ইউজার লগইন
ব্লগ
কি ছিল তোমার মনে!
০১.
এক্সকিউজ মি! বইটা দেয়া যাবে ?
কেন ? ঠেকছি নাকি!
অনেকদিন খুঁজে পাইনি বইটা। বলতে পারবেন কোথায় পাওয়া যাবে ?
এইতো এখানেই আছে। আমার হাতে।
এটা তো বিক্রির জন্য নয়।
বই আমার। আপনি বলার কে-বিক্রি হবে কি হবে না ?
বিক্রি করবেন ? খুব ভাল হয় তাহলে।
সেটা নির্ভর করছে আপনি কত টাকা দিয়ে কিনতে চান তার উপর।
কত টাকা দিতে হবে?
বেশি না। মাত্র এক হাজার টাকা।
এত ছোট বইয়ের দাম এত!
এটা বইয়ের দাম নয়। আপনার প্রয়োজনের দাম।
দরকার নেই বাবা এত দাম দিয়ে বই কেনার।
তাহলে বইটা আপনার প্রয়োজন নয়। প্রয়োজন ছিল আমার সাথে কথা বলার অজুহাত তৈরি করা-ঠিক বলেছি কিনা বলেন!
২.
আমি চারশ মাইল দূর থেকে শুধু আপনার সাথেই দেখা করতে এসেছি। বলুন তো কেন ?
আপনার কথা শুনে আমার একটা গল্প মনে পড়ল। কিন্তু বলা যাবে না।
বলুন আমি কিছু মনে করব না।
একজন নারীর সাথে এমন গল্প বলা ভয়ানক স্ল্যাং হিসেবে ট্রিট হবে।
আমার সমস্যা নেই আপনি বলুন।
হাবাজাবা বাবা কাহিনী
ওয়েল... আমরা সবাই মোবাইলে বিভিন্ন বাবা জাতীয় প্রতারণার কাহিনী শুইনা আসতেছি বেশ কিছুদিন ধইরাই। ফার্স্টহ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স বইলা একটা কথা আছে। সেই এক্সপেরিয়েন্স আমার হইছে প্রায় ৪/৫ বছর আগে। তো সেইবার জ্বীনের বাদশারে গালাগালি কইরা ভুত ছাড়ায়া দিসিলাম। আরেক ফার্স্টহ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স হইলো আইজ রাইত আড়াইটায়।
ইউজুয়াল্লি অফিস দিনগুলাতে ঘুমাইতে যাই রাইত একটা দেড়টার দিকে। আইজ রাইতেও তাই গেছিলাম। বিজ্ঞানীরা কইয়া থাকে ঘুমাইতে যাইবার ঘন্টা খানিক পর থিকাই আস্তে আস্তে ঘুম গাঢ় হইয়া আসতে থাকে, রেম (REM) ফেম ইত্যাদি কাজকার ঘটে। যাই হউক, বিজ্ঞান কপচাইতে বসি নাই এক্সপেরিয়েন্স কইতে বসছি।
তো রাইত আড়াইটার দিকে হঠাত ফোন বাইজা ঘুমটা ভাঙ্গাইয়া দিলো। অচেনা নাম্বার। ভাব্লাম পরিচিত কোনো দোস্ত বন্ধু হয়তো জরুরী দরকারে ফোন্দিসে।
রিসিভ কইরা হেলু কইলাম, পয়লা কিছু বলে না।
আবার কইলাম, কে বলছেন কারে চাইতেছেন?
এই বার খ্যানখ্যানা গলায় কেউ একজন কইতেছে, তোর সাথে জ্বীনের বাদশা অমুক (খ্যানখ্যানা গলার লাইগা কি বাবা কইছিলো ভুইলা গেছি) বাবা কথা বলতেছি।
বিষণ্ণতার প্রহরে.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
দিন যায়,
অভিমানী দিন।
বুকে জমা
গুমরে মরা
চাপা কষ্ট গুলো,
ভুলে থাকার অভিমানে।
ভোর গুলো আজো,
ঝলমলে হতে না হতেই ফুরিয়ে যায়।
বিষণ্ণ দুপুর গুলো -
বাইরে রৌদ্রোজ্জ্বল আকাশ,
একলা ঘরে সুরের সন্ধান।
বিকেল হলেই -
ধরা বাঁধা জীবনের
বাঁধা ধরা
মুক্ত রাস্তায়
হেঁটে যাওয়া,
পড়ন্ত বেলায় সূর্যাস্তের হাতছানি।
ক্রমে ক্রমে ভরে উঠে,
ডায়রির অভিমানী পাতা যত।
আকাবাকা লেখাগুলোর সাথে ঝাপসা হয়ে আসে,
স্মৃতির দেয়াল - ভুলে যাওয়া ক্ষত।
শুধু পড়ে থাকে,
আরও একটা দিনের অপেক্ষা।।
আমার প্রিয় সেই পাইলট স্কুল ।
আমার হাই স্কুল জীবন কেটেছে সিলেট সরকারি পাইলট হাই স্কুল নামে একটি বিদ্যালয়ে ।আমার স্কুল জীবনে অনেক ঘটনা রয়েছে ।তার কয়েকটি ঘটনা আজ ব্লগ এ তুলে ধরছি ।
১।অঙ্কে ডাবল জিরোঃতখন আমি ক্লাস সিক্স এ পরতাম মানে একেবারে প্রাইমারি পাস করে নতুন হাই স্কুলে ।সিক্স এর অঙ্ক তখন একেবারে বুঝতাম না ।কিভাবেই বা বুঝব কারণ তখন আমার কোন টিচার ছিলনা ।যাই হোক যখন ফার্স্ট টার্ম পরীক্ষা হয়েছিল এর পরিশ্রুতিতে আমি অঙ্কে ডাবল জিরো পেয়েছিলাম ।কিন্তু খাতা আমি বাসাতে দেখাইনি ।আবশ্য এর থেকে পরে পার পেতে পারি নাই ।কারণ আমাদের ক্লাস টিচার নুরুল ইসলাম স্যার আমার বাবাকে ফোন দিয়ে এ কথা জানান ।এমনি স্যার বাসায় এসে পর্যন্ত এই কথা বলে যান । তখন বাসাতে পিটুনি না খেলেও অবস্থা যা হয়েছিল তা আর বলার মত নয় ।
২। টিফিন টাইমে ঘুরাফেরাঃ ক্লাস সিক্সে থাকতে আম্মু আমাকে আনা নেয়া করতেন । আমাকে সময় বলে যেতেন স্কুল থেকে যেন না বের হই । কিন্তু আমি আম্মু চলে যাবার পরই টিফিন টাইমে রাস্তা ঘাটে , নদীর পারে ঘুরতে বের হয়ে যেতাম । একদিন ধরা খাওয়ার পর বাসাতে নিয়ে গিয়ে ধোলাই দিয়েছিলেন।
কণ্ঠ রোধ করা অন্যায়, হোক না সে শয়তানেরই কণ্ঠ
দি পিপল ভার্সেস ল্যারি ফ্লিণ্ট সিনেমার জন্যে শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে গোল্ডেন গ্লোব পুরস্কার নেওয়ার সময় মিলো ফোরম্যান বলছিলেন, 'আমি কখনো হাসলার ম্যাগাজিন কিনি নাই, জীবনেও কিনবো না। যারা বলে হাসলার ম্যাগাজিনকে কুরুচিপূর্ণ বলেন, আমি তাদের সাথে সম্পূর্ণ একমত।'
জোৎস্না জড়ানো শিহরণ - ২
৪
প্রকৃতিও এখন পাল্টাতে শুরু করেছে উত্তর আমেরিকায়। সুরেশ এই শহরে থেকে এই অক্টোবরেও বর্ষা-বৃষ্টির স্বাদ পাচ্ছে। দেশে তো পেয়েছেই। দেশ থেকে ফেরার পর মাসখানেকের উপর হয়ে গেছে। ঠান্ডা বাড়ার বদলে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও হালকা-পাতলা বৃষ্টিরই দেখা পাচ্ছে। সময়-অসময় বলে এখন কিছু নেই। আকাশের গোমড়ামুখো হওয়া আর প্রেমিকার যখন-তখন মুখ কালো করা সমানুপাতিকভাবেই চলছে। তাই বলে সুরেশ যে বাস্তবিকই কোন প্রেমিকার সাহচর্যে আছে, তা ভেবে বসবেন না। সুরেশের মনের আকাশেও প্রেমিকার আনাগোনা চলছে। সুরেশের কল্পনায় তা শ্রাবণের মেঘের মতই। চাতক পাখির মত বৃষ্টির জন্য সে হাহাকার করছে।
কিছু ভুল রঙের ফুল ফুটে আছে রাজপথে, কিছু মিথ্যে কথার রঙ আমাদের হৃদয়ে ...
শরৎকে বলা চলে শুভ্রতার আরেক রুপ! নদীর তীর ধরে সাদা কাশের অপরুপ রাশি সারিসারি, আকাশে কাশফুলের মতোন গুচ্ছ গুচ্ছ সাদা মেঘের ভেলা, এই বৃষ্টি ঝরছে অঝোরধারায় আবার ঝলমল করে হেসে উঠছে চারিদিক, মেঘ-বৃষ্টি-রোদের এই আলোছায়ার খেলার মাঝেই হঠাৎ হঠাৎই দেখা দেয় দিগন্ত জোড়া সাতরঙ্গা রংধনু, দোলনচাপাঁর মন আবেশ করা সুবাস, শিউলীর মৌ মৌ করা গন্ধের সাথে তার সিদুঁরলাল-সাদা পবিত্র রুপরাজি, মাতাল করা স্নিগ্ধ জ্যোৎস্না – সব মিলিয়েই এই তো শরৎ।
মুস্তফা মনোয়ার বলেছিলেন,
“শরৎ হচ্ছে চমৎকার মেঘের ঋতু, স্পষ্টতার ঋতু। কেননা শরতের আকাশ থাকে ঝকঝকে পরিষ্কার। নীল আকাশের মাঝে টুকরো টুকরো সাদা মেঘ যেন ভেসে বেড়ায়। গ্রামের বধূ যেমন মাটি লেপন করে নিজ গৃহকে নিপুণ করে তোলে, তেমনি শরৎকাল প্রকৃতিকে সুন্দর করে সাজিয়ে দেয়”।
অন্ধকারের আলো
মেয়েটি দরজা খুলতেই ভূত দেখার মত চমকে উঠলাম ! এ কাকে দেখছি আমি ! আমার মুখের দিকে চোখ পড়তেই যেন নিজেকে লুকাতে রুমের ভিতরের দিকে দৌড়ে পালালো ও। আমিও কিছুটা ইতস্থত বোধ করছিলাম, রুমের ভিতরে ঢুকবো কি ঢুকবো না ভেবে কিছুক্ষণ দরজায় দাঁড়িয়ে থাকার পর অবশেষে ভিতরে প্রবেশ করলাম। ও তখনও আমার দিকে পিছন ফিরে নিজেকে লুকাতে ব্যস্ত।
আমারও তখন একই অবস্থা। আমরা কেউই ভাবিনি এই পরিবেশে এভাবে আমাদের দেখা হবে ! অনেকক্ষণ পর আমিই মুখ খুললাম। কেমন আছ পরী! পরী আড়ষ্ট ভঙ্গিতে আমার দিকে ঘুরে নীচে তাকিয়ে ছিল, লজ্জা ও সংকোচে আমার দিকে তাকাতে পারছিল না। আমি দেখতে পেলাম ওর চোখ দুটো ভেজা ! অনেকক্ষণ পর ও বলল- আমি তো ভাই কচুরিপানা, স্রোতের তোড়ে এখানে ভেসে এসেছি, আপনাকে এখানে দেখব ভাবি নাই !
পেচ্ছাপেছি: ইহা কীভাবে খায়?
১. দুনিয়াতে দেখার মতো অনেক মজার জিনিস আছে- সমস্যা হইলো কোনটা মজার আর কোনটা অ-মজার সেইটা পার্থক্য করার ক্ষমতাটা সবার থাকে না। যানজটের কারণে আজকে যদি মধ্যবাড্ডা এলাকাটা বন্ধ করে দেয় সরকার বা সিটি করপোরেশন, তাহলে হয়তো অধিকাংশ মানুষ বিরক্ত হবে, কিন্তু আমার মজা পাওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। কারণ আমাকে প্রতিদিন ঘণ্টাখানিক যানজট ঠেলে ওই এলাকাটা পার হতে হয়; দিন দিন বিরক্ত হতে হতে এখন এমন একটা স্যাচুরেশন পয়েন্টে পৌঁছে গেছি যে, মজা পাওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। এই লেখায় যদি আপনারা কমেন্ট করেন, তাহলেও যেমন মজা পাবো, কোনো কমেন্ট না করলেও কিন্তু একইভাবে মজা পাবো! সুতরাং আপনি কমেন্ট করবেন কি করবেন না, সেইটা আপনার ভাবনা! আমার মজা পাওয়া থেকে আমাকে আপনি কোনোভাবেই বিরত রাখতে পারবেন না।
মেরেছ কলসির কানা... তাই বলে কি প্রেম দিব না?
মেরেছি কলসির কানা... তাই বলে কি প্রেম দিব না?
এটা কোন কথা হইলো? কেউ ভুল কইরা কলসির কানা ছুইড়া মারতেই পারে... এই মারন না মারনটা তার বুঝের উপর নির্ভর করে। বুঝলে কি এম্নে কইরা আস্ত কলসি ছুইড়া মার্তো? তো? আম্রাও কি তাইলে অবুঝের মত আচরণ করবো? তাইলে আমার বিচক্ষনতা কৈ রইলো?
শুধু চোখ দু'টো জেগে থাকে
১.
প্রিয় হুমায়ূন আহমেদকে ভালোবাসি। তার মায়াবী সান্নিধ্যে জীবনের সেই গুরুত্বপূর্ণ সময়টি কেটেছে, যেটি কাটাতে আমি পাড়ি দিয়ে এসেছিলাম ৪.৫৪ বিলিয়ন বছরের পথ।
অনেক ছোট্টবেলার কথা। আম্মু একবার জন্মদিনে আমাকে গল্পের বই কিনে দেয়ার জন্য নিয়ে গেলেন লাকী প্লাজার দোতলায়। একটা বিখ্যাত বইয়ের দোকানে। দোকানের নামটা মনে পড়ছে না, কিন্তু খুবই পরিচিত একটা দোকান ওটা। সেখানে গিয়ে আম্মু আমাকে ভূত ভূতং ভূতৌ নামের একটা 'মাঝারি' গল্পের বই কিনে দিলেন। আম্মুই আমাকে ছোটবেলায় গল্পের বই কিনে দিতেন।
ঝরাপাতা কথকতা # ১ # আনমনে..
একেকটা দিন আসে খুব ভাল যায়, কিন্তু তার মাঝেই ছোট্ট কোন কাঁটা বড় বেশি হয়ে বুকে লাগে।
একেকটা রাত বড্ড বেশি নীরব, অন্ধকার মনে হয়। কোন কারন ছাড়া কিংবা তুচ্ছ কোন কারনে খুব কান্না লাগে।
মাঝে মাঝে মনে হয় নিজেকে খুব ভাল চিনি আবার হঠাৎ হঠাৎ খুব অচেনা মনে হয়।
এই হয়তো মাথায় আসে লাইফে চলার পথের রাস্তাটা একটু মেরামত করবো,
পরক্ষনেই অন্য কিছুতে মেতে উঠি।
নিজে অন্যদের ভুল বুঝতে পারি কিন্তু অন্য কেউ আমাকে ভুল বুঝলে সেটা একদমই নিতে পারিনা।
কারও কারও দিকে রাগ উঠলে খুব খারাপ লাগে আবার কখনো খুব অসহায় লাগে নিজেকে।
ভাবি, আমার জন্য যেন কেউ কষ্ট না পায়।
তাও, কষ্ট দিয়ে ফেলি। জেনে, না জেনে।
ভাবি, কারও দিকেই রাগ করবো না। দুঃখ পেলেও ভুলে যাব।
মন সেটা মানলে তো!
জীবনটা যেভাবেই কেটে যাক না কেন,
ভাবি - মনের ভেতর টা আকাশের মত করে রাখবো।
তাও হয়ে উঠে না।
তবুও,
ভেবে যাই -
আনমনে..।
সেই সুরে কাছে দূরে জলে স্থলে বাজায় বাঁশি
আমার আগের পোস্টের সবগুলো কমেন্টের উত্তরই আমি দেবো। তবে সেজন্য আমার একটু সময় লাগবে। কারণ কমেন্টগুলোর প্রত্যেকটি আমার হৃদয়কে আলাদা আলাদা ভাবে স্পর্শ করেছে। তাই ওগুলোর প্রতি পূর্ণ সুবিচার করাটা আমার নিজের জন্যই জরুরি ভীষণ!
আসলে 'লেখালেখি'-কে আমি যেভাবে দেখি সেটা আমার ধারণা, এই ২০১২'র প্রেক্ষাপটে বেশ খানিকটা বেমানান। আমি মনে করি, বাংলা সাহিত্যের ভেতরেই কথাবার্তা সীমিত রাখি, রবীঠাকুর বা মানিক বন্দোপাধ্যায়; মানিকটা বেশি হেল্পফুল হবে মনে হয় এখানে- যা কিছু লিখে গেছেন; সেগুলোই কেবল প্রকৃত 'লেখা'। অবশ্য এ দু'জনই শুধু নয়। তাদের মতো আরো অনেকের নাম লিখে বড় করা যায় এই তালিকা। যেমন জীবনানন্দ দাশের কথাই ধরা যাক। এই কয়েকটি লাইন একটু দেখুন-
চোখদুটো ঘুমে ভরে
ঝরা ফসলের গান বুকে নিয়ে আজ ফিরে যাই ঘরে!
ফুরায়ে গিয়েছে যা ছিল গোপন- স্বপন কদিন রয়!
এসেছে গোধূলি গোলাপীবরণ-এ তবু গোধূলি নয়!
সারাটি রাত্রি তারাটির সাথে তারাটিরই কথা হয়,
আমাদের মুখ সারাটি রাত্রি মাটির বুকের পরে!
কি অসাধারণ! কি ভীষণ অসাধারণ!!
সবাই কে সালাম ।
সবাইকে আগে সালাম জানাচ্ছি ।
আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালই আছেন ।
আমার বন্ধু ব্লগ অনেক পোস্ট আগে পরেছি, ঘুরেছি কিন্তু এটি আমার বন্ধু ব্লগে প্রথম পোস্ট । এর আগেও অন্য ব্লগে লিখেছি এখনও লিখছি । এই ব্লগে এই প্রথম এলাম । আশা করি এখানেও ভাল মত লিখতে পারব । সবাই ভাল থাকবেন ।
সহজসাধ্য নৈতিকতা
আমাদের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় ধর্ম সকল নৈতিকতার গ্রহনযোগ্য উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ইশ্বরের সন্তুষ্টি- অসন্তুষ্টি ভালো এবং মন্দ আচরণের প্রভেদাত্মক সীমারেখা, যে সীমারেখার একপাশে সকল আচরণ যা ইশ্বরকে সন্তুষ্ট করে এবং অন্য পাশে সকল আচরণ যা ইশ্বরকে অসন্তুষ্ট করে। মাণদন্ড নির্ধারণের এই প্রথায় অনেক ধরনের সীমাবদ্ধতা থাকলেও এটাই মোটামুটি শিক্ষাব্যবস্থা আচরিত নৈতিকতাশিক্ষাসহায়।
