিজিটাল শিক্ষাউপকরণ ও তার সম্ভাব্য অভিঘাত বিষয়ে একটি সতর্ক প্রতিক্রিয়া

Adure babu-2.jpg

বউয়ের প্রয়োজন কখন বেশী, যৌবনে না বৃদ্ধ বয়সে

সাত/আট বছর আগের কথা। বাংলা নব বর্ষের প্রথম সন্ধা। বারান্দায় বসে আছি। অনেক ছেলেরা সামনের রাস্তা ও মাঠে পটকা ফুটাচ্ছে। হরেক রকম পটকা। এক একটা পটকা ফুটে আর সবাই সমস্বরে চিৎকার করে উঠে। চিৎকার তো নয় যেন কার গলার আওয়াজ কত বড় তার প্রতিযোগিতা চলছে। কখনো কখনো আবার একসাথে অনেক গুলো পটকা ফুটা এবং সম্মিলিত চিৎকারে যে উচ্চ শব্দ হচ্ছে এই শব্দ শক্তি যদি মেকানিক্যাল শক্তিতে রুপান্তরিত হত তবে আশপাশের আধাপাকা বাড়িঘর গুলোর চেহেরা অবিকৃত থাকত কিনা বলা যাচ্ছে না।
আমার ছেলে এবং যাদের চিনি তাদের কয়েকবার বল্লাম,অনেক হয়েছে এবার বন্ধ কর।
যাদের বললাম তারা ভয়ে হউক বা সন্মান করেই হউক,স্থান পরিবর্তন করল বটে তবে খেলায় ক্ষান্ত দিল না।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা