ইউজার লগইন
ব্লগ
আহবান
জীবন আমায় রিক্ত কর
পূর্ণ কর সকল তোমার সাধ ।
যদি কাঁদাতেই চাও কাঁদাও
তবে মুক্ত কর অশ্রু নদীর বাঁধ ।
ব্যর্থ গ্লানি লিখে দিয়ে কপালে
কেন মিথ্যে আশায় জুড়াও বুক আমার ।
যদি চির আঁধারেই ঠাঁই দিলে
তবে রঙিন স্বপ্ন দেখিওনা তুমি আর ।
জীবন আমায় পরাজিত কর
গেয়ে যাও তবে আপনার জয়গান ।
জীবন আমায় পরিত্যাগ কর
তোমাকে জানাই সাদর আহবান ।
(c) by Ekanto Ovajon
[রচনাকাল : সম্ভবত ২০০৭ সাল ]
বাবা, শুনতে পাচ্ছ কি তুমি আমার কথা ?
দাদীর কবরের পাশে দাড়িয়ে ছিলাম - বাবা শিখিয়ে দিচ্ছিলেন কিভাবে জিয়ারত করতে হয় - আমার ভুলগুলো শুধরে দিচ্ছিলেন - আমি শিখলাম - তারপর বেশিদিনের কথা নয় - একদিন দেখলাম - আমি একা দাড়িয়ে আছি - আর আমার সামনে একটার পরিবর্তে দুটো কবর - দাদীর পাশে তুমিও ঠাই নিয়েছ -আমার এখনো ভুল হয়ে যায় - বাবা - তোমার মত করে পারি না - তুমি আমাকে নিয়ে গোরস্থানে যেতে - সবার কবর চিনিয়ে দিতে আর আমাকে অভয় দিয়ে বলতে - 'আদনান- ভয় পাস না - এখানে সবাইকে আসতে হবে - ওই দেখ তোর টুকু চাচার কবর - চাচার জন্য দোয়া করিস - ওই তোর মিঠু ভাইয়ের কবর - আর এখানে শুয়ে আছেন ওই যে তোর দাড়িওয়ালা চাচা-তোর মনে নাই-তোকে খুব আদর করতেন- সবার জন্য দোয়া করিস '- আমি সবার জন্যই দোয়া করি বাবা - সবার জন্য করি - খালি তোমার জন্য যখন হাত তুলি - সব এলোমেলো হয়ে যায় বাবা - আমি গুছিয়ে কিছুই বলতে পারি না - চোখ খালি ঝাপসা হয়ে যায় - আমি হৃদয়হীন মানুষ - কিন্তু তোমার চলে
জল পাতা ঝিকিমিকি
জল ও জ্যোৎস্নার সাথে অন্ধকার হাতে নিয়ে বসে আছি। ।
হাতের তালুতে অন্ধকারের গাছপালা ভালো করে জেগে ওঠার আগেই প্রতিবার কেমন অস্বস্তিকর সকালের আলো ফোটে।।। আজ ঠিক করেছি এই অরণ্যের মধ্যে আমি পথিকের মতন হাঁটবো। কোনো অস্বস্তির মধ্যে যাবোনা। অনেক হয়েছে। এখন নিজের চাওয়া-পাওয়া, স্বপ্ন-প্রাপ্তির কাছে জবাবদিহিটা জরুরী।
ইদানীং প্রায়ই এমন প্রতিবিম্বের একেকীত্ব ভালো লাগে। জলের মধ্যে যে্মন রাত্রির ছায়া গাঢ হয়, নিজের সাথে নিজের কথা বলাটাও তেমনি গভীর ভাবে সাম্প্রতিক সময়ের জীবনযাপনের ধরণটার অসাড়তা সামনে এনে ফেলে রাখে। একদম অবাঞ্ছিতের মতন সেই অনুভূতি পায়ের কাছে এসে বসে থাকে। আমি তাকে এড়াতে পারিনা এখন। ইদানিং নিজের কথা ভাবতে ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে একা, অন্ধকারে এই সময়গুলি পেতে। আঁধার আমার ভালোলাগে।
বইমেলা কড়চা – (চার) মালাইয়ের স্বাদ পনিরে
ঢাকায় বইমেলা চলার সময় খুব নষ্টালজিক অনুভব করছিলাম। সেই নষ্টালজিয়া কাটানোর জন্যে ফান করে স্যাটায়ার লেখায় হাত দিয়েছিলাম। আমার সমস্ত শখের কাজের মতো যথারীতি এটিও অসম্পূর্ণ আর আধ খ্যাচড়া রয়ে গেলো। এ বছরের মতো এ পর্বটিই আমার এই সিরিজের শেষ লেখা। নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরীন আমার এ পর্বের লেখিকা। তার প্রকাশিতব্য বই কেমন হতে পারে তা নিয়ে আমার আজকের কল্পনা। তসলিমা নাসরীনের উপন্যাস প্রায় প্রত্যেক বইমেলাতেই বের হয় এবং যথারীতি পালাক্রমে বাংলাদেশ ও কোলকাতায় নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়। বই নিষিদ্ধ ঘোষনার এ রীতি এশিয়া ছাড়া আর কোথাও আছে কি না, আমার জানা নেই। আমার ব্যক্তিগত ধারনা তিনিও নির্বাসনে বসে একটি পাশবিক আনন্দ উপভোগ করেন, বই নিষিদ্ধের এই হুল্লোড় থেকে। বেছে বেছে কখনো কখনো অকারণে এমন জিনিসই লিখে পাঠান, যাতে বইটা যেকোন মূল্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়। অক্ষম মানুষের হতাশ প্রতিশোধ নেয়া। আমি তসলিমার
এই জনপদে
শুনুন, আমি হলফ করে বলছি-এই শহরে আর একবারও আসবে না জাদুকর কোনদিন।কালো টুপির মায়াবি ওড়না সে আর উড়াবে না এইখানের বাতাসে। গোলামের ভেতর বিবি অথবা বিবির পেটে গোলাম তেড়েফুঁড়ে টেক্কা দিয়েছে মায়াজাল। স্বর্ণাভ রুমালের পায়রা যে খুদ খেয়ে গেছে প্রান্তরে তা আজ বিরান, ছাই। জাদুকরের ঝুলি এখন শূণ্য, গতিহীন। বলেছে সব জাড়িজুড়ি ব্যার্থ তার। নড়ছে না ফুল, পড়ছে না মন্ত্রের কলকাঠি। কেবল বরাহের মত পা টিপে টিপে এগিয়ে আসছে চক্রান্ত। সাড় দেয়া নরকের মত চিমনির ধোঁয়া হাসছে খিকখিক চারপাশে। এখানে আর জাদু চলে না, পাখিরা উড়ে না আলস্য বাতাসে।
কাহার তুমি বাংলাদেশ ?
-বাংলাদেশ, বাংলাদেশ !
কাহার তুমি বাংলাদেশ ?
-সুন্দরের, শ্যামলের ?
শুভ্রতার, সুস্মিতার ?
সমতার, সততার ?
সুমতির, সুনীতির ?
সংহতির, সম্প্রীতির ?
ন্যায়ের, নিয়মের ?
কাহার তুমি বাংলাদেশ ?
-বাংলাদেশ কুৎসিতের ।
বাংলাদেশ কুবৃত্তের ।
সন্ত্রাসের, সংহারের ।
সংঘাতের, সংঘর্ষের,
ধর্ণেষর, মর্ষণের,
দূর্জনের, দূর্মদের,
-বাংলাদেশ বজ্জাতের,
বাংলাদেশ কমজাতের,
হার্মাদের, হারামজাদের,
হারামখোর, ঘুষখোরের,
অন্যায়ের, ঔদ্ধ্যতের,
বাচালের, প্যাঁচালের,
বাংলদেশ উস্কানীর,
বাংলদেশ চুল্কানির,
বংলা আজ এসবের !
-বাংলাদেশ, বাংলাদেশ !
-কাহার তুমি ! বাংলাদেশ ?
গৌ্রবের ? বংলাদেশ ?
সৌ্রভের বংলাদেশ ?
ভ্রাতৃ্ত্বের, মাতৃত্বের ?
সুশীলের ! শালীনের ?
ধানের দেশ বাংলাদেশ ?
গানের দেশ বাংলাদেশ ?
সমৃদ্ধির, উন্নতির ?
ধান সিঁড়ির, জল সিঁড়ির ?
জলাঙ্গীর ! জল পরীর ?
কাহার তুমি বাংলাদেশ ?
শুধু চ্যানেল বদলাই
টিভির সামনে বসে শুধু চ্যানেল বদলাই-এত অনুষ্ঠান-কিন্তু মনে দাগ কাটে না কিছুই-নস্টালজিক হয়ে অতীতে ফিরে যাই-আকাশ সংস্কৃতি তখনও সেভাবে ঢুকেনি দেশে-বিটিভিই ছিল আমাদের সম্বল-সঙ্গ দিত ইন্ডিয়ান ডিডি চ্যানেল-বিটিভির বাংলা নাটকে তখন স্বর্ণযুগ-'ঢাকায় থাকি', 'এই সব দিনরাত্রি', 'অয়োময়', 'বহুব্রীহি', 'সংশপ্তক','কোথাও কেউ নেই','রূপনগর', 'বারো রকমের মানুষ'- এ তালিকা শেষ হবার নয়- আর বিদেশী সিরিয়াল গুলো- 'নাইট রাইডার', 'দা এ টিম', 'স্ট্রীট হক', 'ভয়েজার', 'দা মেনিমেল', 'রবো কপ', আর অবশ্যই 'ম্যাকগাইভার'- এই সিরিয়াল টি বোধহয় সবকিছুকেই ছাপিয়ে গিয়েছিল-আরেকটা সিরিয়াল-'ডার্ক জাস্টিস' -একদম ভিন্ন স্বাদের ছিল-পরবর্তীতে 'টিপু সুলতান' নামের সাইমুম ও এসেছিল এই দেশে-অদ্ভুত মানের একটা ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান (যার কথা কখনো ভুলবো না) - 'যদি কিছু মনে না করেন'-এর উপস্থাপক কে সবাই ভুলে গেছেন-শুধু হানিফ সংকেত এখনো মাঝে মাঝে স্মরণ ক
চক্বরের টুকিটাকি
চক্বরের টুকিটাকি
নিজের মনেই মাঝে মাঝে ভাবি আমি এমন ব্যাপক আকারে ঘোরাঘুরির প্রতি নিবিষ্ট হলাম কিসের মন্ত্রণায়! যেখানে বাংলাদেশের নারীরা এ পাড়া থেকে সে পাড়ায় যাওয়া ও পরিণত বয়সে একটি অপরাধের মধ্যে পড়ে। কিভাবে কিভাবে যেন হয়ে গেল।
নিরক্ষর বন্ধু আমার
মৃত্যু-কত রাত তোমাকে নেমন্তন্ন করলাম
খোলা দরজায় স্বাগত সাইনবোর্ড টানালাম
কত ভোরে - সাদা মাদুর পেতে তোমায় ডাকলাম
কত সূর্যালোকে-ঝুঁকিবহুল কত রাজপথে
কখনো হেঁটে - কখনো বা দ্রুতগামী বাহনের 'পরে
নিয়ত তোমাকে ভাবলাম
কিন্তু কই -তুমি তো এলে না বন্ধু
এত যে ভালবাসি-বোঝো না তুমি
৫ বাই ৩ জায়নামাজের সিজদায়
মোনাজাতে রত হাতের রেখায়
সদাই যে লিখলাম চিঠি
কিছুই কি পেলে না তুমি?
নাকি বন্ধু-নিরক্ষর তুমি
আমার প্রণয় কাব্য পড়তে অপারগ
নাকি কুঞ্চিত ভুরু-বিব্রত বিধাতার
তুমি সলজ্জ বাহক?
কুন্ঠা কেন বন্ধু এত
দেখো-এই বাড়ালাম হাত
বিশ্বাস কর-তোমার চোখে যত বিভীষিকা
তার চেয়ে কালো আমার এই রাত.
চিত্রগ্রাফী...
অনেকদিন ধরেই ভাবতেছি ছবি ব্লগ দেই একটা। কিন্তু আলস্যের কারণে দেয়া হয়ে ওঠে নাই। আইজ ভাব্লাম কি আছে দুনিয়ায়! কস্ট কইরা দিয়াই ফালাই একটা ছবি ব্লগ। কিন্তু কথা হইলো যে আমি গৌতম'দার মতো অত সুন্দর কইরা কথা লিখতে পারি না। সেইলাইগাই শুধু ছবি, আর লগে এগুলার নাম দিয়া দেই...
বিস্মৃত স্মৃতি

স্বপ্নের ভুবন

Time pass

Here comes the transport
হৈমন্তী... (২)
তাহার পিতা ছিলেন উগ্রভাবে সমাজবিরোধী। দেশের প্রচলিত নিয়ম কানুনের প্রতি তাহার কোন আস্থা ছিলো না। সরকারী চাকুরে হইয়াও তিনি ঘুষ খাইতেন না, নীতি কথা বলিতেন , তাহাতে সরকার , উর্দ্ধতন কর্মকর্তা তাঁহার উপর ক্ষুদ্ধ হইয়া তাহাকে খাগড়াছড়ি ট্রান্সফার করিয়া দিয়াছে। তিনি রাজধানীতে আসিবার জন্য পরবর্তিতে আর লবিং করেন নাই। আমার পিতা ছিলেন উগ্রভাবে সমাজের অনুগামী। সমাজে প্রতিষ্ঠা পাইতে হেন কাজ নাই, তিনি করেন নাই। অবৈধ পথে টাকা পয়সা কামাই করিয়া, সরকারী জমি দখল করিয়া, সর্বদা সরকারী দলের হইয়া কাজ করিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা পাইয়াছেন। শিলা আমার শ্বশুড়ের একমাত্র মেয়ে। বাবার বিশ্বাস ছিল কন্যার পিতার সমস্ত টাকা ভাবী জামাতার ভবিষ্যতের গর্ভ পূরণ করিয়া তুলিতেছে।
নিরাশাগ্রস্ত মানুষদের পরিসেবায়
মা হীন মাতৃভূমি
www.mahinmatribhumi.org/
নিরাশাগ্রস্ত মানুষদের পরিসেবায়
* আপনি কি কোন বন্ধু অথবা আত্মীয়কে জানেন যার সাহায্য প্রয়োজন?
* আপনি কি কোন ইন্টারসেক্স শিশুকে চিনেন যে নির্যাতিত হচ্ছে?
* আপনি কি বিবাহ বহির্ভূত কোন যুবতী/নারীকে চিনেন যিনি গর্ভবতী এবং একা হয়েও অসহায় শিশু/ভ্রণটির জীবন রক্ষা করতে চান ?
* এ বিষয়ে আপনার মাধ্যমে আমরা সাহায্য করতে পারি।
** কৃপা করে মা হীন মাতৃভূমির উক্ত হোম পেজটি দেখুন এবং যোগাযোগ করুন। ব্লগেও লিখতে পারেন।
মা হীন মাতৃভূমি অ্যাডমিন ডেস্ক
পাঠ প্রতিক্রিয়া- সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে।
মোস্তাক শরীফের সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে পড়া শেষ করলাম, কিছু কিছু গল্প এক ঘন্টার নাটক হওয়ার সম্ভবনা রাখে- এ উপন্যাসটিও সে ধাঁচেরই। হালকা দু:খ, হালকা বিষাদ, হালকা প্রেম, হালকা জীবনবোধ, হালকা চটুলতা আর হালকা দার্শণিকতা, সব মিলিয়ে পাঠকপ্রিয় হয়ে উঠবার সব গুণই এই উপন্যাসের আছে।
যে গল্পের শেষ নেই
বাল্যকালের ভাবনা ছিল সৈনিক হব-সে ভাবনা স্থায়ী হয়নি-জীবনানন্দের কবিতা যেদিন প্রথম হাতে পেয়েছিলাম-মনে হলো কবিদের চেয়ে বড় কে আছে-তারপর আশুতোষ মুখোপাধ্যায় নামের এক গল্পকার জানিয়ে দিলেন আমায়-লেখকরাই শ্রেষ্ঠ-তারপর আবারও স্বপ্ন বদল-মঞ্চে এলেন হেমন্ত নামের গানের পাখি-আমার মনোজগত হলো এলোমেলো-ঈশ্বর কে দুষলাম-আমাকে কর্কশ কন্ঠ কেন দিলেন তিনি-মাঝে একবার রাজনীতিবিদ হবার দুরভিসন্ধি ও হয়েছিল-সে গল্প অন্য একদিন-তারপর ঘটল দুর্ঘটনা-প্রেমে পড়ে গেলাম আর বুঝলাম প্রেমিকের মাঝে বিরাজে ঈশ্বর-অত:পর থার্ড ডিগ্রী অগ্নি দহন-স্বপ্ন উধাও-প্রেমিকা গেলেন সুখ বাসরে-প্রেমিক রইলো চিতার 'পরে-তারপরে ও কিন্তু গল্প শেষ হয় না-সেসব কথা অন্য একদিন হবে -আজকের পাগলামির কোটা অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে বলে আমার ধারণা.
কথা

আমার মৃত্যু চাই আমি
কোন নির্জন বনভূমিতে,
অসীম নীরবতার মাঝে
কিছু না বুঝে চমকে ওঠা
সবুজ ঘাসের মেঝেতে ।
কেউ জানবেনা, কাউকে সইতে হবে না
এ ঝঞ্ঝাট!!
আমি একাই বইবো আমার মৃত্যুভার ।
আমার অবমুক্ত আত্মা
হয়তো মুখে কিছু কাল্পনিক কষ্টের ভার চাপিয়ে
বহন করবে আমার শারীরিক খোলস ।
আমি চাইনা, কেউ আমার গল্প করুক অন্য কারো ভ্রু কুঞ্চিত মুখের সামনে ।
কেউ ফেলুক দীর্ঘশ্বাস
কেঁপে কেঁপে ওঠা অক্সিজেনবাহী বাতাসে ।
আমি সবার অলক্ষে চলে যেতে চাই
অনেক অনেক দূরে ।
যেখানে আমাকে খুঁজতে যেতেও কাউকে আলসেমিতে পেয়ে বসবে ।
তখন সবাই বলবে, ধুর চাই!!
খুজে পাওয়ার থেকে ভুলে যাওয়া সহজ ।
আমি এভাবেই হারিয়ে যেতে চাই ।
কত ভীষনভাবে যে চাই!!