শেষ প্রহরের আলোয়।
বসিয়া বিজনে
ঘরের কোনে মুদিয়া নয়ন
বৃদ্ধ ভাবিতেছে আনমনে
তাহার অতীত জীবন যৌবন
শৈশব কাটিছে তাহার হাসিতে খেলিতে
একাকার হইয়া ধূলা আর বালিতে।
কৈশর গিয়াছে চলি
করিয়া বন্ধুর সাথে গালাগালি আর গলাগলি।
আম্র চুরি করিতে গিয়া
আসিয়ছে ঘরে পা ভাঙ্গিয়া,
বাবার শাস্তি আর মা'র বকুনি
কষ্টের সহিত আনন্দ লহিয়াছে আনি।
তারুন্যে সে ছুটিয়াছিল নব নব ভাবনায়
পোঁকা ধরা সমাজ ভাঙার তথাকথিত বাসনায়।
যৌবন যখন ধরা দিল আসিয়া
রঙীন নেশায় জীবন গিয়াছিল ভরিয়া।
কল্পনার সাথে সাঁজাইয়া প্রেমের বাসর
উড়িয়াছে ছুটিয়া রাত্রি দিনভর।
এখন আসিয়া দিন শেষে গোঁধূলি বেলায়
বৃদ্ধ গুনিছে ক্ষন শেষ প্রহরের আলোয়।





খাইছে, মধ্যযুগীয় কবিতা দেখি...
হ ভাই, আমি সেই আমলের মানুষ। সেই ১৯৫৬ সালে যখন প্রথম কম্পিউটার চালাই........................
বৃদ্ধ কে ভালভাবে মোরতে দেয়া হউক।আমীণ।
আমীন। সুম্মা আমীন।
এখন আসিয়া দিন শেষে গোঁধূলি বেলায়
বৃদ্ধ গুনিছে ক্ষন শেষ প্রহরের আলোয়।
নতুন করে রস আস্বাদন করলাম।
ধন্যবাদ আপু।
সাঈদ কবিতার বক্তব্যটা খুবই ভালো লেগেছে। শুধু ছন্দ না মিলানোর চেষ্টা না করে যদি গদ্য কবিতা লেখা হয় তাহলে মনে হয় পড়তে আরো আরাম হবে।
অনেক চেষ্টা করেও গদ্য কবিতা বানাতে পারলাম না ঃ(
অরে বাবা, কবিতা!
আমি কবিতা বুঝি না ঃ(
এইডা বুঝেন না ?
বুইড়া মৈরা যাক, তার আত্মা তরুণ দেহ ধারণ করুক।
হ, যদি আত্মা অন্য দেহ ধারন করতে পারে তো।
মন্তব্য করুন