ইউজার লগইন
ব্লগ
আমি ত্রাণপ্রার্থী
ব্লগার মুরুব্বিগো কাছে আবদার, আমারে একটা রুটিন কইরা দেন। রুটিনে ৮ ঘন্টা থাকব ঘুম। ৬ ঘন্টা থাকব চরম বিতৃষ্নার কাম, সুশিল সমাজ যারে কয় "লেখাপড়া"(সাবজেক্ট হইতাছে পদার্থবিঞ্জান নামের মোটামুটি সুখাদ্য, রসায়ন কথিত রস-কষবিহীন আজরাইল, গনিত নামের কুখ্যাত মাস্তান এবং উদ্ভিদবিঞ্জান ও প্রাণিবিঞ্জান নামের খচ্চর দুই ভাই-বোন)। আর ৪ ঘনটা থাকব নেটে গুঁতাগুঁতির কাম। মুরুব্বিরা, বড়ই বিপদে পইড়া আপনাগ কাছে সাহাইয্যের আবদার লইয়া আইছি। কলম আর কাগজ লইয়া যুদ্ধ কইরা আইজকা আমি ক্লান্ত, বিধ্বস্ত, পরাজিত। কলমের কালি আর খাতার কাগজ নষ্ট কইরা জাতীয় সম্পদের ক্ষতি সাধন করাই সার হইছে, কিন্তু কুনো কাম হয় নাই। আমি জানি আপনেরা আমারে খালি হাতে ফিরাইবেন না(ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করলাম, হে…হে…হে…)। আমি আপনাগো ত্রাণের আশায় অপার হইয়া বইসা আছি…
নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ চার!
অনেক দিন পর আমি সকালে লিখতে বসলাম। রাতে রাতে লিখতে লিখতে এমন অবস্থা হইছে যে রাত ছাড়া লেখারই ইচ্ছা থাকেনা। কিন্তু সারাদিন এই চেচামেচির পরিবেশে থেকে, মাথা ব্যাথা আর মশার কামড় খেতে খেতে বিরক্ত লাগে। আর না লিখলে মনে হয় হুদেই লেখলাম না। এই জটিল পরিস্থিতিতে আজ সকাল সাড়ে সাতটাতেই ঘুম থেকে উঠলাম। চা বানাতে বানাতে ভাবলাম পোস্ট লিখে ফেলি। ক্লাস টেনে থাকতে আমার বাসার উপর তালায় থাকতো ক্লাস মেট মেধাবী ছাত্রী। আম্মু ফজরে উঠেই তার চেয়ার টানাটানির শব্দ শুনতো। আর আমাকে বলতো শান্ত উইঠা পড়, মেয়ে মানুষ হয়ে কত সকালে ঘুম থেকে উঠে! আমিও উঠে যেতাম। এইসব সকালে আম্মুর কথা খুব মনে পড়ে। এখন আর ভোরে ডাক দেয়ার কেউ নাই মায়ের মতো। যখন যতক্ষন খুশী ঘুমানো যায় বলার কেউ কিছু নাই। কিন্তু নিজেরই ঘুমাতে ভালো লাগে না।
গণজাগরণ এবং কিছু কথা
এই আন্দোলন কোন ব্যাক্তির নয়, কোন গোষ্টীর নয়, সমগ্র জাতির আন্দোলন।গত কিছুদিন পূর্বে জামাতশিবির চক্র সারাদেশে যে তান্ডব শুরু করেছিলো তা প্রতিরোধ করতে কোন ছাত্রসংগঠনের তেমন শক্ত কোন সাংগঠনিক তৎপরতা চোখে পড়েনি। ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন সহ প্রগতিশীল কোন সংগঠন ই কোন প্রতিরোধ গড়ে তোলতে পারেনি বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া। জামাত শিবির চক্রের এইসব তান্ডব প্রতিরোধে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দিকে থাকিয়ে খাকতে হয়েছে। এখন যখন সারাদেশের মানুষ জ্বেগে উঠেছে তখন সেই জাগরণ কোন ভাবেই স্থিমিত যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ রাখুন। ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রলীগ সহ অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের যেসব বন্ধুরা এই আন্দোলনে একাত্বতা প্রকাশ করে গত ৬দিন থেকে শাহবাগে অবস্থান করে সারাদেশে যে জাগরণেরর সৃষ্টি করেছেন তার জন্য আপনাদের কৃতজ্ঞতা জানাই। দয়া করে কোন ব্যাক্তি বা গোষ্টী এই আন্দোলনে নিজেদের কতৃত্ব ফলাতে আসবেননা। যদি কোন কারণে এই সংগ্রাম এই ঐক্য বিনষ্ট হয় এই জাগরণ থেমে যায় মনে রাখবেন জাতি আপনাদের ক্ষমা করবেনা। এই আন্দোলনের উদ্যক্তাদের স্বার্থহীন ভাবে সহযোগীতা করুন। আমরা ধবধবে পোষাকের কোন নেতার বক্তৃতা শুনতে চাইনা, আমরা কারো আমিত্ব দে
...এ যেন, স্বপ্নের হাত ধরে কৃষ্ণপক্ষের রাত্রির অন্ধকারে অনন্তের পথে চলেছি আমরা
১৯৪৭-এ বিতর্কিত দ্বিজাতি তত্ত্বের আলোকে দেশ ভাগ, ’৫২ এর
স্বাধীনতার আন্দোলন, ’৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬ এর ছয় দফা আন্দোলন, ’৬৯
এর গণ অভ্যুত্থান, ‘৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা লাভ, ’৯০ এ স্বৈরাচার
পতন--এত রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ, আজ কোথায়, কোন অবস্থায় আছে !
কেমন আছে আমার দেশ, দেশের মানুষ, আমার মাতৃভূমি, আমার প্রিয় জন্মভূমি,
আমার স্বাধীনতা? এ ভাষা আন্দোলনের মাসে পরাজিত রাজাকার আর তাদের বংশধররা
কার বা কাদের সহযোগিতায় ’৭১ এর মানবতাবিরোধী, কুখ্যাত রাজাকারদের মুক্তির
জন্য আন্দোলন করে, দেশ ব্যাপী হরতাল করে ? কোথা থেকে তারা এত সাহস পায়?
পৃথিবীর কোন দেশ ধর্মীয় জাতি সত্ত্বার কারণে বিভাজিত হয়নি, শুধু ভারত
ছাড়া; কোন দেশে স্বাধীনতার যুদ্ধে পরাজিতরা মাথা তোলে কোনদিন দাঁড়াতে
পারেনি; শুধু বাংলাদেশ ছাড়া।
বিজ্ঞান ও সভ্যতার চরম উন্নতির এ যুগেও কোন কোন ধর্মীয় রাজনৈতিক
গোষ্ঠী বেহেস্তে যাওয়ার টিকেট বিক্রি করে। তাদের জেলে ঢুকালে বলে আল্লাহ
তাদের ঈমানের পরীক্ষা করছেন আর উকিলের মাধ্যমে জামিন বা মুক্তি পেলে
শাহবাগ থেকে ফিরে
শাহবাগ থেকে ফিরলাম।
শ্লোগানে শ্লোগানে কম্পিত আমি,, তোমরা।
মাথা ঝাঁকিয়েও সেই শব্দের সংকলন এড়াতে পারছি না, এখনও।
তেড়েফুড়ে বেরিয়ে আসছে............................
”বুকের ভেতর জ্বলছে আগুন
সারা বাংলায় ছড়িয়ে দাও”
বন্ধুরা,
সতর্ক হওয়ার সময় হয়েছে।সতর্ক হও।
শকুনেরা ঘৃণ্য রাজনীতির বিষে মাখামাখি নখর, রক্ত চক্ষু, ভয়ঙ্কর চিৎকারে
ঘরে -বাইরে পাখা মেলতে করেছে শুরু ।
বন্ধু
সতর্ক হও।
নষ্ট রাজনীতি সহজেই নিষ্ফলা করে দিতে পারে তোমায়,
আমার সংহতি, আমাদের শাহবাগ,
সংগ্রামী চেতনা।
বন্ধুরা সাবধান।
শাহবাগকে নিবেদিত
এক
বলেছিলাম ফিরে আসবো
অপেক্ষায় থেকো
থেকো প্রতীক্ষায়
দেরি দেখে ভেবেছো
দিয়েছি উড়াল
গেছি হারিয়ে
স্বপ্নহীনদের ডেরায়
তোমার ভুল ভেংগে
ঠিকই ফিরে এলাম
যেখানে হয়েছে রচনা
বসন্ত বাসর।
বাজছে সানাই
গনমানুষের ,
সেই শাহবাগে
এসো রাখি
হাতেহাত
আমাদের স্বপ্ন হোক
অমর ।
দুই
অনূভবকে অনুভব করবো ভেবে
হাতটা যখনই বাড়াই দেখি
এক রূপালী আলো ছায়া ফেলে হাতে
অনুভবকে খুঁজি চোখের সীমানায়
ও তখন সীমানা পেরিয়েছে
অনুভূতিহীন কোন অন্ধকারে
কিন্তু ওকি জানে সেই রূপালী
আলো এখানে আমার হাতে
হয়ে আছে আজো অদ্ভুত অনুভব!
১০.২.২০১৩
তিন
শাহবাগে আজ কথকতার ফুলঝুড়ি
কথা বলছে জনমানুষ
কথা বলছে জনপথ
এমন করেই যদি কথা বলতে পারতাম
সোচ্চার হতে পারতাম
তোমার দাবিতে, যখন হারিয়েছি তোমাকে !
চার
সব কিছু আজ তারণ্যের দখলে
তাই রাজপথ মেঠোপথের মতো আদুরে
ধূসর আগামীর রঙ এখন বাসন্তি।
শোনা কথায় বইমেলা: ফেব্রুয়ারি ৯
বইমেলা উপলক্ষ্যে সম্ভবত বছর চারেক আগে একটি ওয়েব সাইট প্রকাশিত হয় বেসরকারি উদ্যোগে। সাইটটি তৈরি করেছিলেন আমারই এক পরিচিতজন। এর আগে শুধু বইমেলা নিয়ে কোনো ওয়েব সাইট আমার নজরে আসেনি। ফলে তার তৈরি করা ওয়েব সাইটটি নিয়ে অনেকটাই উচ্ছ্বসিত ছিলাম। তাদের একটা স্টলও বসেছিল মেলা প্রাঙ্গনে- আরও নির্দিষ্ট করে বললে লিটলম্যাগ চত্বরে। সেখানে নতুন আসা বইয়ের নামধাম তোলা হতো। সার্চ করার অপশনও ছিল। সাইটটিতে বইয়ের ক্যাটালগ তৈরি করা হতো ইংরেজিতে, তবে বাংলায় ইমেজ আকারে বইয়ের নাম ও লেখকের নাম থাকতো। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সাইট নির্মাতাকে বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছিলাম যার একটি হচ্ছে পুরো সাইটটাকে বাংলায় করা আর বইয়ের পরিচিতি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা। শুধু বইয়ের নাম, লেখকের নাম, দাম, ক্যাটাগরি আর প্রচ্ছদ থাকলেই বইয়ের পরিচিতি জানা হয় না। বইটা কী বিষয়ে, সেখানে কী আছে ইত্যাদি বিষয়ও জানা দরকার। প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় স্পেস বা সময়ের সংকট থাকে, সেখানে না হয় এসব কারণে এতো তথ্য দেয়া সম্ভব হয় না; কিন্তু ওয়েব সাইটে তো আর সেই ঝামেলা নেই!
এখন শুধু যোগ দিতে হবে, আর কিছু করতে হবে না
শাহবাগে সাইবার যুদ্ধ চলছে। প্রতি মুহূর্তে বীর সেনানিরা সেখানে যোগ দিচ্ছেন। কাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে যখন মাইকে ঘোষণা শুরু হলো এ যুদ্ধের ব্যপারে, তখন যাচ্ছি-যাবো করেও আর যাওয়া হয় নি। টানা চার দিনের ক্লান্তি মাথায় নিয়ে দেড়টায় বাড়ি ফিরে দেখি ২২০০ সৈনিক ততক্ষণে যোগ দিয়ে ফেলেছেন। আমি আর দেরি করলাম না। সকালে উঠতে দেরি হলো। ততক্ষণে ৩৫৫০ জন যোগ দিয়ে ফেলেছেন সাইবার যুদ্ধে। এ যুদ্ধে যারা এখনো যোগ দেন নাই, তাদের জন্য লিংক এখানে (ক্লিক করুন)। দেরি করার সুযোগ নাই। যোগ দিয়ে ফেলতে হবে এবং তারপর থেকে ছাগু আইডি/ ব্লগ প্রোফাইল যাই পান না কেন, শেয়ার করতে হবে পাতাটাতে। অন্যদের শেয়ার করা একই উপাদানগুলোর ব্যপারে রিপোর্ট করতে হবে। আমার-আপনার কাজ আপাতত এটুকুই।
আমি গর্বিত আমি একজন ব্লগার (বিন্দু থেকে সিন্ধু..…)
ইন্টারনেটের দুনিয়ায় ঘুরাঘুরি করছি চার বছরের কিছু বেশি সময় ধরে। আর ব্লগিঙে তো একেবারেই নতুন, এর আগে মাত্র ২টা কী ৩টা লেখা লিখেছি। ব্লগিঙের দুনিয়ায় অবশ্য ঘুরাঘুরি বছর তিনেক ধরেই, কিন্তু লেখালেখির সাহস হচ্ছিল না। অবশেষে সাহস করে কলম হাতে তুলে নিলাম। প্রথমে খাতায় লিখি, তারপর সেটা কী-বোর্ডে যায়, সেখান থেকে অনলাইনে। থাকি গ্রামে, বুঝতেই পারছেন আমার অবস্থাটা। গ্রামের মুরুব্বীরা এসব ভালো চোখে দেখেন না। তাদের ধারণা ইন্টারনেট আর মোবাইল মানেই আজরাইল। এগুলো দিয়ে যে ভালো কাজও করা যায় এটা তারা মানতেই নারাজ, তাদের মতে ইন্টারনেট আর মোবাইল মানেই পোলাপান নষ্টের যম!
নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ তিন!
ভেবেছিলাম শাহবাগ নিয়ে লিখবো না আর। কারন চারিদিকে এতো বেশী এই নামের লেখালেখি, তাদের এতো শতো ভালোবাসার আবেগের লেখার ভীড়ে আমার সরল দিনলিপির ঠায় কই? তাও লিখি কারন আমার লেখাতো কীবোর্ড টেপার কষ্ট ছাড়া আর কোনো কষ্ট নাই। লেখা যদিও অনেকে ভালো বলে তাও আমি আমার লেখার কোয়ালিটি নিয়া মোটেও সন্তুষ্ট না। তারপর আছে আবার বানান ভুল আর যতি চিন্হ ব্যাবহারের ভুল ভ্রান্তি। তাও লিখি কারন লেখাতেই যাত্রা লেখাতেই শেষ, আমি ভালো আছি এই নিয়ে বেশ!
প্রাণের দাবি
একে এক,
তোরা সবাই রাজাকার
খুঁজে খুঁজে দেখ।
দুই একে দুই,
কাদের মোল্লা, রাজাকার তুই।
তিন একে তিন,
রাজাকারদের
ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিন।
চার
একে চার,
রাজাকার তোরা দুনিয়া ছাড়।
পাঁচ একে পাঁচ,
তোরা সবাই রাজাকারের
লাশের উপর নাচ।
ছয় একে ছয়,
দেশবাসী কয়
রাজাকারেরা মানুষ নয়।
সাত
একে সাত,
সবাই মিলে হাতে রাখি হাত।
আট একে আট,
তোরা সবাই শাহবাগে হাঁট।
নয় একে নয়,
আর ছলনা নয়।
দশ একে দশ,
হবে এবার রাজাকারের নাশ।
শাহবাগ একটুকরো বাংলাদেশ
একজন অনুজ আর একজন অগ্রজ এই দুই প্রজন্মের সাথে আছি আমরা , এই তিন প্রজন্মের মিলনস্হান এখন শাহবাগ। অগ্রজ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা তিনি প্রতিদিন তার অর্ধাঙ্গিনীকে নিয়ে আসেন শাহবাগে স্বাধীনতা উত্তর প্রজন্মকে উতসাহ দিতে। তারা দুজনই শারীরিক ভাবে অসুস্থ বসতে পারেন না , কিন্তু তাতে কি দাড়িয়ে স্লোগান দিতে ভোলেন না। তার অনেক আশা তাদের শুরু করা কাজ আমরা শেষ করবো।
আর অনুজের বয়স একবছরের কম , সে কথা বলতে পারে না ঠিকমতো , তাই বলে সে কিন্তু থেমে নেই , যখন আমরা সমস্বরে বলে উঠি তুই রাজাকার তখন সেও আনন্দে লাফিয়ে ওঠে। সে এসেছে তার বাবার কাধেঁ চড়ে। এসেছে হয়তো একটি রাজাকার মুক্ত দেশ পাবার আশায়। আমরা ওর এই চাওয়াকে কিভাবে অপূর্ণ রাখবো?
যাদের সাথে আছে অগ্রজদের আশির্বাদ আর অনুজদের ভালোবাসা তারা কি হারতে পারে? জয় আমাদের হবেই।
কাফন কোরতা
দ্বীপ নিভে নিভে,অশান্ত মন-কুয়াশাচ্ছন্ন হৃদয় কিছু বলতে চাইঃ
মানুষ তার বিবেককে ঠাই দিবে কোথায়?কারও জানা নেই।।
এই রকম রাই বাংলাদেশ সরকারের কাপুরুষতার লক্ষণ নয়কী?
কাদের ও কিসের জন্য ভয়????
আমরা প্রস্তুত, রক্তের উচ্ছাসে বাঁধ ভাঙ্গাব ,
অসীম জোয়ারে তলিয়ে নিব সব বাঁধা।।
বাংলাদেশে থাকবেনা আর রাজাকার আলবদর,
থাকবেনা সেই রাজ কদর।।
গল্প: গরুচোর কাশেমের গল্প
কাশেমের গরুর গোশত্ খুব পছন্দ। প্রতিরাতে তার গো গোশত্ চা-ই, চাই। বউরে সবসময় বলে রাখে, প্রতি রাইতে আমারে গরুর গোশত্ দিবা। বউ প্রায়ই বলে, আপনে গরু খাওন বন্ধ দেন। গরু খান আর আমার উপর অত্যাচার করেন।
কাশেম মুচকি হাসে। বউরে জড়িয়ে ধরে। গালে চুমু খায়। তারপর বলে, তুমিই তো আমার পেয়ারে গাই।
বউ আল্লাদের সুরে সুরে বলে, উউউ... আপনে আমারে গাই বলতে পারলেন?
দুজনে এরপর ভালোবাসাবাসি করা শুরু করে। দুজনের পেয়ার বেশ। জীবনের বড় সময় দুজন একসঙ্গেই পার করে দিয়েছেন। সন্তান আছে দুইজন। একজন সৌদি থাকে, আরেকজন পাকিস্তান।
দুইজনই পুত্র। মাশাল্লাহ দিলে দিনের পথেই আছে। সৌদিতে আল্লাহর দরবারে ইবাদত বন্দেগী করে। আর কাজ করে। কিসের কাজ করে তা অবশ্য কাশেম বলতে পারবে না। কিংবা এ সংক্রান্ত তথ্য জানলেও কাশেম কখনও প্রকাশ্যে কিছুই বলেনি। তাই আমরাও জানতে পারি না কাশেমের বড় পুত্র কুদ্দুস মোল্লা সৌদিতে কি করে।
আমি বাংলাদেশ কাঁপিয়ে দেব
(এই কবিতা লিখেছেন মানুষ, ইতিহাসের মানুষ, শ্যামলিমা ভূগোলের মানুষ। সুতরাং এই কবিতার কোনো নির্দিষ্ট লেখক নেই।)
আমি দাঁড়িয়ে আছি শাহবাগের জনসমুদ্রের মধ্যখানে।
আমি দাঁড়িয়ে আছি আমার ধর্ষিতা বোনের পবিত্র শরীর স্পর্শ করে।
শহীদের স্মৃতির মণিমুক্তার মালা আমার গলায়,
মুক্তিযুদ্ধের বারুদ সঞ্চারিত হয়েছে আমার বুকে,
মূর্তিমান সাহসিকা শহীদজননী আমাকে দেখাচ্ছেন বরাভয় মুদ্রা।
আমার হাতে বাংলাদেশের পতাকা, আমার হৃদয়জুড়ে বাংলাদেশ।
আমি তরুণ। মুক্তিযুদ্ধ আমার অহংকার।
আমি ঘৃণা করি যুদ্ধাপরাধী।
আমার ক্রোধ মুক্ত, আমার ঘৃণা সুস্থ।
আমার ক্রোধ ছড়িয়ে পড়বে শাহবাগ থেকে সারা দেশ, বিশ্বময়।
আমি জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে আছি নিশিদিন।
নত্র আমার জন্যই মেলে ধরেছে নরম আলো,
চাঁদ বিলিয়ে দিচ্ছে মমতা।
আর, দিনভাগে ‘সূর্য আসি অগ্নি ঢালে হৃদয়ে আমার’।
আমার মুষ্টিবদ্ধ হাত নীলাকাশ স্পর্শ করে।
আমার স্লোগান সহস্র কণ্ঠে মিশে রচনা করে প্রতিবাদের মহাকাব্য।
আমি চিনেছি নব্য রাজাকার, দেখেছি তাদের ক্ষমাহীন স্পর্ধা;
কেউ কেউ ঘাপটি মেরে থাকে,
সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে তারা সঞ্চালন করে রাজাকারি ভ্রম।