ছবিতে ছবিতে পিকনিকের গপ্পো
আমাদের সবার আকাঙ্খিত , প্রতিক্ষীত পিকনিক হয়ে গেল গতকাল ২৪শে ডিসেম্বর।
মেসবাহ ভাইয়ের অক্লান্ত পরিশ্রম আমাদের পিকনিকের প্রেরনার উৎস।
ভাড়া করা হয়েছিল বি আর টি সি'র নতুন চাইনিজ বাস । এবার জয়িতা চাকার উপর না বসাতে বাসের টায়ার নষ্ট হয়নাই, আমরাও কোথাও নেমে চা খাইতে পারি নাই। মেসবাহ ভাই কে চায়ের কথা বললেই বলেন - নো-টি
লাস্ট স্টপেজ - রাজধানী স্কুল থেকে যাত্রা করে বাস । বাসে উঠেই দেয়া হয় নাস্তা
বিমা ভেবেছিল আপেল দিবে হয়তো , কিন্তু দেখে কলা !!! ঐ নাস্তা খেয়েই পিকনিকে যাত্রা।
বাসে নতুন ণুঢ়া ও ণুঢ়ী আবিষ্কার হলো এবার ।
মাঝপথে বাসের মধ্যে হাসান রায়হান ভাইর উপর দিয়ে একটা টর্নেড গেলো, ফলে হা-রা ভাই পুরাই কাইত। পুরো বাসে হা-রা ভাই তব্দা খাইয়া বইসা ছিলো এরপর।
অনেক জ্যাম পেরিয়ে আমরা পৌছাই পিকনিক স্পটের গেটে।
এরপর ভিতরে প্রবেশ , সবার হাতেই কিছু না কিছু
ভিতরে চোখ জুড়ানো মনোরম পরিবেশ । সবাই ঢুকলো ভিতরে একে একে।
ভিতরে ঢুকেই সবাই ব্যস্ত পোজ দেয়াতে , চিপা চাপা খুঁজতে। স্পটের শেষ প্রান্তে পদ্মা নদীর পুকুর । সেখানেই চললো আড্ডাবাজী তারপর ছাউনির নিচে খানিক ক্ষন তাস পেটানো। এর মাঝে কিছু সিঙ্গারা কিনে এনেছিলাম, সবাই মহানন্দে সেটা শেষ করি।
এর সাথে চলে ভাপা পিঠার খাই দাই।
স্বেচ্ছা গায়ক নাহীদের কন্ঠে লালন দুপুর হলো এর মাঝে
এর মধ্যে ঋহান বাবু সহ নাজ-টুটুলের আগমন। সবাই হুমড়ী খেয়ে পড়ে ঋহানের ছবি তুলতে।
এরই মধ্যে ক্ষিদায় সবার পেটের ভিতর বাঘ ভল্লুক দৌড়া দৌড়ি শুরু করতে লাগলো। কিছুক্ষন এদিক সেদিক ঘুরেই খাবার হয়ে গেছে শুনেই সব ভীড় জমায় প্লেট হাতে নিয়ে। কেউ কেউ ভীড় দেখে প্লেট নিয়ে মন খারাপ করে দাঁড়িয়ে থাকে, আগে ভাগে না যেতে পারায়।
অতঃপর খাই দাই
তারপর কিছু ক্ষন আড্ডা চলে, চলে ফটো সেশন। তারপর বিদায় নেই সবাই স্পট থেকে। ঢাকার পথে যাত্রা ।
এত বড় দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে মেসবাহ ভিয়ের মাথা গরম হয়ে ধোয়া উঠতে শুরু করে এক পর্যায়ে
আসলেই এবি পিকনিক রক্স !!!





পুরো পিকনিকটা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি। ছবিগুলো দুর্দান্ত! বিশেষ করে শেষ ছবির ক্যাপশন পড়ে
সবার পোষ্ট পড়ে খুব ইচ্ছে হচ্ছে এবি'তে আবার এ্যাক্টিভ হই, কিন্তু মনে হচ্ছে অতটা সম্ভব হবে না।
কাল আর আজ যেটুকু সময়ের জন্য বসেছি তাতেই আমার বাবামনি'টা আমাকে মিস করছে..... আমি খেয়াল না করলে ও ঠিক থাকতে পারেনা।
ঋহান বাবু'র জন্য দোয়া কইরেন।
সুন্দর পোষ্ট!
আবারও ছবি দেইখা মজা পাইলাম

এবারের বাসটা পছন্দ হইছে।
এবারের বাসটা পছন্দ হইছে। সহমত জানালাম।
আমি মিস করলাম কেন?
সাইদ ভাই, ছবি গুলোর সাইজ ঠিক করুন। সাইজের জন্য ছবি দেখে মজা লুটতে পারছি না।
গ্রুপ ছবি তুলেন নাই! মা জয়িতার পাশের ছেলেটা কে (কাঁধে সুয়েটার)!
সাইদ ভাই, ছবি গুলোর সাইজ ঠিক করুন। সাইজের জন্য ছবি দেখে মজা লুটতে পারছি না।
গ্রুপ ছবি তুলেন নাই! মা জয়িতার পাশের ছেলেটা কে (কাঁধে সুয়েটার)!
অনেকগুলা ছবি বলে সাইজ ছোট করে দিছি, এতে পেজ আপ্লোড হতে সময় কম লাগবে।
আপনি "মজা লুটতে" না পারায় দুঃখিত
চাইপা ধইরা ছোট করতে গিয়া মানুষগুলারে তো চ্যাপ্টা কইরা ফালাইছেন, সাঈদ । বেচারা গো কাহিল অবস্থা।
কইতাছি দিয়া চিক্কুর,
আমার একটাও ছবি নাই, সাঈদরে তাই ধিক্কুর ।
আরও কথা আছে, আমি সাঈদের আনা সিঙ্গারা পাই নাই । জয়িতা সক্কলকে পপকর্ণ খাওয়াইছে, মুঠ ভরে দিয়েছে আমার চারপাশের সবার মুঠিতে, আমার দিকে ফিইরাও তাকায় নাই । তারপরে বিকেলেও একই কান্ড । সকলকে চকলেট দিল জয়িতা, এমনকি চকলেটের খালি বক্সটাও - কিন্তু আমার প্রতি পুনরায় শত্রুতামূলক আচরন করলো্ । আমার কপালে জুটলনা । আক্ষেপ - আপসুস । অভাগা যেদিকে চায়, সাগর শুকায়ে যায় । নিয়তি । তা না হলে জয়তি, হত তার সুমতি ।
নাজমুল ভাই, আপনিতো প্রচুর ছবি তুলছেন।আপনার ক্যামেরা থেকে কিছু ছাড়ুননা...।
আমি অতি অবিজ্ঞ । টেকি জ্ঞান শূন্যের কোঠায় । আপলোড করতেই পারি না, তার আবার ছাড়াছাড়ি ।
নাজমুল ভাই ভুইলা যাইয়েন না, এখন যৌবন যার, সবকিছু রয়যে তার।। আফসোস কইরেন সময়টা একদা আপনারো ছিল...চকলেট, ফুল, চিঠি....
হাহুতাশ, দীর্ঘশ্বাস.................
নাজমুল ভাই,আপনি সত্যি কষ্ট পেয়ে থাকলে দুঃখিত ।সকালে চকলেট সবাইকে দেয়ার পর , যারা বাসে যায়নি তাদের জন্য কিছু চকলেট পথিকের ব্যাগে রেখেছিরাম যাতে নিরাপদে থাকে।সেটাই বিকালে দেয়া হলো যারা সকালে পায়নি। সেখান থেকে কয়েকটা বাড়তি ছিলো সেটা দুষ্টু ছেলেপুলেরা কাড়াকাড়ি করে খেয়েছে। আমাকেও দেয়নি।
পপকর্ণ কার ছিলো জানি না। রায়হান ভাই প্যাকেট খুলে দিতে বললো , আমিও খেলাম সেই ফাঁকে।ঘুরাফিরা, আড্ডায় এত বিজি ছিলাম যে, আমি আসলেই এসব খেয়াল করিনি। তবে আমাদের সাথে আপনাকে পেয়ে আমরা খুবই খুশী হয়েছি।
এই জয়ি, আমি দুঃখ পেয়েছি তা তোমাকে কে বলেছে । বুড়ো মানুষ বলে একটু মজা করে কখাও বলতে পারবো না আমি ? তোমার লেখা পড়ে, তোমার করুণ মুখটা দেখে এইবার দুঃখ পেলাম । সুন্দর করে একটু হাসো তো দেখি !
গুড !
ছবিগুলো সুন্দর হয়েছে।
গপ্পো ম্রাত্তক হৈছে ...
খাবারের জন্য থালাবাটি ধরায়া দাড়া করায়া দিছে দেখি হে হে

ছবি সুন্দর হিছে
সারাজীবন ইশকুলে আমার নাম ছিলো বাবুই পাখির বাসা... যেই নামকরণের একটা ইতিহাস আছে। তখন ক্লাস এইটে পড়ি... আমাগো অংকের আপা ছিলেন রেখা আপা, সেট থিওরী বুঝাইতেছেন ক্লাসে... তো সেটের ছেদ বুঝাইতে গিয়া আমারে আর আমার দোস্ত শিরিনরে দাঁড় করাইলেন... আর কইলেন... এদের দুইজনের গায়ের ইউনিফর্ম একই, কিন্তু এদের মধ্যে পার্থক্যটা হইলো একজনের মাথায় দুই বেণী... আরেকজনের বাবুই পাখির বাসা। এরপরে নিজের আসল নামটা কমই শুনছি... সাঈদ ভাইয়ের ছবি দেইখা সেই কথাই মনে হইলো... আমার মাথার বাবুই পাখির বাসাটাই ছবি তোলার বিষয়বস্তু হইসে... আর সেই সাথে প্লেটধরা হাতখান দেইখা মনে হইতাসে আমার কল্যাণ বাকি কেউ আর কিছু খাইতে পান নাই... আমার বিশাল বপু দেইখা অবশ্য মানুষে আর কিছু না দেইখাও সেইটাই ধইরা নেয়ার কথা।
দাবী একটাই - "আরো ছবি চাই"
ছবি সুন্দর! বর্ননা চমৎকার!!ভালো লাগলো!!!
সবার সাইজ ঠিক করা হইলো ।
এইবার যদি সাহাবুদ্দি কাকা মজা লুটতে পারে
সাইদ ভাইয়ের মত ফটোগ্রাফারের থেকে আমি এমন কথা আশা করি নাই। ছবির সাইজ কি তা যদি আমাকে বুঝাতে হয়! তাহলে আমার মরা ভাল! ছবি গুলো আমাকে বার বার লজ্জাইয় (!) ফেলে দিচ্ছিলো। ছবি ছোট করা যতে পারে যে কোন সময়েই/ প্রযোজনে তবে সাইজ ঠিক রাখতে হবে! আমার এ ব্লগটা সাইদ ভাই একটু পড়ে দেখতে পারেন।
http://www.amrabondhu.com/udraji/2147
ছবি রিসাইজ করাতে একটু বুদ্দি খাটাতে হবে। ইঞ্চি, পিক্সেল নাকি সিএম! শুধু রিসাইজ করে ছবির ১২টা বাজাবেন না। একটু হিসাব করে কাজটা করতে হবে। অঙ্কের খেলা! ডানে কত কমলে, বামে কত কমবে। রেশীয়টা গুরুত্বপুর্ন।
আশাকরি এই হালকা 'অঙ্কের খেলা' সাইদ ভাই একটু পরে বুঝলেন। ছবিগুলো ঠিক করার জন্য ধন্যবাদ নিন, শুভেচ্ছা।
এখন পুরা মজা পাচ্ছি, ও গুরু!
কাকা, সাঈদ তো স্বীকার করছে আগেই যে ওর বুদ্দি হাটুতে।
ও দাদা , , আপনি মজা পেয়েছেন, এতেই আমি ধন্য।
আমার হাটুতে বুদ্ধি তো, তাই তা সার্কুলেশন হতে সময় নেয় গো দাদা ।
ছবিগপ্পো ভালৈছে। তয়, এরাম ব্যাড়াছ্যাড়া ইস্টাইলের ছবি দেওয়নটা ঠিক হয় নাই!!!
@সাঈদ
পোস্ট এডিটে গিয়ে ছবির কোডে width="400" এর যায়গায় width="550" করে দাও। আর হাইট এর ট্যাগ পুরোটা, মানে hight="123" মুছে দাও। (123= তোমার কোডে যেটা আছে)
সাঈদ সাহেব ফুচকার বদলে সিংগারা
মাথা দিয়া ধোঁয়া বাইর হওয়ার ছবিটা চরম হইছে
সবাই এত বড় কেনু?!
মন্তব্য করুন