ইউজার লগইন
ব্লগ
'আমরা বন্ধু'র কিছু বাস্তব সমস্যা?
আমরা বন্ধু টিমকে শুভেচ্ছা জানাই অনাকাংখিত দীর্ঘ সময়ক্ষেপণসত্বেও আজ আমার নিবন্ধন জটিলতা দূর করার জন্য। ।। এরপর আমি একজন লেখক হিসেবে মূল লেখা শুরুর আগে ''আমরাবন্ধু''র কিছু বাস্তব সমস্যা'' সম্পর্কে মনোযোগ আকর্ষণ করছি, আমার সাথে অন্য ব্লগার ভাইরাও হয়তো একমত হবেন।। ।
১। '''আমরাবন্ধু''র ডিফল্ট ফন্ট সেটিং এত ক্ষুদ্র যে লেখাগুলো পড়তে কষ্ট হয়, বিশেষত সবুজ লেখা বেশ অস্পষ্ট, যা পীড়াদায়ক।।।
২। ব্লগ লেখার সময় বা মন্তব্যের সময়ও ডিফল্ট সেটিং পড়া যায় না। এ লেখাটির সময়ও এত ক্ষুদ্র ফন্ট ''ক্যাটাগরি''র অপশন খুজতে বেগ পেতে হয়েছে (এত ক্ষুদ্র ফন্ট পড়তে গিয়ে)
৩। মন্তব্য বা জবাব দিতে গিয়ে ভুল হলেও এখানে সংশোধনের অপশন নেই অন্যব্লগের মত, তা-ও থাকা দরকার।।
বিদ্যুৎ ও বাংলাদেশ- ৩
পার্বত্য চট্টগ্রাম অশান্ত, পুঁজি হারানো মানুষের আর্তনাদ,পৌর নির্বাচনের প্রাক পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের সাময়িক ব্যবস্থাপন টুল গুলো এতো বেশি ব্যস্ত হয়ে যাবে যে সরকারের দীর্ঘ মেয়াদি কাজ গুলোতে গুরুত্ব কিছুটা কমতির দিকে থাকবে এবং কাক্ষিত লক্ষ্য মাত্রার যাত্রা পথ দীর্ঘায়িত হয়ে অসীমে মিলাবে । সাময়িক ভাবে আসতে থাকা বিষয়গুলো স্থায়ী হবে , হতে বাধ্য কারণ রাজনীতির মাঠে ওয়াক ওভার মানে বিশাল ক্ষতি। সরকারের বাইরে থাকা রাজনৈতিক শক্তিগুলো কেবল মাত্র নিজেদের লাভের করণে জনতার স্বার্থ না ভেবেই বিভ্রান্তির জালে জড়িয়ে পরিস্থিতি অন্য দিকে নিয়ে যাবার চেষ্টা করবে আর তার অনেকটা জুড়ে থাকবে ভারতের সাথে বাংলাদেশের প্রাপ্তি সংক্রান্ত অপ্রকৃ্ত বিশ্লেষন।সরকারের দু আড়াই বছর শেষে রাজপথের মিছিল আর প্রতিপক্ষ সামলানোই হয়ে পড়ে সরকারের একমাত্র কাজ । এমন সব কারণ সমূহে বিদ্যুতের জন্য সরকারের দৈনন্দিন কাজ কর্ম, চিন্
শেয়ারবাজার: দায় সরকারেরই
দেশের শেয়ারবাজার যে পর্যায়ে গিয়েছিল, তাতে পতন অনিবার্য ছিল। প্রশ্ন ছিল, পতন কখন হবে এবং কী গতিতে হবে। শেষ পর্যন্ত পতন ঘটল। তবে ধারণার আগে এবং অনেক দ্রুতগতিতেই সেটি হয়েছে। যত দ্রুতগতিতে বাজার বেড়েছিল, তার তুলনায় অনেক কম সময়ে বাজারের পতন ঘটল।
বাজার এখন ক্রেতাশূন্য বলা যায়। রাতারাতি লাখপতি হওয়ার জন্য যাঁরা বাজারে ছুটে এসেছিলেন, তাঁরা এখন যেকোনোভাবে বাজার থেকে বেরিয়ে যেতে মরিয়া হয়ে পড়েছেন। আর এ কারণেই কিছুতেই পতন ঠেকানো যাচ্ছে না। সবাই এখন শেয়ার বিক্রি করার দীর্ঘ সারিতে।
আমার প্রিয় বন্ধুরা।
জীবন চলার পথে অনেক বন্ধুর সাথে পরিচয় হয়। কেহ থাকে কেহ হারিয়ে যায়। জীবন যেখানে যেমন। জীবন শুধু জানে সামনে এগিয়ে যেতে। শেষ কি হয় কে জানে! আজ আমি আমার তেমন ছয় বন্ধুর কথা শুনাবো। এদের কথা আমি ভুলি কি করে।
এ কঃ

(ছবি তোলার কথা বলা হয় নাই, কিছুদিন আগে একশীতের সকালে এভাবে ফিরছিলাম)
গল্প: কিউব রুট ২৭
ক্যন্টনমেন্ট কলেজ হিসেবে যতই ভালো হোক, এখানকার কিছু টিচার যে নিতান্ত খাটাশ; সেটা একবাক্যে স্বীকার করবে যেকোন কালের, যেকোন ব্যচের তাবত স্টুডেন্ট। এমনকি স্টুডেন্টরা শুধু নয়, ক্যন্টিনের মামা বা দারোয়ান চাচা বা মালিচাচা বা আর যারা স্টাফ আছে সবাই তাই করবে।
এর কারণ আছে। এ কলেজের অধিকাংশ টিচার সরাসরি কেম ফ্রম আর্মি কিংবা আর্মি ফ্যমিলি। মানসিকতাটাই তাই ভিন্নরকম। তবে নিয়ম-শৃংখলা শিক্ষার কথা যদি বলা হয়, ক্যন্ট. পাবলিকের উপরে আর কিছু নাই।
আবার নিয়ম-শৃংখলা আসলে কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ এ নিয়ে তর্ক করতে গেলেও বিপদ, আমার মতো বাউন্ডুলেরা আজীবন নিয়ম-শৃংখলার বাইরেই রয়ে গেল। কই তাও তো একদিনের জন্যও পৃথিবীটা একমূহুর্ত থমকালো না।
পোলিশ ডিভোর্স!!
পোলিশ একলোক আমেরিকা যাবার পর বিয়ে করলো এক আমেরিকান মেয়েকে। যদিও লোকটা ইংরেজীতে মোটেই ভালো না, কিন্তু তারা সুখেই ঘরসংসার করছিলো।
একদিন হন্তদন্ত হয়ে উকিলের কাছে হাজির হয়ে ভদ্রলোক যত সম্ভব দ্রুত তার ডিভোর্সের ব্যবস্থা করতে বললেন। উকিল জানালো পরিস্থিতি বিবেচনা করেই ডিভোর্স পাওয়া যেতে পারে, তাই কিছু প্রশ্নের উত্তর জানতে চাইলেনঃ
- আপনার কি কোন গ্রাঊন্ড আছে?
- হ্যাঁ, এক একর জমি আর ছোট্ট একটা বাড়ি।
বিবিধ বই বিষয়ক হাবিজাবি...
এমনিতেই বেশ কিছুদিন ধরে স্মৃতিকাতরতা ঘণ মেঘের মত ভর করে আছে মনে। তার উপর গতকাল মীরের পোস্ট আর সেই পোস্টে নুশেরান্টির দেয়া দু’টো লিংক পুরোই প্রাচীন যুগের শ্রাবণ মাসের মত করে স্মৃতির বৃষ্টি নামিয়ে দিলো। দুজনকেই তীব্র মাইনাস দিয়ে এই পোস্টের শুরু করলাম।
প্রেম ......... ঢাকা স্টাইল (১)
কঙ্কাদের বাড়িতে আজ দারুন হৈচৈ চলছে, ‘সীমা’ পালিয়েছে। এতোদিন ধরে চোখে চোখে রেখেও কোন লাভ হলো না কঙ্কার মায়ের। পাখি শেষ পর্যন্ত ফুড়ুত করে উড়েই গেলো। এখন কি করে তাই নিয়ে সবাই দিশেহারা। ‘সীমা’ কঙ্কার মায়ের বাপের বাড়ির দেশ থেকে আনা লোক। সীমার বাবা মা ভাই বোন যাকে বলে সীমাদের পরিবারের সবাই কোন না কোন ভাবে কঙ্কার মায়ের বাপের বাড়ির কারো না কারো কাছে আছে। অনেক দিনের সম্পর্ক তাদের সাথে তাই ব্যাপারটাকে অবহেলা করার জোও নেই কঙ্কাদের পরিবারের, এক গ্রামের লোক, হোক গরীব কিন্তু এক গ্রামেরতো। গ্রামে যদি কথা রটে কঙ্কাদের বাসায় থেকে সীমার সর্বনাশ হয়েছে তাহলে আর গ্রামে মুখ দেখানো যাবে না, সবাই ছি ছি করবে। গ্রামেতো আর শত্রুর অভাব নেই তাছাড়া ভবিষ্যতে আবার লোকের দরকার হলে কথাটা বারবার উঠবে। আজকাল গার্মেন্টস আর গ্রামীন ব্যাংক হয়েতো পোয়া বারো। হয় বাড়ি বসে বসে হাস মুরগী পালবে নয় ঢাকা এসে চাকুরী করবে কিন্তু ঝিগিরি আজ
নো মাশরাফি, নো ক্রিকেট
(রায়হান ভাইয়ের অনুরোধে আসলে এই পোস্টের অবতারণা করতে হইলো। ৬০ দশকে ভারতের ব্যাটসম্যান মুস্তাক আলীরে ইডেন গার্ডেন টেস্টে দলভূক্ত না করনের পর সারা ভারত জুইড়া বিক্ষোভ শুরু হয়, তখনকার একটা শ্লোগান থেইকা শিরোনামটা ধার করলাম)
শখৎ মামার চোখে কেন শসা দেয় না
যদ্যপি আমার গুরু
শুঁড়ি বাড়ি যায়
তথাপি আমার গুরু
শ্রী নিত্যানন্দ রায়।
তারপরেও গুরুর ইদানিং কালের কার্যকলাপ আমাদের কেমন যেন এক চিন্তায় ফেলে দেয়। কিছুদিন আগেও যে কাজে তাকে নিয়ে চিন্তাও করা যেতনা বর্তমানে একটার পর একটা সেসব কাজ করে আমাদের ভাবনায় ফেলে দিচ্ছেন।
মাসুম ভাইয়ের এহেন পরিবর্তন নিয়া আমরা টাস্কিত। যারা গত বছর উনার পিকনিকের পারফরমেন্স সম্পর্কে সম্যক অবগত আছেন, এবছর অনুরূপ পারমেন্স না দেখে হতাশ হয়েছেন। কিন্তু কারণ কী এ হেন পরিবর্তনের?
উনি আগে কখনো কোনো ছেলের সাথে কোলাকুলির ধারে কাছে যেতেননা। রাসেলরা দুই একবার ট্রাই করলে বলতেন, দূরে গিয়া মর। কিন্তু কি আশ্চর্য্য! সেদিন দেখলাম মীরকে বুকে নিতে চাচ্ছেন।
অস্ত্রের ব্যবহার সবখানেই, নড়বড়ে নড়াইল
সামনে সেচ মৌসুম তাই ভাবছিলাম বিদ্যুতের উপর আরেকটা লেখা লিখব আর তাতে একটু রাজনৈতিক আলাপও থাকবে কারণ সরকার সম্প্রতি যে হলুদ কার্ড দেখেছে তার প্রধান কারণ সমূহের মধ্যে যেমন অনিয়ন্ত্রিত দলীয় আচারণ আছে তেমন মূদ্রাস্ফিতি, আইন শৃংখলা ও বিদ্যুৎ স্বল্পতাও সমান ভাবেই আছে । কিন্তু আজ আর বিদ্যুৎ নিয়ে লেখা হবে না, একটা নিউজ শুনবার পর কোন ভাবেই ওটা ছাড়া আর কোন কিছুতে মন নিতে পারছিনা । বাংলাদেশ বিশ্বকাপের দল ঘোষনা করেছে আর তার জের ধরে নড়াইলে হরতাল, বাংলাদেশের বড় অস্ত্রের আরেক দফা ব্যবহার।
টুন টুন টুইন-১
#১. ভেবেছিলাম কার নাম কোনটা তা ওদের বুঝতে অনেক সময় লাগবে। কিন্তু তা লাগেনি। ওরা কেমন করে যেন ঠিকি বুঝেছিলো কার নাম কি। ঠিক বুঝলাম না, ওরা কনফিউজ্ড হলোনা ক্যানো? যাই হোক, একজনের নাম জারা আর আরেকজন জুন্না। আমার জমজ মেয়ে। ওদেরকে সব সময় এক সাথে রেখেছি, ডেকেছি আর তাই আমার ধারনা হয়েছিলো টুইনরা হয়তো সহজে বুঝতে পারবে না কার নাম কোনটা। 
দিনের অভিজ্ঞতা ২
বিকেল ৫টায় আনুষ্ঠানিক সমাপ্তির আগে এফ আর খান অনুরোধ করে বলেছিলেন "আগামী কাল অবশ্যই সবাই সকাল ৯টার সময় উপস্থিত থাকবেন।" জাপান এরোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সীর সদস্যরা সবাই দুপুরের ভেতরেই ঢাকা ত্যাগ করবেন, সে কারণে আগামী কাল হাতে কলমে শিক্ষার সম্পূর্ণ বিষয়টাই দুপুরের আগে শেষ করে ফেলতে হবে।
গদাইলস্করি চালে বাসা থেকে বের হয়ে হন্তদন্ত হয়ে যখন ছুটছি তখন ঘড়িতে ৯টা ছুঁইছুঁই। পায়ে হেঁটে যতটা দ্রুত যাওয়া সম্ভব, হনহনিয়ে হেঁটে ঠিক ততটুকু দ্রুতই মাঝের পথ অতিক্রম করছি, সেকেন্ডের কাঁটা এগিয়ে যাচ্ছে, ঘড়িতে দেখলাম ৯টা বেজে ৩ মিনিট, গেটের সামনে এসে দাঁড়িয়ে গতকালের পোশাকী পুলিশকে খুঁজি, তিনি আমাকে দেখে মাথা নেড়ে জানালেন আমি চলে যেতে পারি। তারপরও যখন পৌঁছালাম তখন ৯টা ৫।
কইলজার ভিতর গাত্থি রাইখুম তোঁয়ারে
ইদানীংএর কোনো এক নাটকে কাকে যেন গুন গুন করে একটা গান গাইতে শুনেছিলাম। তাও এক লাইন মাত্র। সেই একলাইনই গেঁথে গিয়েছিলো মনের ভেতর। একেকটা গান একবার শোনা শুরু হলে সেইটা শুনতে শুনতে ছিবড়ে না হওয়া পর্যন্ত ছাড়ি না। ওইদিন ব্লগার নাম নাইএর গান পোস্ট দেখে আফসুস হইলো। আমারো খুবই গান পোস্ট দিতে ইচ্ছা করে, কিন্তু পারি না। এই গানটা সালমা'র গলায় খেলছেও ভালো,
সিনার লগে বাঁধি রাইখুম
কি নিয়ে আলাপ করি সেটা বুঝতে পারছি না। নাটকের কথা বলা যায়। বাংলা টিভি নাটকগুলো বেশ ভালো হচ্ছে। আমার কখনো নায়িকাদের প্রতি স্থায়ী ভালবাসা জন্মায় না। কারণ স্থায়ীত্ব দেখা দিলে বার বার প্রিয় নায়িকা চেঞ্জ করা সমস্যা। এটা শুধু নাটকে না, মুভির ক্ষেত্রেও।