ডিলাইটফুল ডিসেম্বর
সেই ক্লিশে কিছু কথা দিয়েই লেখা শুরু করতে হয়। প্রথমেই আসবে, ব্লগে লেখি না অনেকদিন। লেখার সময় পাই না খুব একটা। আর যা সময় পাই তখন অন্য ডজনখানেক কাজে ব্যস্ত থাকি। ব্লগ লেখাটাও আর মিস করছি না। তবুও নিজে নিজে লেখি সময় পেলে- অবশ্যই তা ডায়রীতে, সেইজন্যেই লেখা আমি ভুলি নাই, লেখা যদি ভুলে যেতাম তাহলে হয়তো ব্লগ মিস করতাম। ব্লগ লেখার জন্য মন উশখুশ করে না আর। উপলক্ষ্য ছাড়া ব্লগে লেখা আর হয়ে উঠে না। আজও লিখছি বিশেষ কারনে। দ্বিতীয় কথা হলো এখন ব্লগ পড়িও না। ফেসবুকেই থাকি। ট্যাবে অটোমেটিক ওপেন হয়। কিন্তু আগে যেমন এক পোষ্ট ছয় সাতবার পড়তাম তেমন পড়াই হয় না। আর নিজের লেখা তো পড়ি না খুব একটা। কারন প্রতিটা লেখা পড়লেই মনে হয় ট্রেন ধরার তাড়া নিয়ে লিখেছিলাম, অজস্র ভুল, আরও গুছিয়ে-ভালো করে লেখা যেত। কিন্তু হলো না। কি আর করা যাবে। সবার সব কিছু হয় না। তাই ব্লগের চার্ম হারিয়ে ফেললাম আবার। সামহ্যোয়ার ছাড়ার পর অনেকদিন লি
ggggg
গত এক দশকে বিশ্বে মুসলিমবিদ্বেষ বেড়েছে। এয়ারপোর্টে সিক্যুরিটি ক্লিয়ারেন্সে দাঁড়িয়ে দুটি কারণে মেজাজ খারাপ হয়, প্রথমত বেশীর ভাগ এয়ারপোর্ট এখন নন-স্মোকিং, একবার সিক্যুরিটি ক্লিয়ারেন্স অতিক্রম করলে আয়েশ করে ধুমপানের কোনো সুযোগ নেই। দ্বিতীয়টা সিক্যুরিটি চেক আপ। পাসপোর্ট হাতে নিয়ে লাইনে দাঁড়াও, একের পর এক বাঁক অতিক্রম করে অবশেষে জুতা খুলো, তারপর স্ক্যানারের সামনে দুই পা ৩০ ডিগ্রী ফাঁকা করে হাত দুটো মাথার উপরে তুলে দাঁড়াও, একবার এই দিকে তাকাও, আরেক বার অন্যদিকে, ল্যাপটপ, মানিব্যাগ, পকেটের সবকিছু দেখে শেষ করার পর দুর্ভাগা হলে বায়োলজিক্যাল হ্যাজার্ড চেক আপ। শরীর ঘাঁটাঘাঁটি করার সময় নিরাপত্তাকর্মকর্তা নরম সুরে বলবে আমি তোমার পাছের ওখানে নাড়বে তবে তখন আমি হাতের তালুর উল্টোদিক ব্যবহার করবো। দুই পায়ের মাঝখানেও একই রকম অবস্থা। তোমার শরীরে স্পর্শ্বকাতর কোনো জায়গা থাকলে জানাও।
পাকিস্তানী সেনা অফিসারদের কন্ঠেই গণহত্যার সাক্ষ্য
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানী সেনা অফিসারদের বিভিন্ন সময়ের কথা বার্তায় উঠে এসেছে তাদের অপরাধের সত্যতার প্রমাণ, তারা কিভাবে পরিকল্পিতভাবে এই দেশে গণহত্যা চালিয়েছে সেসকল তথ্য।
হামিদুর রহমান কমিশনের কাছে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আজিজ আহমেদ খান তার সাক্ষ্যতে বলে, "জেনারেল নিয়াজি ঠাকুরগাঁও এবং বগুড়াতে আমার ইউনিট পরিদর্শনে এসে আমাদের কাছে জানতে চান, আমরা কি পরিমাণ হিন্দু হত্যা করেছি। মে মাসে একটি লিখিত নির্দেশ আসে হিন্দুদের হত্যা করার জন্য। এই নির্দেশ ২৩ ব্রিগেড এর ব্রিগেডিয়ার আবদুল্লাহ মালিক প্রেরণ করেছিলেন।"
ব্রিগেডিয়ার পাকিস্তানী অপর এক সেনা কর্মকর্তা তার এক বিবৃতিতে বলেছিলো, অফিসারদের খুশী করতে পাকিস্তানী সেনাসদস্যরা পাখির মতন গুলি করে বাঙ্গালীদের হত্যা করতো। সে আরো বলে ততকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জেনারেল গুল হোসেন তার কাছে প্রায় জানতে চাইতো সে কি পরিমাণ বাঙ্গালীকে গুলি করেছে।
হাহাকার......
কোন কাঁটা তারের প্রাচীর নেই যে ছুঁয়ে গেলে ই রক্তাক্ত হবে। কোন ইট সুরকির মজবুত দেয়াল নেই যে মাথা খুড়ে মরতে হবে। কোন মানব বসতি শুন্য জমির অস্তিত্ব নেই সেখানে। প্রতি মুহুর্তের অনুভব জ্যান্ত। নিশ্বাসের শব্দ শুনে বলে দেয়া যায় বুকে জমে থাকা ব্যাথার অস্তিত্ব।শরীরী উষ্ণতা অনুভুত হ্য় শরীরে। শান্ত শ্রান্ত স্বপ্ন কাতর মুখ ভেসে থাকে সামনে। তাও ছোয়া যায় না। ঘুমন্ত শরীর ছুটে চলে অজান্তে ই। তাও এই রেশমি বাঁধা ডিঙ্গানো হয় না। রাত জেগে দেখে যাওয়া মশাদের অবাদ বিচরণ। কত অনায়াশে দুই পৃথিবীর দুই রকম মানুষের রক্ত একাকার করে দিচ্ছে। কেমন করে আমাদের ছুঁয়ে দিচ্ছে বিকারহীন।
সিগারেট খাওয়া এবং না খাওয়া
পুরনো আলাপ। নিচে নেমে ভাত খেয়ে একটি বেনসন নিয়ে উপরে উঠলাম। একজন ধূমপায়ীর জন্য মাত্র একটা সিগারেট একটা যাচ্ছেতাই ব্যাপার- তাও যদি হয় সারারাতের জন্য বরাদ্দ মাত্র একটি শলাকা- তাহলে ব্যাপারটা হাস্যকর পর্যায়ে চলে যায়- এক গেলাস জল দিয়ে ঘরের আগুন নেভানোর চেষ্টা করা যেমন হাস্যকর ঠিক তেমন। একজন ধূমপায়ী-যে মিথ্যে আবেগে রাত জাগে- তার ঘরে অন্তত কয়েক প্যাকেট সিগারেটের মজুদ থাকা দরকার।
ধুমপান ছাড়তে চাই কি চাই না সে ব্যাপারে আমি নিজেই নিশ্চিত নই- আজ পর্যন্ত হতে পারিনি। প্রথমে ভাবলাম ছেড়ে দেব- দিনে দুই একটি এবং রাতে মাত্র একটি শলাকা বরাদ্দ করলাম। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর সিগারেটের বদলে বরাদ্দ একটা কলা। আমি প্রতিরাতে একটি কলা নিয়ে ঘরে ফিরতে লাগলাম। এসবের পেছনে অবশ্য একজন মানুষের অবদান ছিল। মেয়েটির ব্যাপারে আমি প্রায় পাগল ছিলাম। ঠিক করে ফেললাম ছাইপাঁশ ছেড়ে দিয়ে প্রেমের নাও বাইবো।
এইসব দিনরাত্রি
প্রতিদিন সকালে উঠে বাথরুম যাওয়া, দাঁত মাজা, সেভ করা, গোসল করা, নাস্তা করা, অত:পর কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়ি। কর্মস্থলে এসে কম্পু চালু করি। নেট কানেকশন দেই। এবিতে লগ ইন করি। তারপর মেইল চেক করি। তিন নম্বরে ফেবুতে ঢুকি। ছুটির দিন ছাড়া এটা আমার নিত্য রুটিন।
যতক্ষণ অফিসে থাকি, লগ ইন অবস্থায় ব্লগে থাকি। ফেবুতেও। তারমানে এই নয় যে, সারাদিন প্রয়োজনীয কাজ কর্ম ফেলে শুধু নেটে ঘুরি। কাজের ফাঁকে একটু উঁকি মারি মাঝে-মধ্যে। এবির দিকে তাকিয়ে অবাক হই। দুই জন বা সর্বোচ্চ তিনজন লগ ইন থাকে। ২৫ থেকে ৩০ জনকে নিয়মিত অনলাইনে দেখায়।
আমার ধারনা, এরা লগ ইন করতে লজ্জা পায় বা ভয় পায়। কেনোনা, যে হারে ব্লগাররা আহত-নিহত হচ্ছে, তাতে না আবার জানের উপর দিয়ে যায় ! গায়ে একবার ব্লগারের ছাপ পড়ে গেলেতো সমস্যা। জানের মায়া কার না আছে ! ঠিকইতো। নিজের জানের চেয়ে বেশি প্রিয় কিছু থাকবে না, থাকতে নেই- এটাইতো স্বাভাবিক।
শিরোনাম খুঁজে পাই না
বাংলার সাথে ইংলিশ মিলাইয়া যে ভাষার মিশ্রণ তৈরী হয় তাকে স্মাটর্ ভাষা বলে। ভাষাকে শুধু মনের ভাব প্রকাশ করিবার জন্য ব্যবহার করা হইলে অপচয় তো বটেই নিজের শিক্ষিত পরিচয়টাও প্রকাশ করা হয় না। যে যত শিক্ষিত, সে ইংলিশ বেশি বলিবে এইটাই তো নিয়ম। বাংলা ক্লাসে বাংলা বুঝাইবার জন্য ইংলিশে অনুবাদ করাটাই আদর্শ পথ। দেশে থাকাকালীন বাংলা আর ইংলিশ মিশাইয়া কথা কইতাম। নতুন দেশে আইসা পরলাম বিপদে। এরা আমার বাংলা ভাষা দূরে থাকুক ইংলিশ এর "ই" বলতে গেলেই চোখ উল্টাইয়া দম আটকাইয়া মরে মরে অবস্থা দেখা দেয়। হায়রের উন্নত দেশ। আমার দেশে গিয়া দেখ , যত উন্নত পরিবার তত বেশি ইংলিশ বলে। নিজের দেশের ভাষা তত কম জানে। ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ারের পড়াশোনাও সব ইংলিশে করে। তোদের ডাক্তার সামান্য থ্যাংকইউ কে বলে "সানকিউ"!!তারপর এমন একটা ভাব করে যেন ইংলিশে সে বিশাল বড় ভাষণ দিয়া ফালাইছে। "ইংলিশ" শব্দটাও তো
আমরা কেমন আছি !
লিখতে ভালো লাগছে না। মনটা বিক্ষিপ্ত। কত কিছু ভাবনায় আসে। সময়, সুযোগ আর ইচ্ছের সমন্বয় ঘটছে না। কী যে করি ?
চারদিকে কেমন একটা থমথমে ভাব। প্রাণচাঞ্চল্য নেই কোথাও। কেমন মরা মরা। আকাশটাও কেমন জানি গোমরামুখো হয়ে আছে।
চারদিকে কেমন একটা তাল-লয়-সুর কাটা অবস্থা। দুই যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছেন আদালত। যে কোনো সময় ঝুলে যাবে তারা। দেশের অবস্থা নাকী অস্থিতিশীল। আম জনতা বলে। মন্ত্রী, এমপি, রাজনীতিবিদরা বলছেন- ভিন্ন কথা। টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে আর সংবাদপত্রে তাদের কথা শুনে মনে হয়, দেশের কোথাও কোনো সমস্যা নেই। সবাই নিরাপদে, নিশ্চিন্তে, দুধ-ভাত খাচ্ছে প্রতিদিন।
ধরে নিলাম তাদের কথাই ঠিক।
আমার হিজাব আমার পরিচয়
দূর থেকে হিজাব পরা কাউকে দেখলেই সমস্ত আকর্ষণ তার দিকে চলে যায়। সে মুসলিম। সেও আমাকে দেখে অবাক আর খুশি হয়। যেন রাস্তায় কোন বন্ধুর সাথে হঠাৎ দেখা। কাছাকাছি আসতেই হাসি মুখে সালাম দিই দুজনেই। কথা হয় না। দু'জন দু'জনের রাস্তায় চলে যাই। কোন ভাষায় কথা বলব জানি না। সে কোন দেশের তা তো জানি না। তবে সে মুসলিম। তাই মনটা আনন্দে ভরে উঠে , আপন মানুষ দেখার আনন্দ যেমন সে রকম। ঈদের দিন বা ঈদের পরের বন্ধের দিনগুলোতে শপিং মল বা পাকর্ে, মুসলিম দেখে ঈদের শুভেচ্ছা জানাই।"ঈদ মোবারক" বলতে পারায় যে এত আনন্দ, আগে জানতামই না। আফ্রিকান নিগ্রোও কত সহজে বুঝে ফেলে। সারা পৃথিবীর সব মুসলিমদের একটা জানা ভাষা। আমার হিজাব আমাকে এই আনন্দ হাতে তুলে দিয়েছে। হিজাব না থাকলে কি এত সহজে বুঝত আমি মুসলিম?
আর সকালবেলায়
স্টেশণ থেকে বের হতেই ঠান্ডায় শরীর কেঁপে উঠল। ট্রেণের ভিতরটা গরম ছিল আর মাটির নিচের স্টেশণটাতে ঠান্ডা পৌছায় নি। এখনও পুরোপুরি শীত শুরু হয় নি। আজ মেঘলা দিন। সূযর্ দেখা দিতে চাইলেও মেঘের দল তা হতে দিচ্ছে না। বার বার ঢেকে দিচ্ছে। স্কুলে যেতে ১৫ মিনিট হাটতে হবে। এক বোতল গরম চা কিনে হাঁটতে শুরু করলাম। প্রতিদিনের মতই সব। রাস্তায় গাড়ি ছুটে চলছে। সকাল ৮ টা থেকে ৯ টা রাস্তাগুলো ভীষণ ব্যস্ত। সিগনাল লাল হলে তবেই না রাস্তা পার হব। ঐ যে, আনুমানিক ৭০ বছর বয়সী দাদীআম্মা প্রতিদিনের মত সাইকেল নিয়ে হাজির। কাজে যায় হয়ত। রাস্তা পার হতে হতে চারপাশে তাকাই। ঐ তো দুই বাচ্চাকে সাইকেলের সামনে আর পিছনে বসিয়ে মা'টা স্কুলে নিয়ে যাচ্ছে। হাত নাড়ল প্রায় ৯০ বছর বয়সের দাদীআম্মাটা। প্রতিদিন দেখা হয়। সকালে সেজেগুজে বসে থাকেন এখানে , বয়স্কদের দেখাশোনার লোকেরা এসে নিয়ে যাবে। সারাদিন থেকে সন্ধ্যায় বাসায় ফিরবে।
কি বলব জানি না
কি লিখব, কিভাবে লিখব, কিছুই বুঝতে পারছি না। বাংলায় অনুবাদ করা কথাগুলোর চেয়ে জাপানী ভাষা বোধহয় ভাল। টেনশনে হাত কাঁপছে রীতিমত। ব্লগের জগতে প্রথম। এটাই প্রথম লেখা। ঠিক জায়গায় লিখতে পারছি কি না তাও জানি না। কিভাবে পোস্ট করব তাও জানি না এখনও। কেউ পড়বে তো? ট্রেণে বসে লিখছি। মেইল ১৩ তারিখে পাঠানো হলেও, আজ পেয়েছি। লগ ইন করেই লিখছি। কি লিখতে চাচ্ছি আর কি লিখছি কিছুই বুঝতে পারছি না।
বর্তমানের ভাবনা
সমাজের বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সমাজের নীতি-নৈতিকতা নির্ধারণ করে। ধর্ম যে কৃষিভিত্তিক সামাজিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিকশিত হয়েছে সেখানে ধর্ম দাসের প্রতি মানবিক হতে অনুরোধ করলেও যেহেতু তৎকালীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় দাসের উপস্থিতি প্রয়োজনীয় ছিলো তাই কোনো ধর্মই সরাসরি দাস ব্যবসাকে নাকচ করে দিতে পারে নি। সমাজে দাসবিষয়ক মানসিকতা পরিবর্তনের জন্যে শিল্পবিপ্লবের প্রয়োজন হয়েছে। শিল্পবিপ্লবের ফলে বিদ্যমান কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা অপ্রচলিত হয়ে যাওয়ায় অর্থনৈতিক ক্ষমতাকাঠামো টিকিয়ে রাখতে দাসদের খুব বেশী প্রয়োজন ছিলো না। সমাজ সংস্কারকদের চাপে, বিভিন্ন ধরণের মানবতাবাদী উপাখ্যানে মুক্ত মানুষের ধারণা প্রচলিত হওয়ার পর ধীরে ধীরে ইউরোপের অধিকাংশ দেশেই দাসব্যবসা বিলুপ্ত হয়ে যায়। আফ্রিকা থেকে জাহজ ভরে মানুষ ধরে নিয়ে এসে যুক্তরাষ্ট্রে খোলা বাজারে নিলাম করে মানুষ বেচা বন্ধ হয়ে যায় ১৮০৮ সালে কিন্তু সে সময়
আলো আসবেই
ঐ দূরের অন্ধকারচ্ছন্ন পথটাতে হঠাৎ করে আলো আসতে শুরু করলো । শত শত বছরের কুসংস্কার কে পিছনে রেখে, অন্ধবিশ্বাস কে দূরে রেখে , সত্যকে সত্য বলে অকপটে স্বীকার করে, জানার আগ্রহ কে প্রবল করেই আজ তারা আলোর পথে!!!
একটি ঘর থেকে একটি বাড়ি আলোকিত হবে তারপর গ্রাম তারপর জেলা, বিভাগ,এরপরই তো একটি দেশ আলোকিত হবে।
একটি ছহি নুডলসবিক্রেতা কোপানিবৃত্তান্ত
পৃথিবীর এক কোনায় একটি গ্রাম ছিলো, সুজলা সুফলা শস্য শ্যামলা। সেই গ্রামের লোকেরা মাছ দিয়া ভাত খাইয়া, জারি-সারি গান গাহিয়া মনের সুখেই দিনাতিপাত করিত। কিছু কিছু মানুষ অবশ্য ভাতের বদলে তখন রুটি কিংবা নুডলস এই জাতীয় দ্রব্যাটি খাইত। যাহারা ভাতে অভ্যস্ত তাহারা তাহাতে আঁৎকাইয়া উঠিতো। রুটি না হয় সহ্য করা গেলো, ভাতের পাশাপাশি তাও চলিয়া যায়, তাহাদের মতই দেখিতে অন্য গোত্রের মানুষরা সেইটা খায়। তাই বলিয়া নুডলস! সেতো পুরোই অশাস্ত্রীয় অনাচার!
আমরা ভালো আছি!
খুব স্বাভাবিক আর অন্য দশটা দিনের মতোই কেটে যাচ্ছে দিন।তরকারিতে লবন হলো কিনা, মাংসটা আরেকটু সেদ্ধ হলে ভালো হতো, চায়ের লিকারটা একটু পাতলা হয়ে গেছে এই বোধগুলো যখন এখনো জীবিত তার মানে সব ঠিক ঠাক আছে। শীতটা আসি আসি করছে।আলমারিতে তুলে রাখা শীতের কাপড়্গুলো নাড়াচাড়া করি। সেখান থেকে কর্পুরের গন্ধ ভেসে নাকে লাগে। শীতের প্রসাধনী কেনার লিস্ট করি। জীবনযাত্রা তো স্বাভাবিকই আছে।বাজার নিয়ে ভাবতে হয়। অফিসে যাওয়া, সংসার করা , এই শীতে কোথাও বেড়াতে যাব কিনা সেসব ভাবনা ও তো ঠিকই চলছে।রোজকার নিয়ম অনুসারে সকালে ঘুম থেকে ওঠা, রাতে ঘুমাতে যাওয়া, দিনভর নিত্য রুটিন কাজ সবই যখন ঠিক্টহাক আছে তাহলে নিশ্চয়ই আমরা ভালো আছি। হয়তো বেশ ভালোই আছি।
রাতের অন্ধকার ছাড়িয়ে এখন দিনের ফকফকা আলোয় যতই কুপিয়ে হত্যা চলুক না কেন আমরা ভালো আছি।