অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১২ জন অতিথি অনলাইন

ফৌজি বাণিজ্য: প্রথম পর্ব

অনেকেই হয়তো শুনেছেন। তারপরেও বিবিসির বিশেষ এই ধারাবাহিক প্রতিবেদন এখানে দেওয়ার উদ্দেশ্য দুটি। একটি হচ্ছে, যারা বিবিসি শোনেন না তাদের বিষয়টি জানানো। আরেকটি হচ্ছে নিজের কাছে রেকর্ড রাখা।
রিপোর্টগুলো তৈরি করেছেন বিবিসির কামাল আহমেদ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় বিষয়টি স্পর্শকাতর হলেও সবার জানার প্রয়োজন থেকেই আমার এই পোস্ট। মোট তিনটি পর্বে ৯টি রিপোর্ট এখানে দেওয়ার ইচ্ছা। আজ থাকলো প্রথম তিনটি পর্ব।

ফৌজি বাণিজ্য:উত্তরাধিকার

ঢাকার বাইরে মফস্বলের কোন শহরে আপনি যদি আইসক্রিম খেতে চান তাহলে হতে পারে যে আইসক্রিমটি আপনি খাচ্ছেন তা সেনাবাহিনীসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তৈরী।

একদিন খুব হাপুস হুপুস গ্রামের বাড়ি।

একদিন হাপুস হুপুস গ্রামের বাড়ি চলে যাবো। হুট করেই, যেদিন মনে হবে ঠিক সেদিন। মানে যদি অফিস বন্ধ থাকে পরদিন বা সেদিন বা অফিস খোলা থাকলেও যাবো-ই। কোন পিছুটান থাকবে না, কেউ বলবে না যাস নে, দায় থাকবে না, মনে হবে না এই কাজ সেই কাজ। খালি মনে হবে একদিন হাপুস হুপুস গ্রামের বাড়ি চলে যাবো। মনে হওয়া মাত্রই একটা ব্যাগ, না না ব্যাগ নিয়ে কি হবে, ব্রাশ, হা হা নিমের ডাল আছে না। ফলে ব্যাগ ছাড়াই, এক পোশাকে, হাপুস হুপুস গ্রামের বাড়ি। যদি সেদিন বাস পাই, বাস না পেলেও অন্য কোনভাবে যাবো-ই, ট্রাকে চেপে কি ট্রেনের ছাদে, একদিন খুব হাপুস হুপুস করবো। একেবারে লাস্ট ট্রিপের বাসের শেষ টিকিটটা কেটে, পেছনের কোণার জানলায় দুচোখ বেঁধে নিয়ে, আহ- এবার তবে গ্রামে যাবো। সেদিন যদি বৃষ্টিও থাকে, সিএনজি ভাড়া যদি হয় তিনগুণ, বলা যায় না, হয়তো কোন গাড়ি-ই আমি পাবো না, হেঁটে হেঁটে সায়দাবাদ, যার&

কলকল্লোল কোলাহলে

ইদানীং তোমাকেই ভয় পাচ্ছি-----নির্জনতা।
অন্ধকার ঘন হয়ে এলে রাতের কফিন থেকে ড্রাকুলার মতো উঠে আসো;
প্রাচীন-সমাধিতে ডানা ঝাপটায় রক্তভুক বাদুড়ের পাল।

কি অনায়াসে তুলে আনো
যত্রতত্র হেলায় ফেলে রাখা বিস্মৃতির প্রখর হলুদ খামগুলো,
ছেঁড়াখোঁড়া-অগোছালো অংক না মিলা হিসেবের খাতা।
চাইনা।
ধুলোর আবরণে--বিস্মরণের ছাইয়ের নীচেই ওসব মানায়।
জনপদে মানায়না শবের মিছিল।

যেতে চাই কোলাহলে।ঊর্মিমালায়।
ডেকে যাচ্ছে নীল ঢেউ--মাঝ সমুদ্র ----------------
আমি খুঁজছি এক অলৌকিক-সাম্পান---ডুবুরির পোষাক;
এই উন্মত্ত-মাতাল প্রচন্ড-তরঙ্গের গভীর-গভীর-গভীরতম নিবিড়তায়
পৌঁছানোর সমস্ত আয়োজন--সাজ-সরঞ্জাম।

অতলের শিথানে হাত রেখে স্পর্শ করি কলকল্লোল জলের পৃথিবী।

আজ আমাদের নুরুজ্জামান মানিক ভাইয়ের জন্মদিন....। শুভেচ্ছা নিরন্তর...।

ফেসবুকে লগিন করেই ইভেন্ট চেক করি সবসময়, আজ চেক করতেই দেখলাম, আজ ওয়ান এন্ড ওনলি মানিক ভাইয়ের জন্মদিন। Party

ব্লগিং এর হাজারটা নেতিবাচক দিকের মধ্যেও কিছু পজেটিভ দিকও আছে, যে জন্য এখনও অফলাইনে হলেও ব্লগ পড়ি। তেমনি একটা পজেটিভ দিক হচ্ছে কিছু অসাধারন মানুষের সাথে পরিচয়। মানিক ভাই তেমনি একজন অসাধারন মানুষ।

দেশ-মুক্তিযুদ্ধ-রাজনীতি নিয়ে ইতিহাস নির্ভর নির্মোহ-নিরপেক্ষ লেখা যে কয়েকজনের কাছ থেকে পেয়েছি (খুব অল্পসংখ্যক) তাদের মধ্যে মানিক ভাই নিঃসন্দেহে প্রথম সারিতে আছে। এই লোকের চ্যাট করলেও না জানা অনেক ইতিহাস জানা যায়। Stare

ভালো থাকুন মানিক ভাই, সুস্থ থাকুন, বেচে থাকুন হাজার বছর। আপনার শক্তিশালী নিরপেক্ষ লেখনী দিয়ে আমাদের না বলা ইতিহাস গুলোকে নিয়ে আসুন প্রাদ-প্রদীপের আলোয়, এই কামনা।

শুভ জন্মদিন ওয়ান্স এগেইন। Party

কৃষ্ণকলি আমি তারে বলি

আজ সারাদিন চট্টলায় একরকম ঝুম বৃষ্টি হল বলা যায়।সাধারনত আমি বৃষ্টি অপছন্দ করি খুব অপছন্দ করি দুই চোখে দেখতে পারিনা।কারণ জানিনা। সাধারণত হটাত বৃষ্টি হলে আমি একটা “বোল্ট” দৌড় দেই কোন ছাদের নিচে।সেটা অবশ্য যতটা না বৃষ্টির প্রতি ঘৃণা থেকে তারচেয়ে বেশি জন্মগত এজমাজনিত সমস্যার ভয়ে।কিন্তু জীবনে আমি গোণা পাচ বার বৃষ্টিতে আস্তে আস্তে হেটে গিয়েছি খুব আস্তে আস্তে খুব আস্তে ভিজতে ভিজতে। কারণ কখনো কখনো আকাশের জলের আড়ালে নিজের চোখের পানি লুকিয়ে ফেলাটা জরুরি বেশ জরুরি।

বৃষ্টি ঝরে যায়............

''বৃষ্টি ঝরে যায় , দু চোখে গোপনে.।
সখি গো, নিলা না খবর যতনে
আশায় আশায় বসে থাকি তোমারো পথে
সখি গো, নিলা না খবর মনেতে।

তোমার ও চোখে কি , বৃষ্টি পরে টাপুর টুপুর
আমাকে মনে করে সারাটি বেলা
যত কথা ছিল মনে , বলেছি তোমাকে আমি
ভুলে কি গেছ সব হৃদয়ের কথা.।.।'

বৃত্তের বাইরে

ও কেন্দ্রবিশিষ্ট এ-বি-সি বৃত্তের ঠিক উপরেই মন পালাতে চাওয়া জানলাটা, হালকা বাতাসে তার কাঠের পাল্লাটা ক্যাঁচকোঁচ করে উঠে। সেই জানলা বেয়ে অয়নের চোখ গিয়ে পড়ে উল্টো পাশের কাজী ভিলার চারতলার হলদে আলো ঝরা জানলাটায়। সূয্যি ডোবার পর থেকেই গুনগুন করে পীথাগোরাস কিংবা ইউক্লিডের পিত্তি চটকাচ্ছিল অয়ন, তার মাঝেই দূরের সে হলদে আলোয় একটু আনমনা হয়ে ওঠে। ঘাড়ের ঠিক পেছনে হঠাৎ রদ্দি খাবার ভয় তো আছেই... তারপরেও সারা সন্ধ্যা জুড়ে একতালে গুনগুনের এইটুকু এলো হওয়া হয়তো মায়ের কর্ণগোচর হবেই না! চারতলার জানলার ওপাশে অল্প একটু ছায়ার নড়ন-চড়ন দেখা যায় কালেভাদ্রে, আর কিছু না। আজও সেরকমই একটা নিস্তরঙ্গ রাত যাবে হয়তো...আরেকটু ভাল করে দেখার আশায় তাই চশমাটাকে নাকের ডগায় আগুপিছু করে নিল, কিন্তু তাতে কি আর চশমা দূরবীনে বনে যায়? ঠিক যেই মুহূর্তে হতাশ হতে যাবে, তখুনি দপ করে নিভে গেল বাতিটা। মন ফিরে এল এ-বি-সি বৃত্তের ভেতরের বৃত্তস্থ কোণে।

টুকরো-টাকরা ৩

এক.

cloud9_1286601638_3-bdidol_1277674938_1-0.JPG

১৯৫৩ সালে এডমান্ড হিলারী আর তেনজিং নরগে শেরপা যখন হিমালয়ে উঠছিলেন তখন তারা প্রমাণ হিসাবে কি দেখাইছিলেন সেইটা আমি জানিনা। কিন্তু ঐ ঘটনার প্রায় ৫৭ বছর পর মুসা ইব্রাহীমের লেইগা প্রমাণের অনেক পরিসর তৈরী হইছে। শেরপারা একটা বুদ্ধমূর্তি লইয়া গেছে উপরে, তার চাইর পাশে লাখে লাখে প্রার্থনার পতাকা জড়ো কইরা রাখে পর্বতারোহীরা। মুসা ইব্রাহীম বুদ্ধমূর্তি পাশে লইয়া কোনো ছবি তুলেন নাই। উপরের ছবিটাতে সেইটাই দেখতে পাই আমরা।

যাপিত দিনমান: সোভহানাল্লার মর্তবা ও অন্যান্য

প্রায়ই ভাবি দিনযাপনের কথা লিখি। কিন্তু লিখতে গেলেই সেই দুনিয়ার আলসেমিও বিরক্তি ধরে। তাই ভাবাই সার লেখা হয়ে উঠেনা। আজ মীরের চমৎকার লেখাটা পড়ে এবং ওর আগ্রহ জেনে সাথে সাথেই লেখা শুরু করি এই ভয়ে যে পরে আবার যদি লেখা না হয়। এই লেখাটা দিয়ে মীরকে আবারো ধন্যবাদ ও ক্বতজ্ঞতা জানাই।
এক

আমাদের মহল্লার পাশে একটা মসজিদ আছে বেশ পুরানো। তবে এই মসজিদটা বিখ্যাত এর মুয়াজ্জিনের জন্য। বয়স্ক মুয়াজ্জিন বিকট ও অদ্ভুত সুর ও স্বরে আযান দেন। আমি বাজী ধরতে পারি সারা দুনিয়ায় এমন অদ্ভুত আযান কেউ দেয় না। আমরা শুনতে শুনতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। কিন্তু বাইরের লোক এসে অবাক হয়ে যায় আযান শুনে। একজন সবচেয়ে এপ্রোপিয়েট মন্তব্য করেছে এইটা নিয়ে। তিনি বলেন, এই আযান শুনলে বোঝা যায় কেয়ামতের আর বেশি বাকি নাই।

রাতের দুই গল্প

গত শুক্রবারের ঘটনা

পরিচয়

কখনো মানুষ, কখনো পুরুষ,
কখনো প্রশ্ন, কখনো চরম অমানুষ।
দোষে গুণে মানুষ,

বিস্ময় কালো নক্ষত্রের রাতে
শিয়রে কমলা হাতে,
কখনো শিশুর পিতা, কখনো রক্ত বিক্রেতা,
হাঁটুমুড়ে প্রার্থনায়, বর্ষনে ছাতা মাথায়
জোকার, জমিদার অথবা নামহীন মামুলী মানুষ

চর্বিত মানুষ, ভালবাসার রঙে গর্বিত মানুষ,
অন্ধকার ইতিহাসে
ক্রীতদাস, খুন, যুদ্ধের কলঙ্ক মুছে ভবিষ্যত দেখার মানুষ

কোন এক ভোরের অন্ধকারে
দেশের পলিতে মায়ের দেহের সঙ্গে মিশে যাবার
শেষ ইচ্ছার মানুষ

ওদের জানিয়ে দাও

কাল গিয়েছিলাম কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেলের (সিএজি) অফিসে, একটা প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে। যারা আমারে আদৌ পাত্তা দিতে চান না, তাদের বলি, সেখানে আমি একটা ক্লাশ নিতে গেছিলাম। সিএজি কার্যালয়ে একটা মিডিয়া সেল খোলা হবে, তাই সাংবাদিকতা কী জিনিষ আর সাংবাদিকরা কী বস্তু সেইটা জানানোর উদ্দেশ্যেই যাওয়া। এইটা একটা আমার জন্য লাভজনক প্রকল্প। Smile

সেখান থেকে বের হওয়ার পর মনে হলো পথেই যেহেতু, তাই একবার সাগর পাবলিশার্স ঘুরে যাই। আগে এক সময় উপন্যাস ও গল্পের পাড়ায় খালি ঘুরতাম। এখন সেখানে আর যাইই না। আর নতুন কোনো ভাল উপন্যাস বের হয়েছে বলে অনেকদিন খবর খবর পাই না। তাই বিশেষ কিছু না হলে উপন্যাস থেকে আগ্রহ কমে গেছে।

টুকরো-টাকরা ২

ক.
দেশের বেশিরভাগ মানুষের মতোন সংবিধান বিষয়ে আমার জ্ঞানও বেশ সীমিত। ৭২'এর সংবিধানটা পড়ছিলাম নাদান বাঙালি' র মতোন। পরবর্তী বেশ কিছু সংশোধনি বিষয়েও জানা ছিলো, কিন্তু গতো কয়েকদিন ধইরা ৭২'এর সংবিধান পূণস্থাপিত হওয়া নিয়া আপীল বিভাগের মূল্যায়ণ বা সিদ্ধান্ত দেওনের ধরণ দেইখা খুব একটা জুইত পাইতেছিনা। সংবিধান কি কেবল কিছু আইনের সন্নিবেশন? নাইলে জাতিগতভাবে বাংলাদেশি হইলেও ৭১'এর সংবিধানে আমাগো কোনো সমস্যা হইবো না? ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র হওয়ার পর কি সংবিধানে সংশোধিত হইয়া আসা বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বাতিল হইয়া যাইবো? এইটা কি সরকারী অধিবেশনগুলিতে পালিত হইবো? আমি সংশয়ি মানুষ, আদালতের এহেন আচরণে আরো বেশি বিভ্রান্ত হইয়া পড়ি।

সাত মুসাফির - ১ম পর্ব

১.
সেইকালে বাগদাদ নগরীর নিকটবর্তী কিফরি শহরে ইবনে হেরাত নামক এক অতিশয় রোমাঞ্চসন্ধানী যুবক বাস করিত। নতুন নতুন অভিযানে যতটা তাহার উৎসাহ, সংসারে অথবা জীবিকার নিমিত্তে কাজেকর্মে ততটাই তাহার বিতৃষ্ণা। এক সন্ধ্যায় আর দশবারের মতো অকস্মাৎ খেয়ালের বশবর্তী হইয়া যুবক তাহার একমাত্র উষ্ট্রখানার পৃষ্ঠে চড়িয়া বসিলো। অতঃপর পিতামাতা আর বন্ধুবান্ধবদিগের উদ্দেশ্যে "বাঁচিয়া ফিরিয়া আসিতে পারিলে আবার দেখা হইবে" বলিতে বলিতে গোধূলী আর মরুর ধুলার আলো আঁধারীর মধ্যে নিরুদ্দেশ হইয়া গেল।

কতটুকুন আলো বুনে এনেছি রোদেলা সকাল

প্রিয় ঘাস!
পায়ের নীচে পিষ্ঠ হওয়া শেষে
তোমার মাথা তুলে দাঁড়াবার ঔদ্ধত্য ভঙ্গি,
কিংবা আবার সবুজ হয়ে ওঠার পালা,
তোমার মুখর হওয়া শিশিরকণা,
প্রতিবাদী হয়ে ছাপিয়ে ওঠার মহড়া;
আমাকে কুঞ্চিত করে!
আমি কুঞ্চিত হই সকালের সূর্যোদয়ে,
আঁধার রুখে যে প্রলয়োল্লাস করে।
কুঞ্চিত হই শহরতলীর শিউলী ফুলের কাছে,
গেঁয়ো দস্যি বালকের ঘুড়ি বাকাট্টা দিয়ে-
মাঞ্জামারা সুতার কাছে।
বালিকার বুনে রাখা নকশীকাঁথার কারুকার্যের,
রুমালের ভাঁজের কাছে।
আমাকে তৃষ্ণার্ত করে রাখা কবিতার কাছে,
নীলরঙে মোড়া বিক্ষুব্ধ প্রতীক্ষার খামের কাছে.
হলুদ ফুলে ভরা সর্ষেক্ষেতের মানচিত্রের
বা মায়ের যাদুর বাক্সে ভরে রাখা পিঠাপুলির কাছে
আমি কুঞ্চিত হই, হয়ে থাকি।
কুঞ্চিত হতে চাইনা প্রতিবাদী মুখরতায়।

০৬/১০/২০১০: রাত

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ