ইউজার লগইন

রাসেল আশরাফ'এর ব্লগ

ই-বুক বিষয়ক ঘোষণা(আপডেট)

বন্ধুদের বিশেষ অনুরোধে লেখা জমা দেয়ার সময় আগামী ০৯ ই মে পর্যন্ত বর্ধিত করা হলো
==========================================================

জানালার শিক ধরে বৃষ্টি দেখার দিন এলো আবার।
শহরে টিনের বাড়ি নেই, ঝমঝম শব্দ নেই, তবু বৃষ্টি ভালো লাগে।
অফিস ফেরতা ক্লান্ত শরীর, জল কাদায় নাস্তানাবুদ, তবু বৃষ্টির শান্তি।
প্রেমের দিনে ছাতাটা উড়ে যাবে হাওয়ায়, ভিজবো তুমি আমি- সেই বৃষ্টি।
জলডোবা হয়ে বাড়ি ফেরা, সরিষা তেলে মুড়ি মাখিয়ে স্মৃতির ভেলায় ভেসে যাওয়ার বৃষ্টি এসেছে শহরে।

বৃষ্টি কেবল একলা আসে না, সঙ্গে নিয়ে আসে স্মৃতির ঝাঁপি। মনে পড়ে যায় সেই কতকালের পুরনো সব কথা।

আর মনে হয়, এমন দিনে তারে বলা যায়।

এমন দিনেই তো বলা যায়। বলে ফেলুন তাহলে আপনার বৃষ্টিবিলাসের গল্প। বৃষ্টি নিয়ে আনন্দ বেদনার গল্প।

চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-৩

১।
সেদিন মেঘকন্যাদি আমাদের রাজশাহীর পোলাপাইনরে ধুয়ে দিলো আমরা ঠিক মতো ইংরেজী পারি না বলে। উনি মনে হয় ভুলে গেছেন কবিগুরু বলেছেন ‘’আগে চাই বাংলাভাষার গাথুঁনি..................’’ Tongue Tongue

২।
কোরিয়ানরা কবিগুরুর এইকথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে। মাস্টার্স পাশ লোকজন ইংরেজী বুঝে না এই রকম লোক এখানে হাটেঁ মাঠে ঘাটে সব জায়গাতে দেখা যায়। আর যে বনে বাঘ নাই সেই বনে শিয়াল রাজা আমাদের হয়ছে সেই দশা।লোকজন আমাদের ইংরেজী বলা দেখে হাঁ হয়ে থাকে? ডিপার্টমেন্ট ফরেনার স্টুডেন্টদের মিটিংয়ে ডিন জিজ্ঞাসা করে তোমরা এতো ভালো ইংরেজী কি ভাবে পারো? আর কারো কথা জানি না আমি আমারটা জানি আর ঢোকঁ গিলি। যে কিনা কোনমতে পাশ করে এসেছে এসএসসি এবং এইচএসসিতে Timeout Timeout

আবার বিশেষ ঘোষনা

ভাই ও বোনেরা

আজ অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। Sad Sad আপনারা সবাই সব জানেন ও বুঝেন। জিমেইল মামা কিছুক্ষন আগে একটা মেইল দিয়ে জানিয়েছে তার খুব মন খারাপ তার কাছে এই পর্যন্ত কোন মেইল আসে নাই। কেও কথা রাখে নি কেও না...... Sad Sad

রুনা আপা ধন্যবাদ দিয়ে আর কোন খবর নাই। লীনাদির এখনো সময় হয়নি।টূটুল ভাই রাতে বাসায় দিনে অফিসে এমনকি মানুষের বাড়ি গিয়ে দাওয়াত খেতে গিয়ে ঘুমায় কাটায়তেছে।কামাল ভাইয়ের জন্য খেলার মাঠ রেডি কিন্তু তিনি খেলতে নামতেছে না।

নজরুল ভাই রান্ধাকামেলের রান্ধা বাদে বান্দরবন ঘুরে বেরাচ্ছে। মুক্ত আজ বন্দী কিন্তু কার জালে তা জানা হয়নি আজও।জেবীন শুকনার অভাবে লিখতে পারছে না।এদিকে মীরে কোন হাতাপাতা নাই। বৃত্ত ভাইজান মাথা বেল কইরা কই কই যেন ঘুরে বেরাচ্ছে.........

পহেলা বৈশাখ'১৪১৮

কাল অনেক কষ্ট করে বাসায় আসতে হয়েছে।ভাইয়াকে বলেছি আমার জন্য চারটার টিকিট দিতে উনি তা না করে সাড়ে চারটার টিকিট দিয়েছে।অবশ্য এই সমস্যা উনার নতুন না।বরাবরই উনি একই কাজ করেন ঈদ বা অন্য কোন ছুটির সময় এটা করবেই। অবশ্য সাড়ে চারটার টিকিট পাওয়াতে আমার লাভই হয়ছে।অফিসের কাজ গুলো গুছায় আসতে পেরেছি।যথারীতি আজ এবং আগামীকাল কে ওভারটাইম করবে তা ঠিক করার জন্য সালিশ মিটিং করা লাগছে। আর ছুটিছাটা আসলে লোকজনেরও অসুখ মনে হয় বেড়ে যায়, সাথে ডিপোম্যানেজার গুলার কান্নাকাটি আর মোসলেম স্যারের দৌড়ঝাপ।এই সিপ্রোসিন কেন নাই, কুমিল্লা ডিপো নীল করে বসে আসে, সিলেটে আজ জিম্যাক্স পাঠানোই লাগবে। ময়মনসিং থেকে দেলোয়ার ভাই গাড়ি পাঠাচ্ছে তাকে বি-৫০ ফোর্ট পাঠানোই লাগবে। এই লোকটা সারাজীবন বি-৫০ ফোর্টের জন্য কান্নাকাটি করে গেলো। ময়মনসিংহের লোকজনের কি আসলেই ভিটামিনের অভাব??

''একটি বিশেষ ঘোষনা'' বৃষ্টি বিষয়ক ই-পুস্তক

কামাল ভাইয়ের একটা পোস্ট পড়লাম । সাথে সাথে আরো কয়েকজনের পোস্ট... বৃষ্টি নিয়ে। আহা কি ঝুমঝুম বৃষ্টি।

জানালার শিক ধরে বৃষ্টি দেখার দিন এলো আবার।
শহরে টিনের বাড়ি নেই, ঝমঝম শব্দ নেই, তবু বৃষ্টি ভালো লাগে।
অফিস ফেরতা ক্লান্ত শরীর, জল কাদায় নাস্তানাবুদ, তবু বৃষ্টির শান্তি।
প্রেমের দিনে ছাতাটা উড়ে যাবে হাওয়ায়, ভিজবো তুমি আমি- সেই বৃষ্টি।
জলডোবা হয়ে বাড়ি ফেরা, সরিষা তেলে মুড়ি মাখিয়ে স্মৃতির ভেলায় ভেসে যাওয়ার বৃষ্টি এসেছে শহরে।

বৃষ্টি কেবল একলা আসে না, সঙ্গে নিয়ে আসে স্মৃতির ঝাঁপি। মনে পড়ে যায় সেই কতকালের পুরনো সব কথা।

আর মনে হয়, এমন দিনে তারে বলা যায়।

এমন দিনেই তো বলা যায়। বলে ফেলুন তাহলে আপনার বৃষ্টিবিলাসের গল্প। বৃষ্টি নিয়ে আনন্দ বেদনার গল্প।

মামুন ভাইয়ের মেয়েরা আর মায়েরা।

আমার একটা খুব একটা বাজে অভ্যাস আছে।মন খারাপ হলে এর ওর ফেসবুকের ছবি দেখা শুরু করি।হয়তো দুই/তিনটা মজার কমেন্ট করি দিয়ে আস্তে আস্তে মন ভালো করি।মাঝে মাঝে দোস্তের ছবি দেখে দিন পার করে দেই।নাজ ভাবী অবশ্য আমার দোস্তের ছবি নিয়মিত ব্লগ এবং ফেসবুকে শেয়ার করে ঝামেলা এড়াচ্ছেন। কিন্তু কিছুদিন বিরতী দিলে বুঝতে পারবেন কত ইটে কত খোয়া হয়। এইখানে আরেকজন আছেন দুইটা পরীর বাপ আগে নিয়মিত ছবি দিতেন ব্লগে।তারপরে আরেক মহাদেশে হিজরত করার পর ব্যস্ততার অজুহাতে সেটা কমাতে থাকলেন।তারপরেও আমি এই ছ্যাচড়া তার পিছু ছাড়ছি না দেখে উনি আমারে ভাবীর সাথে দোস্ত পাতায় দিলেন ভাবী যেহেতু নিয়মিতই ছবি আপলোড করেন সুতরাং আমার বা আমার মতো আরো একজনের ছ্যাচড়ামি অনেক কমে গেল আর এই সুযোগে উনি আস্তে আস্তে লেখালেখিই ছেড়ে দিলেন।

চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-২

১.

ঢাকায় বাস যদি জ্যামে আটকে থাকার পর ছাড়া পায় আর ড্রাইভার যদি ঠিক মতো আগায় নিতে না পারে তাইলে তার চোদ্দগুষ্ঠি উদ্ধার করে ছাড়ে লোকজন।একদিন সেই অবস্থায় বসে আছি বাসের মধ্যে কিছু লোক ড্রাইভারের গুষ্ঠি উদ্ধার করছে।আমার পাশের জন আরো দুই কাঠি আগায় দিয়ে বলে
''মনে হয়তেছে.......পোলারে লাথি দিয়ে বাস থেকে ফ্যালায় দেই।''
আমি আস্তে কইরা বললাম, ভাই ড্রাইভিং জানেন?
বলে না।
আমি বললাম তাইলে ড্রাইভাররে লাথি দিয়ে ফেললে বাস চালাবে কে?
বেচারা হেসে বলে দেখেন না শালা কতক্ষন জ্যাম ছাড়ছে আর ও চুদুরবুদুর লাগাইছে।

তাই বলি আপনারা আমার উপর বিরক্ত হয়ে আবার লাথি দিয়ে ফেলায় দিয়েন না।

২.

দিনকাল ভয়াবহ খারাপ যাচ্ছে এই কিছুক্ষন আগে সুপারম্যানের বাঁশডলা খেলাম।কাল যেমন এক ডিনার পার্টিতে গিয়ে রামধরা খেলাম।কেমন? তাইলে বলি

চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-১

অফট পিকঃ তার বা তাদের মতো লিখতে পারি না বলে সেদিন একজন এমন ঝাড়ি দিলো।দেখে চোখে পানি চলে এসেছিলো।তাই আজ থেকে আবজাব শুরু করলাম।যখন যা মনে আসবে তাই লিখবো পারলে আমারে যেন কেও ঠেকায়।
রক্ত যখন দিয়েছি রক্ত আরো দিবো...............জয় বাংলা:

১.

খাও দাও ফুর্তি করো

আর একদিন বাদে পরশু কাক ডাকা ভোরে রাজশাহী ছাড়বো আবার কবে আসবো ঠিক নাই।যেয়ে শুরু হবে সেই একঘেয়েমি জীবন ল্যাব টু বাসা দিয়ে আবার ল্যাব মাঝে মাঝে সুপারম্যানের রামডলা কোনদিন আলহাদের শুরে চিকন ডলা।তা যাই হোক।যা হবে সেটা পরে দেখা যাবে।

আজ অনেক দিন পর রাজশাহী শহর চক্কর দিলাম।সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আমাদের কিছু প্রিয় জায়গার বিকালের খাবার খেলাম।গত পোস্টে ছবি দেই নাই দেখে অনেকেই বকাবকি করলো তাই আজ আর সেই ভুল করছি না।

আমরা আগে মাঝে মাঝে সন্ধ্যার খাওয়া শুরু করতাম নবরূপের দই আর রসমালাই দিয়ে আজ ও তাই করলাম।খেয়ে দেয়ে বিল দিতে গিয়ে দেখলাম দাম আগের চাইতে অনেক বেড়েছে কিন্তু টেস্ট আগের মতোই আছে।

DSC01765.JPG
রসমালাই

ফিরছি শিকড়ে ফিরছি মায়ের কাছে

সেই দুইহাজার ছয় থেকে মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিলো বিদেশ যাবো। চেষ্টা তদবিরও করছিলাম কিন্তু ঐ যে নিম্নমধ্যবিত্তের আজীবন টানাপোড়েন কোন হিসাবই মিলাতে দিচ্ছিলো না।বিদেশ যাওয়ার ভুত মাথা থেকে নামিয়ে নাম লিখলাম কামলার খাতায় দেশের এক কোম্পানীতে।কিন্তু সেখানেও আমি সারাজীবন যা করতে চেয়েছি বা হতে চেয়েছি তা কোন কিছুই সম্ভব হচ্ছিলো না।
এক কলিগের বিদেশ যাওয়া দেখে আবার মাথাচাড়া দিলো সেই পুরান ভুত।শুরু করলাম চেষ্টা তদবির।হয়েও গেলো সেই বন্ধু কাম কলিগ আর অন্য বন্ধুদের সাহায্যে বিদেশ আসার জোগারযন্ত্র।

পুরানো সেই দিনের কথা-৫

কিছুদিন আগে ইউনির ডরমিটরী ছেড়ে নতুন বাসাতে উঠেছি।বাসা থেকে পাক্কা উনিশ মিনিট হাটঁতে হয় ল্যাবে যাওয়ার জন্য।কিন্তু প্রতিদিনের এই হাঁটাটা আমি খুব উপভোগ করতেছি কিছুদিন ধরে।হাটঁতে হাটঁতে মনে পড়ে সেই স্কুলে যাওয়ার দিন গুলো।

পুরানো সেই দিনের কথা-৪

বছর বিশেক আগে এই ডিসেম্বর মাস আসলে মনে হতো কত কি জয় করে ফেলেছি।স্কুলের ফাইনাল পরীক্ষা শেষ।সন্ধ্যার পর টিভি দেখলে আব্বা আম্মা কিছু বলতো না।আর তক্কে তক্কে থাকতাম বড় মামা কবে গ্রামে যাবে।গেলেই তার পিছু নিতাম আমাকেও নিয়ে যেতে হবে।

গ্রামে যাওয়ার আগের রাতে কেন জানি আমার ঘুম হতো না টেনশনে।সারারাত গ্রামের ভাষা প্র্যাক্টিস করতাম এই যেমন গোসল করাকে ‘নাইতে’ রাস্তা কে ‘হালুট’ বাজারকে ‘হাটখোলা’ মুড়ি কে ‘উরুম’ বলতে হবে।যাওয়ার সময় আম্মার কড়া বারণ থাকতো রোদে বেশী ঘুরাঘুরি আর নদীতে বেশীক্ষন গোসল করা যাবে না।আমি শুধু মাথা ক্যাত করে বলতাম আচ্ছা ঠিক আছে আর মনে মনে বলতাম খালি গিয়ে নেই।

~~~~~~শুভ জন্মদিন!!!~~~~

‘’আমি তারে চোখে দেখি নাই তার অনেক গল্প পড়েছি।
গল্প পড়ে তার আমি ফ্যান হয়ে গেছি।‘'

ধুর যা মিললো না!!!!!!!!!!!!!মিলে নাই তো কি হয়ছে?লেখা তো হয়ছে।

হ্যাঁ ভাই ও বোনেরা আজ সেই ঐতিহাসিক দিন।আজ থেকে একশো পাচঁ বছর আগে এই দিনে বাংলাদেশের এক ঘরে মিয়াঁও মিয়াঁও করে এসেছিল যেই শিশু, তার আজ জন্মদিন!!!!!!!!!!!!

সকাল থেকে ভাবলাম মুক্ত বোধ হয় একটা বয়ান দিবে এই উপলক্ষে।কিন্তু কই সে মনে হয় দারুচিনির দীপে(বানান টা ভুল হলো) নতুন বান্ধবী নিয়া বেড়ায়তে গেছে।তাই আমিই লিখলাম অবশেষে।

শুভ জন্মদিন শাওন।আরো একশ পাচঁ বছর তোমার রুপ ল্যাবণ্য ধরে রাখো।আর ব্লগের পাতা ভরে তুলো।এই কামনা রইলো।

happy_birthday.jpg

অফটপিকঃ কেক-কোক খাইতে চাইনা।একটা পোস্ট দাও।

আমার সিনেমা দেখা-১

মাসুম ভাইয়ের জন্য ইংরেজী সিনেমা দেখা শিখেছি এই বেশ কিছুদিন আগে, কিন্তু বাংলা হিন্দী সিনেমা আজ থেকে না জন্মের পর থেকে দেখা শিখেছি।আম্মার কাছে গল্প শুনি আমার ভ্যা ভ্যা র চোটে আব্বা কোন কোন সিনেমা দেখতে পারে নাই।আম্মা রাজরানীর মতো হলে বসে সিনেমা দেখছে আর আব্বা আমাকে নিয়ে চট্রগ্রামের নেভী সিনেমা হলের সামনে বসে কান্না থামচ্ছে।

ওই থেকে মনে হয় বাংলা সিনেমা দেখার প্রতি আমার ভয়াবহ রকমের আগ্রহ ছিলো আছে এবং থাকবে।খুব ছোটবেলাতে বড় মামার সাথে সিনেমা দেখতে যেতাম। মনে আছে বড়মামার সাথে চন্দ্রনাথ দেখে এসে আবার পরের শো তে আব্বা আম্মার সাথে দেখতে গিয়েছিলাম।বেদের মেয়ে জোসনা দেখেছিলাম কিন্তু কার সাথে দেখতে গিয়েছিলাম মনে করতে পারছিনা।
খুব আশায় থাকতাম কবে গ্রাম থেকে কোন আত্মীয় আসবে ডাক্তার দেখাতে অথবা জমিজমার মামলা নিয়ে।কারন তারা আসলে একটা সিনেমা দেখতে পেতামই।

এলিয়েনের ঈদ

প্রতিবার ঈদের নামাজ পড়ার জন্য ঘুম থেকে খুব সকালে উঠতে হতো।কারন জামাত ৯ টায় হলেও আমার বাপজানের চিল্লাচিল্লিতে ৬ টার পর বিছানাতে থাকা অসম্ভব।

তাই এবার ঈদে যখন হাউজমেটের ডাকে ঘুম থেকে উঠলাম তখন ভাবলাম ইউনির বাস মনে হয় মিস করে ফেলেছি কারন ৭ টা ৩৫ শে বাস আর ঈদের জামাত ১০ টায়। মসজিদে যেতে আমার এই জংগল থেকে টানা ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট লাগে বাসে। না ঘুম থেকে উঠে দেখি না সময় আছে বাসা থেকে পাঠানো পাঞ্জাবী পড়ে টুপি মাথায় দিয়ে আগেরদিন রাতের রান্না করা সেমাই খেয়ে (অবশ্য সেটা সেমাই না বলে আটার দলা বললে ভালো হতো কারন সেমাই আর দুধের অনুপাত ঠিক না হওয়ার কারনে দলা পেকে গেছিল।) রওনা দিলাম বাস ধরার জন্য।

বাসে উঠতে যাবো ড্রাইভার হাওমাও করে কি জানি কয় বুঝলাম ব্যাটা ড্রেসের কারনে বুঝতেছে না আমরা ইউনির ছাত্র কিনা?যখন আইডি বের করে দেখালাম তখন পাকসা দেখে বললো ওকে।