বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি - ৪
চলতে চলতে একদিন হঠাৎ থেমে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই মনে হল , আমি চলছি কেন ? এই যে নিত্য ছুটে চলা বিরামহীন ভাবে সকাল সন্ধ্যা... কি হবে এই ছুটে চলে ?
পার্থিব জীবনের মোহ , বেঁচে থাকার মোহ কিংবা আরোপিত সুখের নেশায় ছুটে চলার অপর নাম হয়তো জীবন। একটাই তো জীবন - তাই মায়াও বেশী । যেদিন মনে হল ছুটে চলছি জীবনের প্রয়োজনে , সেদিন থেকেই ভাবতে লাগলাম জীবন নিয়ে। ভাবনাগুলো ছিল এলো মেলো , ভাবনা গুলো ছিল আকাশের মত ক্ষনে ক্ষনে পালটায় ।
জীবনে সাফল্যের মাপকাঠি এখন ক্যারিয়ার, টাকা আয় রোজগার এর মধ্যেই। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রতিভা গুলো , ক্ষদ্র ক্ষুদ্র শখ গুলো কে জ্বালানী বানিয়ে ক্যারিয়ারের শিখা জ্বালাতে হয় । এরই মাঝে এদিক সেদিক ছুটোছুটি করি, ক্যারিয়ারের চার দেয়ালের মাঝে আটকা জীবনের জন্য একটু জানালা খুঁজি , জোরে শ্বাস নেই ব্লগে এসে কিংবা নিজের সাথে নিজের বলা কথার মাঝে।
তবু অনেক ভেবেছি জীবন নিয়ে। কোন উপসংহারে আসতে পারিনি। শুধু মনে হয়েছে পাহাড়ী পথের মতই জীবনের চলার পথ। সরু চলার পথের একদিকে উচু পাহাড় আরেকদিকে নিচু খাঁদ - সেই পাহাড়ের গা বেয়ে বন্ধুর পথ বেয়ে উপরে উঠতে পারলে সফল হবে সে এই পার্থিব জীবনে , এই বস্তুবাদি , ভোগবাদি সমাজে সবাই নিচ থেকে আঙ্গুল উঁচিয়ে দেখাবে তাকে আর যদি পা ফসকে খাঁদে পড়ে যায় - কয়েকশ ফুট গভীর খাঁদে - কেউ টেনে তুলবে না তাকে , কারো কাছেই পৌছবে তার আর্তচিৎকার - সবাই তো জীবনের পথ বেয়ে চলতে চলতে বোবা , মুক, বধির হয়ে গেছে। আঁকা বাকা , ঢালু কিংবা খাড়া হয়ে উঠে যাওয়ার মত সে পাহাড়ী পথের মত জীবন।
পাহাড়ী পথের মত এই জীবনের চলার পথে বাঁক গুলো পেরুলে জানিনা নতুন বাঁক কেমন হবে , বিপজ্জনক বাঁক গুলো সতর্কতার সাথে সাথে পার না হতে পারলে পা ফসকে পড়ে যেতে পারি সেই খাঁদে । সেরকম পথ বেয়েই চলেছি , জানিনা উপরে যাবো নাকি নিচে পড়বো , শুধু জানি চলতে হবে , পিছে ফেরার পথ নেই ।
জীবনকে আকাশের মত মনে হয় মাঝে । আকাশের মত মহাশূণ্য । সব কিছুই আছে তবুও সেটা মহা শূণ্যই থেকে যাবে । ক্ষনে ক্ষনে জীবন রঙ পালটায় সে আকাশের মত, কখনও মেঘে ঢাকে কখনো রৌদ্রের খরতাপে পুড়ে , আলো আসে, অন্ধকার আসে - আকাশে , আসে জীবনে। ঘুড়ি যেমন ছুঁতে চায় আকাশের সীমানা, তেমনি স্বপ্নরাও ছুঁতে চায় জীবনের মহাশূণ্যকে ।
একটাই তো পথ, একটাই আকাশ , জীবনের মত ।
প্রথম প্রকাশঃ http://raihan-sayeed.blogspot.com/2010/06/blog-post_14.html





হুমম
হুমমম
সাইদ ভাই, আপনার লেখায় কেমন জানি একটা শুন্যতা (বানান টা হলো কি?), রিদয়ের (বানান টা হলো কি?) বেদনা লক্ষ্ (বানান টা হলো কি?) করা যায়।
রেফারেন্স টা ভাল লাগলঃ প্রথম প্রকাশঃ http://raihan-sayeed.blogspot.com/2010/06/blog-post_14.htm
নিয়মাবলীর বাইরে আছে!! হাহাহাহাহাহা.।
গ. "আমরা বন্ধু" তে শুধু নতুন লেখাই প্রকাশিত হবে। পুরনো লেখা রিপোস্ট করা যাবে না। অন্য কোনো কম্যুনিটি ব্লগে প্রকাশিত লেখা এবিতে প্রকাশ নিষিদ্ধ। এবিতে প্রকাশিত কোন লেখা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে অন্য কোনো কমিউনিটি ব্লগে প্রকাশ করা যাবে না। ব্যক্তিগত ব্লগ এবং পত্রিকা এই নিয়মের আওতার বাইরে।
আপনাদের অনেক জ্ঞান আছে!
ভাই আপনার জ্ঞানের কাছে আমরা নস্যি।
লেখাটা খুব ভালো লেগেছে।ইদানিং নিজেকে নিয়ে নিজে খুব হতাশ।তারপরে আপনার এই লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগলো।নিজের মধ্যে সাহস খুজে পাচ্ছি।
তয় নিজের ব্লগের বিজ্ঞাপনটা জটিল হয়ছে।

এখন বিজ্ঞাপনের যুগ, বুঝতে হবে।
একটা ছাপ মারা ছ্যাকু লুক...... যাই লেখে ছ্যাকু গন্ধ থাকে.......
হ রে ভাই কি আর করতাম .।
নাহ্ দুর্দান্ত লেখা। যে যাই বলুক
আপনারে অশেষ ধনিয়া ।
ঘুড়ি যেমন ছুঁতে চায় আকাশের সীমানা, তেমনি স্বপ্নরাও ছুঁতে চায় জীবনের মহাশূণ্যকে
এই লাইনটা খুবই কাব্যিক। মন টন ভালো করে এ লাইনটা দিয়ে একটা কবিতা হয়ে যাক ব্রাদার
অশেষ কেজি ধনিয়াপাতা ।
বাহহহহ।ভাল লেখা
থ্যাঙ্কু ভাইয়া।
মন্তব্য করুন