৩টি কবিতা
সে কোথাও নাই
সে চলে যায়; জ্যোছনায় ভেসে সে যায় হারিয়ে যায়
চিত্রলেখা ভোরে সে কোথাও থাকে না,
দৃশ্যগল্প একা আমি একেলাই রচি...
এই ফাল্গুনের দিনে,
আলো-ছায়ায়-; কান্না ভেজা শূন্যতায়-
আমি নিছক পেয়েছি আমাকে!
সে ছায়া হয়ে গেছে চাঁদের বনে
তার হয়ে নিঃসঙ্গতা জাগিয়ে যায় আমার ঘুমন্ত বোধ কে...
লাবিবের জন্য একটা আনন্দের সকাল
আজ সকালে এক লাফে ঘুম থেকে উঠেই আমার ছোট ছেলে লাবিব একগাল মিষ্টি হেসে, আনন্দে ঝলমল করতে করতে সগর্বে জানালো : আব্বু, আমি আজ শিস করি নাই
কথাটা শুনে খুব আনন্দিত হলাম, আবার ওর জন্য খুব মায়াও হলো
আকাশ খুলে বসে আছি তাও কেনো দেখছোনা?

একটু যদি তাকাও তুমি মেঘ গুলো হয় সোনা
আকাশ খুলে বসে আছি তাও কেনো দেখছোনা?
একই আকাশ মাথার ওপর এক কেনো ভাবছোনা?
আকাশ খুলে বসে আছি তাও কেনো দেখছোনা?
আকাশ খুলে বসে আছি তাও কেনো দেখছোনা?
আসবে বলে ঐ যে দেখো মেঘেরা দাঁড়িয়ে
বেবাকতে দোয়া করবেন...
ভয়ানক পেরেশানীতে অাছি... অদ্য বিকাল ৩.৩০ মিনিটে ছেলের মায়ের পেট কাটাকাটি করা হবে... বেবাকতে দোয়া করবেন...
একটা ভদ্রলোকের গল্প বলি (উৎস্বর্গ-নজরুল ইসলাম পলান)
(আমি তখন এবিতে নতুন আসছি। নজরুল তখন মজার মজার কিছু পোস্ট দিতো। সেই পোস্ট পইড়া আমরা মুগ্ধ হইতাম। আর নুপুর তো প্রেমেই পইড়া গেলো। সেই যুগে এই গল্পটা নজরুল একটা পোস্টে দিছিলো। আমাদের অফিসে সুমনা শারমীন বা সুমী আপার সামনে কোনো বাজে কথা বলা যায় না, তার সামনে বড়দের গল্পও বলা যায় না। একদিন সুমী আপারে এই গল্প শুনাইলাম। তারপর থেকে এই গল্প আমার অফিসে ব্যাপক হিট। রস-আলোর সম্পাদক সিমু নাসের ধরলো তারে এইট
আবজাব-২
আমার আব্বা ....
হাসের বাচ্চার সাঁতার শেখা (যথারীতি পূর্ব প্রকাশিত)
১৯৯৭ তে চাকুরি তে ঢুকি। ১৯৯৯ কি ২০০০ সালেই ইন্টারনেটের সাথে প্রথম পরিচিত হই। তখন অফিসে হাতে গোনা কয়েকজনের কম্পিউটার এ ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া হয়েছিল, আমি তার মধ্যে একজন। অফিসে, বন্ধু মহলে ভাব বেড়ে গেল কয়েক গুন। কয়েক দিনের মধ্যেই আবিষ্কার করলাম ইন্টারনেটের বিশাল উপকারী জিনিস - চ্যাটিং। আমাদের সার্ভারের জন্য প্রথম কয়েকদিন mirc এর বাংলাদেশ রুমে যেতে পারিনি। প্রথম প্রথম তখন একটা ওয়েব (www.bangla2000.com)
হযবরল
কত কি যে লিখতে ইচ্ছে করে!!গুছাতে পারি না।ব্লগে পোষ্ট পড়ে ভাবি এত সুন্দর লিখে কিভাবে মানুষ? আমি ত পারি না! আমার ধৈর্য নেই কিছু যে ভাবব, লিখব। হুট করে গ্রামে গেলাম সেদিন, মনে পড়লো নুশেরাপু বলেছিলো ফিরে এসে লিখতে, ছবি দিতে। কিন্তু অনুভব করলাম যে শৈশব নিয়ে লিখব...
ডাইরী ৫৭
গুলিবিদ্ধ পাখি গোত্তা খেয়ে কোথাও পড়েছে। আমি তারে খুঁজতে খুঁজতে বন, পাহাড়, মাতাল সমতল উল্টে পাল্টে বেড়াই। গুলিবিদ্ধ পাখি কোথাও বেদনাহত পড়ে আছে...
এক.
বইয়ের কথা -ম্যাগনাম ওপাস ও কয়েকটি গল্প
অনেক দিন পর একটা জম্পেশ ফেব্রুয়ারি মাস কাটালাম ।সিংহ রাশির জাতকের এবার অর্থভাগ্য সুপ্রসন্ন ছিল কিনা জানিনা ,তবে আমার মাসের শুরুতে বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত অর্থসমাগমে পকেটটা কিঞ্চিত হৃষ্টপুষ্ট দেখাচ্ছিল ।কিন্তু ,ঐ যে , সুখে থাকতে ভূতে কিলোয় ,তাই একবার বইমেলায় যাওয়া শুরু করতেই পকেট মোটামুটি গড়ের মাঠ ।তবে বলতেই হচ্ছে ,শেষ পর্যন্ত কিছু পছন্দসই বই কেনা হয়েছে ,তাই মাস শেষের দৈন্যকে এখন আর
ঝিমঝিম
বৃষ্টির সুর রিমঝিম
লাগে ঝিমঝিম
বহুদিন নাস্তাতে নেই ডিম
ঝিমঝিম
সেলফোনটায় নেই সিম
আছে ঝিমঝিম
অমৃত ভেবে খাই তেতো নিম
তবু ঝিমঝিম
থ্রেট দেয় চাঁদাবাজ টিম
লাগে ঝিমঝিম
নির্ঘুম চোখ রক্তিম
লাগে ঝিমঝিম 
বোধশূন্য
নখের ভিতর ভীষণ ক্ষুধা
একটা করুণ পাপের কামড়
বসুধা , মনে পড়ে ?
মনে পড়ে , রোদ !
আমি তোকে সেই একবার
বৈশাখী মেলায় হারিয়ে ফেললাম ।
সেই থেকে কতকাল -
তুই যে আমার কখোনো
না জন্ম নেওয়া সহোদর -
আমি যে তোর শ্বাস ধার
নিয়েই আধেক বাঁচি ;
তারপরও -
মেঘ তুই তুলে নিলি না ?
সরিয়ে নোনাদাগ ,
কেউ তো আমার ভিতর
ঢুকে গেলো না -
ছিঁড়েখুঁড়ে নিলো না -
শরীরে প্রতিস্থাপিত করে গেলো না
বুকের খোলস !
উল্টে দেখাঃ রক্তাক্ত একটা স্মৃতি
২২শে ডিসেম্বর ১৯৯০। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সেকেন্ড ইয়ার অনার্সে পড়ি তখন। ভার্সিটিতে কী একটা পরীক্ষা ছিল সেদিন। কিন্তু হবে না বোধহয়। কারন ইসলামী ছাত্র শিবির অবরোধ ডেকেছে। দাবি ভিসির পদত্যাগ। অথচ যৌক্তিক কোন কারন নেই। ব্যাপার হলো এই ভিসি শিবিরের পছন্দ না। কিন্তু যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের নিয়ন্ত্রনে, মসজিদের ইমাম থেকে রেজিস্ট্রি অফিসের পিয়নটা পর্যন্ত সবকিছু শিবিরের পছন্দের হতে হবে। সবাই বাধ্য শি
রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (তিন)
কেবল কৈশোরত্তীর্ন তরুন হিসাবে ৯০ দশকের শুরুতে যখন সুবলঙ আসতাম, তার রূপে মোহিত হইয়া একটা পুরা দিন চইলা যাইতো...পাহাড়ী ঝর্ণার অবারিত জলে শরীরের প্রতিটি কনায় শিউরে ওঠা অনুভূতি...চুয়ানির আচ্ছন্নতায় ঠান্ডা জলের বৈপরীত্যে আমরা সন্ধ্যাতক একদম নিজের জগতে থাকতাম। সেই সুবলঙে যাওনের লেইগা ইঞ্জিন চালিত ছাউনি দেওয়া ট্রলার ভাড়া কইরা পারিবারিক(?) আবহে যাত্রা...এক্কেরেই নতুন অভিজ্ঞতা আমার জন্য। কিন্তু ঈষিতা কটেজে
বইমেলায় উপস্থিত হবার ব্যর্থতায় দুধের আস্বাদ ঘোলে পূরণ
একদিকে পাহাড়, আরেকদিকে নদী। সুনীল সমুদ্র তো আছেই। এ বলে আমায় দেখ্, ও বলে আমায় দেখ্। এই নিয়ে আমার চটগ্রাম। জন্ম, বেড়ে ওঠা, বসবাস- শতাব্দীর এক-চতুর্থাংশ এখানেই। এখান থেকে যেতে মন চায় না! তারপরেও এদিক-ওদিক যাই। আবার ফিরে আসি। বাংলাদেশটাও কেমন যেন!