ইউজার লগইন

রাসেল আশরাফ'এর ব্লগ

~~~~~~শুভ জন্মদিন!!!~~~~

‘’আমি তারে চোখে দেখি নাই তার অনেক গল্প পড়েছি।
গল্প পড়ে তার আমি ফ্যান হয়ে গেছি।‘'

ধুর যা মিললো না!!!!!!!!!!!!!মিলে নাই তো কি হয়ছে?লেখা তো হয়ছে।

হ্যাঁ ভাই ও বোনেরা আজ সেই ঐতিহাসিক দিন।আজ থেকে একশো পাচঁ বছর আগে এই দিনে বাংলাদেশের এক ঘরে মিয়াঁও মিয়াঁও করে এসেছিল যেই শিশু, তার আজ জন্মদিন!!!!!!!!!!!!

সকাল থেকে ভাবলাম মুক্ত বোধ হয় একটা বয়ান দিবে এই উপলক্ষে।কিন্তু কই সে মনে হয় দারুচিনির দীপে(বানান টা ভুল হলো) নতুন বান্ধবী নিয়া বেড়ায়তে গেছে।তাই আমিই লিখলাম অবশেষে।

শুভ জন্মদিন শাওন।আরো একশ পাচঁ বছর তোমার রুপ ল্যাবণ্য ধরে রাখো।আর ব্লগের পাতা ভরে তুলো।এই কামনা রইলো।

happy_birthday.jpg

অফটপিকঃ কেক-কোক খাইতে চাইনা।একটা পোস্ট দাও।

আমার সিনেমা দেখা-১

মাসুম ভাইয়ের জন্য ইংরেজী সিনেমা দেখা শিখেছি এই বেশ কিছুদিন আগে, কিন্তু বাংলা হিন্দী সিনেমা আজ থেকে না জন্মের পর থেকে দেখা শিখেছি।আম্মার কাছে গল্প শুনি আমার ভ্যা ভ্যা র চোটে আব্বা কোন কোন সিনেমা দেখতে পারে নাই।আম্মা রাজরানীর মতো হলে বসে সিনেমা দেখছে আর আব্বা আমাকে নিয়ে চট্রগ্রামের নেভী সিনেমা হলের সামনে বসে কান্না থামচ্ছে।

ওই থেকে মনে হয় বাংলা সিনেমা দেখার প্রতি আমার ভয়াবহ রকমের আগ্রহ ছিলো আছে এবং থাকবে।খুব ছোটবেলাতে বড় মামার সাথে সিনেমা দেখতে যেতাম। মনে আছে বড়মামার সাথে চন্দ্রনাথ দেখে এসে আবার পরের শো তে আব্বা আম্মার সাথে দেখতে গিয়েছিলাম।বেদের মেয়ে জোসনা দেখেছিলাম কিন্তু কার সাথে দেখতে গিয়েছিলাম মনে করতে পারছিনা।
খুব আশায় থাকতাম কবে গ্রাম থেকে কোন আত্মীয় আসবে ডাক্তার দেখাতে অথবা জমিজমার মামলা নিয়ে।কারন তারা আসলে একটা সিনেমা দেখতে পেতামই।

এলিয়েনের ঈদ

প্রতিবার ঈদের নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে খুব সকালে উঠতে হতো।কারন জামাত ৯ টায় হলেও আমার বাপজানের চিল্লাচিল্লিতে ৬ টার পর বিছানাতে থাকা অসম্ভব।

তাই এবার ঈদে যখন হাউজমেটের ডাকে ঘুম থেকে উঠলাম তখন ভাবলাম ইউনির বাস মনে হয় মিস করে ফেলেছি কারন ৭ টা ৩৫ শে বাস আর ঈদের জামাত ১০ টায়। মসজিদে যেতে আমার এই জংগল থেকে টানা ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট লাগে বাসে। না ঘুম থেকে উঠে দেখি না সময় আছে বাসা থেকে পাঠানো পাঞ্জাবী পড়ে টুপি মাথায় দিয়ে আগেরদিন রাতের রান্না করা সেমাই খেয়ে (অবশ্য সেটা সেমাই না বলে আটার দলা বললে ভালো হতো কারন সেমাই আর দুধের অনুপাত ঠিক না হওয়ার কারনে দলা পেকে গেছিল।) রওনা দিলাম বাস ধরার জন্য।

বাসে উঠতে যাবো ড্রাইভার হাওমাও করে কি জানি কয় বুঝলাম ব্যাটা ড্রেসের কারনে বুঝতেছে না আমরা ইউনির ছাত্র কিনা?যখন আইডি বের করে দেখালাম তখন পাকসা দেখে বললো ওকে।

আকাশের নানা রং

1_0.jpg

2.jpg

3.jpg

4.jpg

5.jpg

আসলে এইছবিগুলো দিলাম রায়হান ভাই আর সাঈদভাইয়ের জন্য উনারা যদি দয়া পরবশ হইয়ে ভালো ছবি কেমনে তুলে এই নিয়ে শিক্ষামুলক পোস্ট দিতো তাহলে দেশ জাতি তাদের কাছ থেকে কিছু পেতো।

ছবি পোস্টের হাতে খড়ি

কোরিয়া এসে ছবি তুলেছিলাম কয়দিন খুব। কিন্তু ব্লগে দেই নাই।

আজ দিয়ে দেখি পারি কিনা।
bosonto asesilo.jpg

বসন্ত এসেছিলো গাছে.।.।।

abar bosonto.jpg

গাছেই থাকলো কিন্তু মনে আর আসলো না।
nadir nam miryang.jpg

নদীর নাম মিরাং এই নদীর গল্প শুনতে শুনতে মাঝে মাঝে মনে হয় শালাদের পদ্মা,মেঘনা অথবা যমুনাতে যদি চুঁবাতে পারতাম
jail khana.jpg

আমার জেলখানা।

ফল নিয়ে কিছু কথা

এই গতবছর এই সময়ে সপ্তাহের ছুটিতে বাসায় গেছি।আব্বা বাজার থেকে কাঁঠাল নিয়ে আসছে।আম্মা কাঁঠাল ভাংতেছে আর আমাদের চোদ্দগুষ্ঠির পিন্ডি চটকাচ্ছে।কারন কি কাঁঠাল নাকি খাজা না।

আর আমরা তিন ভাইবোন দেখছি আর হাসতেছি।কিছুক্ষন পর আম্মা টেবিলে দিয়ে গেল আর বললো বছরের ফল খেতে হয় না হলে আল্লাহ মন খারাপ করবে ভাববে আমার নেয়ামত বান্দারা উপেক্ষা করছে।

আমরা তিন ভাইবোন আল্লাহকে খুশি করার জন্য তিনজন তিন রোয়া কাঁঠাল খেলাম।

আসলে আমাদের বাসায় আমরা তিন ভাইবোন কেও কাঁঠাল পছন্দ করি না।আমার ছোটটা পারলে এই ফলের নাম কে প্রস্তাব করেছিলো তারে পাইলে নাকি ওর একদিন আর উনার একদিন করে দিবে।

কিন্তু আমার আম্মা কাঁঠাল এর একনিষ্ঠ ভক্ত। বাসায় কাঁঠাল আসলে আম্মা একবার এমনি খাবে।বিকালে মুড়িদিয়ে আর রাতে দুধভাত দিয়ে আর বাকীটা কাজের বুয়াকে দিবে কিন্তু শর্ত হচ্ছে বুয়াকে বিঁচি ফেরত দিতে হবে।কারন ওগুলো দিয়ে পরে ভর্তা আর তরকারী খাওয়া হবে।

কিন্তু এইবার আল্লাহ সত্যি মন খারাপ করবে কারন আমি একটাও কাঁঠালের রোয়া খাইনি। ছোটবেলায় এই সময় ফল খাওয়া নিয়ে কত কাহিনী আছে...

পুরানো সেই দিনের কথা-৩

আজ স্কুল,কলেজ আর ইউনি এর স্যার ম্যাডামদের কথা মনে পড়ে গেল।।

কি বান্দরামি টা করতাম ওই সময়ে।।

আমাদের স্কুলে স্যারদের সবার একটা আলাদা নাম ছিলো।পোলাপাইন আড়ালে আবডালে স্যারদের ওইনামে ডাকতো।।

আলাউদ্দিন স্যার উনি ইংরেজীর শিক্ষক ছিলেন খুব ভালো পড়াইতেন কিন্তু সাথে মাইরটাও সেই রকম দিতেন উনারে পোলাপাইন পাঠা বলে ডাকতেন কেন ডাকতো নিজেও জানতাম না। ক্লাস এইটের বৃত্তি কোচিং এর সময় আমাদের ফাস্ট বয় জুয়েলকে ধরে পিটাচ্ছে আর একজন রাজীব মাইর খাওয়ার জন্য ওয়েট করতেছে কারন পরের সিরিয়াল এই সময় জুয়েল বললো রাজীব তুই পালা।রাজীব পালানো বাদ দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকলো আর স্যার জুয়েলকে আরো কিছু উপরি দিয়ে ছাড়লো কুবুদ্ধি দেয়ার জন্য। কিন্তু আমি কোন দিন এই স্যার এর কাছে মাইর খাইনি।

পুরানো সেই দিনের কথা-২

চারদিকে খালি খারাপ খবর।আর ভালো লাগতেছে না। আজ সকালে শুনলাম ঢাকা তে অনেক বৃষ্টি হয়ছে। একটা পুরান দিনের কথা মনে পড়ে গেল……।।তাই লিখতে বসলাম।

পুরানো সেই দিনের কথা-১

দেশ লেজেহোমো এরশাদ থেকে রক্ষা পায়ছে আর আমি পাইছি নজরুল স্যার এর অকারনে বেতের বাড়ি থেকে নাজিমুদ্দিন স্যার এর নীলডাউন থেকে প্রাইমারী থেকে ক্লাস সিক্স এ উঠেছি আমার বাড়ির আমিই এক মাত্র ফাইভ পাস পোলা।ভাবে মাটিতে পা পড়েনা।হাইস্কুলে যাই সারাদিন ক্লাসে টিচার দের জালাই স্কুলে স্যারের টেবিলে পেন খেলি।এই করতে করতে ১ম সাময়িকী পরীক্ষা চলে আসলো পড়াশুনা শুরু করলাম মনোযোগ দিয়ে।প্রথম কয়টা দিলাম ভালোই হলো কিন্তু সমস্যাই পরলাম অংক পরীক্ষা দিতে গিয়ে।

কথিকা-নো টেনশন

আজ সকালে ঘুম ভাংছে একটা খারাপ স্বপ্ন দেখে..কথিকা কাদছে আর আমি বলছি ব্যাপার না।।ও বলছে ব্যাপার। আমি পরীক্ষায় ফেল করেছি।আতকে উঠে আবার ওপাশ হইয়ে ঘুমালাম তারপর আবার স্বপ্ন দেখি ও গোল্ডেন এ প্লাস পায়ছে...
ক্লাস থেকে এসে বাসায় ফোনদিলাম আম্মাকে জিজ্ঞাসা করলাম ওর ভাব সাব কি??আম্মা কয় যথারীতি আছে... নো টেনশন মুডে। কেমনে পারে এইসব? আমার নিজেরই হাত পা শুকিয়ে আসতেছে আর ও বলে নো টেনশন মুডে আছে...এই হলো আমাদের কথিকা আমার একমাত্র ছোটবোন কথিকা...কাল ওর এস এস সি এর রেজাল্ট...

রেফারেন্স...।

মামা চাচা না থাকলে চাকরী পাওয়া যায় না জানতাম যদিও এটা ভুল প্রমানিত করে বাংলাদেশে পাক্কা আড়াই বছর বাংলাদেশের এক নম্বর ঔষুধ ফ্যাক্টরীতে চাকরী করে এসেছি।।কিন্তু এই অচিন দেশে এসে বন্ধু হতে গিয়ে রেফারেন্স লাগলো।।

গতকাল এটা নিয়ে কথা বলছিলাম রাফি ভাই এর সাথে সে বললো রেফারেন্স লাগবে তুমি আমার নাম দিয়ে দাও.।কিন্তু আমি ঠিক করেছিলাম দিবোনা।কিন্তু কিছুক্ষন পর তার নাম রেফারেন্সে দিয়ে আবার রেজিষ্ট্রেশন করলাম।।আজ সারাদিন ল্যাবে কিছুক্ষন পর পর ঘোড়ার ডিম সারফেস প্লাজমন রেজোনেন্স এর পেপার থেকে মাথা তুলে তুলে চেক করি আর দেখি আমারে বন্ধু হিসাবে নিছে কিনা??

না সারাদিন সেই চেকই করে গেলাম আর কিছু খুব সুন্দর লেখা পড়লাম.।মাঝে মন খারাপ করে হাসান রায়হান ভাইরে কমেন্ট দিলাম সে উত্তরে জানালো সে আমার জন্য সুপারিশ করবে.।।।দেখে খুব খুশি হলাম যাক চাচা-মামা (রাফি ভাই-রায়হান ভাই) তাইলে পেয়ে গেছি.।