ইউজার লগইন
ব্লগ
পাখি তার নীড় হারালে, কোন কোন সন্ধ্যা তারা খুব কাঁদে
মন হাওয়ায় পেয়েছি তোর নাম
মন হাওয়ায় হারিয়ে ফেললাম
আজকাল তুমি বড্ড অপ্রতিরোধ্য হয়ে যাচ্ছ। কিছুতেই তোমাকে প্রতিহত করতে পারছি না। আমার মগজের প্রতিটি কোনায় কোনায় এখন তোমার অবাধ যাতায়ত। চব্বিশ ঘন্টার ছত্রিশ রকম কাজে বারবার তুমি এসে ভীষণ গোল বাঁধিয়ে ফেলছ। মস্তিষ্কের কোষ থেকে কিছুতেই তোমাকে সরাতে পারিনা। ঘূণ পোকার মত কুড়ে কুড়ে খাচ্ছ আমার অস্থি-মজ্জা আর হৃদয়। তুমি নেই, অথচ এই জগত সংসারে আমি ঠিক বেঁচে বর্তে আছি-এ ভাবনাই অর্থহীন।
তাই আমি পালাব বলে, মনস্থির করেছি। তুমি আমাকে তোমার কথার চাতুর্যে বেঁধে কিছুতেই পালাতে দিতে চাইবে না আমি জানি। কিন্তু পণ্ডিত অজয়ের একটা গান আছে, শুনেছ কি? "যত পাহারাই দাও মন পালাবেই"।
প্রেমের গল্প লেখার অপচেষ্টা
আমরা খুব অস্থির একটা সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। অনেক দূরে, ছোট্ট ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের যে ভূখণ্ডে আমি জন্মেছিলাম, বিস্ময়কর পরিবর্তন ঘটছে তার রাজনীতিতে, সমাজনীতিতে। নিজেকে কখনো রাজনৈতিক মানুষ বলে বিবেচনা করিনি। সক্রিয় রাজনৈতিক কার্যক্রমের জায়গা আমার জীবনে খুবই অল্প। তারপরেও দিনশেষে আমরা সবাই রাজনৈতিক জীব। বেঁচে থাকার জন্য জীববিজ্ঞানের সংজ্ঞায় প্রোটোপ্লাজমের ভেতরে থাকা অস্তিত্বকে স্বীকার করে নেই যেমন, ঠিক তেমনি বুদ্ধিবৃত্তিক প্রণোদনা জোগানো চেতনাকে ধারণ করি অনায়াসেই। ঠিক এমনি অস্থির সময়ে প্রেমের গল্প লেখার আইডিয়া আমার মনে কেমন যেন একটা অপরাধবোধের জন্ম দিচ্ছে। কিন্তু আপাতঃ ঘটনাহীন জীবনে, অনেকগুলো দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে সেই নিষিদ্ধ গন্ধম ফলের হাতছানিকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করতে পারছিনা। মগজ বলছে, ফুল খেলবার দিন নয় অদ্য, মন বলছে হারাই হারাই সদা ভয় হয়, হারাইয়া ফেলি চকিতে। এই টানাপোড়েনে মনের জয় অবশ্যম্ভাবী আমি জানি। কারণ আমি নিজেকে চিনি। পৃথিবীর সবচাইতে সম্পূর্ণ আবেগ আমার কাছে প্রেম। সবচাইতে শুদ্ধ অনুভূতির নাম ভালোবাসা। ভালোবাসা, ভালোলাগা, ঘোরলাগা মুহুর্ত এদের জন্য আমি অনায়া
ব্লগার মানেই নাস্তিক নন
ব্লগ লিখছি কতদিন হয়? চার বছর চার মাস! এই দীর্ঘ সময়ে পড়া হয়েছে শত সহস্র ব্লগ। সবচাইতে প্রিয় ব্লগ কোনটা আমার, কেউ কোনোদিন জিজ্ঞেস করেনি। যদি জিজ্ঞেস করতো, তাহলে আমি বলতাম, ব্লগার 'জানালা'র একটি ব্লগের কথা।
ভেলরি টেইলরকে নিয়ে যখন আমরা পুরো ব্লগ দুনিয়ার লোকগুলো হাতে হাত রেখে দাঁড়িয়েছিলাম, তখন জানালা নামে একজন ক্ষণজন্মা ব্লগার একটি ব্লগ লিখেছিলেন। আমি মাঝে মাঝে সেই লেখা পড়ি, চোখ জলে ভরে যায়। 'জানালা' লিখেছিলেন এক অসহায় মেয়ের গল্প। যে নিজের পায়ে হাঁটতে পারে না বলে মেলায় যেতে পারে না। অপেক্ষায় থাকে তার ভাই তাঁকে মেলায় নিয়ে যাবে। জানালা নামের ব্লগার তার মিহিদানা অক্ষরে সেই মেয়েটির গল্প লিখেন আমাদের জন্য।
"হঠাৎ খেয়াল করি, যেখানে যাই সে আসছে সাথে সাথে। এক ফাঁকে বোনকেও ফোন করে একবার; আমি না মেলায় যাচ্ছি। এমনকি অফিস রুমেও। তুমুল বিরক্তি নিয়ে বলি, কিছু চাই তোমার? সে বলে আবারো, তুমি মেলায় যাবে না? আমি একটু চিন্তায় পড়ে যাই। বৃষ্টি কমে যায় যদি! সে আমার সামনে একটা সোফায় বসে থাকে। চোখের আড়াল করে না। যদি তাকে ফেলে মেলায় চলে যাই।"
বইমেলায় আগুন লাগেনি, আগুন লেগেছে আমাদের প্রাণে, আমাদের অস্তিত্বে
বই মেলায় আগুন! এও সম্ভব, এটাও হতে পারে! খবরটা শুনার পর স্থাণু হয়ে গিয়েছিলাম। পুরো ২৪ ঘন্টা অনুভূতিশূন্য থাকার পর লিখতে বসেছি। চোখ ফেটে জল আসছে, রাগ, ক্ষোভ -ঘৃণা অপমান, অভিমানে সারা শরীর থরথর করে কাপছে। বইমেলা শুধুই একটা মেলা নয়। এই মেলার সাথে জড়িয়ে আছে আমাদের অস্তিত্বের ইতিহাস, আমাদের চেতনা, আমাদের ভাষার ইতিহাস। বইমেলা আমাদের প্রাণের মেলা। এই মেলা রাতারাতি সৃষ্টি হয়নি। এ মেলার সাথে জড়িয়ে আছে একটি জাতির অভ্যূত্থানের ইতিহাস। বইমেলার সাথে জড়িয়ে আছে বাঙ্গালীর আবেগ, ভালবাসা। অথচ সেই বইমেলায় আগুন! অবিশ্বাস্য! নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস হয় না।
আলামীন আশীষদের মতোন ছেলেরা যে কারনে বিদেশে যায়।
আজ সকাল থেকে উঠেই আমার মন মেজাজ ভালো না। একে তো পচিশে ফেব্রুয়ারী বিডিয়ার বিদ্রোহের নির্মমতার কথা তার সাথে সাথে বই মেলার স্টল আগুনে পোড়া আবার রাতে বাজে স্বপ্ন দেখে হতাশ, মন আজ সকাল থেকে উঠেই ভালো না।কি আর করার মানুষের জীবন এমনই। অনেক কিছুর মিলিয়ে একটা মন খারাপের অবস্থা তৈরী হয়। তার ভেতরেও সকালে একটা পোস্ট লিখলাম। উইন্ডো ট্যাব খুলে অনেক কিছুই পড়ছিলাম তার ফাকেই লিখে ফেললাম। মনে করলাম বেশী সময় তো লাগে নাই আর লগ আউটও হয় নাই এখানে থেকেই প্রকাশ করুন দিয়ে দেই সেভ না করেই। দিলাম আর দেখালো এক্সেস ডিনাইড, পোস্ট উধাও। মেজাজটা যত খারাপ হবার কথা ছিলো ওতো খারাপ হলো না। খালি দুই ঘন্টা সময় নস্টের জন্য নিজেকে অভিশাপ দিলাম। এই দুই ঘন্টা সময় দিয়ে বই পড়লে মাহবুব মোর্শেদের বই গুরু ও চন্ডালটা শেষ করে ফেলতে পারতাম। কি আর করার সময় খারাপ। আমারই শুধু এমন হয়। মন ভালো করতে গেলাম চায়ের দোকানে দেখি খা খা রোদ। শ্রমিক মিস্ত্রি লোকজন রুটি কলা খায়তেছে। বসার জায়গা নাই। আমাকে দেখার সাথে সাথেই সবাই উঠে পড়তে পরি মরি অবস্থা। আমি বলি এতো ব্যাস্ত কেন আপনারা?
শাহবাগনামা : বুলেটিনের জন্য লেখা আহ্বান
শাহবাগ এখন চেতনার স্বরূপ। দ্রোহের আগুনে পুড়ছে ৪২ বছরের পুরোনো জঞ্জাল। তারুণ্যের সম্ভাবনা, তারুণ্যের অমিত শক্তি আবারো উজ্জীবিত। জেগে উঠেছে মানুষ। জেগে উঠেছে বাংলাদেশ। চলছে ঘুমভাঙানির গান। জাগো বাহে কুনঠে সবাই...।
শাহবাগের তরুণ প্রজন্মের এ অবিস্মরণীয় আন্দোলনকে উপজীব্য করে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে বুলেটিন 'শাহবাগনামা'। এ বুলেটিনে আপনার অংশগ্রহণ চাচ্ছি। অনূর্ধ্ব ১০০ শব্দে লিখুন গদ্য বা পদ্য। এখানে পোস্ট করুন (কমেন্ট হিসেবে) অথবা ইমেইল করুন shafique_hasan79@yahoo.com
কলকাতার কিছু সিনেমা নিয়ে কথাবারতা
টিভি দেখি না গত চার পাচ মাস ধরে। এতে উপকার অপকার দুটোই আছে। এতো বড় আন্দোলন গেলো কত খেলা টেলা গেলো কিছুই দেখতে পারলাম না টিভিতে। আর উপকারের দিক হলো টেলিভিশন না থাকলে অনেক কাজে মন বসে। অনেক সময় নষ্ট বন্ধ হয়। এই যে গত সাতদিন কত গুলান বই পড়লাম তার কোনো কিছুই সম্ভব হতো না টিভি থাকলে। এই যে দুপুর বেলা পড়তে বসি সকাল বেলা ব্লগ লিখি টিভি থাকলে খালি রিমোট চেঞ্জ করতে করতেই টাইম শেষ হয়ে যেতো। তবে আমি টিভি দেখতে পারি না এই আপসোসটা আম্মুকে খুব জ্বালা দেয়। বলবে 'বাড়ীতে আয় কারেন্ট টারেন্ট থাকে ভালো মন্দ খায়া টিভি দেইখা যা' মায়ের এই আদরের আসলেই কোনো তুলনা নাই।
তবে টিভি না দেখতে পারার কারনে এতো চ্যানেলে কি সব সার্কাস চলে তা নিয়ে ব্লগে লিখে ফাটাতে পারতেছি না। বাসা তো সেই আগেরটাতেই আছি এই বাসায় থাকলে আবারো ১০০০ টাকা লাইন চার্জ নিয়ে ডিস নেয়ার কোনো মানে হয় না। কিন্তু সমস্যা হলো আমি সিনেমা দেখারও অতো লোক না। রিমোটের ফাকে মাঝে সাজে টিভিতে সিনেমা দেখাতেই আমার আনন্দ। পিসিতে সিনেমা দেখার অভ্যাস একেবারেই নাই। আর এই জন্যেই এতো টাকা পয়সা প্রাপ্তি সত্তেও আমার পিসিতে ডিভিডি রম নাই আছে একখান সিডিরম।
সংবাদপত্রের কালো অধ্যায় দৈনিক আমার দেশ
আমি অভিশাপ দিচ্ছি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে।
ঘৃণার আগুন ছুড়ে দিচ্ছি তার নষ্ট হয়ে যাওয়া মস্তিষ্কে।
থুতু ছিটাই তার চাটুকারিতার স্বভাব এবং ভ্রান্ত নীতিতে।
লাথি মারি তার রাজাকার আর জামায়াত তোষণের মানসিকতায়।
ইনকিলাব, নয়া দিগন্ত, সংগ্রামের সাথে দৈনিক আমার দেশের আর কোনো পার্থক্যই থাকলো না!
সংবাদপত্রের ইতিহাসের কালো অধ্যায় হয়েই থাক দৈনিক আমার দেশ। আরেকটি মীর জাফর হিসেবে উচ্চারিত মাহমুদুর রহমানের নাম।
কিন্তু দৈনিক আমার দেশ-এ আমার যে সব বন্ধু, গুরুজন, শুভানুধ্যায়ীরা কাজ করে তাদের জন্য কী করতে পারি, কী বলতে পারি তাদের?
দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও
প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সুবাদে সুদূর জাপানে বসেও বাংলাদেশের সমসাময়িক ঘটনাবলী সম্পর্কে একটা সম্যক ধারণা পাওয়া যায়। যদিও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া প্রায়শই দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সংবাদ প্রচার করে থাকে। বাংলাদেশের অধিকাংশ গণমাধ্যম নিরপেক্ষ খবর প্রচার করতে পারে না দলীয় আনুগত্যের কারণে। তারপরও সকল গণমাধ্যমে প্রচারিত খবর দেখলে একটা বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণ করার প্রয়াস পাওয়া যেতে পারে। ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশের কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত শিরোনাম হলোঃ “সিলেটে শহীদ মিনারে হামলা-ভাঙ্চুর, গুলি”, “চট্টগ্রামে গণজাগরণ মঞ্চে হামলা”, “হামলায় ১৭ জন সাংবাদিক আহত”, “দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা, নিহত ৪” – (দৈনিক প্রথম আলো)। “উত্তাল সারাদেশ” “কুচক্রী মহলের ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষ ও সাধারণ মুসল্লীদেরকেও প্রতিপক্ষ বানানো শুভকর হবে না” “তৌহিদী জনতার আড়ালে জামায়াতে শিবিরের হামলা” “যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির এক দাবিসহ জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে ফের প্রকম্পিত শাহবাগ চত্বর”, “ইসলাম ও মহানবী (সা.) অবমাননা প্রতিবাদে গর্জে উঠছে চট্টগ্রাম” (দৈনিক ইনকিলাব)। “সি
কালো অর্থনীতির তথ্যপুর্ন, রসাত্মক, সহজ পাঠ!
প্রথমেই বলে নেই আমার রিভিউ আমার মতোই সাধারন। একটা বই পড়ে আমার মতো সাধারন মানুষের কি অনুভুতি হলো তাই জানানোই আমার রিভিউয়ের দায়। এর বাইরে আর কিছু নাই। আমি কোনো একাডেমিক রিভিউ লিখতে বসি নাই। তা লেখার মেলা লোক আছে। আর লীনা আপু রিভিউ লেখার পড়ে এ বই নিয়ে আরও নতুন কিছু বলা সম্ভব কিনা তাই নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভাবছি।
শিরোনামে আমি বলতেছি কালো অর্থনীতি। কালো শব্দটা আমার ব্যাক্তিগত পছন্দ না কারন চায়ের দোকানে বসতে বসতে আর বাইরে থাকতে থাকতে চেহারার ভেতরে যে শ্যামবর্নের ব্যাপার স্যাপার ছিলো তা তুমুল মাইর খেয়েছে। তাই কালোদের নিয়ে কিছু বললে এখন নিজেরই লাগে। আর পুলক যে ভাবে লোকজনকে নাক সিটকিয়ে বলে ঐ কাইল্লাটা কই গেলো? (আমারে না) তখন নিজের অন্তরাত্মা কেপে উঠে। একদিন হয়তো আমারো শুনতে হবে এমন ডাক। কিন্তু কালো অর্থনীতি বলা দোষের কিছু না। যেমন দোষের না কালোবাজার বা কালো টাকা বলা। বলাই যেতে পারে। আর আনু মুহাম্মদ সাহেবের মতো অজস্র লোকেরাও তাদের বইতে কালো শব্দটাই বারবার ব্যাবহার করেন।
আমি কে ?
(এই লেখাটি অনেকগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা কথার সংকলন, আমার মনের কথা। যা একটির সাথে সাথে আরেকটির মিল নাও হতে পারে। পাঠক ক্ষমা করে দেবেন।)
আন্দোলনের একদিন
শুক্রবার। বাসা থেকে বের হতে একটু দেরি হয়ে গেলো। আগের দিন রাত ৪ টা পর্যন্ত মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকার ফল। কাজের কাজ কিছু হয় নাই, এমনটা বলবো না। আন্দোলনের নানান দিক নিয়ে অসংখ্য আলোচনা মস্তিষ্কের নিউরণের ভেতর বানের পানির মতো প্রবেশ করেছে। ভাগ্যিস ইনফরমেশনের কোনো ভর থাকে না। নাহলে আমার মাথাটা এত ভারী হয়ে যেতো যে, নিশ্চিত সেটা আজ আর আমি বালিশ থেকে তুলতে পারতাম না।
পৌনে ১২টার দিকে দৈনিক বাংলা মোড় দিয়ে ঢুকে বায়তুল মোকাররমের সামনে একটা চক্কর দিলাম। শ্রম ভবনের দিকটা একেবারে পল্টন মোড় পর্যন্ত বন্ধ। উল্টা রাস্তায় সাইকেল চালাচ্ছি আর দেখছি হাজারো দাঙ্গা পুলিশ, রাব দাঁড়িয়ে আছে পজিশন নিয়ে। তাদের মধ্যে যুদ্ধের প্রস্তুতি। বায়তুল মোকাররমের সিঁড়ির ওপর দাঁড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছিলো শ'পাচেক অল্পবয়সী পাঞ্জবি পড়া ছেলে। পুরো সিঁড়িই দখল করে ছিলো ওরা। সংবাদকর্মীদের অনেককেই দেখলাম মাথায় হেলমেট পড়ে ঘোরাঘুরি করছেন। নয়া দিগন্তের এক রিপোর্টারকে দেখলাম। দেখে মেজাজ খারাপ হলো। কেন, কে জানে?
আজকের জামাতে ইসলামী শিবির ও সমমনা ১২ দলের নগ্ন হামলা কর্মকান্ড ও জাতীর বিবেকের কাছে কিছু প্রশ্ন ।
আজ সারাদেশে জামাতে ইসলামী , শিবির আর তাদের সমমনা ১২ ইসলামী দল যে ভেলকি দেখালো তাতে কি তারা তাদের অস্তিত্বের প্রমান দিল নাকি শক্তির জানান দিল ?
শহীদ মিনার ভাঙ্গা , জাতীয় পতাকা পোড়া , সাংবাদিক , পুলিশ , সাধারন মানুষের উপর হামলা , জাতীয় মসজিদে আগুন দেয়া সহ গনজাগরনের মন্চ গুলো ভাঙ্গা সহ কি করেনি তারা ? এর থেকে বড় দেশদ্রোহী কর্মকান্ড আর কি হতে পারে?
আজ ধিক্কার তাদের যারা জামাতে ইসলামী আর শিবিরের সাথে তাদের একাত্বতা প্রকাশ করেছে তাদের ।
তবে এতে অবাক হবার কি আছে ? এটা তো এদের কাজ । ধর্ম হল তাদের রুটি রুজি । আর আমাদের সাধারন জনগন হল এই ধর্ম ব্যবসায়ীদের বলির পাঠা । কিন্তু এই মানুষ গুলো কি মূর্খ ? কোনটা ভাল কোনটা মন্দ তা কি তারা বোঝেনা ? ধর্মকে পুজি করে সাধারন মানুষ নিয়ে খেলছে এই ইসলামী দল গুলো । আর এই ধর্মান্ধ মানুষ গুলো তাদের পিছনে ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মত ছুটছে ।
চিলে কান নিছে বলছে হুজুরে,
আনতে পারলে কান,
যাইবো জান্নাতে ।
জামায়াত আর শিবির বড় নাস্তিক।
যে আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখে সে আস্তিক আর যে না রাখে সে নাস্তিক , তাই না ? নাকি যে আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখে আর তার কথা মেনে চলে সে আস্তিক ? জামায়াত আর শিবির কি করে ? ধর্ম কে ঢাল করে রাজনিতী , মানুষ খুন , জিহাদের নাম এ মানুষ হত্যা , ওরা কি জানে আল্লাহ তার বান্দাদের কি করতে বলেছেন আর কি করতে বলেনি ? বিদায় হজ্বের ভাষন কি ওরা ভুলে গেছে ?
সব ভুলে গেছে ওরা জামায়াত আর শিবিরের আল্লাহ হল গোলাম আজম আর নবী হল সাইদি,মুজাহিদ,কাদের মোল্লা । কারন জামায়াত আর শিবির আমাদের আল্লাহ,মহানবী(স:) আমাদের পবিত্র কুরআন শরীফ কোনোটাই মেনে চলেনা তাদের রাজনৈতিক গুরু যাদের তারা তাদের আল্লাহ মানে তাদের কথা তারা মেনে চলে । তাহলে ভেবে দেখুন জামায়াত আর শিবিরের থেকে বড় নাস্তিক কোথাও আছে কি ? যেসব জামায়াত আর শিবিরের নাস্তিক রা এ পোস্ট টা দেখবেন তাদের জন্য আমাদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স:) এর বিদায় হজ্বের ভাষন টি নিচে তুলে ধরলাম। কোনো কমেন্টর করার আগে একবার পরবেন।
¤ বিদায় হজ্বে আরাফার মাঠে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর ঐতিহাসিক সেই ভাষনের কিছু অংশঃ
তোমরাই কি সেই মোনাফেকের দল?
তোমরা কেবল নাস্তিক রাজিবকে দেখিলে!
তোমাদের মসজিদে আগুন লাগাইল
বোমা ফুটাইল, পাটকেল ছুড়িল।
তোমরা কেবল নাস্তিক রাজিবকে দেখিলে!
দেখিয়াই বলিলে আমি এই আন্দোলনে নাই!
এক রাজিব দেখিয়া তোমরা সবাইকে নাস্তিক ঠাওরিলে
তোমরা অনেক বড় ধার্মীক, রাজিব না হয় নাস্তিকই হইল
রাজিব না হয় আন্দোলন করিয়া মারা গেল
তোমরা কী করিলে! আন্দোলন ছাড়িয়া দিলে।
কাদের সুযোগ দিলে?
যাহারা শহীদের রক্তে কেনা পতাকা ছিঁড়ে,
যাহারা আমার চেতনার শহীদ মিনার ভাঙে
যাহারা আমার পবিত্র মসজিদে বোমা ফুটায় তাদের?
রাজিব না হয় কাফেরই হইল, তোমরা কী করিলে!
তোমরা কেবল নাস্তিক রাজিব দেখিলে
মুসলিমরূপি মোনাফেক দেখিলে না।
তোমরাই সেই মোনাফেকের দল নও তো!!