ইউজার লগইন
ব্লগ
ক্ষ্যাপ ০২
উন্নত মানের শিক্ষা প্রদানের পারিবারিক চাপের কারণে ঢাকায় চলে না আসলে হয়তো দিনাজপুরের অলিতে গলিতে ক্রিকেট ফুটবল খেলে কোনোমতে জীবনটা আনন্দে কেটে যেতো- মহল্লার প্রথা মেনে প্রায় পারিবারিক হয়ে ওঠা রাজবাড়ী ক্রিকেট ক্লাবের হয়েও দিনাজপুরের লীগ ম্যাচও খেলা হতো- কিন্তু গুরুজনদের আগ্রহে ঢাকা চলে আসলাম। রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ এখন পর্যন্ত সার্বিক সুবিধা বিবেচনায় ঢাকা শহরের সেরা স্কুল আর কলেজ, ১৩টা ফুটলব মাঠ, একটা ক্রিকেট মাঠ, দুটো বাস্কেট বল কোর্ট, অডিটোরিয়াম সব মিলিয়ে বেশ চমৎকার জায়গা। হোস্টেলের নিয়ম কানুন এবং প্রায় অপরিচিত মানুষজনকে বাদ দিলে হয়তো খুব চমৎকার সময় কাটতো ওখানে।
আমি নাহয় রাবণই হব
তোমরা নাহয় রাম হও
কিংবা অচিন রাজপুত্র
অর্ধ রাজ্য - পূর্ণ কন্যা - বলিহারি রাজত্ব
আমি নাহয় রাবণই হব
দশ মাথার অসুর সম
সীতা তোমার ঘরেই থাকুক
পারলে নিও (বি) ভীষণ টাকেও
ও দেবতা ভালই আছ
তুন ভরে তীর সাজছ আরো
তীরের মাথায় আমায় রেখো
এবার মাথা ছেড়ে দিও
বুকের বাঁয়ে - অচিন তলে
এবার সেথায় আঘাত কর.
লেখকরঙ্গ
চার্লস ডিকেন্স লোকটা অন্য রকম ছিলেন। পত্রিকায় তিনি ধারাবাহিক উপন্যাস লিখতেন। তাঁর উপন্যাসের কিস্তি পড়ার জন্য অধীর আগ্রহে পাঠকেরা অপেক্ষা করতেন। মাস্টার হামফ্রেজ ক্লক নামের একটা সাপ্তাহিকে তাঁর উপন্যাস প্রকাশিত হতো। দি ওল্ড কিউরিসিটি শপ ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হতে শুরু করে ১৮৪০ সালে। উপন্যাসটি ইংল্যান্ডের গণ্ডি ছাড়িয়ে আমেরিকায়ও তুমুল জনপ্রিয় হতে শুরু করে।
কাহিনি তখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। আর মাত্র একটি পর্ব বাকি। সবার আগ্রহ উপন্যাসের নায়িকা নেলের পরিণতি নিয়ে। সে কি বাঁচবে, নাকি মারা যাবে। তখন সাপ্তাহিকটি আমেরিকা যেত জাহাজে করে। জাহাজ যেদিন ভিড়বে, সেদিন ঘাটে হাজার হাজার মানুষের ভিড়। পত্রিকা হাতে পেয়ে পড়ার জন্য সবাই অস্থির। আর সহ্য করতে না পেরে জনতা চিৎকার করে জাহাজের নাবিকদের কাছেই জানতে চাইল, ‘নেল কি মারা গেছে?’
রাজকন্যা
সে ছিল দুরের এক নক্ষত্র
যেন মায়াবী এক কল্পলোক !
এক দুখিনী মা তার আটপৌরে ঘরে
রোজ রাতে বসে বসে
জোনাকির ইন্দ্রজালে দোলনা বুনতো।
তবুও মাঝে মাঝে অদ্ভুত একটা কষ্ট
স্যাঁতস্যাতে স্যাওলার মত
সেই মায়ের বুকের ভেতরটা ভিজিয়ে দিত
আঁধারের উষ্ণ অনুরাগে ফুঁপিয়ে ওঠতো সে
তার ঘর, উঠোন, বিছানা
বুকের ভেতরটায়- ছিল এক সমূদ্রের শূন্যতা ।
মাঝে মাঝে সেই শূন্যতার সমূদ্র হত উত্তাল
সাইক্লোন বা সুনামী থেকেও ভয়ংকর,
ভয়াবহ বিস্ফোরণ-
দুখিনী মা তলিয়ে যেত বেদনার অতলে
বিষাক্ত সরিশৃপেরও চেয়েও
বেশী বিষ ধারণ করেছিল সে তার মাতৃত্বে।
একদিন, মেঘ পরীরা আকাশ থেকে
ফেলে দিল এক টুকরো মেঘ
দুখিনী মায়ের ছেঁড়া আঁচলে,
মমতার চাদরে মেঘটিকে কোলে তুলে নিতেই
আশায় আছি, ভালোবাসায়, দুরাশায়, অস্থিরতায় আর দুঃসময়ে; সবসময় তোমার পাশেই আছি
আজকে মনটা দারুণ ভালো! একজন আমাকে বলেছে, আমি নাকি খুব জোরে সাইকেল চালাই কিন্তু আমার কন্ট্রোল ভালো। এইটা শোনার পর থেকে মন ভালো।
বন্ধুবান্ধবের বিষয়টাই আসলে এমন। ছোট-খাটো কথা বা কাজের মধ্য দিয়ে কখন যে তারা মনের অনেক গভীরে ঢুকে নাড়া দিয়ে আসে, টেরই পাওয়া যায় না।
তবে এটা সবসময় ইতিবাচক ভাবেই ঘটে, তা কিন্তু না। অনেক সময় নিজের অজান্তে আমরা বন্ধুকে অনেক বেশি কষ্ট দিয়ে ফেলি। তাই সময় পেলেই ভাবুন, আজ-কাল বা পরশু যদি সে এসে দাঁড়ায়… (কথার মধ্যে গানে ঢুকে পড়লাম! ধুত্তোরি। বলতে চাচ্ছিলাম, ভাবুন রিসেন্টলি না বুঝে কাউকে কষ্ট দিয়েছেন কিনা। মন দিয়ে ভাবলে ঠিকই বুঝতে পারবেন। আর বুঝতে পারলে ঘটিয়ে দিতে পারবেন পৃথিবীর সবচে' সুন্দর ঘটনাটি। সেটা কি জানেন না? সেটা হচ্ছে বন্ধুত্ব ভাঙার মতো একটা বিষয়কে ঠেকিয়ে দেয়া। বলেন এটা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ঘটনা না?)
হৈমন্তী... (শেষ পর্ব)
আমার মনে একটা ভাবনা ছিল রাজনীতি করা বড়ো মেয়ে না জানি কি করিয়া বসে। কিন্তু অতি অল্পদিনেই দেখিলাম টেলিভিশনের হিন্দি চ্যানেলের সিরিয়ালের সঙ্গে নারী মনের কোনো জায়গায় কোনো কাটাকাটি নাই। বসিয়া দিনরাত হিন্দি সিরিয়াল দেখিতে লাগিলো। দেখিতে দেখিতে চোখে ঘোর লাগিয়া উঠিলে ঘুমাইয়া বিশ্রাম লয়।
এ তো গেল এক দিকের কথা । আবার অন্য দিকও আছে , সেটা বিস্তারিত বলিবার সময় আসিয়াছে ।
এবার ঘুমাতে দাও
এবার ঘুমাতে দাও
অনেক প্রহর জাগা ক্লান্ত দুটো চোখ
এবার বুজিয়ে দাও
আঁধার ঘরেই রেখো আমায় - ক্ষতি কি ?
শুধু ভেজা মাটির প্রলেপ দিও
সবুজ ঘাসের আচ্ছাদনে আমার বেদনা দিও ঢেকে
খুব যদি কষ্ট না হয়
মাথার কাছে রোপে দিও অবুঝ বাতাবি চারা
আর কি চাইব
একটা এপিটাফ - জীবন বাবুর অবাক কাব্য লিখা
তোমরাই বলো
খুব কি বেশি চাওয়া আমার
খুব কি বেশি চাওয়া ?
অন্তর্দহন বা অশ্রুবর্ষণ
জেগে ওঠে পুরানো মোচড়
হৃতপিন্ডে অনাগত ।
বিদগ্ধ দিন শেষে বেড়ে ওঠে
হৃদয়ের আদিম ক্ষত ।
অন্তর্দহনে ছাই গহীনের
বিমূর্ত নন্দনকানন ।
অলখে আঠারো বর্ষার পদচারণ ,
অতঃপর অশ্রুবর্ষণ ।
(c) by Ekanto Ovajon
“মা”
“মা” শব্দটি বিশ্ব নন্দিত ভাষার নামের মধ্যে অন্যতম একটি নাম। যার কথা উচ্চারণ করার সময় অন্তরের গভীর থেকে একরাশ আবেগ, ভালবাস, একমাত্র আশ্রয়স্থল এর কথা মনে আসে। আজ ১৩ মে, ২০১২ইং বিশ্ব “মা” দিবস, যথাযথ মর্যাদায় আজকে বিশ্ব মা দিবস পালিত হচ্ছে, সবাই সবার মা’কে কাছে নিয়ে ভালবাসা উপভোগ করছে, কিন্তু আজ আমার মা’ আমার কাছে নেই (বি:দ্র: মা’ বর্তমানে গ্রামের বাড়ীতে আছেন)। তবে তাই বলে, মা’র ভালবাসা তার সন্তানের প্রতি কমে যাবে এমনটি নয়।
দিবস ধরে না, মা ভালোবাসি, ভালোবাসবো, ভালোবাসছি জন্মাবধি ...
শবেবরাত খুব করে মানি, ছোটকাল থেকেই যত্ন করে নামায-কোরান পড়তাম। সাধারনত শীতকালেই শবেবরাত হতো। খুব হিম থাকলেও গোসল করে নামায পড়তাম পাল্লা দিয়ে ভাইবোনেরা, কে কতদূর কোরানশরীফ পড়বো তাও ঠিক করতাম, একজন ঝিমানো শুরু করলে অন্যে গিয়ে চা বানিয়ে এনে ঘুম তাড়াতাম। মন মতোন সব হলে, পরেরদিন অন্যরকম এক মজা পেতাম, সারা বছরের জন্যে বরাতে অবশ্যই ভালোকিছু হবে ভেবে! ভবিষ্যতের চিন্তা কি ধীরে ধীরে ছেড়ে দিয়েছিলাম, নয়তো ইদানিং আগের মতোন সেই উদ্যোমে শবেবরাত পালন করি না কেন যে। অন্যকিছুর জন্যে একটুও আফসোস নাই, কিন্তু গত প্রায় দু’বছর সে এক ভীষন না পাওয়া এই ভাবনাটা এনে দিয়েছে, কোন পাপে আল্লাহ বরাতে এই শাস্তি দিলেন!
আমার মা
মাকে বুঝতে শুরু করতে না করতেই একদিন মা নাই হয়ে গেলেন। মা ছিলেন আমাদের পরিবারের সব মুশকিল আসানের নাম। বাবার কাছে আমাদের ছয় ভাইবোনের কোনো আব্দার বা আল্লাদ ছিলোনা। সব মায়ের কাছে। মা কী করে জানি সামাল দিতেন। বাবা সরকারি চাকরীজীবি। সামান্য আয়ের মানুষ। মাস পহেলা তার আয়ের বেশিরভাগ তুলে দিতেন মায়ের হাতে। মা সে টাকায় সারা মাস জোড়া তালি দিয়ে চালিয়ে নিতেন। এর মধ্যে বিভিন্ন সামাজিকতা, আমাদের স্কুলের খরচ সবই ম্যানেজ করতেন মা। বছরে দুই ঈদেই শুধু নতুন জামা পেতাম আমরা। ছোট ভাই বোন তিনটা তখনো বেশ ছোট। বাকী আমরা তিনজন মোটামুটি বড়। অতশত না বুঝলেও এটা বুঝতাম- বাবা-মার সামর্থ খুব সামান্য।
আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। আগ্রহীদের আহবান জানাই বর্ষার ই-বুক 'বৃষ্টির দিনে' -র জন্য লেখা জমা দিন
![]()
সম্মানিত ব্লগারগণ,
আপনারা অবগত আছেন প্রতীতি প্রকাশনী থেকে চলচ্চিত্র বিষয়ক প্রথম এবং একমাত্র আন্তর্জালিক ই-বুক এক মুঠো চলচ্ছবি-র দুটো সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতীতি'র এবারের প্রয়াস হল 'বৃষ্টির দিনে'। এবার আমাদের ই-বুকের বিষয় হল বর্ষা এবং বৃষ্টি। বর্ষা এবং বৃষ্টি নিয়ে যে কোনো ধরনের লেখা, কবিতা, ছড়া, গল্প , প্রবন্ধ, স্মৃতিচারণমূলক লেখা, ব্যানার, ছবিব্লগ নিয়ে আমরা আমাদের এবারের ই-বুক 'বৃষ্টির দিনে' করতে চাচ্ছি। আশা করছি বৃষ্টির দিনের জন্য 'আমরা বন্ধু' ব্লগারদের কাছ থেকে আমরা ভালো সাড়া পাবো।
তিনটা ফেইসবুক স্টেটাস...
..........................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
১.
একদিন একসাথে কফি খেতে পারি...
বরফে আর কোনো নতুন ফ্লেভারে
আমি সব দেবতারে ছেড়ে আমার মায়ের কাছে চলে আসি
সারাদিন সকল কাজ শেষে ‘আমি সব দেবতারে ছেড়ে’ আমার মায়ের কাছে চলে আসি। আমার আম্মু শুধু মা নয় আমার কাছে, আমার আম্মু একজন বন্ধু, আমার যাবতীয় কথা আমার আম্মুর সাথে ভাগাভাগি না করলে আমার অশান্তি লাগে। আমার রাগ দেখানোর জায়গা, আমার আনন্দ উপভোগ করার জায়গা আমার আম্মুর কাছে। আমি যে এতো বড় হয়েছি সেটা মনেই থাকে না যখন আমি আম্মুর কাছে থাকি, যখন আমি আম্মুকে ধরে শুয়ে থাকি, সেই ছোটবেলার মতোই বলি আমার পিঠে হাত বুলিয়ে দাও। জীবনের সাথে প্রায় যুদ্ধ করে নিজের চাওয়া-পাওয়া বিসর্জন দিয়ে আমার আম্মু আগলে রেখেছেন আমরা ভাই-বোনদের। কখনও বুঝতে দেননি বাবার শূন্যতা। এখনও এই যে এতো বড় হয়েছি তারপরও কি রকম যন্ত্রণা দিয়ে যাচ্ছি সেই যন্ত্রণাটাকেও ভালোবাসায়, ¯েœহে গ্রহণ করছেন আর মাথায় হাত রেখে বুঝিয়ে দিচ্ছেন, এভাবে যে আর কেউ হাত রাখতে জানেনা আম্মু, এই পরশ যে আর কারো হাতে নেই আম্মু, তাই বুঝি এখনও খাবার টেবিলে একা খেতে পারিনা যদি ন
'গুরু' তোমাকে সালাম
সন ১৯৭৪ - যুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশ - বিধ্বস্ত অর্থনীতি - অত্যাসন্ন দুর্ভিক্ষের আহাজারি চারদিকে - রাজধানী ঢাকাও এর ব্যতিক্রম নয় - এরকম সময়ে - বিষন্ন এক সন্ধ্যা - কমলাপুর রেলস্টেশন সংলগ্ন বস্তির পাশ দিয়ে হাঁটছেন দীর্ঘদেহী একজন মানুষ - লম্বা পাঞ্জাবি - কাঁধ পর্যন্ত লম্বা চুল - কিছুটা যেন অন্যমনস্ক - তারপর কেন যেন থমকে গেলেন তিনি - তীব্র কান্নার শব্দ ভেসে আসছে বস্তির কোনও ঘর থেকে - একটু এগিয়ে যেতেই দেখলেন - এক মা তার শিশুর মাথা কোলে নিয়ে কাঁদছেন - সেটা ছিল ক্ষুধা আর দারিদ্রের বিরুদ্ধে এক মায়ের ব্যর্থ করুণ আহাজারি - সাদা পাঞ্জাবির আড়ালে লুকানো একটি হৃদয় সেদিনকার সেই আহাজারি ভুলতে পারেনি - সেই সন্ধ্যায় জন্ম হয়েছিল একটি বিখ্যাত গানের (রেললাইনের ওই বস্তিতে - জন্মেছিল একটি ছেলে) - জন্ম হয়েছিল একজন শিল্পীর - আমি আসলে খুব কম বললাম - ওই সন্ধ্যা ছিল বাংলা গানের ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের জন