ইউজার লগইন

ভাঙ্গা পেন্সিল'এর ব্লগ

হ্যাকিং কেচ্ছার শেষ পর্ব


হ্যাকারদের মোট তিনভাগে ভাগ করা হয়, হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার, গ্রে হ্যাট হ্যাকার, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার। নাম শুনেই বুঝতে পারছেন হয়তো, সাদা দল খুব ভাল, কালো দল খুব খারাপ আর ধূসর দল এদের মাঝামাঝি কিছু একটা। তবে যতোটা সহজেই এই তিন রঙে হ্যাকারদের রাঙ্গানো যাবে ভেবে এই শ্রেণীবিভাগ তৈরি করা হয়েছিল, ব্যাপারটা ততো সহজ হয়নি। রয়ে গেছে বিতর্ক, প্রশ্নবোধকতা। তবু বিভিন্ন গণমাধ্যম কিংবা অন্তর্জালের বিভিন্নজগতে যাদেরকে এই তিন রঙে ভাগ করা হয়েছে, তাদের এ শ্রেণীবিভাগের পেছনে ক্ষমতা, গণমাধ্যম ও কর্পোরেট স্বেচ্ছাচারিতা আর অন্যান্য কিছু উপাদান ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করেছে। জেনে নেয়া যাক হ্যাকারদের সাদা-ধূসর-কালোতে কিভাবে ভাগ করা হয়।

কমরেড


কৌতূহলে বেড়াল মরে- বলে বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, ইংরেজিতে এরকম কিছু হয়তো নেই। থাকলে অকালে মরতে হতো না পৃথিবীর অন্যতম সেরা হ্যাকার কমরেডকে, হ্যাকার কমিউনিটিতে যিনি কমরেড জন নামেও বহুল পরিচিত। ১৯৮৩ সালের ডিসেম্বর মাসে জন্ম নেয়া জনাথন জোসেফ জেমস ওরফে কমরেড মাত্র চব্বিশ বছর বয়সে ২০০৮ এর ১৮ মে হারিয়ে যান পৃথিবীর বুক থেকে।

ফড়িং

 
"ভাইয়া শোন"
"এই ভাইয়া, শোন না!"
"ভাইয়া, শোন না..."
আলতো করে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিলাম মিতুকে, "সর তো, জ্বালাসনে!"
বেশ বুঝতে পারছি মিতুর চোখ ছলোছলো। খানিকটা পর আস্তে করে বললো, "ভাইয়া, আমাকে একটা ফড়িং ধরে দে না।"
"এই ভাইয়া, দে না একটা ফড়িং ধরে!"
"ভাইয়া, শোন না," ওর ক্ষুদে আঙ্গুল দিয়ে আমাকে গুঁতাতে লাগলো।
বিরক্তির শেষ সীমায় আমি, এতো বোকা কেন মেয়েটা? এখানে আমি ফড়িং কোথায় পাবো?
"এই ভাইয়া! ভাইয়া রে...দে না একটা ফড়িং!"
হঠাৎ মাথায় যেন আগুন জ্বলে উঠলো। এক ধাক্কায় ছুড়ে ফেললাম মিতুকে ঐ ধূসর দেয়ালে। আর তাল মিলিয়ে ঝনঝন করে কাঁচ ভাঙ্গার শব্দ শোনা গেল।

ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ


ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ যখন তার বন্ধুকে নিয়ে হোয়াইটহাউজে ফোন লাগালেন, সেটা আপনার আমার মতো আমজনতা যেভাবে ফোন দেয় সেভাবে করেননি। সরাসরি প্রেসিডেন্টের কাছেই কল করেছিলেন সবরকম প্রটোকল ফাঁকি দিয়ে। জানতে নিশ্চয়ই ইচ্ছে করছে, প্রটোকল ফাঁকি দেয়ার এতো হাঙ্গামা করে  কি এমন বলতে চেয়েছিলেন তাঁরা প্রেসিডেন্টের সাথে? ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চের বন্ধু প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে বলেছিলেন লস এঞ্জেলসে টয়লেট পেপারের ব্যাপক ঘাটতির কথা!

অবিকল

ক্লাসে মনোযোগ দেয়ার ব্যাপারটা এরই মধ্যে ইতিহাস হয়ে গেছে। এটেন্ড্যান্সে ৩০-৪০টা মার্কস পাওয়া যায়। টেনেটুনে পাশ করনেওয়ালাদের জন্য বড়ই গুরুত্বপূর্ণ! তারপরেও অনেকে এই এটেনড্যান্সের কয়েকটা মার্কসের মায়া ছাড়াতে পারছে। আমাদের মতো কয়েকটা ভীতুর ডিম এখনো পারে নাই... তাদেরই কেউ কেউ তাই ক্লাসে বসে ঝিমায়। কেউ ছবি আঁকে।

ব্যাঘ্র মামার আস্তানায়ঃ এবার সবিস্তারে

১.

সে রাতটা ঘুটঘুটে রাত হতে পারতো, কালি-গোলা অন্ধকার বলা যেত। কিন্তু নাহ... সে রাত ছিল চাঁদনী রাত, চাঁদটাও বেশ বড়। একদিন পরই পূর্ণিমা। তবু বনের সরু খালটার উপর গাছের ডালপালা এসে এক আধো আলো-ছায়ার আবরণ তৈরি করেছিল। গাছের সে সবুজ তোরণের নিচে আমরা কজনা ভাসছি। ট্রলারের ইঞ্জিন অনেক আগেই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। খালের মাঝে নোংর ফেলেছে মাঝি। নোঙরের দড়ির ঢিলটুকুর সুযোগ নিয়ে ঢেউয়ের তালে নৌকা মাঝে মাঝে তীরের কাছে চলে যাচ্ছে। আর শিউরে উঠছে নৌকার অভিযাত্রীরা। এই কিছুক্ষণ আগেও বনে অনেকরকম নিশাচর পশু-পাখির আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছিল। হঠাৎ সে আওয়াজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

সিগারেট

রাস্তার ওপার থেকে হাকিম সাহেব হাত নাড়তে লাগলেন। হাত নাড়ারও একটা ধরণ থাকে। উনি দুহাত তুলে এমন কিম্ভূতকিমাকার ভঙ্গিতে লাফাচ্ছেন, যেন স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বসে ছিলেন আর এইমাত্র জায়ান্ট স্ক্রীনে উনার বদনখানি দেখানোতে লাফিয়ে উঠেছেন। আশেপাশের মানুষ কৌতূহলী দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। একবার তার দিকে তাকায়, আরেকবার আমার দিকে। আমি যারপরনাই বিরক্ত হলাম। ব্যাংক থেকে মাত্রই বেরিয়েছি। যাব সেগুনবাগিচা। সুরুজের মেসে। যে কয়জন বন্ধু এখনো সংসারজীবনে লটকাইনি, বৃহস্পতিবারগুলোয় তারা এসে জমায়েত হই সুরুজের মেসে। আড্ডা অনেক রাত পর্যন্ত জমে, সে আড্ডায় ধোঁয়ার আসর হয়, কিঞ্চিৎ তরল গলাধকরণ হয়...মধ্যে মধ্যে আদিরসাত্মক হাস্যরসের সঞ্চারও হয়।

গুনগুন

গত কয়েকদিন ধরে দুইটা গান শুনে যাচ্ছি... সায়ানের এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধু আর ব্লিংক-১৮২ এর এডামস সঙ

এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধু

শিল্পীঃ সায়ান

এলবামঃ আবার তাকিয়ে দেখ

এক হারিয়ে যাওয়া বন্ধুর সাথে সকাল বিকেল বেলা
কতো পু্রোনো পরিচিত গান গাইতাম খুলে গলা
কতো এলোমেলো পথ হেঁটেছি দুজন, হাত ছিলো না তো হাতে
ছিল যে যার জীবনে দুটো মন, ছিল জড়াজড়ি একসাথে

ভয়

১.
হলিউডের সবচাইতে বেশি বাজে মুভি তৈরি হয়েছে হরর জেনারের--আমার নিজস্ব মতামত। হররের নামে উদ্ভট গেটআপ আর সাউন্ড এফেক্ট, হঠাৎ করে নীলমুখের এক বান্দর মুখের সামনে লাফ দিয়ে উঠবে আর বাজ পড়ার মতো আওয়াজে আপনি চমকে উঠবেন--এটুকুকেই হরর সীন বলা যায় এসব মুভির। বলছি না যে হরর জেনারের সব সিনেমা রদ্দি মাল... কিন্তু যে কয়খানা হরর আমাকে মুগ্ধ করেছে, তা মুভির অসাধারণ গল্প-ট্যুইস্ট-অভিনয় দিয়েই মুগ্ধ করেছে, ভয় দেখিয়ে মুগ্ধ করা তো দূরের কথা, হাতের দু-তিনখানা লোমও দাঁড়া করাতে পারেনি। সিনেমা দেখে এই বয়সে ভয় পাওয়া না হলেও

ভ্রমণ বিরিশিরি

সেন্টমার্টিন্স এর গভীর নীল পানি, কিংবা জাফলং এর স্বচ্ছ পানির গল্প তো অনেকই শুনেছি, কিন্তু সবুজ নীলের মিশেলে অদ্ভূত-রঙা হ্রদটার গল্প কি শুনেছেন? না শুনলে আমার লম্বা প্যাচাল শোনার আগে একনজর দেখে নিন।