ইউজার লগইন
ব্লগ
সংবাদপত্রের কালো অধ্যায় দৈনিক আমার দেশ
আমি অভিশাপ দিচ্ছি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে।
ঘৃণার আগুন ছুড়ে দিচ্ছি তার নষ্ট হয়ে যাওয়া মস্তিষ্কে।
থুতু ছিটাই তার চাটুকারিতার স্বভাব এবং ভ্রান্ত নীতিতে।
লাথি মারি তার রাজাকার আর জামায়াত তোষণের মানসিকতায়।
ইনকিলাব, নয়া দিগন্ত, সংগ্রামের সাথে দৈনিক আমার দেশের আর কোনো পার্থক্যই থাকলো না!
সংবাদপত্রের ইতিহাসের কালো অধ্যায় হয়েই থাক দৈনিক আমার দেশ। আরেকটি মীর জাফর হিসেবে উচ্চারিত মাহমুদুর রহমানের নাম।
কিন্তু দৈনিক আমার দেশ-এ আমার যে সব বন্ধু, গুরুজন, শুভানুধ্যায়ীরা কাজ করে তাদের জন্য কী করতে পারি, কী বলতে পারি তাদের?
দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও
প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সুবাদে সুদূর জাপানে বসেও বাংলাদেশের সমসাময়িক ঘটনাবলী সম্পর্কে একটা সম্যক ধারণা পাওয়া যায়। যদিও বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া প্রায়শই দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে সংবাদ প্রচার করে থাকে। বাংলাদেশের অধিকাংশ গণমাধ্যম নিরপেক্ষ খবর প্রচার করতে পারে না দলীয় আনুগত্যের কারণে। তারপরও সকল গণমাধ্যমে প্রচারিত খবর দেখলে একটা বাস্তব চিত্র বিশ্লেষণ করার প্রয়াস পাওয়া যেতে পারে। ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশের কয়েকটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত শিরোনাম হলোঃ “সিলেটে শহীদ মিনারে হামলা-ভাঙ্চুর, গুলি”, “চট্টগ্রামে গণজাগরণ মঞ্চে হামলা”, “হামলায় ১৭ জন সাংবাদিক আহত”, “দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা, নিহত ৪” – (দৈনিক প্রথম আলো)। “উত্তাল সারাদেশ” “কুচক্রী মহলের ফাঁদে পা দিয়ে ধর্মপ্রাণ মানুষ ও সাধারণ মুসল্লীদেরকেও প্রতিপক্ষ বানানো শুভকর হবে না” “তৌহিদী জনতার আড়ালে জামায়াতে শিবিরের হামলা” “যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির এক দাবিসহ জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে ফের প্রকম্পিত শাহবাগ চত্বর”, “ইসলাম ও মহানবী (সা.) অবমাননা প্রতিবাদে গর্জে উঠছে চট্টগ্রাম” (দৈনিক ইনকিলাব)। “সি
কালো অর্থনীতির তথ্যপুর্ন, রসাত্মক, সহজ পাঠ!
প্রথমেই বলে নেই আমার রিভিউ আমার মতোই সাধারন। একটা বই পড়ে আমার মতো সাধারন মানুষের কি অনুভুতি হলো তাই জানানোই আমার রিভিউয়ের দায়। এর বাইরে আর কিছু নাই। আমি কোনো একাডেমিক রিভিউ লিখতে বসি নাই। তা লেখার মেলা লোক আছে। আর লীনা আপু রিভিউ লেখার পড়ে এ বই নিয়ে আরও নতুন কিছু বলা সম্ভব কিনা তাই নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভাবছি।
শিরোনামে আমি বলতেছি কালো অর্থনীতি। কালো শব্দটা আমার ব্যাক্তিগত পছন্দ না কারন চায়ের দোকানে বসতে বসতে আর বাইরে থাকতে থাকতে চেহারার ভেতরে যে শ্যামবর্নের ব্যাপার স্যাপার ছিলো তা তুমুল মাইর খেয়েছে। তাই কালোদের নিয়ে কিছু বললে এখন নিজেরই লাগে। আর পুলক যে ভাবে লোকজনকে নাক সিটকিয়ে বলে ঐ কাইল্লাটা কই গেলো? (আমারে না) তখন নিজের অন্তরাত্মা কেপে উঠে। একদিন হয়তো আমারো শুনতে হবে এমন ডাক। কিন্তু কালো অর্থনীতি বলা দোষের কিছু না। যেমন দোষের না কালোবাজার বা কালো টাকা বলা। বলাই যেতে পারে। আর আনু মুহাম্মদ সাহেবের মতো অজস্র লোকেরাও তাদের বইতে কালো শব্দটাই বারবার ব্যাবহার করেন।
আমি কে ?
(এই লেখাটি অনেকগুলো বিচ্ছিন্ন ঘটনা বা কথার সংকলন, আমার মনের কথা। যা একটির সাথে সাথে আরেকটির মিল নাও হতে পারে। পাঠক ক্ষমা করে দেবেন।)
আন্দোলনের একদিন
শুক্রবার। বাসা থেকে বের হতে একটু দেরি হয়ে গেলো। আগের দিন রাত ৪ টা পর্যন্ত মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকার ফল। কাজের কাজ কিছু হয় নাই, এমনটা বলবো না। আন্দোলনের নানান দিক নিয়ে অসংখ্য আলোচনা মস্তিষ্কের নিউরণের ভেতর বানের পানির মতো প্রবেশ করেছে। ভাগ্যিস ইনফরমেশনের কোনো ভর থাকে না। নাহলে আমার মাথাটা এত ভারী হয়ে যেতো যে, নিশ্চিত সেটা আজ আর আমি বালিশ থেকে তুলতে পারতাম না।
পৌনে ১২টার দিকে দৈনিক বাংলা মোড় দিয়ে ঢুকে বায়তুল মোকাররমের সামনে একটা চক্কর দিলাম। শ্রম ভবনের দিকটা একেবারে পল্টন মোড় পর্যন্ত বন্ধ। উল্টা রাস্তায় সাইকেল চালাচ্ছি আর দেখছি হাজারো দাঙ্গা পুলিশ, রাব দাঁড়িয়ে আছে পজিশন নিয়ে। তাদের মধ্যে যুদ্ধের প্রস্তুতি। বায়তুল মোকাররমের সিঁড়ির ওপর দাঁড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছিলো শ'পাচেক অল্পবয়সী পাঞ্জবি পড়া ছেলে। পুরো সিঁড়িই দখল করে ছিলো ওরা। সংবাদকর্মীদের অনেককেই দেখলাম মাথায় হেলমেট পড়ে ঘোরাঘুরি করছেন। নয়া দিগন্তের এক রিপোর্টারকে দেখলাম। দেখে মেজাজ খারাপ হলো। কেন, কে জানে?
আজকের জামাতে ইসলামী শিবির ও সমমনা ১২ দলের নগ্ন হামলা কর্মকান্ড ও জাতীর বিবেকের কাছে কিছু প্রশ্ন ।
আজ সারাদেশে জামাতে ইসলামী , শিবির আর তাদের সমমনা ১২ ইসলামী দল যে ভেলকি দেখালো তাতে কি তারা তাদের অস্তিত্বের প্রমান দিল নাকি শক্তির জানান দিল ?
শহীদ মিনার ভাঙ্গা , জাতীয় পতাকা পোড়া , সাংবাদিক , পুলিশ , সাধারন মানুষের উপর হামলা , জাতীয় মসজিদে আগুন দেয়া সহ গনজাগরনের মন্চ গুলো ভাঙ্গা সহ কি করেনি তারা ? এর থেকে বড় দেশদ্রোহী কর্মকান্ড আর কি হতে পারে?
আজ ধিক্কার তাদের যারা জামাতে ইসলামী আর শিবিরের সাথে তাদের একাত্বতা প্রকাশ করেছে তাদের ।
তবে এতে অবাক হবার কি আছে ? এটা তো এদের কাজ । ধর্ম হল তাদের রুটি রুজি । আর আমাদের সাধারন জনগন হল এই ধর্ম ব্যবসায়ীদের বলির পাঠা । কিন্তু এই মানুষ গুলো কি মূর্খ ? কোনটা ভাল কোনটা মন্দ তা কি তারা বোঝেনা ? ধর্মকে পুজি করে সাধারন মানুষ নিয়ে খেলছে এই ইসলামী দল গুলো । আর এই ধর্মান্ধ মানুষ গুলো তাদের পিছনে ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চার মত ছুটছে ।
চিলে কান নিছে বলছে হুজুরে,
আনতে পারলে কান,
যাইবো জান্নাতে ।
জামায়াত আর শিবির বড় নাস্তিক।
যে আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখে সে আস্তিক আর যে না রাখে সে নাস্তিক , তাই না ? নাকি যে আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখে আর তার কথা মেনে চলে সে আস্তিক ? জামায়াত আর শিবির কি করে ? ধর্ম কে ঢাল করে রাজনিতী , মানুষ খুন , জিহাদের নাম এ মানুষ হত্যা , ওরা কি জানে আল্লাহ তার বান্দাদের কি করতে বলেছেন আর কি করতে বলেনি ? বিদায় হজ্বের ভাষন কি ওরা ভুলে গেছে ?
সব ভুলে গেছে ওরা জামায়াত আর শিবিরের আল্লাহ হল গোলাম আজম আর নবী হল সাইদি,মুজাহিদ,কাদের মোল্লা । কারন জামায়াত আর শিবির আমাদের আল্লাহ,মহানবী(স:) আমাদের পবিত্র কুরআন শরীফ কোনোটাই মেনে চলেনা তাদের রাজনৈতিক গুরু যাদের তারা তাদের আল্লাহ মানে তাদের কথা তারা মেনে চলে । তাহলে ভেবে দেখুন জামায়াত আর শিবিরের থেকে বড় নাস্তিক কোথাও আছে কি ? যেসব জামায়াত আর শিবিরের নাস্তিক রা এ পোস্ট টা দেখবেন তাদের জন্য আমাদের মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স:) এর বিদায় হজ্বের ভাষন টি নিচে তুলে ধরলাম। কোনো কমেন্টর করার আগে একবার পরবেন।
¤ বিদায় হজ্বে আরাফার মাঠে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর ঐতিহাসিক সেই ভাষনের কিছু অংশঃ
তোমরাই কি সেই মোনাফেকের দল?
তোমরা কেবল নাস্তিক রাজিবকে দেখিলে!
তোমাদের মসজিদে আগুন লাগাইল
বোমা ফুটাইল, পাটকেল ছুড়িল।
তোমরা কেবল নাস্তিক রাজিবকে দেখিলে!
দেখিয়াই বলিলে আমি এই আন্দোলনে নাই!
এক রাজিব দেখিয়া তোমরা সবাইকে নাস্তিক ঠাওরিলে
তোমরা অনেক বড় ধার্মীক, রাজিব না হয় নাস্তিকই হইল
রাজিব না হয় আন্দোলন করিয়া মারা গেল
তোমরা কী করিলে! আন্দোলন ছাড়িয়া দিলে।
কাদের সুযোগ দিলে?
যাহারা শহীদের রক্তে কেনা পতাকা ছিঁড়ে,
যাহারা আমার চেতনার শহীদ মিনার ভাঙে
যাহারা আমার পবিত্র মসজিদে বোমা ফুটায় তাদের?
রাজিব না হয় কাফেরই হইল, তোমরা কী করিলে!
তোমরা কেবল নাস্তিক রাজিব দেখিলে
মুসলিমরূপি মোনাফেক দেখিলে না।
তোমরাই সেই মোনাফেকের দল নও তো!!
আমাদের পতাকা আর তোমরা
তোমরা যারা আজ দুপুরে এই আমাদের আঘাত দিলে,
তোমরা যারা লাল সবুজের দেশটুকু আজ ছিঁড়েই নিলে,
তোমরা জানো এই পতাকা দেয়নি যেঁচে শ্ত্রুসেনা?
তোমরা জানো এই পতাকা তোমার ভায়ের রক্তে কেনা?
তোমরা জানো এই পতাকা তোমার মায়ের কান্না ধরে?
তোমরা জানো এই পতাকায় তোমার বোনের লজ্জা সরে?
তোমরা জানো এই পতাকা বাংলাদেশের গল্প বলে?
তোমরা জানো এই পতাকার গৌরবে এই দেশটা চলে?
তোমরা জানো এই পতাকায় কত্ত বুকের আবেগ মেশে?
তোমরা জানো এই পতাকায় কত্ত চোখের প্লাবন এসে-
তোমরা জানো এই পতাকায় তোমার আমার সৃষ্টি লেখা?
তোমরা জানো এই পতাকায় দেশের কথা আবার শেখা?
তোমরা জানো এই পতাকায় শ্রদ্ধা জানায় বিশ্ববাসী
তোমরা জানো এই পতাকায় আমরা সবাই জগৎ ভাসি?
তোমরা জানো এই পতাকায় তোমরা আছো, আমার মত?
তোমরা জানো এই পতাকা আশায় বোনা, স্বপ্ন কত?
তোমরা জানো এই পতাকা সবচেয়ে বড় পাওয়া?
তোমরা জানো এই পতাকায় আঘাত মানে নিজেই মরে যাওয়া?
তোমরা জানো কত্তটুকু আজ পুড়েছো অভিশাপে?
তোমরা জানো কত্তটুকু আমলনামা ভরলে পাপে?
তোমরা জানো ধ্বংস হতে কাজ কিছু নেই বোমার?
তোমরা জানো কত্তটুকু নিঁখাদ ঘৃণা কেবল তোমার? তোমার?
কিছু জিজ্ঞাসা
কর্মকান্ড ১: নতুন প্রজন্ম ১৭ দিন টানা বিক্ষোভ সমাবেশ করলো , কিন্তু কোনো সহিংসতা হলোনা। একটি বারের জন্যও অরাজকতার সৃষ্টি হলোনা। লাখো মানুষের জমায়েত , স্লোগান কিন্তু হলোনা কোনো ক্ষয়ক্ষতি।
ফলাফল: এটা নাস্তিকদের আন্দোলন। এরা ইসলাম এর শত্রু। এদেরকে রুখে দিতে হবে।
কর্মকান্ড ২: তথাকথিত মুসলিমরা আজ শাহবাগের আন্দোলনের প্রতিবাদে মিছিল বের করেছিলো। শুরুতেই পুলিশের সাথে সংঘর্ষ, বোমা নিক্ষেপ । কয়েকশত মানুষের জমায়েত , স্লোগানের সাথে সাথে হলো আক্রমন প্রতিআক্রমণ , জ্বললো জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম আর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি।
ফলাফল: এটা ইসলামের আন্দোলন। এরা ইসলাম এর প্রতিষ্ঠা চায়।
জিজ্ঞাসা : হিংস্রতা ইসলামের কোথায় আছে? মসজিদ জ্বালিয়ে ইসলাম কিভাবে প্রতিষ্ঠা পাবে? ইসলাম শান্তির ধর্ম ; তাহলে এই অশান্তি সৃষ্টিকারীরা কোন হাদিসের আলোকে ইসলাম এর পক্ষে? ইসলাম ধর্মের ক্ষতি কে বেশি করলো , শাহবাগের তরুনরা নাকি আজকের প্রতিবাদকারীরা?
বিশ্লেষণ :যে ঘুমিয়ে থাকে তাকে জাগানো যায় , কিন্তু যে জেগে ঘুমায় তাকে কিভাবে জাগায়?
মা, মাতৃত্ব এবং আমাদের যত অপূর্ণতা
পৃথিবীর সব মাতৃত্বই বুঝি এক। সমান।
গত পরশু রাতে মতিঝিল থেকে ফিরছি, পল্টন হয়ে। পল্টন মোড়েই এক অদ্ভুত দৃশ্য চোখে পড়লো।
একজন মা রাস্তা পার হচ্ছে, সাথে শিশু। মায়ের শরীরের সাথে শিশুটির শরীর দড়ি দিয়ে বাঁধা। বাচ্চাটির বয়স বোধহয় ২/৩ বছর হবে। হাঁটতে পারে। মহিলাটি ভিক্ষুক তথা ছিন্নমূল শ্রেণির, দেখলেই বোঝা যায়। বাচ্চাটি পুরো দিগম্বর।
গতকাল বিকালে আবার সেই মা এবং শিশুকে দেখলাম। পল্টনেই। দৈনিক সকালের খবর অফিস পেরোনোর সামান্য দূরত্ব পর। গতকাল দেখা সেই মা ঘুমিয়ে আছে রাস্তায়। বাচ্চার গায়ে লম্বা একটি দড়ি বাঁধা। বাচ্চাটি এদিক সেদিক ছোটাছুটি করছে। কখনো বা ট্রাফিকের মতো আচরণ করছে। ২১ ফেব্রুয়ারি, সরকারি ছুটির দিন বলেই রাস্তাটি ফাঁকা। এই ফাঁকা রাস্তা সুযোগ করে দিয়েছে একজন ছিন্নমূল নারীকে একটু ঘুমিয়ে নেয়ার। আর তার বাচ্চা পেয়েছে খেলার সুযোগ।
মা এবং সন্তানের বন্ধন হিসেবে মাঝখানের দড়িটি এখনো চোখের সামনে ভাসছে।
নিশ্চিন্ত মা, তার সন্তানটি হারাবে না। সেই মায়ের মুখটা ভাসছে সামনে। বাচ্চাটিরও।
নতুন করে একটি ক্যামেরার প্রয়োজন বোধ করলাম। এ ছবি তো শুধু ছবি হতো না। এ এক মহান ইতিহাস।
নিস্ফলা শ্রেষ্ঠ সময় অংশ নয়!
সকালে ঘুম থেকে উঠেই আজ আমার মন খারাপ। মাঝে মধ্যে সকাল গুলো কেমন জানি হয়ে যায়। কিছুই ভালো লাগে না। ক্লান্তিতে দেড়টায় ঘুমালাম সাড়ে সাতটায় উঠলাম। খারাপ সময় ঘুমাই নি কিন্তু কেমন জানি লাগছে। যদি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেই যে সকালে ঘুম থেকে উঠেই মন শরীর ভালো লাগছে না। তাহলে অবধারিত ভাবে লোকজন বলবে মেয়েলী স্ট্যাটাস দেয়। তাও ভালো লাগছে না। নাস্তা করি নাই কিছুই তাও লিখছি বসে। গতকাল ছিলো একুশে ফেব্রুয়ারী। ছোটবেলা থেকেই আমার মাথায় প্রশ্ন আসতো কেনো একুশে ফেব্রুয়ারী বলা হয়? কেনো ৮ই ফাল্গুন বা নয়ই ফাল্গুন বলা হয় না?
নেড়া কয়বার বেলতলায় যায়?
১. ছাত্রলীগ দাঙ্গাদারী ও কামড়াকামড়ির জন্য বিখ্যাত। এই সরকারের আমলে তা বার বার প্রমাণিত হয়েছে। এদের উপর জনগনের কোন শ্রদ্ধা তো নেইই তারা ওদের ঘৃণা করে। ছাত্রলীগের নেতাকে তাই মঞ্চে তোলাটাকে সমর্থন করি না। কিন্তু তার মানে এই না যে ভাবছি আন্দোলন দলীয় কিংবা আন্দোলন থেকে সমর্থন তুলে নেয়া উচিৎ। কারণ এখানে আরো বেশ কিছু ছাত্র সংগঠনের নেতা মঞ্চে উঠেছিল। এই আন্দোলনকে সমর্থন দানের একতিয়ার নিশ্চই তারা রাখেন। কিছু কিছু পেজের 'ছাত্রলীগ নেতাকে দেখে সমর্থন তুলে নিলাম' টাইপের স্ট্যাটাসকে তাই একরকম তংচঙ্গতা মনে করি। তারা মূল স্প্রিট থেকে বিচ্যুত। বরং সকল জাতীয় দলের সমর্থন থাকা উচিৎ শাহবাগ আন্দোলনে।
তরুণদের নবজাগরণ ও কিছু তাৎপর্যপূর্ণ অর্জন
[তরুণ প্রজন্মের নবজাগরণ নিয়ে একটা ফেসবুক নোট লিখেছিলাম "প্রিয় তরুণ প্রজন্মের প্রতি : ও আলোর পথযাত্রী, এ যে রাত্রি, এখানে থেমো না..." শিরোনামে। লেখাটি এই ব্লগে পোস্ট করেছিলেন রন। খুবই সম্মানিত বোধ করেছি আমি, সন্দেহ নেই। খুব তাৎক্ষণিকভাবে রচিত ওই লেখায় কিছু ভুলভ্রান্তি ছিল, যেগুলো পরে ঠিক করা হয়েছে। ইচ্ছে ছিল, সংশোধন করার পর নিজেই লেখাটি পোস্ট করবো। কিন্তু একই লেখা দুবার পোস্ট করার ব্যাপারে মন সায় দেয়নি। তাই একই বিষয়ে নতুন একটি লেখা নিয়ে এলাম। ]
যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ দাবিতে নতুন প্রজন্মের তরুণরা শুধু নিজেরাই জেগে ওঠেননি, জাগিয়ে তুলেছেন সমগ্র জাতিকে। আন্দোলনের চূড়ান্ত সাফল্য এখনো আসেনি বটে, তবে এ পর্যন্ত অর্জন ঘটেছে বহুবিধ। কয়েকটি উল্লেখ করি :
১. রাজনীতিবিমুখ প্রজন্ম বলে পরিচিত হয়ে ওঠা এই তরুণরা দেখিয়ে দিলেন, তাদের রাজনীতি-সচেতনতা বড়ো বড়ো বুলি আউরানো বুদ্ধিজীবীদের চেয়ে বেশি। কাদের মোল্লার রায় ঘোষণার পর বুদ্ধিজীবীরা হতভম্ব হয়ে বসেছিলেন, আর তরুণরা সংগঠিত করেছেন তীব্র প্রতিবাদ।
একজন সাধারণ জনতার মনের কথা
প্রথম পাতায় একাধিক লেখা জমে গিয়েছিলো। এটাসহ ৩টা হয়ে যেতো। তাই আগেরগুলোকে আমার পাতায় পাঠিয়ে দিলাম।
আজ দুপুর ৩টা থেকে মহাসমাবেশ। এই মহাসমাবেশটা কেমন হবে, সেখান থেকে কি ঘোষণা আসবে- সবকিছু নিয়ে উৎকণ্ঠিত সবাই। কাল সন্ধ্যার পর থেকে অনেক রাত পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা বৈঠক করেছেন। কি সিদ্ধান্ত হয়েছে জানি না। ফাঁসির রায়, জাশি নিষিদ্ধ আর রাজীব হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আল্টিমেটাম দেয়া হতে পারে সরকারকে। সেই সঙ্গে প্রজন্ম চত্বরের অবস্থানকাল সংকুচিত করে প্রথমে রাজধানীর সর্বত্র এবং পরে দেশের সব জেলায় আন্দোলন ছড়িয়ে দেয়ার রূপরেখা ঘোষণা হতে পারে। এ সবই আসলে শোনা কথা। সত্যিকার অর্থে কি হবে, তা এখনো সাধারণ জনতা জানে না। কিন্তু সাধারণ জনতা তার নিজের মনের কথা জানে।
কোনো কোনো গণমাধ্যমের মতে, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যানজটটি লেগেছিলো চীনের ন্যাশনাল হাইওয়েতে। ১৪ আগস্ট ২০১০ সালে। সেই জটে ১০০ কিলোমিটারের বেশি রাস্তা অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলো। ১০ দিনের বেশি সময় লেগেছিলো সেই জট ছাড়াতে।