ইউজার লগইন
ব্লগ
একটা যৌতুক নেন সরি কৌতুক শোনেন
একবার এক পত্রিকায় শিরোনাম হইলো '' পুলিশের গু খেয়ে বক নিহত ''
পরদিন এইটা নিয়া ব্যপক আলোচনা সারাদেশে .........কেমনে কি হইলো ??? পুলিশের ক্রসফায়ারে পোলাপান মারা যাইতাসে কিন্ত গু খাইয়া বক কেমনে মরে ??????? আজিব !!!!!!!
পরদিন সেই পত্রিকা আবার হিট.......
''গতকালের শিরোনামটি
আসলে হবে ''পুলিশের গুলি খেয়ে যুবক নিহত ''
আমাদের এই অনাকাংখিত '''''''পাছার ''''''' ভুলের কারনে আমরা দুঃখ প্রকাশ করছি ।
যারা এখনো বুজবার লাগেন নাই তাগো লাইগা ..ঐটা হইবো ''''ছাপার '''' ভুল......বুজ্জইন।

সকলকে মৌসুমী ফলের আমন্ত্রন
কেমন আছেন সবাই। আশা করি ভাল। সামনে আসছে মধুমাস। আমার বাগানে আছে দশটি কাঁঠাল গাছ, আটটি আম গাছ ও চারটি লিচু গাছ। প্রতিটি গাছে অসংখ্য ফল। কাঁঠাল গাছের শিকর হইতে শুরু করিয়া আমের মত থোকায় থোকায় কাঁঠাল গাছে ঝুলিতেছে। আম গাছের ও একই অবস্থা। গাছে পাতার চাইতে ফল অধিক। লিচুর গাছ গুলির দিকে তাকাইলে মন ভরিয়া যায়। ফলের ভারে গাছগুলি নত হইয়া এমন উচ্চতায় আসিয়া স্থীর হইয়াছে যে আমার ছয় বছরের ছেলেও উহা হাত দিয়া ধরিতে পারে।
সবাইকে আমার বাসায় আন্তরিক আমন্ত্রন জানাচ্ছি।
এবারে লিচু কাহিনী। লিচু যে অত্যান্ত লোভনীয় ফল তাহা আর বলিবার অপেক্ষা রাখে না। আমি বাজারেই লিচু দেখিয়াছি। লিচু গাছ দেখিয়াছি নার্সারীতে। আমার এই বাসায় যত বড় বড় লিচু গাছ ইহা আমার এই প্রথম দেখা। জানিলাম ইহা দিনাজপুরের বোম্বাই জাতের লিচু।
আমার বাংলা ভাষা আমি তোমায় ভালোবাসি
আগেই বলি , আমি আমার মনের কথা লিখতাছি , কারো ভালো নাও লাগতে পারে তাহলে আমার কিছু করার নাই ..।
প্রথম যখন মোবাইল কিনি তখন এসএমএস আসলেই আগ্রহ নিয়া খুলতাম ।কিন্তু মাঝে মাঝে মেজাজ খারাপ হইয়া যাইতো হিন্দিতে কেউ মেসেজ দিলে ...সরাসরি ডিলিট মারতাম । সেই ভুত আজো ছাড়ে নাই ।
আজকাল কার পোলাপাইন এর এই একটা বেকুবিপানা বুঝি না
যে কথা নিজের ভাষায় অনেক সুন্দর করে বলা যায় সেইটার জন্য কেন অন্য ভাষা ধার করা ????????????? যেখানে ইন্ডিয়ার মানুষ আজকাল হিংলিশ ব্যবহার করে হিন্দিকে বিলুপ্ত করতাসে সেইখানে আমরা কেন হিন্দি ভাষাকে টিকাইয়া রাখার দায়িত্ব নিচ্ছি ????????????????????????????
নস্টালজিয়া I গল্প
মাহামুদার সময়টা ভালো যাচ্ছে না। দেখতে দেখতে তিনটি বছর কেটে গেলো তার বিয়ে হয়েছে, কিন্তু সংসার জীবন নিয়ে যে রকম স্বপ্ন দেখেছিলো সেই স্বপ্নের সাথে এই বাস্তব সংসারের কোনো মিলই নেই। দশটা পাঁচটা সাদামাটা সংসারের মধ্যেই জীবনটাকে সমর্পণ করতে হলো। কাকে দোষ দেবে, নিজের ইচ্ছে মতেই এই জীবন বেছে নিয়েছিলো মাহমুদা। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে অল্প বয়সে জীবন সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে নেই, আরেকটু বুঝে নিয়ে সংসার ধর্ম পালন করা উচিৎ ছিলো। ইদানিং মাহামুদার এই পরিতাপের মধ্যে সময় কাটে।
মা আমি অভীমানে হাহাকার করি তোমাকে ছোয়ার জন্য
প্রতি দিনই থাকে কোনও না কোনও দিবস, আজ এই দিবস তো কাল ঐ দিবস।।। এখন ব্যাপারটা এমন দাড়িয়েছে যে নতুন আর কোনও দিবস ঘোষনার সুযোগ নেই।।। হয়তো এরপর দেখা যাবে দিনগুলোকে অর্ধেক করে ভাগ করে নেওয়া হবে দিবসের ঘোষনার জন্য।
তবে এতো সব দিবসের মাঝে কিছু কিছু দিবস মনকে নাড়া দিয়ে যায়।। ঠিক তেমনই একটি দিবস আজ। ।।
হ্যা আজ "মা দিবস"
মমতার অপর নাম হলো মা, জীবনের প্রতি পদে মিশে আছে ছায়ার মত যে মানুষটি তিনি হলেন মা।।। এতোই বেশি মিশে থাকেন তিনি যে মাঝে মাঝে আমরা ভুলেই যাই এই মায়ের অবদানের কথা।।। তাই তো এই একটি দিন, এই একটি দিবস একটু হলেও মায়ের মমতার কথা আমাদের মনে করিয়ে দেয়।।।।
২০৭১ - এ ব্লগ স্টোরি (২৩)
যখন সময় থাকে তখন আমরা গান শুনি। নন-ডিভাইসাল। একটা পে-চ্যানেল আছে – যেখানে রিকুয়েস্ট পাঠালে শিল্পী সরাসরি গান শুনিয়ে থাকেন। এই বৃদ্ধবয়সে কোনধরণের গান উপযোগী হবে সে নিয়ে কিছুদিন আগে একটা মিউজিক্যাল ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছিলাম। ডাক্তার সাহেব মাইডিয়ার টাইপের। লাউড স্পিকারে উদ্ভট কিছু শুনছেন। আমাকে দেখে বললেন, বাহ! অনেকদিন পরে ভালো একজন প্যাশেন্ট পাওয়া গেলো! আমি একটু ভিমড়ি খেলাম, প্যাশেন্ট? তারপরে একটু ব্যাখ্যা করে বললাম, দেখুন আমি স্রেফ কিছু গানের রিকমন্ডেশন নেবার জন্য এসেছি! উনি বললেন, ওই হলো- আপনি হিউম্যান ভোকালই তো শুনতে চাইবেন! দেখেই বুঝেছি!
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর আওয়ামি ঘৃণাবাদি সংস্কৃতি বিষয়ে আলোচনা...
মুক্তিযুদ্ধ মানে কী? এই শব্দের মাজেজা কি ব্যক্তি বিশেষে আপেক্ষিক হইতে পারে? আমি একজন মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষ মানুষ হিসাবে মনে করি মুক্তিযুদ্ধ শব্দের সিগনিফিকেন্সে অনেক মাজেজা খুঁইজা পাইলেও তাতে আপেক্ষিকতা থাকতে পারে না। হয়তো আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধ মানে বাঙালি জাতির অর্জন মনে হয় আরেকজনের কাছে এই অর্জনের পাশাপাশি পাকিস্তানি নির্যাতনের চিত্র ভাইসা উঠে। তবে আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধরে পাকিস্তানি শোষণের বা বৈষম্যমূলকতার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার সংগ্রাম বইলা মনে হয় কিন্তু আরেকজনের কাছে ২৫ মার্চের হামলার প্রতিবাদ মনে হইতে পারে কিনা সেইটা নিয়া আমার প্রশ্ন থাকে। মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির স্বপ্ন প্রচেষ্টাই ছিলো বইলা আমি মনে করি। এর বিপরীত যদি কেউ বলে তবে সেইটা মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী একটা বচন।
ফুল রাঙা পথ
মে মাসটা বাংলাদেশের জন্য মোটেও সুবিধাজনক মাস না। দিনের দৈর্ঘ্য প্রতিদিন একটু একটু করে লম্বা হতে থাকে। তাতে অসুবিধা ছিলো না, যদি গরমটা এমন চাঁদি-ফাটানো না হতো। তার ওপর এই সময়ে লোড শেডিং-ও থাকে সর্বোচ্চ মাত্রায়। ফ্যান চালালেও আর্দ্রতা বেশি বলে বিশেষ সুবিধা হয় না। এমনকি রাতের বেলাও একটু হাঁটলে ঘামে জবজবে হয়ে যেতে হয়। তবু একটা কারণে মে মাসটা আমার কাছে অসাধারণ লাগে। আমি সারাটা বছর শুধু এই কারণে মে মাসের জন্য অপেক্ষা করি। কারণটা আর কিছুই না, এই সময় বনস্পতিরা রঙিন হয়ে ওঠেন।
আড়ি দিবস !
আজ আড়ি দিবস। আন্তর্জাতিক বা জাতীয় নয়। একান্ত আমার ব্যক্তিগত। আর আড়ি যার সঙ্গে,তার সাথে আমার সম্পর্কটাও ব্যক্তিগত। এমন একটি মূহুর্ত ছিলনা, যখন তিনি আমাকে বা আমি তাকে আকড়ে থাকতাম না। পৃথিবীতে যখন আধার নামতো, তখনও আমি তার আভায় আলোকিত। এক ভোরে আনকোরা আলো এসে পড়েছিল ঘরে। পূবের জানালা দিয়ে ঠিক তার মুখায়বে।কাচা হলুদ রঙে রাঙা ঐ মুখটির দিকে আমি মুগ্ধ হয়ে চেয়ে আছি। মুখটি তার আমার দিকে ফেরানো। ডান গালে এসে চুল লুটোপুটি খাচ্ছে ভোরের বাতাসে। আমি চুল সরিয়ে দিলাম আলতো হাতে। অপলক আমার পলক পড়লো তার মৃদু হাসিতে। হাসিটার আয়ু হয়তো এক সেকেন্ডও ছিলনা। তারপর কঠিন হতে থাকে তার মুখায়ব। হলুদ আভা ফ্যাকাশে হতে থাকে। আমি মুখ ফিরিয়ে নেই জানালায়। বাইরে ভোরের সূর্যটা চলে গেল মেঘের আড়ালে । তারপর থেকে আমার অমবস্যায় বসবাস। আর সেই দিন থেকেই মায়ের সঙে আমার আড়ি!
যদিও মা দিবস ......
আজ মা দিবস । মা'কে ভালোবাসতে দিন লাগে না তবুও একটা দিন একটু বেশী করে মা কে ভালোবাসার আইডিয়া টা খারাপ না। আজ তাই ফেসবুকে মা কে নিয়ে স্ট্যাটাসের ছড়াছড়ি, হয়তো অনেকে মা'র জন্য টুকটাক গিফট কিনবে ।
শীর্ষেন্দুর পার্থিব উপন্যাসে মা কে নিয়ে একটা লেখা পড়েছিলাম -মানুষ যখন ভয় পায়, যখন বিপদে পড়ে, যখন মনে হয় একা , তখন ভয়ার্ত শিশুর মত মা'কেই আকড়ে ধরে। " আসলেই মা'র প্রতি অনুভূতিই এমন । পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়।
মা'কে নিয়ে কিছু লিখতে পারিনা, আজও মা'কে নিয়ে লিখবো না। যদিও আজ মা দিবস, কিন্তু আমি লিখতে বসেছি আমার বড় বোন কে নিয়ে।
৩ বছরের ব্যবধানে বাবা - মা যখন মারা গেল, বড় বোন আবির্ভুত হল মা -বাবা তথা অভিভাবক এর ভূমিকায়। তখন সে মাত্র এস এস সি পরীক্ষা দিয়ে কলেজে ভর্তি হয়েছে। আর আমি সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র।
অবহেলিত মা দিবস : মা তোমায় সালাম

মা দিবস উপলক্ষ্যে আইরিন সুলতানার ব্যানার...
আজ ২৫শে বৈশাখ... বিশ্ব কবি রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের জন্মদিন... অগণিত ভক্তকুলের হৃদয়ে বরিষ ধারার মাঝে শান্তির বাণী ছড়ায়। ভ্রাতৃপ্রতিম দুইটি দেশ বাংলাদেশ এবং ভারতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মাঝে পালিত হচ্ছে জন্ম শত বার্ষিকী। বহুগুনে গুণান্বিত এই কবি একধারে কবি, জমিদার, ক্ষুদ্র ঋণের জনক (বিতর্কিত নয়), নোবেল লরিয়েট (এইটার ভাগ ও ভারত সরকার চায় নাই), আরো অনেক কিছু।
আবার...
মায়ের হাসিমুখ ........ছোট গল্প
রাশেদ বিয়ে করেছে আজ প্রায় দুই বছর হলো , আর প্রবাস জীবনের আট বছর হতে চললো। ওর বউ এরিকা আইরিশ । বাচ্চা হয়নি এখনো কিন্তু ওদের ভালোবাসা এখনো ঠিক সেইদিন গুলোর মতোই যখন ভার্সিটিতে ক্লাশ ফাকি দিয়ে প্রেম করতো ।
সারাদিন অফিসে ব্যস্ত সময় পার করার পর যতটুকু সময় পায় পুরাটাই নিজেদের মতো করে কাটায় ওরা আর সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্নে বিভোর থাকে।
উইকএন্ড নাইট ......সারা শহর অলস ঘুমিয়ে পরেছে।
ঠিকানা কেবলই ভুল হয়ে যায় !
শুকতারা কিন্ডারগার্ডেন। কলাবাগানের এই স্কুলটি এখন বিলুপ্ত। যখন চিনতে পেরেছি কোনটি ক আর কোন ইংরেজি এ। বা গড়গড়িয়ে বলতে পারি- ভোর হলো দোর খোল খুকুমনি উঠরে কিংবা বাশ বাগানের মাথার উপরে চাদ উঠেছে ঐ, মাগো আমার শোলক বলার কাজলা দিদি কই? ঐ বয়সটাতেই মায়ের হাত ধরে শুকতারা কিন্ডারগার্ডেনে ঢুকে পড়েছিলাম। ভর্তি পড়বো সেড়ে বলা হলো কেজি ওয়ানে গিয়ে বসতে। আমি চামড়ার একটি সুটকেস (যার ভেতরে ছিল একটা আদর্শ লিপি আর বাল্য শিক্ষার বই) নিয়ে একটা ক্লাসে নিজ নিজেই বসে পড়ি। যিনি ক্লাস নিচ্ছিলেন সেই আপা কেবল জানতে চাইলো- বাবু তুমি নতুন? আমি বললাম- উপস্থতি ম্যাম। সবাই কেনো যেনো হেসে ফেললো।পরের ঘণ্টাই ছিল টিফিন প্রিয়ড। আরেকজন ম্যাম এসে আমাকে বললো বাবু এটাতো ক্লাস ওয়ান। তুমি ভুল ক্লাসে এসে বসেছো!
মুক্তিযুদ্ধের ফ্যান্টাসী ছবি গেরিলা " দর্শক প্রতিক্রিয়া "
ডিসক্লেইমারঃ এটা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ দর্শকের অনুভুতি, সুতরাং এই রিভিউ পড়ে যারা ছবিটা দেখতে না যাওয়ার কথা ভাবছেন তারা অবশ্যই হলে যাবেন। দিল্লীর লাড্ডু একা একা খেতে হয় না
মেহেরজানকে মুক্তিযুদ্ধের ফ্যান্টাসী সিনেমা বলা হলে গেরিলাও একই কারণে মুক্তিযুদ্ধের উপর ফোক ফ্যান্টাসি ঘারানার ছবি বিবেচিত হতে পারে। নাসিরউদ্দীন ইউসুফ এবং এবাদুর রহমানের যৌথ ধর্ষণে সৈয়দ শামসুল হলের নিষিদ্ধ লোবান উপন্যাস থেকে যেই চিত্রনাট্য পয়দা হয়েছে সেটার গভীরতা নেই, একজন মুক্তিযোদ্ধার অভিজ্ঞতা এবং নিষিদ্ধ লোবানের ছায়া অবলম্বনে আমার স্বল্প জীবনে দেখা মুক্তিযুদ্ধের সবচেয়ে বাজে ছবিটা "গেরিলা"
তুমি ভালবেসেছিলে বলেই
তুমি ভালবেসেছিলে বলেই ,
মৃত্যুর উমমাদনাকে পেছনে ফেলে আরেকবার বেঁচে উঠা
পাগলের মতো করে বাচার লড়াই করা...
তুমি ভালবেসেছিলে বলেই ,
আমাকে নিয়ে আমার মেতে থাকা
নিজেকে সাজিয়ে গুছিয়ে তোমার পথ-পানে চেয়ে থাকা...
তুমি ভালবেসেছিলে বলেই..
লাল শাড়ি লালচুরি পরে মাথায় সিদুরের রেখা টানা...
স্বাধীনতা গুলো জড় করে তোমার সাজানো ঘরের ঘরনী হওয়া..
তুমি ভালবেসেছিলে বলেই ,
তোমার পথের সাথে নিজের পথের ঠীকানা লিখা
পুরানো পথের নাশানা মুছে ফেলা।
তুমি ভালবেসেছিলে বলেই ,
নিজের ভিতরে নিজেকে ভেঙেচুরে
নতুন করে গড়ে তোলা....