অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৬ জন অতিথি অনলাইন

মা দিবস উপলক্ষ্যে: মায়ের অভিমান

একটা চিঠি। সে অনেকদিন আগের কথা; আমার বয়স পাঁচ কি ছয় হবে। হারিয়ে যাওয়া স্মৃতির ঐ সময়টা খুব একটা কারো মনে থাকার কথা নয়। পরবর্তীতে মা আবার সেই স্মৃতিটা গল্পের মত বলেছিল এবং কেঁদেছিল, যখন আমি পড়তে পারি। পদ্মা বিধৌত উর্বর মাটির সন্তান আমি এবং আমার পূর্ব পুরুষ। এ নদীকে কেন্দ্র করে এর কাছাকাছি শরীয়তপুর, চাঁদপুর ও বিক্রমপুর-এ হাজার বছর ধরে আমাদের পিতৃগণ ও মাতৃগণের বসবাস। ১৯৪৭এর পরে এবং ১৯৭১ এর পূর্ববর্তী ও পরবর্তী সময়ে আমাদের মাতৃ ও পিতৃকূলের অধিকাংশ সদস্য ভবিষ্যতের কথা ভেবে ক্রমান্বয়ে ভারতে চলে যায়। আমার মা বাদে দাদু তার পুরো পরিবার নিয়ে নদীয়ায় চলে যায়। চিরতরে মা-বাবা হারানোর মত করে মা টানা পাঁচ-সাত কেঁদেছিল।

হাজারবার মরলে পরেও আসবো ফিরে ফিরে, আমি আসবো ফিরে এখানে - এ শহরেই!

আজ সকাল বেলা আমি হাটতে বের হই নি। অনেকটা ইচ্ছা করেই হয়তো আজ আমার বের হওয়া হই নি। মামা অফিসের কাজে গেছে হবিগঞ্জ ভোরে। সেই ভোর পাচটাতেই আমিও উঠে বসে আছি। কিন্তু কেনো জানি যাওয়ার মুড পেলাম না আজ। যাওয়ার মুড না পেলেই মনে অজস্র যুক্তি দাঁড়িয়ে যায় যে আমার তো ডায়বেটিক বা উচ্চ রক্তচাপ না যে প্রতিদিন নিয়ম করে হাটতে হবে? তাই আজ শুয়েই থাকলাম। শুয়ে শুয়ে এই কাক ডাকা ভোরে নামায পড়া বাদ দিয়ে লোকজনের স্ট্যাটাস পড়া শুরু। যাই হোক এপাশ ওপাশ করেই কাটাচ্ছি তখন মনে হলো যাই বের হই, বসে থেকে লাভ কি?

একটুখানি রবির গানে..

একটা সময় ছিল,
কোথাও রবিবুড়োর গান হবে শুনলেই দৌড়ে চলে যেতাম শুনতে।

বাসার কাছে হলে তো ভালোই, একটু দূরে হলেও সমস্যা নেই।

আজকাল আর তেমনটা হয় না, সময় করে আর যাওয়া হয় না।
সময়টাই খুব অস্থিরতার,
তাই আজকাল বলা চলে এইসব প্রোগ্রামের খবর চোখেই পড়ে না খুব একটা।

যাই হোক, প্রতিবছর রবি বুড়োর জন্মদিনে ৩/৪ দিনের রবীন্দ্র উৎসব আয়োজন করে থাকে বাংলাদেশ জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী সংস্থা বা পরিষদ। এবারও করেছিল।
৮ থেকে শুরু করে ১১ মে। আগে প্রায় প্রতিদিনই, এমনকি দিনে দুইবেলাও যাওয়া হত গান শুনতে। শাহবাগে পাবলিক লাইব্রেরির শওকত ওসমান মিলনায়তনে।

এবার শুধু একদিনই যাওয়া হয়েছে, পরশু। কাল যাওয়ার ইচ্ছা ছিল ছায়ানটের প্রোগ্রামে। সাভারেরর ভবনধ্বসে ১৭ দিন টিকে থেকে ৩৯১ ঘণ্টা পর উদ্ধার হয়ে আসা মিরাকল রেশমার আনন্দের রেশে আর যাওয়া হয় নি ওখানে।

পাবলিক লাইব্রেরি অথবা ছায়ানট, এইসব জায়গায় গেলে সবচেয়ে ভালো লাগে যে ব্যাপারটা তা হল একসাথে এত্ত মানুষ চুপচাপ মুগ্ধ হয়ে রবি বুড়োর গান শোনা। আর এইসব প্রোগ্রামে গেলে চেনাজানা গানের পাশাপাশি অনেক অচেনা আনকমন গানও শোনা হয়ে যায়, এই ব্যাপারটাও খুব ভালো লাগে আমার।

তবু আশা বেঁধে রাখি.....

দেশে ফিরেছি, মার্চের ১১ তারিখে। তখন দেশ জুড়ে চলছে হরতাল। কোথাও যেতে পারি না। ঘরে বসে বসে মুরগীর মত ঝিমাই। এর মধ্যেই একদিন কথা হল, ব্লগার শান্তর সাথে। অবশ্যই অনলাইনে। এর আগে কোন দিন ওর সাথে কথা বা যোগাযোগ কিচ্ছু হয় নি। Sad আসলে বাঙ্গালীরদের “ভাগ্য” বলে, একটা বিশেষ কথা আছে। আমার ভাগ্যে শিকা ছিঁড়ল কারণ শান্তর আমার একটা লেখা বেশ পছন্দ হল- তার পর তিনি নিজে থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করে সেটা জানালেন। Shock এক দু কথায় প্রকাশ পেল, তিনি আমার খুব কাছাকাছি থাকেন। আর যায় কোথায়? তারে প্রস্তাব দিলাম- 'আমি তারে দেখতে চাই' সেও রাজী কিন্তু চিনব কি করে? তিনি মধুর কণ্ঠে বললেন, আমার খোমা দেখেন- “তাইলেই আমার চেহারা মোবারক দেখতে পাইবেন”। Tongue
যাক সে এক ব্রাট ইতিহাস, শান্ত এলেন আমাকে দেখা দিতে----- ভীষণ ব্যাস্ত তিনি। দুই পকেটে দুই মোবাইল। সারাক্ষণ টুন টুন করে বাজতেছে। এরে তারে তিনি ফোনে এইটা সেইটা বলতেছেন, সে এক ব্রাট অবস্থা। Wink তবে ছেলে ব্যাস্ত হলে কি হবে, ছেলে বেজায় ভালো। আমার জন্য খালি হাতে আসে নাই।

মুন্নিময় মুহুর্ত

কেনো যেন সাংবাদিকদের সাথে আমার বেশ রাশির গড়মিল যাচ্ছে। এক "সাংবাদিক" আমাকে বেশ গালাগাল দিল। কারণ সাভার ট্র্যাজেডি নিয়ে সাংবাদিকদের অনুভূতিহীন রিপোর্টিং করা সম্বন্ধে কড়া একখানা মন্তব্য করেছিলাম। উল্রেখ্য তিনি এও বলেন, অসাংবাদিক কেন সাংবাদিকতা নিয়ে কথা বলবে! সাংবাদিকতা নিয়ে শুধু কথা বলবে সাংবাদিক!! যাই হোক, তিনি নিতান্তই বয়সে বড় বলে আচ্ছাসে ধোলাই করিনি। বলিনি যে, তাহলে রাজনীতি নিয়েও আমাদের কারো কথা বলা বাঞ্ছণীয় হবে না, কারণ আমরা কেউ রাজনীতি করি না। কোন কিছু নিয়েই হয়তো বলা ঠিক হবে না নিজের গণ্ডি ছাড়া।
যাই হোক আজকের আলোচনার বিষয় কিন্তু সাংবাদিকতা না। আমি সাংবাদিকতা ভালোবাসি। পারলে আবার ঐ চিরচেনা পরিসরে ফিরে যাবো। আজকের বিষয় বিশিষ্ট সাংবাদিক। আমাদের সবার প্রিয় মুন্নি সাহা। এখন নানা ধরনের বিষয় সোশ্যাল-ক্রিটিক্যাল-ইলেক্ট্রনিক-ডিজিটাল- এনালগ মিডিয়া মাতিয়ে রেখেছে। সেখানে মুন্নি সাহা কি করে একটি লেখার মূল বিষয়- এটা প্রশ্ন হিসেবে আসতেই পারে। কিন্তু বিগত চার-পাঁচ বছরে আপার রিপোর্টিং যেভাবে নানা বিষয়ের সাথে প্যাচ খেয়ে গেছে- আপাকে সেকারণে ধরতেই হয়।

সিএনএন ও বিবিসি মিথ্যাচারের শিকার

সিএনএন আই রিপোর্ট (ireport) একটি রিডার অপিনিয়ন পেইজ। প্রি- স্ক্যানিং ছাড়াই যে কেউ তাঁর মতামত সিএনএন আই রিপোর্টটে পোস্ট করতে পারে। অথচ প্রথম আলোতে কমেন্ট পোস্ট করতে গেলেও স্ক্যানিং হয়। প্রকাশ যোগ্য হলে তারপর পোস্ট টি প্রকাশ করা হয়। সিএনএন আই রিপোর্টে এমনটি হয়না। হেফাজতের উপর রাতে অভিযানের ফলে ৩০০০ নিহত হয়েছে বলে যিনি দাবি করেছিলেন সেই পোস্ট কারি ছিল pseudonymous.

আমরা চলিব পশ্চাতে ফেলি পঁচা অতীত

যে সব লোকেরা মতিঝিলে হাজার হাজার লাশ পড়েছে বলে কান্না করছে তারা ভুল বলছে না। আমি দেখতে পাচ্ছি তাদের চেতনার গুমট কালো কালো লাশ পড়ে আছে রাস্তাঘাটে। এই লাশের সংখ্যা গুনে গুনে তাদের স্বস্তি, কিন্তু আমাদের অস্বস্তি এই এত্তগুলো জিন্দা লাশ জাতি কী করে বয়ে নিয়ে যাবে! মহাকালের কোন কৃষ্ণগহ্বরে ঠাঁই হবে এই সব লাশপ্রিয় চলন্ত লাশদের! যেখানে একটা মৃত্যুও অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক সেখানে তারা লাশের রাজনীতি করার জন্য কওমি মাদ্রাসার নাবালক বাচ্চাদের মিছিলে সওয়ার হয়ে বিশৃঙ্খলা শুরু করে পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

ফিরে এসো

সে ঢেউয়ের মত ভেসে গেছে
চাঁদের আলোর দেশে গেছে।

কবি গুরু তুমি কাকে
কি উদ্দেশ্যে লিখেছিলে জানিনে,
কিন্তু তুমিও যে ভেসে গেলে
চাঁদের আলোর দেশে গেলে
আর যে ফিরে এলে না।

আমি আমার অস্তিত্ব
আমার অনুভুতি
আমার কল্পনা
আমার সঙ্গীত
আমার নৃত্য
আমার উপন্যাস
আমার চিত্রাঙ্কন
আমার সকল শিক্ষা
আমার সকল দর্শন
নিয়ে তোমাকে খোঁজে ফিরি।
কোথা পাব তোমায়
শুধু বাতাসে
প্রতিধবনি শুনি
আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালবাসি
কিন্তু কোথায় তুমি!
তাই
ফেরিওয়ালার মত,
এ গ্রাম থেকে ও গ্রাম।
খুজে ফিরি,

যখনি নিজের দিকে তাকাই
কত নিঃস্ব
নিজের বলে কিছু নেই
সবই মেকি
সবই তোমার ।
খাটাশ মার্কা গলায়
“দিবস ও রজনী আমি যেন কার
আশায় আশায় থাকি।“
প্রেয়সীর মন ভুলাতে
এ গানটি যখন গাই
খাটাশ কন্ঠের কর্কশ স্বরটিই
নাকি তার কাছে অমৃত সম লেগেছিল
তাকে আপন করে পেয়েছিলুম
তাই,
তুমিই বল
কবি
তুমি ছাড়া কি আমার চলে
আমাদের চলে
চলে না
তাই তুমি আস
যেই বাতাসে চলে গিয়েছেল
সেই বাতাসেই ফিরে আস।
যেই চাঁদের আলোর
দেশে গিয়েছিলে
সেই চাদের আলোয় ভেলায় ভেসে
ফিরে এসো।।।

ভেসে যাচ্ছি চোখে বিষন্নতার আলো জ্বেলে মতোন জাহাজীর একা!

শিরোনাম দেখে চমকে উঠবেন না প্লিজ। আমি কবি সাহিত্যিক হয়ে যাই নি। শিরোনামহীন ব্যান্ডের একটা গানের লাইনের আংশিক পরিবর্তিত ভাবে লিখে দিলাম শিরোনামে। ঝকমারি বিষন্ন বিষন্ন ভাব না থাকলে আমার আবার পোস্ট লেখার ভাব থাকে না। আজ অবশ্য পারফেক্ট পোস্ট লেখার ভাব আছে, কারন সারাদিন কিছুই খাই নি। সকালে ইচ্ছা করেই নাস্তা খাই নি পকেট ভর্তি মাসকাবারী হাত খরচের টাকা নিয়ে ঘুরছি। বুয়া আসে নাই দুপুরে। তাই খাওয়া হয় নি দুপুরে এমনকি সন্ধ্যাতেও। এদিকে এসিডিটির মাত্রাও চরম। বাসায় খুজে টুজে একটা রেনেটিডই খেলাম। আর সারাদিন খেয়েছি একটা সিংগারা, গোটা তিনেক চা আর একপিস কেক। তাই নিয়েই লিখছি এই পোস্ট, যেনো একদম রাতে খাই,খাওয়া দাওয়া করতে আমি খুব ভালো পাই। আগে আমার অনেক বন্ধুর বাসায় দাওয়াত ছাড়া খাওয়ার এক্সেস ছিলো। তা ক্রমশ ছোটো হয়ে এখন আমি প্রকারন্তরে কারো বাসাতেই খাই না। বন্ধুরাও খোজ নেয় না আর আমিও হারিয়ে ফেলেছি তাদের বাসায় আন্টিদের এতো আদরের ভালো মন্দ খানা দানা খাওয়ার এক্সেস। আমিও আর যেতেও চাই না কারো বাসায়। আমার জন্যে আল মাহবুব কিংবা সলিমুল্লাহ রোডের নিউ প্রিন্স হোটেলই ভালো। জিহবা পানি আনা সব খাবারের পসরা নিয়ে বসে আছে।

আমার রবীন্দ্রনাথ : প্রেমে ও প্রার্থনায় - 'বড়ো বেদনার মতো বেজেছো'

অনেকদিন ধরে লেখালেখি থেকে দূরে সরে আছি। আরো নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে - লিখতে পারছি না। এর ঘোরতর দুর্যোগ যেন নেমে এসেছে জীবনে। তবু, আজকে মনে হলো - রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে দু-চার কথা বলার চেষ্টা করি। তাঁকে নিয়ে সবসময়ই কথা বলা যায়, কিন্তু বলা হয়ে ওঠে না। আজ তাঁর জন্মজয়ন্তী। এই উপলক্ষেই না হয় কিছু বলা যাক।

২.

কোথায় যে আছে মন

কোথায় যে আছে মন ৷জলের কিনারে খুঁজেছি
খুঁজে পেতে দেখেছি বার বার ৷পাথরের
নুড়ি নাড়িয়ে এখানেই এসেছি
নদীর জলে জোৎস্না হারিয়ে চাঁদ
ঘুমালে খুঁজেছি ৷
নুড়ি এসে বল্লে..অন্ধকারেও মন নেই ৷

ঝরে যাওয়া শুকনো পাতায়
খুঁজেছি ৷খুঁজেছি নির্জন বনভূমি জুড়ে
খুঁজেছি পারাবত ডানা মেলে ৷ছায়াপথ
থেকে দূরত্বে চোখ তুলে
শুকনো পাতা এসে বল্লে... মর্মর'ও নেই ৷

চা বাগানে এলদ্রিন দেয়া গাছের
বাকলে খুঁজেছি
পোকা মাকড়ের সাথে সখ্যতা হয়েছিল
বহুবার
দুরে মিলেছিল ঘাসফুলের আদুরে পরশ
সবাই কে বলেছি..জানো কোথায় আমার মন
চা গাছ শক্ত ডালপালা নিয়ে হেসেছে
তোমাকে খুব জানি..তোমার মন কোথায়
জানি না ৷

ঘরের কোনে খুঁজে দেখেছি৷এক
কোনে দাঁড়িয়ে থাকা নিতান্ত মনের কোন
ঘুমের ঘোর দু হাতের পরশ
ঠেলে ঠেলে আমি এসেছি
যাওয়া আসার পথে শিশির
ভেঙ্গেছে পায়ে খালবিল
ছাড়িয়ে কাদা মাখা পায়ে এসেছি ঘরে
ঘরের ভেতর আমায় বল্লে ...
' কোথায় ছেড়ে এসেছ তোমার মন ৷'

মাঠের পাশে সেই উত্তরমুখো বেদীতে
যেখানে দক্ষিন হাতে তোমার কোমর
জড়িয়ে বসে থাকে শরীর
সেই বেদিতে ..সেই
শেফালিকা অপরাজিতার দেশে
যেন উজান বেয়ে স্বপ্ন আছে উষ্ণ পরশ
জড়িয়ে

জাতি হিসাবে আমরা কি বড় বিভক্তির দিকে এগুচ্ছি?

সমগ্র পৃথিবিতে এই জিনিসটা দেখা যায় যে, দেশে কোন দূযোগ দেখা দিলে সরকারী দল আর বিরধী দল এক হয়ে তা মোকাবিলা করে। আর আমার দেশের সরকারী দল আর বিরধী দল ঘটনা থেকে যার যার benefit খোজা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। সরকারী দল বলে মৃতের সংখ্য ০৩ জন আর বিরধী দল বলে ওই সংখ্য ৩০০০ জন। অন্য দিকে মিডিয়াগুলো তাদের রাজনৈতির মতাদশ অনুযায়ী খবর প্রচার করে।সবাই মিলে আমাদের ধোকাই দিয়ে চলেছে।আসলে আমরা সাধারন জনগন বুঝি, কখন সত্যটা জানতে পারি না।এই দেশের ৫% মানুষ বাকি ৯৫% মানুষকে চরম ধোকা, ভোগান্তি, হতাশা, কষ্ট উপাহার দিয়ে চলেছে। এর শেষ কোথায় আমার জানা নাই। আপানাদের কারো জানা আছে?

ইসকুল – সারমর্ম ও শব্দার্থ শিক্ষা

সফেদ পোষাকে সাজিয়া, নুরানী ভাবগাম্ভীর্য লইয়া জনৈক ভুঁইফোড় শফী হুজুর ও তার যোগ্য চেলা বাবুনগরী গাধায় চাপিয়া ” ব্লগ দিয়া ইন্টারনেট চালানো ”র প্রতিবাদে জিহাদ করিতে চট্টগ্রাম নগরে স্থাপিত নাস্তিক মন্চের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হইলেন । পথিমধ্যেই হুজুর মোবাইল তরঙ্গে ওহী ( মেসেজ ) প্রাপ্ত হইয়া ব্যাপক ক্ষমতা অর্জন করিলেন এবং গাধা পরিত্যাগ করিয়া ঘোড়ার সওয়ারী হইয়া ব্যাপক লম্ফঝম্ফ করিতে লাগিলেন । ওহী প্রাপ্ত শফী ও বাবুনগরী অর্থ, ক্ষমতা ও আশ্বাসে আস্বাদিত হইয়া জীবনের মোড় ঘুরাইতে অর্থাৎ টার্ন লওয়াইবার স্বপ্ন দেখিতে লাগিলেন ।
স্বপ্নে বিভোর ভন্ডহুজুর শফি বোরাকে চাপিয়া তাহার স্বপ্নরাজ্যের ইতিউতি ঘুরিয়া বেড়াইতে লাগিলেন । স্বপ্নের সাম্রাজ্যের সিংহাসনে আরোহনের পরিকল্পনা করত , ঘোরে আচ্ছন্ন শফি কাফেলা যোগে পাইক পেয়াদা সমেত শাপলা চত্বরের উদ্দেশ্যে টার্ন লইলেন । কিন্তু ঘোরের মধ্যে যাত্রার কারনে পথভুল করিয়া হুজুর লালবাগ আসিয়া উপস্থিত হইলেন ।

ছোট চাচা (প্রথম পর্ব) নামটা এখনও ঠিক করতে পারিনি।

ছোট চাচা (প্রথম পর্ব) নামটা এখনও ঠিক করতে পারিনি।
আমার ছোট চাচা অত্যন্ত পরহেজগার মানুষ। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, কোরান পড়া ,তাহাজ্জুতের নামাজ পড়া সহ যত রকমের ইবাদত করার সবই করেন। দিন বা রাতে কখন ঊনি নিদ্রা যেতেন তা শুধু তিনি ও আল্লাহ তায়লাই জানতেন। এগার কি বার বছর বয়সেই উনি পবিত্র কোরানে হাফেজ হলে একটি বিখ্যাত মাদ্রাসায় হাদিস বিশারত হবার জন্য দাদাজান ভৃর্তি করে দেন। ছোট চাচা দেখতে অত্যন্ত সুন্দর ও মেধাবী ছিল তাতে কোন সন্দেহ নেই। অল্প বয়সেই উনি একজন পরহেজগার মানূষ হিসেবে অত্র এলাকায় বেশ সুনাম ও সুখ্যাতি অর্জন করেছিলেন।

কোরআন পোড়ানো

লাও আনযালনা হাযাল কোরআনা আলা জাবালিল লারাইতাহু খাশি’আম মুতাছাদ্দি আম মিন খাশইয়াতিল্লাহ, ওয়া তিলাকাল আমছালু নাদ্রিবুহা লিন্নাসি লা, আল্লাহুম ইয়াতাফাক্কারুন। (সুরা হাশর ,আয়াত-২১)
অর্থঃ আমি যদি এ কোরআন কে পাহাড়ের উপর নাজিল করতাম তবে নিশ্চয়ই তুমি দেখতে তা নত হয়ে আল্লাহর ভয়ে বিদীর্ণ হয়ে গিয়েছে। আমি এ সমস্ত দৃষ্টান্ত মানুষের জন্য উপস্থাপন করছি যেন তারা চিন্তা করে।
বন্ধুগন, গতকাল বায়তুল মোকাররমে যে ভাবে কোরআন পোরানো হল, এ আয়াতটি পড়ার পর অন্তরাত্মা কি ভয়ে কেঁপে উঠবে না।
আমরা কি পাহাড়ের চেয়েও শক্ত ও নিস্প্রান হয়ে গেছি। আজ আমরা নিজেদের কোথায় নিয়ে গেছি। একটু ভাবুন।
এ আয়াতে আল্লাহ আমাদের ভাবতেই বলেছেন।
আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়াত দান করুণ।
আমিন।
৬/০৫/২০১৩

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ