ইউজার লগইন

শওকত মাসুম'এর ব্লগ

এলোমেলো কিংবা উল্টাপাল্টা

নদী ভরা কূলে কূলে , খেতে ভরা ধান ।
আমি ভাবিতেছি বসে কী গাহিব গান ।

১.
বরং বাবার কথা বলি। আমার বাবা গ্রামে মানুষ, ম্যাট্রিক পাশ করে বরিশালে এসেছিলেন বিএম কলেজে পড়তে। এর পর চাকরি হয় পাকিস্তানের বিমান সংস্থা পিআইএতে। জীবনটা সে সময় সহজ ছিল। চাকরি পেয়ে বিয়ে করেন, আমার মা তখন ১৩ বছরের। আমার বাবার পোস্টিং ছিল করাচীতে, ৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের সময় চাকরি ছেড়ে দেন। পাকিস্তানিদের অধীনে চাকরি আর করার সেই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট সাহসী ছিল বলা যায়। কারণ আমার বাবা অস্ত্র হাতে যুদ্ধে যাওয়ার মতো মানুষ ছিলেন না। আমরা তখন তিন ভাই বোন। সুতরাং অনিশ্চিত একটি জীবন ছিল আমার বাবার সামনে। যুদ্ধের সময় আমাদের নানা বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছিলেন আমার বাবা। বাবা ঢাকায় কিভাবে ছিলেন আমি জানি না। আশ্চর্য, একদিনও বাবার কাছে সেটা জানতে চাইনি।

তোমার সঙ্গে আমার অথবা আমার সঙ্গে তোমার আর দেখা হবে না

গল্পটা মীরকে উৎসর্গ করলাম

একবার গোয়ালন্দঘাটে ফেরিতে ওঠার আগে ইলিশ মাছ ও ইলিশের ডিম ভাজা খেয়েছিলাম। তাও ২৫ বছর আগে। ইলিশ মাছের ডিমের সেই স্বাদ আর কখনো পাইনি। সেই গোয়ালন্দঘাট আর নেই, সেই আমিও নেই।
গোয়ালন্দঘাটের কথা খুব মনে পড়লো বরিশাল যেতে। আমাদের ক্যডেট কলেজের রি-ইউনিয়ন। এর আগে কখনো রি-ইউনিয়নে যাওয়া হয়নি, আমাদের ব্যাচের কেউ উদ্যোগ নেয়নি, আর তাই একসঙ্গে যাওয়ার কথা কখনো ভাবাও হয়নি। এবার রফিক ফোনের পর ফোন করে সবাইকে রাজি করালো।
আরিচা ধরে গিয়েছিলাম আমরা চারজন, এক গাড়িতে। রেজার গাড়ি, ওই চালায়। আর আমরা তিনজন, বুলবুল, সাগর ও আমি। ভাবা যায় ২৫ বছর পর আমরা চারজন এক হলাম?

বড়দের ১৩ জোকস। অবশ্যই ২৪+

কৌতুক বলার নানা বিপদ আছে। আর সেটা হল কারো না কারো পড়া থাকবেই। কারণ এর কোনো কপিরাইট নাই, সংগ্রহ করাই মূল কাজ। এখানে আনলাকি ১৩টা জোকস দিলাম। অবশ্যই বড়দের। কেবল বড়দের বললে ভুল হবে, কঠোরভাবে বড়দের। সুতরাং যারা বড় হন নাই তার আর পড়বেন না। এখানেই থামেন, অন্য পোস্টে যান।

আবারও বলি এই পোস্ট বড়দের, কোনো ভাবেই ছোটদের না। সবগুলো জোকস সংগ্রহ করা, কেবল একটা খানিকটা মৌলিক বলা যায়। কোনটা?

দেখি কে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন।

ভেবেছিলাম ১০টা দেবো, পরে মনে হল ১৫টা দেই। শেষমেশ ১৩টা দিলাম। আবারো বলি অনেকেরই হয়তো সবগুলো পড়া। তারপরও দিলাম।

১.
মেয়েদের সুখী করার ৭০ টা উপায় আছে। এর মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে শপিং, আর এর পরেই ৬৯

২.
বন্ধুর বউকে বিয়ে করেছে দবির। স্ত্রী পরিত্যক্ত ছবির দুঃখে কষ্টে দবিরকে বললো, শেষ পর্যন্ত সেকেন্ড হ্যান্ড পেলি!

সংবাদপত্র জগতের গল্প-১

সকালেই ফোন ফাহিমের। ধরতেই বললো, মাসুম ভাই চাকরিটা ছেড়ে দিলাম। চমকে উঠে বললাম, কেন, কি হয়েছে। ফাহিম জানালো, গতকাল মিটিং ছিল মালিকের সাথে, মিটিং-এ মালিক গালাগালি করেছে খারাপ ভাবে। সেটা শুনতে ভাল লাগেনি বলেই সাথে সাথে চাকরি ছেড়ে দিয়েছে। মিটিং-এই ফাহিম মালিককে বলে এসেছে যে, ‌‌আপনার চাকরি আর করছি না।'।
ফাহিমকে চিনি অনেকদিন ধরে। অত্যন্ত ভাল ছাত্র ছিল। কিন্তু নানা সঙ্গদোষে ভাল ছাত্রের সুনামটা আর ছিল না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সামলে নিয়েছে নিজেকে। বিয়ে করেছে, একটা ছেলেও আছে। পুরো পরিবারটা তেখতে ভাল লাগে। ফাহিমের বউ আমার বউয়ের দিক থেকে আত্মীয়ও হয়। আবার আমি যখন ইত্তেফাকে, তখন তাকে আমার সম্পাদিত অর্থনীতির পাতায় লিখতে দিতাম। সেই সুবাদে তার সাংবাদিক হওয়ার পথটা সহজ হয়েছিল। আর এখন নিজ যোগ্যতায়ই বিশেষ প্রতিনিধি হতে পেরেছে।

নির্দোষ গল্প

আজকাল বাসায় ফিরতে বেশ রাত হয়ে যায়।

গত সপ্তাহের কথা। সেই রাতে আরও রাত হল। টেলিভিশনে একটা প্রোগ্রাম ছিল। শেষ করে আসতে আসতে রাত একটা। ঘুমাতে গেলাম আরও পরে। নিশ্বাসের দূরত্বে থাকা বউ বললো. আজকাল একটু বেশি সরাসরি কথা বলছি টকশোতে, এটা কি ঠিক? আমি এটা নিয়ে জ্ঞানগর্ভ একটা বক্তৃতা টাইপ দিলাম। বললাম, মানুষজন এরই মধ্যে এসএমএস করে থ্যাংকস দিছে। আর মিউ মিউ করে জীবন কাটানোর কোনো অর্থ হয় না।
বউ মনে হল একটু খুশী হল।
আমি তারপর বললাম, তোমার কত ভাগ্য। তাই না?
বউ কপালে ভাঁজ ফেলে বললো, কিরকম?
আমি বললাম, একটু আগে যাকে টিভিতে দেখলা, গরম গরম কথা বললো, মানুষজন প্রশংসা করলো, এখন তুমি তার সঙ্গেই শুয়ে আছো। তোমার ভাগ্য তো ঈর্ষা করার মতো। নৃত্য মজা

তারপর?

বুড়োধাড়িরা আগ্রহে উঠে ব'সে
আবারো জিগ্যেস করে: 'তারপর?'
ব্যাপারটা তাদের মাথায় যাতে ঢোকে
তার জন্যে
ধোঁয়ায় ধোঁয়াকার হয়ে

এলোমেলো মুভি পোস্ট

রাসেল আমারে ওয়ালে চিকা মারছে। মুভি নিয়ে পোস্ট দাবি করছে। আগের মতো মুভি দেখা তেমন হয় না। মেয়ের স্কুল, অফিসের কাজ সব, ব্যস্ততা এবং বই পড়ার নেশা ও নেট-মুভির সময় কমিয়ে দিয়েছে। আর সব মুভি দেখেই তো আর চীৎকার দিয়ে জানানোর ইচ্ছা হয় না। তাই ভাবছিলাম কি পোস্ট লিখবো। আগের দেখা মুভিগুলোর কথাই ভাবছিলাম। পুরোনো দেখা মুভির কথা ভাবতেই মাথার মধ্যে জানান দিল কিছু মুভি দেখার স্মৃতি। ভাবলাম লেখা শুরু করি, যেসব ছবির নাম মনে আসবে সেগুলোই লিখে দেবো। ধরে নিলাম এই মুভিগুলো কোনো না কোনো কারণে মাথার মধ্যে গেঁথে আছে।
এটা আসলে এলোমেলো মুভি পোস্ট

১. মুলহল্যান্ড ড্রাইভ-ছবিটা দেখে প্রথমে বুঝাই যায় না শেষ পর্যন্ত কি হলো। কোনটা আসল আর কোনটা কল্পনা। দর্শকদের দারুণভাবে বিভ্রান্ত করতে পেরেছে এই ছবি।

ধাঁধা পোস্ট

এইটা একটা ধাঁধা পোস্ট। আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ। উত্তরটা আর দিলাম না। আপনারাই বলেন- Smile

বাসায় আপনি দেখেন টেলিভিশন। কিন্তু আপনি যখন বের হন নিয়ে যান আপনার সেল বা মোবাইল ফোনটাকে।

আপনার হাতে যখন টাকা থাকে না আপনি তখন টিভি দেখেও আনন্দ পান না। পারলে বিক্রি করে দেওয়ার কথাও ভাবেন। কিন্তু যখন আপনার হাতে টাকা থাকে আপনি আপনার মোবাইল ফোনটাকে বদলে ফেলেন।

আপনি কখনো কখনো টিভি উপভোগ করেন। কিন্তু আপনি আপনার মোবাইল ফোন নিয়ে খেলেন প্রায় সর্বক্ষণ, সর্বদা আপনার হাতেই থাকে সেটটি।

টিভি একবার কেনার পর সেটি সারাজীবনের জন্য ফ্রি, তেমন কোনো অর্থ ব্যয় করতে হয় না। কিন্তু মোবাইলের পেছনে যদি অর্থ ব্যয় না করেন তাহলে সেবা আর পাচ্ছেন না।

টিভি আজকাল অনেক বড়, মোটাসোটা এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পুরোনো। কিন্তু মোবাইল সুন্দর, স্লিম এবং সহজেই বহনযোগ্য।

আনন্দময় একটা দিন

ছুটির দিন, আবার বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ খেলা। হাতের কাছে অসংখ্য বই, কোনটা ছেড়ে কোনটা পড়ি অবস্থা। ছফামৃতটা হাতে নিয়ে বসলাম। এটা শেষ করে আহমদ শরীফ-এর ডায়েরি, ভাব-বুদ্বুদ শেষ করবো। এরপর রফিক আজাদের কোনো খেদ নেই অথবা আব্দুল মান্নান সৈয়দের ডায়েরি। হাতের কাছে অনেকগুলো ভাল বই থাকলে এর চেয়ে আন্ন্দময় জীবন আর কী আছে।

কেনা হয়েছে অনেকগুলো ডিভিডি। মাত্রই অস্কার দিল। এবার অস্কার নিয়ে বিতর্ক কম। কেবল ইনসেপশন নিয়ে কেউ কেউ কথা বলছেন, এই ছবিটির নাকি আরও ভাল করা উচিৎ ছিল। আমার কাছে কিন্তু তা মনে হয়নি। আমার কাছে ইনসেপশন বরং ওভাররেটেড লাগছে। একজন সাধারণ দর্শক হিসেবে আমার ছবিটি আহামরি ভাল লাগেনি। হয়তো আমি ছবিটি ভাল বুঝতে পারিনি। Day Dreaming

মেলায় ম্যালা বই কিনলাম

বই মেলায় কী বই কেনা হল তা নিয়ে নজরুলের একটা পোস্ট আছে। ভাবছিলাম সেখানেই আমার তালিকাটা দিয়ে দেই। বইগুলো শেলফ থেকে বের থেকে দেখি আমিও কম কিনিনি। তাই ভাবলাম আলাদা একটা পোস্ট দেই। অনেক দিন কিছু লেখি না। লেখার আগ্রহটা ফিরিয়ে আনার জন্যই আলাদা পোস্ট।

যা কিনলাম-
১. দাস্তাম্ভু: সিপাহি বিদ্রোহের রোজনামচা-মির্জা গালিব, অনুবাদ-জাফর আলম
২. কিংবদন্তীর গল্প: চট্টগ্রাম-সুচরিত চৌধুরী
৩. ঢাকা পুরাণ-মীজানুর রহমান
৪.স্বৈরশাসনের নয় বছর, ১৯৮২-৯০-মেজর রফিকুল ইসলাম
৫.আমি বীরাঙ্গনা বলছি-নীলিমা ইব্রাহিম
৬.বাংলাদেশ: রাষ্ট্র ও সরকারের সামরিকীকরণ-হাসান উজ্জামান
৭.তিন পুরুষের রাজনীতি-রফিক কায়সার
৮. বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ও অন্যান্য প্রবন্ধ-আসহাবুর রহমান সম্পাদিত
৯. একাত্তর: নির্যাতনের কড়চা-আতোয়ার রহমান
১০. পাকিস্তান: একনায়কতন্ত্র ও সংকটরে স্বরূপ-সম্পাদনা-হাসান গারদেজি ও জামিল রশিদ, অনুবাদ-তানভীর মোকাম্মেল

তবলার যাদুকর

১.
আমি খুবই সাধারণ একজন শ্রোতা। গান শুনি, কারণ শুনতে ভাল লাগে। জগজিৎ সিং-এর গজল আর বন্যার রবীন্দ্রনাথের গান শুনে আমি ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে দিতে পারি। ঢাকায় জগজিৎ সিং আসলেও একবারও দেখতে যেতে পারিনি। একবার একটা টিকেট হাতে নিয়েও কাজের কারণে যেতে পারিনি।
ভার্সিটি জীবনে শিল্পকলায় বন্ধুদের নিয়ে খুব যাওয়া হতো, বেশির ভাগই রবীন্দ্রনাথের গান শুনতে। চাকরি জীবনে অনেক অনুষ্ঠানে চাইলেই যাওয়া যায়, কিন্তু কাজের ধরণের কারণে আর যেতে পারি না। কারণ আমার কাজই সন্ধ্যায়।
আমি সামিনার খুব ভক্ত। এতোটাই ভক্ত যে, গত বছর এক অনুষ্ঠানে ফাহমিদা নবীর সঙ্গে জীবনের প্রথম আলাপের আমার প্রথম কথা ছিল 'আমি সামিনার খুব ভ্ক্ত।' যিনি আলাপ করিয়ে দিয়েছিলেন তিনি পরে আমাকে বকা দিয়ে বলেছিলেন, কাজটা ঠিক হয়নি। ঈর্ষা জিনিষটা খুবই খারাপ।

কর্পোরেট খেলা দেখা এবং......

১.
বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেইখা মোটামুটি চাঙ্গা। লাইন ছাড়া টিকেট পাইছি, লাইন ছাড়া স্টেডিয়ামেও ঢুকছি। পুরা একহাজার টাকা উসুল হইছে। ব্রায়ান এডামসের তিনটা গানের দামই তো ১০ হাজার টাকার সমান। তারপর ধরেন শিল্প ব্যাংক ভবনরে পিচ বানাইয়া যেভাবে ক্রিকেট খেলা হইছে সেইটার দাম ও ধরেন ৫শ টাকা। ইন্ডিয়ান কিছু মাইয়া যেভাবে ধক ধক করনে লাগা টাইপ নাচছে সেইটার দাম আরও ৫শ টাকা। আনন্দবাজারের কথা অনুযায়ী অনুষ্ঠানের একমাত্র ভাল ছিল লেজার শো। দাদার কথা মাইনা এইটার দাম তাইলে ১ হাজার টাকা। শ্রীলঙ্কার নাচা-গানার দাম আরও ৫শ টাকা। মমতাজ বেগম যেমনে গাইছে সেইটার দামও ১শ টাকা। (চার প্যাকেট পপকর্ণ কিনছি ১শ টাকায়, সুতরাং হাতে থাকলো শূণ্য)।

নতুন ইমোর দ্রুত ব্যবহার

আমার বই বের হয়েছে। গেছি বই মেলায়। আমার সামনে লম্বা লাইন। অটোগ্রাফ দিয়ে কুলিয়ে উঠছি না। এক পর্যায়ে কলমের কালি শেষ হয়ে গেল। কী আর করি। তখন আঙুলটাকেই কাজে লাগালাম।
টিপ সই
কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চালানো গেলো না। কেমনে যাবে? দিবাস্বপ্ন Day Dreaming কী এতোক্ষণ ধরে দেখা যায়?

তবুও সবাইকে জানিয়ে রাখি। আমার এই বই কিনতে লাগবে ৯০টি এক পয়সা টাকার মুদ্রা। ২৫% কমিশন ধরে এই দর। Smile
তবে এরই মধ্যে যারা কিনেছেন তাদের THNX । আর যারা কিনবেন বলে ঠিক করেছেন তাদের জন্য Welcome

আজ একটা সংস্থা আমার প্রকাশকের সঙ্গে যোগাযোগাগ করেছে, তারা একসঙ্গে ১০০টি বই কিনতে চায় পার্টি
সুতরাং ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই কিনুন, কিনে ধইন্যা পাতা নিন। এখনো বসে আছেন? মেলার দিকে ভাগন্তিস হন।
তারপরেও যারা বসে আছেন তাদের মাইর গুল্লি
আর যারা কিনছেন তারা ব্লগিং-এর অবসরে পড়তেছি

আমার বই: সাদা-কালোর অর্থনীতি

cover.jpg

আজ বের হয়েছে বইটি। দিব্য প্রকাশ থেকে। মূল্য ১২০ টাকা। আজ বের হলো বলে আবারো বিজ্ঞাপন দেওয়ার লোভ সামলানো গেল না। বইটির সবচেয়ে ভাল অংশ তুলে দিলাম, আর সেটি হল মুখবন্ধ, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের লেখা।

মুখবন্ধ

এখানে জয়ী হবার বদলে ক্ষমা চাইতে ভালো লাগে

1410398234_c341320704_1.jpg

১.
আমাদের বারান্দায় ঘরের চৌকাঠে
কড়ি কাঠে চেয়ারে টেবিলে আর খাটে
দু:খ তার লেখে নাম।
(শামসুর রাহমান)

২.
হাত দেখার একটা নিয়ম আছে। হাত ধরে বলতে হয়, আপনি সবার জন্য এতো করেন, এতো ভাবেন কিন্তু সবাই আপনাকে নিয়ে ঠিক সেভাবে ভাবে না। সবাই আপনাকে বুঝতে পারে না।
সবাই নিজেকে নিয়ে এটাই ভাবে। কিন্তু নিজেও যে কত মানুষকে কষ্ট দেয়. দুঃখ দেয় সেটা বুঝতে পারে না, মনে রাখে না।
এই অংশটুকু আমি নিজেকেই উৎস্বর্গ করলাম।

৩.
ভালো হোক মন্দ হোক যায় মেঘ আকাশে ছড়িয়ে
আমাকে জড়িয়ে ধরে হাওয়া তার বন্ধনে বাহুর।
বুকে রাখে, মুখে রাখে – ‘না রাখিও সুখে প্রিয়সখি!
যদি পারো দু:খ দাও আমি দু:খ পেতে ভালোবাসি
দাও দু:খ, দু:খ দাও – আমি দু:খ পেতে ভালোবাসি।

এখানে জয়ী হবার বদলে ক্ষমা চাইতে ভালো লাগে

1410398234_c341320704.jpg

১.
আমাদের বারান্দায় ঘরের চৌকাঠে
কড়ি কাঠে চেয়ারে টেবিলে আর খাটে
দু:খ তার লেখে নাম।
(শামসুর রাহমান)

২.
হাত দেখার একটা নিয়ম আছে। হাত ধরে বলতে হয়, আপনি সবার জন্য এতো করেন, এতো ভাবেন কিন্তু সবাই আপনাকে নিয়ে ঠিক সেভাবে ভাবে না। সবাই আপনাকে বুঝতে পারে না।
সবাই নিজেকে নিয়ে এটাই ভাবে। কিন্তু নিজেও যে কত মানুষকে কষ্ট দেয়. দুঃখ দেয় সেটা বুঝতে পারে না, মনে রাখে না।
এই অংশটুকু আমি নিজেকেই উৎস্বর্গ করলাম।

৩.
ভালো হোক মন্দ হোক যায় মেঘ আকাশে ছড়িয়ে
আমাকে জড়িয়ে ধরে হাওয়া তার বন্ধনে বাহুর।
বুকে রাখে, মুখে রাখে – ‘না রাখিও সুখে প্রিয়সখি!
যদি পারো দু:খ দাও আমি দু:খ পেতে ভালোবাসি
দাও দু:খ, দু:খ দাও – আমি দু:খ পেতে ভালোবাসি।