ইউজার লগইন
ব্লগ
ভেতর-বাহির (পঞ্চম পর্ব)
স্মৃতির দৌড় , দৌড়ের স্মৃতি :: গল্পে , অনুভবে (১৯৮৮-১৯৯৪)
কৃতজ্ঞতার , বাবার ভালবাসার :
প্রলাপ
এই ব্লগটা আমাকে লিখতে হবে খুব দ্রুত, হাতে সময় আছে আধঘন্টা। আধঘন্টা
খাবারের সময়। ভয়াবহ ক্ষুধা পেয়েছে, পেটে নয় মনে। বহুদিন ব্লগ লিখি না। আজ
নাহয় মনের ক্ষুধা মেটাই।
এক একটা দিন যেন এক একটা জীবনের ক্ষুদ্র
সংস্করণ। কত সংকীর্ণ সময়ে কত বিশাল দায় ফুরানোর বৃথা চেষ্টা। সব কিছু কেমন
জানি অগোছালো লাগে। ঘরের কোণ থেকে শুরু করে মগজের খুপরী, সবটাই এলোমেলো
.....
বন্ধু পিকনিক ২০১০ আনশিল্ড
রিক্সায় মুকুলকে বলছিলাম শাহবাগ থেকে সাড়ে আটটায় বাস ছাড়ার কথা থাকলেও ৯ টার আগে ছাড়বেনা, তবুও আমরা সময়মতই যাচ্ছি যে টাইমলি থাকতে ভালো লাগে। এর মধ্যে পিয়াল ভাই মুকুলকে ফোন দিয়ে জানায় তিনি পৌছে গিয়েছেন। ছবির হাটে বাস থাকার কথা। মেসবাহকে ফোন দিলাম ঝারি মারার উদ্দেশ্যে। উল্টা ঝারি মেসবাহ'র, সব কিছু ফেলে চলে যাবে। হজম করলাম। লোকটা একা পুরা পিকনিকের আয়োজনের দায়িত্ব ঘাড়ে নিছে। জানাল উদারজী ভোর থেকে যাদুঘরে
ঐ দেখুন --ডানে --সবচেয়ে জনপ্রিয় পোষ্টের নাম -'এলাম'
জনপ্রিয় লেখার যে ঘরটি প্রথম পাতার ডানে দেখা যাচ্ছে , তাহা কি অপরিবর্তন যোগ্য!
'প্রতীতি'---আমার উপন্যাস। ২০১০ এর বইমেলায় যার আগমন।
প্রতিনিয়ত নতুন নতুন প্রতীতি প্রাণে, মনে, মননে কিংবা বিবেকের ভেতর ধারন, সংযোজন, পরিবর্তন কিংবা পরিমার্জন করার নাম বলা যেতে পারে জীবন। ঠিক এই মুহূর্তে জীবন সম্পর্কে আমার প্রতীতি অর্থাৎ উপলব্ধি ঠিক ঐ রকম। সবুজ কচু পাতার উপর এক ফোঁটা পানির অবস্থানকে আর্টে কিংবা ফটোগ্রাফিতে ধারন করে খ
প্রিয় বাংলা তোমাকে দেখব বলে
মনেপড়ে সেই দিনগুলি...
বুক পকেটে সুখগুলিকে নিয়ে ঘুড়ে বেড়াতাম
বাটালী পাহাড়, কর্ণফুলীর তীরে
বাংলা মাটির সোঁদা সুবাস আর ঘাস ফুলের গন্ধ নিতাম।
দুপুর বেলার ঠাঠা রোদে
সাগর পাড়ে একলা বসে
অংক করায় ফাঁকি দিতাম।
সন্ধ্যে হলে পুকুর ঘাটে
এক হাঁটু ধূল ধুয়ে মুছে
নাস্তা খেয়ে পড়তে বসা,
বিদ্যুৎ হীন জোছনা রাতে
উঠোন জুড়ে চাঁদের হাটে
বউচি খেলার ছকটি কষা।
বুড়ী দাদীর তুলতুলে গাল
মনে কি পড়ে?!
ফোকলা দাঁতের সেই হাসিটা
দাদুর লাঠি? সেই কাশিটা??
মনে কি পড়ে?!!
সেসব দিনের ভাবনা যত
কবে অনেক বড় হব!
অনেক বড়, অনেক...
যেদিন বাবা বকবে না আর
মা বলবে না আর 'অংক কষ'
যেদিন হবে চাকরি আমার
দিদি বলবে না আর পড়তে বস
ইশ! কবে অনেক বড় হব?
আজ, সেসব ভেবে হাসি ভীষণ
পরক্ষনেই কাঁদি আবার
কবে আসবে সেই দিনটি?!
সুযোগ পাবো দেশে যাবার!
প্রবাসের এই পিঞ্জরেতে
বইমেলা :: ব্লগ বন্ধুদের বই, মোড়ক উন্মোচন, আপনাদের উপস্থিতি কামনা
বাঙালী জীবনের দীর্ঘতম উৎসব অমর একুশে গ্রন্থমেলা। কালের পরিক্রমায় আমাদের সৃজনশীলতা ও মননশীলতার শ্রেষ্ঠ আয়োজন। স্থানটি যদিও বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গণ তথাপি প্রতিটা ঘড়েই এর ছোঁয়া লেগেছে। মহান ভাষা আন্দোলন আর ভাষা শহীদদের স্মৃতিবিজড়িত এই মাসকে ঘিরে প্রতিদিন বের হয় নিত্য নতুন বই।
যে কথা ছিল না জানা
আচছা বিয়ের সময় মেয়েরা এতো কান্নাকাটি করে কেন বলতে পারেন? ছোট বেলা থেকে পরিচিত কারো বিয়েতে গেলে, কান্নাকাটি দেখতাম আর তারপর থেকে এই প্রশ্নটা মাথার ভিতর ঘুরপাক খেত। আমার ধারনা ছিল মতের বিরুদ্ধে বিয়ে দেয়া কান্নার কারণ হতে পারে কিম্বা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার একটা অংশ হতে পারে। কান্না না করলে কেউ আবার যদি বলে "মেয়েটা শশুর বাড়ী গেলো, কাঁদলো না?"
একটি ভেলা, একটি ঝরনা এবং একটি ভ্রমনের সারসংক্ষেপ
লোকটা কাঠুরে। পাহাড়ী বৃক্ষ থেকে জ্বালানী সংগ্রহ করার জন্য ভেলা বানিয়ে উজানে গিয়েছিল। হিমালয়ের বরফ গলা খরস্রোতা নদী। নদীতীরে বসে ভেলাটা দড়ি দিয়ে ধরে রেখে কাঠুরে একটু জিরিয়ে নিচ্ছিল খানিক। দিবানিদ্রার ঝিমানিতে দড়িটা কখন ফসকে গেল হাত থেকে কাঠুরে টেরই পেল না।
বেকারত্বের ঠেলা-সামলানো উপায়সমূহ :)
শুরুতেই কয়েকটা জিনিস ক্লীয়ার করা দরকার- আজকাল সবাই বেদম নোট লিখতাছে... দেইখা আমারো নোট লেখার ''থাকবো নাকো বদ্ব ঘরে'' টাইপ শখ জাগলো... আর সামু তে কাউরে কিছু কইলেই ''ট্যাগ করলা ক্যান'', ''ওরে খাইছে, মোরে ট্যাগ কইচ্ছে
'' কত হেনতেন; সেই হিসেবে ফেবুতে প্রেমসে ট্যাগ করা যায়... কেউ কিছুই কয়না... এই আনন্দটা নেয়ার জন্য সবাইরে ট্যাগ কইরা দিছি এই নোটে 
বেলা শেষে ফিরে এসে
অনেক জল্পনা কল্পনা, আড্ডার উছিলায় চটপটি ফুচকা খাওয়া , মেসেঞ্জারে কনফারেন্স, ফোনাফোনি সবকিছুর অবসান ঘটিয়ে ৫ ই ফেব্রুয়ারি এলো। আনন্দ উত্তেজনা, আর টেনশন নিয়ে ভালো করে ঘুমাতে পারলাম না, যদি আবার সকালে সময়মত উঠতে না পারি। সাঈদ ভাই বলছিলো সাজুগুজু করে যাবেন, না হয় ছবি তুলে দিব না। কিসের সাজুগুজু কিসের কি!
দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ৩য় পর্ব]
মাথার কাছে নিঃস্বাস ফেলার শব্দ করে এ সি টা চলছে আবিদের রুমে। বছর খানেক হল এখানে অফিস নিয়েছে আবিদ। নয়া পল্টনে ছোট খাটো অফিস, হাতে গোনা কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারী। গত বছর এই সি এ ফার্ম দিয়ে এরই মধ্যে বেশ কিছু কাজ করে ফেলেছে সে, মার্কেটে একটু একটু করে বাড়ছে তার পরিচিতি। একটু আগে এক ক্লায়েন্ট এসে মিটিং করে গেল আবিদের সাথে। মিটিং শেষ করে আবিদ কাঁচের দেয়ালের দিকে তাকায়। উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ভার্টিকেল ব্ল
আত্মকথন...
ইংরেজি গান শোনার অভ্যাস ওভাবে ছিলনা কখনো। মূলতঃ ইন্টার জীবন থেকে একটু একটু ইংরেজি গানের জগতে হাঁটা চলা। তবে এখনও ইংরেজি গানের প্রতি তেমন কোনো আগ্রহ গড়ে ওঠেনি। আর আমার টেস্টও খানিকটা ভেজাইল্যা। কোনো স্টেশন নাই। গান শোনা শুরু জ্যাকসন দিয়ে। বন্ধুর পাল্লায় পড়ে মারকস, এডামস, বোল্টন, ডেনভার, ম্যাডোনা, টয়াইন, মেটালিকা, মেগাডেথ, এমিনেম ব্লা ব্লা ব্লা... সবরকম হাবিজাবিই শুনি। ভালো লাগে কিংবা লাগে না।
লিখতে হলে..... কিনতে হবে....
"লিখতে হলে পড়তে হবে, পড়তে হলে কিনতে হবে
বইমেলায় যান, বই কিনুন !"
কথাগুলো খুব পছন্দ হয়েছে । দেশের বাইরে থেকে এই মেলাকে খুব মিস করি । যারা দেশে আছেন, একদিনের জন্য হলেও মেলায় 'ঘুরান্তি' দিয়েন । ঘুরান্তির সঙ্গে বইও কিনেন পছন্দসই ।
এই প্রসঙ্গে আরো একটা কথা মনে পড়লো, - "যে যতো ভালো পাঠক, সে ততো ভালো লেখকও !"