ইউজার লগইন
ব্লগ
পুলিশদের শাস্তি 'ক্লোজ' বা 'সাময়িক বরখাস্ত' বিষয়টা আসলে কী ?
আমাদের দেশের পুলিশেরা দুটো কাজ খুব ভালো করতে পারে। একটা হচ্ছে: বিনা উস্কানীতেও বিরোধী দলের কর্মীদের/ নেতাদের উপর বেধড়ক লাঠিপেটা। আর অন্যটি হচ্ছে: সাংবাদিকদের পেটানো। অতীতে আমরা অবাক হয়ে দেখেছি- একজন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমকে কী নির্দয় ভাবে পুলিশ পিটিয়েছে। পুশিদের মার থেকে রেহাই পাননি- সাংসদ এবং নাট্যব্যক্তিত্ব আসাদুজ্জামান নুর। পুলিশ পিটাতে পিটাতে মতিয়া চৌধুরীর মত নেতাকে রাস্তায় শুইয়ে ফেলেছে। তখন বিএনপি সরকার ক্ষমতায়। তখনকার পুলিশ ছিলো পিএনপি পুলিশ।
প্রেমিকের ডানায় নাচে প্রজাপতি মন
গুচ্ছ গাড়ির বনেদি সুতোয় ঝুলে থাকে প্রেম। রঙ বদলের স্বপ্নমঞ্চে কাঁদে এক টুকরো নাকছাবি। কেউ কেউ বাতাসে ভাসে শিমুলের ওড়াওড়ি মেখে নিয়ে চোখে। পলিথিন মুড়িয়ে সুখ শুয়ে থাকে শাহবাগের মোড়ে।
তারুণ্য ছড়ানো বাদামের খোসা, দুটাকায় কেনা হলুদ গোলাপ, কিংবা মধ্য রাতের ডিম পরোটার ঝিলিক হাসিতে ফোটে এক পেয়ালা রোদ। এখানে জারুলের পাপড়ি খেয়ে গেছে নীল পাজামা, বাঁকা ভ্রু ডানা, সিনেমা ফেরত প্রেমিক যুগল এবং একটি নিরেট পদ্য।
আমাদের বয়সে পাখিগুলো ডানা হয়ে খেয়ে যেত আকাশ। তোমার ভীরু ভীরু চোখ এসব দেখার আগেই পালিয়ে যায় কাল। তার কোলে নেচে বেড়ায় অবহেলার অন্তর্দহন আর এক দুপুর বিলেতি ঘোমটা। ঘোমটার নীচে লুকিয়ে থাকা নাকে খেলা করে রঙিন স্বপ্নের মুহুর্তভেদী অন্তরীক্ষ। সেখানে গাঙচীলের ডানায় ভাসে ইউক্যালিপটাসের জলোচ্ছ্বাস, ব্যঙের গাড়ি এবং অবশ্যই আমাদের না দেখা স্বপ্নের অন্তর্বয়ন।
একটি বাসের টিকেট , গন্তব্য অনিশ্চিত ... অতঃপর ....
বছর দশেক পর দেশে গেলে যা হয় আর কি ... সবচেয়ে প্রথম নিজের বাড়ী যাওয়ার রাস্তা এলোমেলো হয়ে যায় ... সর্বনাস , আগে তো ডান দিক দিয়ে বাসায় যেতাম এখন বাম দিক দিয়ে যাওয়া লাগছে ... মনের ভুলে নিজের বাড়ীর সামনে দিয়ে হেটে চলে গেলে পরে জানালা দিয়ে আম্মু ডেকে বলে -- নিজের বাড়ী ছেড়ে পাশের বাড়ী যাও ক্যান ? ঐ বাড়ী কোনো সুন্দর মেয়ে নাই তো ... এরপর ঘরের লোকজন দের দেখে টাশকী খাওয়া লাগে ... ওরে সর্বনাস যাদের দেখতাম হামাগুড়ি দিচ্ছে তাদের সবকটার দাড়ি গোফ গজিয়েছে , যারা ঐ সময় টি শার্টের কোনা ধরে ঝুলে থাকতো অন্তু ভাইয়া চকলেট না দিলে ছাড়বো না তাদের দেখি জামাই এর শার্টের কলার ধরে হুমকী দিচ্ছে বসুন্ধরায় তুমি ঐ মেয়ের দিকে এমন ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে ছিলে ক্যান ? বিয়ে করেছ বৌ আছে , সারা দিন আমার কথা শুনো তাও এখনো লজ্জা হয়নি ?আর কবে শুধরাবা ? ... এরপর শুরু হয় খাওয়ার পালা ...... সে কথা না হয় অন্য কোনো দিন বলবো ...
“তবু আমারে দেব না ভুলিতে ...” কাজী নজরুল ইসলামের ১১৩ তম জন্মবার্ষিকী
মৃত্যু নিয়ে ৫ সিনেমা

মেক্সিকান পরিচালক, জীবনে মাত্র চারটি ছবি করেছেন। আর এই চার ছবি দিয়েই নিজের জাত চিনিয়েছেন তিনি। বলা যায়, নতুন একটি ধারা তৈরি করেছেন। তিনি আলেজান্দ্রো গনজালেস ইনারিতু। চার ছবির তিনটি আবার একই ধারার। বিষয়বস্তু মৃত্যু। ডেথ ট্রিলোজি। সিনেমায় গল্প বলার রীতি একটু আলাদা। একসঙ্গে কয়েকটি ঘটনা এগিয়ে যায়, শেষটি হয় একবিন্দুতে। এর নাম হচ্ছে হাইপার লিঙ্ক সিনেমা। মজার ব্যাপার হলো, হাইপার লিঙ্ক সিনেমার ধারণাটা শুরু করেছিলেন সত্যজিৎ রায়, কাঞ্চনজঙ্ঘা সিনেমা দিয়ে। ইনারিতু প্রথম মেক্সিকান পরিচালক, যিনি প্রথমবার একাডেমির জন্য মনোনয়ন পেয়েছিলেন। আর সেই ছবি হলো, অ্যামোরেস পেররোস, মেক্সিকোর ছবি, ভাষা স্প্যানিস। ডেথ ট্রিলজির প্রথম ছবি। এর পরের ছবিটি তিনি হলিউডে গিয়ে করেন, ২১ গ্রামস। আর ট্রিলজির শেষ ছবি বাবেল। ইনারিতুর শেষ ছবি বিউটিফুল, ট্রিলজির বাইরে।
অ্যামোরেস পেররোস
দোযখের ড্যামো ভার্সন থেকে বলছি!
অধ্যাপক মোজাফফর সাহেব মারা গেলো। জ্ব্লজ্বল করে থাকা ব্যানারটা যখনি দেখি তখনি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলি আহারে কি শোকের ঘটনা! মোজাফফর সাহেবকে আমি চিনি টকশো মিডিয়ার মানুষ হিসেবেই। রাতের টকশো, টি আইবি থেকে শুরু করে সুজন সেখান থেকে বাপা তারপর মইন ইউ এর অমর বই এর মোড়ক উন্মোচন এইসবই খালি চোখে ভাসে। কোনো ধরনের বিশ্লেষন বা মতামত জানাবো না। সেরকম জ্ঞান বুদ্ধি আমার নাই। খালি একটা একান্ত ব্যাক্তিগত স্মৃতির গল্প বলি। বন্ধু এহতেশাম আর আমি গেছিলাম এক বিয়েতে। বিয়েটা কোনো সচিবের ছেলের বিয়ে সম্ভবত। এহতেশামের কি রকম জানি আত্মীয়। আমি বিয়ে নিয়ে টেনশিত না আমার ধান্দা ভালো জামা কাপড় পড়ে আসছি যখন ভালো মন্দ খাবো । বসলাম আগে ভাগেই আমি খাই নিজের খাবারের দিকে চোখ দিয়ে। অন্যের মুখের দিকে চাইলে খেতে ইতস্তত লাগে। তবুও মাংস নিতে যেয়ে একজনের দিকে চোখ গেলো। আমি এহতেশামরে বললাম ভাই ভদ্রলোকরে চেনা চেনা লাগে কেন? এহতেশাম অবাক হয়ে বললো মোজাফফর স্যারকে আপনি চিনেন না?
......... চাঁদ উঠেছে ঐ
রেল ভবনের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ঐ
বু গো আমার কোলের কাছে টাকার বস্তা কই
রেল লাইনের পাড়ে কালো বিড়ালে
চিক চিক করে বাত্তি জ্বলে
টাকার চিন্তায় ঘুম আসেনা, একলা জেগে রই
বু গো আমার দপ্তর ওয়ালা মন্ত্রীত্ব গেল কই
কাদের আসার পর হতে বুবু কেন আর না ডাকো
আমার কথায় আঁচল দিয়ে মুখটি কেন ঢাকো?
সাম্বদিকের সামনে যখন
দিদি বলে ডাকি তখন
গণভবন হতে কেন দিদি ডাকে নাকো
আমি ডাকি দিদি তুমি কেন চুপটি করে থাকো?
বলো বুবু, টাকার বস্তা কোথায় গেছে , আসবে আবার কবে?
দুদক আমায় কেন সার্টিফিকেট দিলো তবে ?
ইলিয়াছের মত কোথাও গিয়ে
আমিও যদি লুকাই গিয়ে
তুমি তখন কেমন করে হরতাল তবে দিবে ?
আমিও নাই , ইলিয়াছও নাই , কেমন মজা হবে !!!
আবোল তাবোল - ১১
মন ভাল নেই, মন ভাল হয় না।
আমি নিজেই কবে কোথায় যেন বলেছিলাম, এই মুহূর্তে ঠিক এমনটাই মনে হচ্ছে।
রাতের শেষে দিন আসে এটাই স্বাভাবিক,
কিন্তু খুব ভাল কোন দিনের শেষে যখন রাতটা একটু বেশি অন্ধকার হয়ে নেমে আসে তখন খুব খারাপ লাগে।
মনে হয়, এ আঁধার কিছুতেই ফিকে হয়ে আসার নয়। খুব অসহায় লাগে।
আমি খুব দুষ্টু প্রকৃতির একটা ছেলে। ছোটবেলা থেকেই অভ্রাস, আশেপাশের মানুষজন কে না জ্বালালে আমার সময়ই কাটেনা!
স্কুল আর কলেজ বেলায় সমস্যা হয়নি কোন,
নানাবাসায় জ্বালানোর জন্য মানুষের অভাব ছিল না কখনো।
প্রাণের শহর ব্রাক্ষণবাড়িয়া ছেড়ে ঢাকা আসলাম আট এর শুরুতে।এতদিন কোনই সমস্যা হয়নি।
আব্বু আম্মু আর ভাইয়া তো আছেই, সাথে আরো থাকেন ছোটমামা আর নানু।
আর যেখানে আছি সেই একই বিল্ডিং এর আমাদের নিচের তালায় থাকে মেঝ খালারা। বড় দুই ভাই চাকরী করে। তার ছোট জন দুষ্টামিতে আমার নমস্য, সারাদিন ওর সাথেই চলি বলা চলে। আর একটা ছোট বোন, তা সেও আমার যন্ত্রনার হাত থেকে রেহাই পায় না কখনো। ছোটবোন তো কি হইছে, আমাদের কাজিনদের মাঝে তো সবার বড় বোণ; সবার আপুমনি।
বন্ধু চালতাগাছ ও অন্যদের নিয়ে একটি গল্প
গরমের সময়টা বড় নির্দয় একটা সময়। কোনো কিছু ভালো না লাগার, কোনো কিছুকে ভালো না বাসার এবং কোনো কিছুতে উচ্ছ্বসিত না হওয়ার একটা সময়। ভালো লাগলেও সীমিত আকারে ভালো লাগে। ভালোবাসলেও পরিমিতহারে ভালবাসি। উচ্ছ্বাসটাও বন্দি হয়ে থাকে কোনো এক অদৃশ্য লিমিটের মধ্যে, যেটাকে আমরা কখনোই দেখতে পাই না। অথচ না দেখা এই লিমিট যেন কখনো ক্রস্ না হয়ে যায়, তা নিয়ে জীবনভর উদ্বিগ্ন থাকি।
প্রত্নবৎ পাললিক
হাতের কাছে রাখা কি-বোর্ড, একটু চেপে দিলেই হাজির হবে রাজনীতির ইঁদুর দৌড়। অস্ত্র উদ্ধার, কিশোরি ধর্ষণ, বা বাস চাপায় নিহত হয়েছে খানকতক মর্মান্তিক মানুষ। আরেকটু এগিয়ে আত্মঘাতী হামলায় নাকি আফগানিস্তান, পাকিস্তানে প্রতিদিন উড়ে যায় সভ্যতা বেল্লিকটার মাথা। অবশেষে বাকি থাকে কূটনৈতিক চাল, অস্ত্র বিরতি প্রস্তাব, আর ষড়যন্ত্রের শীত-বসন্ত আনাগোনা। জলের গ্লাসে অতঃপর ক্লান্তির চুমুক আর ঠোঁটে জ্বলে অশান্তির সিগারেট। মিইয়ে আসা চোখে তখন ভাবে সে অন্য কথা। একদিন রাত গভীর হলে, সে সব ছেড়েছুড়ে নেমে যাবে রাস্তায়। অনাদি কালের আশ্রয়ে সে হাঁটবে ছায়ার কোল ঘেঁষে ঘেঁষে। অথচ কোথায় কি, প্রতি রাতে ঘড়ির কাটা বলে উঠলে কথা ফিরে চলে সে পুরোন ঠিকানায়। মাথার ভেতর মৃত্যু আর মধ্য আফ্রিকার অনাহারি মানুষের জ্বলজ্বলে উজ্বল চোখ। আজ নাহয় ক্ষান্ত দাও জীবন, আধুনীক সভ্যতায় জেগে থাকা এই অসভ্য হারামজাদা ঘুমাক এবার…
{(c)MNI, 23/05/12}
দোয়া করবে আমার বিয়ে হয়েছে
জীবনে মানুষের কত কিছু ঘটে । ভাবতে অবাক লাগে। আমি এখন আর একা নেই। শুনুন প্রিয় বন্ধুরা গত ৯ এপ্রিল আমি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ য়ে ছি। হিহিহি। আমি সত্যি নিয়মিত লিখব। বড় আফসোস হয়। কেন যে প্রাণী জগতের বিয়ে হয়না। খুব ভালো হতো জানেন। গাছপালা, নদীনালা ইত্যাদি ইত্যাদি। ভালো থাকবেন।
নায়কালোচনাঃ The Last King of Scotland
সিনেমা দেখা শেষ হবার পর নায়কের উপর বিরক্তি এসেছে তেমন ঘটনা খুবই বিরল। সেরকম একটা বিরল ব্যাপার ঘটেছে সেদিন।
সবাই জানেন ইদি আমিনের মতো বিখ্যাত খবিস রাষ্ট্রপ্রধান দ্বিতীয়টি নেই। তাকে নিয়ে একটা উপন্যাস লিখছিল সাংবাদিক Giles Foden। তার উপর ভিত্তি করে ২০০৬ সালে The Last King of Scotland নামের একটা সিনেমা নামিয়ে ফেলেছিল Kevin Macdonald. হাতের কাছে ভালো সিনেমা পেলে না দেখে ঘুম আসে না। বহু পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবি দ্য লাষ্ট কিং অব স্কটল্যান্ড না দেখেও ঘুমাতে পারছিলাম না। কিন্তু দেখেও মেজাজ খারাপ হয়ে ঘুমের বিঘ্ন ঘটালো চরিত্রহীন নায়কটা। আগে কাহিনীটা শুনুন।
তব রাহা বিস্মৃত নই তো...

অবশেষে আবরণের খোলস থেকে মুক্ত হলো সময়; এইতো বেশ গড়িয়ে চলছে সবেগে আর উড়ন্ত দাঁড় কাকটা এতদিন পর গোচরীভূত হল বলে আক্ষেপ থেকে যায় বুকের কোথায় যেন, জানার আগ্রহ বোধ করি না; সময় শুধু বয়ে চলে আজ, সহসাই আর কতই না সহজেই।
উপরন্তু আবরণের আড়ালের আমারও একটা যাদুকরী আছে, যদিও আমায় মুগ্ধ করতে ব্যর্থ সে, কিন্তু কখনই বুঝতে দেই না তাকে, “আমি আসলে মুগ্ধতা বিবর্জিত কেও!” রাজ্য জুড়ে মুগ্ধতা বিলিয়ে আমার লাল পরী হেটে যায় আর উদাস যুবকেরা যদিও তাকে দেখে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে; কিন্তু আমার বুকে ব্যথা হয় না কখনোই।
একটি সুদীর্ঘ প্রায় বাস্তব-আর-কল্পনার-দুরত্বের-সমান দিনলিপি
মাঝে মাঝে এমন হয়। সকাল-বিকাল-সন্ধ্যা শুধু লিখতে ইচ্ছা করে। অবশ্য বন্ধু-বান্ধবদের এতে ঘাবড়ানোর কোনো কারণ নেই। কেননা আমার ধারণা, আমি পৃথিবীর সবচে' আকর্ষণীয় বিষয়টির ওপরেও খুব বেশি হলে দিন দু'য়েক আকর্ষণ ধরে রাখতে পারবো। তারপরে সেটা আমার আর ভালো লাগবে না। তাই এই লিখার ইচ্ছার যন্ত্রণা থেকে হয়তো গোটা দু'য়েক অপ্রয়োজনীয় পোস্ট পয়দা হবে। তারপরে আবারো নিজের আঠালো, অন্ধকার জীবনটাতে ফিরে যাবো বলে আশা রাখি।
এই লেখার কোনো বিষয়বস্তু নেই। সারাদিন কি করে কাটালাম লিখতে ইচ্ছে হচ্ছে। ঘুম থেকে উঠেছিলাম পৌনে একটায়। ঘুমুতে গিয়েছিলাম সকাল সাতটায়। সারারাতে কোনো মুভি দেখি নি। গল্পের বই পড়ি নি বা কোনো কাজ করি নি। অকারণ জেগে ছিলাম। জানি না কেন। শরীরে আমেরিকান সৈন্যদের মতো অনুভূতি কাজ করছিলো। মনে হচ্ছিলো দিনের পর দিন না ঘুমিয়ে আমি পাহারা দিতে পারি আমার ভূগর্ভস্থ বাঙ্কার। যেখানে একটি সামাজিক গেকো আমায় আশ্রয় দিয়েছে পরম বন্ধুর মতো করে।
শেকড়ের টানাটানি
আবারো মোবাইলে পোষ্ট লেখার সাহস করলাম। এই সাহসের জন্য বেশি কিছু করতে হয় নাই খালি অসীম ধৈর্যের সাথে ঘন্টা দেড়েক মোবাইলের কিপ্যাড টিপতে হয়। তাতে ঘাড় ব্যাথা হয় কয়েল জ্বালানোর পরও কিছু মশার কামড় খেতে হয় এই যা। ১১ দিন ধরে জামালপুরেই আছি। কাল সকালে ব্রহ্মপুত্র নামে এক আন্ত: নগর ট্রেন আছে তাতেই প্রথম শ্রেনীতে করে ঢাকা শহরের উদ্দেশে রওনা দিবো। জামালপুরে সেভেনটি পারসেন্ট রেলের টিকেট ব্ল্যাকে চলে যায়। আর যে বাকী থার্টি পারসেন্ট থাকে তা পেতে ফজরে লাইনে দাড়িয়ে থেকে সকাল নয়টায় থেকে শুরু হবে টিকেট কেনা। আমার আব্বু অনেক ভালো দ্বায়িত্বশীল লোক তিনি ফজরে উঠে চলে যান আর দশটার সময় এসে এভারেষ্ট জয়ের আনন্দ নিয়ে বলেন এই নে তোর টিকেট। আমি আব্বুর এই কর্তব্যনিষ্টা ও পরিশ্রমের ৫ ভাগও পাইতাম তাহলে অনেক কিছু করে ফেলতাম। এখন আসি জামালপুরে থেকে আমি কি করি?
