ইউজার লগইন
ব্লগ
কাঁচুলি
দূর মসজিদ থেকে সুমুধুর কন্ঠে ভোরের আযান প্রকৃতিতে প্রবাহমান বাতাসের মত ছড়িয়ে পড়ল। কি সুমুধুর সে আযান--‘আস্সালাতো খাইরুন মিনান নাউম...।’ পদ্মার বুকে জেগে উঠা দোয়াল্লীর চরের প্রকৃতিতে কেমন জানি নিরবতা ভাঙ্গতে শুরু করল। দূর থেকে আযানের ধ্বনি ধীরে ধীরে এ গাঁয়ে এসে বাতাসের সাথে মিশে যায়। গ্রামটির নাম স্বর্ণগ্রাম। হ্যাঁ স্বর্ণগ্রাম। এ গাঁয়ে এক কালে সোনা ফলত। সোনার ফসলে মুখরিত হত এ গাঁয়ের সহজ সরল জীবন যাত্রার। মাটির মত মায়াশীল মায়েরা মেয়ের নাম তাই হয়তো রাখতো স্বর্ণলতা, সবুজী, সোনাবিবি ইত্যাদি। ফসলের নামে নাম রাখত ছেলেদের--শৈষশ্যা, ধনিয়া, নীলা ইত্যাদি। আজ আর সেই দিন নেই। আউশ ধানের চালের সাথে মিশে গেছে ইরি ধানের চাল । খাঁটি সরিষা আজ আর পাওয়া যায় না। মানুষেরা আজ ছন্নছাড়া, ক্ষুধার্ত, তৃষ্ণার্ত । দু’বেলা জোটে না দু’মুঠো ভাত। দরিদ্র চাষী হাড় ভাঙ্গা খাঁটুনী আর দেহের ঘাম দিয়ে সোনালী ফসল ফলায়। তবুও জীবনের বিড়ম্বনা।
কাব্য কহন-০১
দেখতে দেখতে গতকাল কাব্যর বয়স আট মাস পূর্ণ হলো
। সময় কিভাবে চলে যাচ্ছে কিছুই বুঝতে পারছি না। অফিসে ব্যস্ততা, বাসায় গেলেও ব্যস্ত আসলে যত দিন যাচ্ছে ব্যস্ততা হুহু করে বাড়ছে। আগে সময়-সুযোগ পেলেই ব্যাকপ্যাক নিয়ে বের হয়ে পড়তাম আর এখন ব্যাকপ্যাক সযত্নে তোলা থাকে
। সময়ের সাথে সাথে মনে হয় জীবনের ধারা এবং গতি পরিবর্তিত হয়। ইচ্ছা বদলায়, অভ্যাস বদলায়, চিন্তা-চেতনা-উপলব্ধির পরিবর্তন হয়। যাহ্ কি বকবক শুরু করলাম, কাব্যর কথা বলতে গিয়ে অন্য প্রসংগে চলে যাচ্ছিলাম। কাব্য এখন অনেক কিছু করতে পারে আবার অনেক িকছুই করতে পারে না
। সময়ের অভাবে কাব্যর পারা না পারার গল্প করতে পারছি না যা হোক কাব্যর গত ঈদ এ তোলা কিছু ছবি দিলাম 
কাব্য এবং পৃথা
অনুভূতির প্রকাশ, মা খেলতে দিবে না তাই বিরক্ত। 
রেবেকা আপুর পালিয়ে যাওয়া ও আমাদের গল্প
আমি তখন স্কুল এ পড়ি । আমরা যেই বাসায় থাকতাম তার পাশের রুম টাই ছিল রেবেকা আপুদের ।
আমি ক্লাস ৫ম শ্রেণীতে পড়ি । রেবেকা আপু ৯ম শ্রেণীতে পড়ে। আমাকে বেশ আদর করে প্রায় সবাই smile

খাওয়া দাওয়া ও উনাদের সাথে করেছি অনেক দিন।আমি দাবা খেলতে পারতাম না কিন্তু আমাকে শিখিয়েছে আপু
প্রায় সময় আমি আপুর সাথেই থাকতাম smile
আপু আমাকে পড়াত এবং ভাল কিছু রাঁধলেই আমাকে ডেকে খাওাত...
একদিন পাশের রুম এর এক মামা আমাকে চকলেট কিনে দিয়ে বলল এই চিঠিটা রেবেকা কে দিয়ে আসবি কেউ জাতে না যানে।
আমিও চকলেট পেয়ে খুভ খুশি যেই বেটা কোন দিন একটা চুইংগাম কিনে দেয়না আজ সে আমাকে চকলেট কিনে সিছে তাও আবার মিমি!
আমি সাথে সাথে কাজ টা করে দিলাম এবং বলেছিল আমাকে ৫টাকা দিবে Tongue আমি ত মহা খুশি ।
আপু পড়া শেষে কাগজটা ছিঁড়ে টুকর টুকর করে ফেলল এবং মুখে দিয়ে চিবিয়ে ফেলল আর একটু মুছকি হাসি দিল।
আমি বুজতে ছিলাম না কি করব !!!
আপু কিরে কেউ কি দেখেছে তুইযে চিঠি আনছিস ?
আমি ভেবে বললাম না আপু কেউ দেখেনি সুদু মামা দেখছে ।
আরে সেত দেখবেই সে দিছে না...আমি হুম...
দাঁতবিস্তৃত হাসি
আজকে আমার পাঁচবছরের হোষ্টেল জীবনের অন্যতম একটি দিন।আমি মোটামুটি সু এবং কু ভাবে পরিচিত হোষ্টেলে।সু ভাবে পরিচিত কারন যত আকাজ কুকাজ এর প্ল্যান আমার রুমে সম্পন্ন হয়,নয়তো যারা করে আসে তারা আমার বিপুল সমর্থন পায়।হোষ্টেল মনিটর হওয়ার কারনে পরিস্থিতি সামলানো কোন ব্যাপার হয় না।আর কু ভাবে পরিচিত আমার খামখেয়ালীপনার জন্যে,দিনের বেশিরভাগ সময় অনশন করে,মাঝে মাঝে ই সকলের আত্না উড়িয়ে হস্পিটালে ভর্তি হয়ে,রাতবিরাতে গভীর অন্ধকারে উপশহরের রাস্তায় হেঁটে বেড়িয়ে আর হোষ্টেলের দেয়ালে,জানালায়,মেঝেতে রঙের বন্যা ছড়ায়ে। যাই হোক,এতোকিছুর পরেও হোষ্টেলে টিকে আছি মানুষজনের ভালোবাসার জন্যে।সে রুমে কাজ করা খালাদের হোক,বন্ধুদের হোক আর ক্যান্টিনের কাজ করা ছোট ছোট বাচ্চাগুলার হোক।
আপনারা বৌদ্ধদের উপর হিন্দুদের উপর কেন অত্যাচার করছেন
রামুতে ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলির নেতৃত্বে কিছুসংখ্যক মানুষ বৌদ্ধদের উপর অত্যাচার করছে। অত্যাচারের বিবরণ বিস্তারিতভাবে খবরের কাগজে আসে নাই, কিন্তু তবু আমরা সকলেই কিছু কিছু জানতে পেরেছি। অত্যাচারের বা মারধরের বা ক্যাঙ্গ ধ্বংসের মাত্রা নিয়ে আলোচনা করতে চাইনা। মাত্রা যাই হোক, নির্যাতন নির্যাতনই। সকল নির্যাতনই অন্যায়, সকল অত্যাচারই অন্যায়, মানুষের উপর সকল হামলাই অন্যায়। আবার সে অত্যাচার যদি হয় কেবল ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে বা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে সংখ্যালঘুর উপর সংখ্যাগুরুর অত্যাচার, সেটা আরো বেশি অন্যায়।
এ লজ্জা রাখি কোথায়?
সকালে সংবাদটি দেখে একটু ভয়ই পেলাম। কেউ ফেসবুকে ভুয়া কোন আইডি দিয়ে বিতর্কিত কোন ছবিতে আমাকে ট্যাগ করবে... এবং সেটা নিয়ে একদল উন্মাদ লোক আমার উপর ঝাপিয়ে পরবে। এ কোন অসভ্য দেশের পথে আমরা হাঠছি। এই অসভ্যতা বর্বরতার জন্য কি দেশটা স্বাধীন করা হয়েছে?
ইদানিং মানুষ জনের ধর্মীয় অনুভূতিইবা এত ঠুনকো হয়ে গেল ক্যান... যা বাতাসে নড়বড় করে? অনুভূতি যদি এত ঠুনকোই হয় তাহলে এমন অনুভূতির থাকার প্রয়োজনীয়তা কি?

ছবি: বিডিনিউজ২৪ ডট কম
কবিতা:ব্যথার সাগরে জীবন চলিছে যে বয়ে।
সারারাত জেগে আছি; যেন রাতজাগা ব্যাথাতুর পাখি আমি;
জোনাকির আলো হয়ে; হয়তোবা প্রেম আলেয়ার হাতছানি;
হয়তো প্রিয়হারা; রাতজাগা পাখির তীক্ষ্ণ চিৎকার শুনি,
কত রাতে মোরে পরিবে মনে; তারাপানে থাকিবে চেয়ে তুমি।
প্রেমে ক্ষয়ে ক্ষয়ে; আজিকে তারাদের সব ব্যাথা মোর হৃদয়ে;
যারা রচেছে নক্ষত্রের ইতিহাস; সে হৃদয়ে দূঃখের বাস;
তোমার দুয়ারে হাত পেতে পাইনি সান্তনা; প্রেমের আশ্বাস।
রাতের অন্ধকারে ব্যথার সাগরে জীবন চলিছে যে বয়ে।
তাই হৃদয়ে চাইনা বাঁধিতে তোমার প্রেম অথবা হৃদয়,
আমি রাতজাগা পাখি; ব্যাথার আঁখি; ভোরের আলোয় বিদায়।
৩০-০৯-১২,ঢাকা।
ভালোবাসা প্রজাপতি হয়ে পৌঁছায় মেঘদের কাছে
সকালে যখন পড়ে পড়ে ঘুমুচ্ছিলাম তখনই মনে হচ্ছিলো, কাজটা ঠিক হচ্ছে না।
বেলা একটা বাজলো। মোবাইলের আলার্মটা বাজতে শুরু করে দিলো। আমি হাতড়ে হাতড়ে বালিশের নিচে সেটার উপস্থিতি আবিস্কার করলাম এবং যন্ত্রটার একপাশের লক-আনলকের সুইচ টিপে আলার্মটা বন্ধ করে দিলাম। ওই সুইচটা রিংটোন মিউট করার কাজেও একইভাবে ব্যবহার করা যায়।
কয়েক মূহুর্ত পর একটা চোখ খুললাম এবং ঘরের দেয়ালে ঝুলতে থাকা ঘড়িখানার দিকে খোলা চোখটা সরু করে তাক করলাম। নিশ্চিত হলাম ঘড়ির ছোট কাঁটাটা কি আসলেই বেলা একটার ঘরে ঢুকেছে কিনা। যখন নিশ্চিত হলাম যে; হ্যাঁ একটা বেজেছে, তখন আর আলসেমী করবো না বলে সিদ্ধান্ত নিলাম। নিয়ে সিরিয়াসলি খোলা চোখটা বন্ধ করে ফেললাম। কি লাভ আলসেমী করে? তারচে' ঘুমাই।
ফেইসবুক স্টেটাসমালা ৩
১.
যে ঘুড়িটা উড়তে উড়তে দৃষ্টি সীমানার শেষপ্রান্তে থাকে,
তার নাম প্রত্যাশা...
দূরে গেলে সব রং পাল্টে যায়,
দূরবর্তী সব রেখারেই শুধু কালো মনে হয়।
অতএব, প্রত্যাশা নামের ঘুড়িটাও কালো বিন্দু হয়ে উড়ে,
সাদা কিম্বা কালো মেঘের বন্ধুত্ব খুঁজতে খুঁজতে ক্লান্ত ঘুড়ি -
গোত্তা খেয়ে পড়ে আছে অজানায়...
২.
বর্ষার উন্মেষ কালে প্রতারিত কালো মেঘ
সাদা মেঘের নিকটে মেলে দিয়েছিলো তার
উদোম শরীর; তারপর উদ্যানে কতোদিন গেলো...
শরতের কাশফুল দুলে দুলে দুলে তাহারে জানালো
অসহায় রঙধনু অপেক্ষায় রয়েছে নিজের গুহায়
নিমেষ দেখাবে তার ঝলসানো রূপের খোলস, তারপর...
আবার লুকাবে এমন কোথাও, যার ঠিকানা কখনো
জানে নাই মানুষেরা কিম্বা বিপন্ন মেঘেরা।
৩.
হিমযূগ এলে ঢুকে যাবো নিজের গুহায়; অপেক্ষায় আছি...
সরীসৃপ হৃদয়ের উত্তাপ কখনো বোঝাতে পারিনি তাহাদের,
যারা মেঘ আর মননের সংশয়ে রয়েছে - সাদাকালো কলিকালে।
৪.
কিছুদূর হাটলাম তোমার সাথে, তারপর হঠাৎ কী যে হোলো...
যাদুময়তার পৃথিবীতে বিড়বিড় করে কেউ মন্ত্র জপলো
"হোকাস, ফোকাস! অ্যাবরাকাড্যাবরা!"
অদৃশ্য আমাকে দেখার সুযোগ পেলে না তুমিও...
৫.
কবিতা: সচরাচর যেমন হয়
কবিতার শুরুটা এভাবে
যেমন ধরো,
সে অনেক সুন্দরী
তাকে আমি কখনই পাব না
সে বাসবেনা ভাল
আমার মত একজনকে।
তোমরা প্রশ্ন কর;
তাকে কী জানিয়েছো
তোমার মনের কথা ?
সে কী জানে
তুমি তাকে ভালবাস ?
আমি বলি
নাহ, জানাইনি তাকে
কিন্তু হয়তো সে জানে,
আর কীই বা বলবো গিয়ে
সব প্রশ্নের উত্তর তো
আমার জানা,
বলো
যে প্রশ্নের উত্তর জানা
সে প্রশ্ন করা কেন ?
এতো ক্ষতের উপর ক্ষত করা
এ যেন আগুনের উপর
জলের পরিবর্তে
পেট্রোর ঢালা,
তোমরা বলো
প্রেমের বেদনার কোন সীমা নাই
না আছে কম বেশি চেতনা…..
যতো ঢালো এ বেদনা বেদনাই…
তা তোমাকে সমভাবে আহত করবে,
আর বলেই দেখো
হয়তো হতেয় পারে দেবীর কৃপা;
আর যদি সে নাই ভালোবাসে!
তাহলে প্রিয়ার আঘাতেই হোক
বেদনার উত্তরণ।
আমি ভাবি,
যেমন বিষে মারে বিষ
হয়তো তেমনি
বেদনাই হানিবে আঘাত বেদনারে;
আর নাই যদি টুটে বেদনা
আলিঙ্গন করুক এ জীবন
মৃত্যুর অসীম সৌন্দর্যকে ।
30-06-12
জ্বলন্ত গোল্ড লীফই ভরসা
বৃষ্টি আজো মনের ভেতর সেই অনুভূতিই তৈরি করে যার জন্য আজ থেকে অনেক বছর আগে বৃষ্টির প্রেমে পড়েছিলাম। মেয়েটিকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসতাম। সে বাসতো তারচেয়েও বেশি কিছু দিয়ে। অথচ আমাদের দু'জনের দেখা হয় নি কোনোদিন। জানা হয় নি; কেন আমরা কখনো একে অপরের কাছাকাছি যেতে পারি নি।
আমার ভেতর শুকিয়ে যাওয়া স্মৃতিগুলোতে আজো প্রাণ প্রতিষ্ঠা করতে পারে বৃষ্টি। সেসব স্মৃতি আসলে তারই। আমি শুধু উপস্থিত ছিলাম, তাই সেগুলো নিজের অন্তরে ধারণ করেছি। প্রতি ফোঁটা বৃষ্টির জলে মিশে থাকা সেই দিনগুলো, যেগুলো আমি কখনো ভুলি নি এবং কখনো ভুলবো না; সেগুলোর মনে পড়ে যাওয়া জোর করেও ঠেকিয়ে রাখতে পারি না ইদানীং যখন ঝুম বৃষ্টিতে আটকা পড়ি। মাঝে মাঝে এমনকি, পারি না চোখের কোণায় সামুদ্রিক পানির জমাট বাঁধা ঠেকিয়ে দিতেও।
গাউসুল আজমের ছাদে গিয়ে পেঁয়াজ-মরিচ ভর্তা আর ধোঁয়া ওঠা পাবদা মাছের তরকারি দিয়ে ভাত খাওয়ার কথা মনে পড়ে। বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে রিকশার হুডের নিচে হুটোপুটি করতে করতে কলাভবন থেকে নীলক্ষেত পৌঁছে যাবার সেসব দিনগুলো কত দ্রুত হারিয়ে গেলো জীবন থেকে! কত দ্রুত মানুষের ছোট্ট জীবনের একেকটা দিন হারিয়ে যেতে পারে?
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - শেষ পর্ব
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - ১
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - ২
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - ৩
ঠিক তখনই দরজা ঠেলে রেস্টুরেন্টে ঢুকে কাঙ্খিত মেয়েটি। অনুসূয়াকে সুরেশের বিপরীতে বসে থাকতে দেখে এক মূহুর্ত থেমে যায়। তারপর হেঁটে নিজের নিত্যদিনের আসনে বসে। রেস্টুরেন্টটাতে এই সময় কখনো তেমন ভীড় হয় না। বাঁধা-ধরা কিছু লোকই এখানে নিয়মিত আসে। খুব কম দিনই সুরেশ বা মেয়েটা তাদের নির্দিষ্ট আসনটা হারিয়েছে। বেলা একটার পর কিছুটা ব্যস্ত হয়ে উঠে এই রেস্টুরেন্ট। তারপর আড়াইটার পর আবার ঝিমিয়ে পড়ে।
মেয়েটার দিকে অর্ডার নিতে এগিয়ে আসার আগেই সে উঠে ধীরে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে যায়। সুরেশের বুক থেকে দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে আসে।
- দেখেছো, কষ্ট পেয়ে বেরিয়ে গেছে।
ক্ষয়ে যাওয়া আছে
ক্ষয়ে যাওয়া আছে
ক্ষয়ে ক্ষয়ে যাওয়া ইটের বয়ঃজনিত লক্ষণ।
জানা গেল,
সেখানে আঘাত দিলে ভেঙ্গে পড়ে যতো অর্জণ তোমার
সৃষ্টি হয় সখের হাড়ির ভেতর সম্পন্ন ক্ষত।
মধ্যরাতে ভ্রমণসঙ্গী ভাবো
অর্ধাঙ্গী কিংবা পূর্ণ অঙ্গের কোন চাঁদ
আমরা ও মেঘের গতি সমান্তরাল ভ্যানে
হঠাৎ পৃষ্ট হলাম কয়েকটা ফুলে
জানা গেল,
নাগরিক সুরক্ষার মন্ত্র এখনও জানা নেই তোমার।
প্রথমে শব্দ এবং সামান্য শারীরীক চোখ
উভয়ের কর্মপ্রণালী আইলপথ ধরে ঢুকে গেল ত্রিভুজ গহ্বরে
সেখান থেকে বিচিত্র এক ছন্দ তালে আগমন ঘটে যার
সুর ও অসুরের মধ্যেখানে বাঁশরীর ইতিহাস।
জানা গেল,
একের আগেও আছে শুন্য তবে অকার খ কার?
ইট ও ইষ্টের গল্পকথা
জেনে গেছে দেখ গাভীন নহর
কাদামাটি ও পোড়ামাটি তারপর খোয়া ও খোয়াবের টুকরো
দেয়ালে আঘাত দিলে তলের ভেতর থেকে উঠে আসে ক্ষতের নগর।
আমি
কারো কারো নাম খুব দামী
কারো কারো নামের নিচে প’ড়ে থাকে বিধ্বস্ত উড়োজাহাজ।-
স্বর্গ পাতাল। চাতাল পেতে হাওয়া খাওয়া দুপুর। হাজার পৃষ্ঠার
ভেতর বহু নাম কেটে দেয়া খুনি হাত।
কারো কারো নামে আছে তাপ। শুনলেই ঘুম ভেঙ্গে ওঠে ভুমিকাবাতাস।
গুপ্তপর্দা ছিড়ে উঁকি দেয়,খোঁজে গুহামুখ।
ওতেই সুখ। বিনয়ের চাকা ঘোরে অবিরাম।
নামের ভেতর রয়েছে তৃপ্ত করার ক্ষমতা,আরাম আরাম।
কারো কারো নাম খুব দামী
তবুও চামড়া,নেলপলিশ,কালোজিরার গুণ অক্ষত।
তিলের ভেতর তাল বা তিলের ভেতর তিল।-
দেখ,বিখ্যাত বা ধানক্ষেতেরও আছে ডানা।না না
ঝাঁপটার ভেতর ফেলে দেয় আরামের সফর।
কারো কারো নাম খুব দামী!
আশ্বাস পেয়ে তাই হাজির হয়েছি বেনামে। এই আমি!