ইউজার লগইন
ব্লগ
অপহৃত উৎসব বিষয়ক কিছু কথা
১. দূর্গাপুজা ও কোরবানির ঈদ চলে গেল হাত ধরাধরি করে। মাতৃরুপেনু সংস্থিতা দেবী দূর্গা সপরিবারে পিত্রালয়ে নাইওর এসে এবারো দমন করলেন অশুভশক্তির প্রতীক দেবদ্রোহী মহিষাসুরকে। মৃত্যুর কিছুকাল পূর্বে নিজের মৃত্যুদৃশ্য স্বপ্নে দেখে ভীত মহিষাসুর ভদ্রকালীকে তুষ্ট করেছিলেন। ভদ্রকালী তাঁকে রক্ষার প্রতিশ্রুতি না দিলেও তাঁর ভক্তিতে তুষ্ট হয়ে বরদান করতে ইচ্ছুক হন। মহিষাসুর দেবতাদের যজ্ঞভাগ বর চাইলে দেবী সেই বর দিতে অস্বীকৃত হন; কিন্তু মহিষাসুরকে এই বর দেন যে যেখানেই দেবী পূজিতা হবেন, সেখানেই তাঁর চরণতলে মহিষাসুরেরও স্থান হবে। মায়ের গৃহে সকলেরই ঠাঁই আছে।
ভেবে দেখলে, কোরবানির ঈদ ও দুর্গাপুজার দর্শন প্রায় একই। এই ঈদ মূলত পশু কোরবানি অর্থাৎ প্রতীকী অর্থে অশুভ’কে নিধন করা, এবং আল্লাহর নেয়ামত সমাজের বঞ্ছিতদের সাথে ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য পালন হয়। গরীব ধনী সকলের স্থান আছে ঈশ্বরের ঘরে, সবাইকে শামিল করতে পারলে তবেই না যথার্থ উৎসব।
এবার দিনাজপুরে
অনেক অনেক দিন পর দিনাজপুর গেলাম এবার। প্রতিবারই শহরের চেহারা বদলায়, আশৈশবের পরিচিত শহরটাকে নতুন স্থাপত্যের চাকচিক্যে অচেনা লাগে, পরিচিত সকলের চেহারায় সময় তার আঁচড় রেখেছে, জানি আমার চেহারাতেও সময় তার ছাপ রাখছে তবু মনে মনে এখনও আমি সেই কৈশোরেই আটকে আছি। বন্ধুদের পরিবার বড় হয়েছে, বাচ্চাদের স্কুল আর অনিশ্চিত ভবিষ্যতের গল্পের ফাঁকে নিজেদের স্কুল কলেজের গল্পও উঠে আসে সময় সময়।
শ্যাম-রাধা বিচ্ছেদঃ ০৬-রাধাবৃক্ষ
গাছের পাতা উড়ে হাওয়ায়
উড়ে আঁচল তোমার,
বুকের মাঝে কষ্টগাছ
শিকড় বাকড় শুধু আমার।
তুমি হইলা ফুল আর ফল
আমি দিলাম ছায়া আর জল।
অনিমেষ কয়-হাওয়ায় উড়ে
যাইবা কোথায় রাধা;
কৃষ্ণ হইলো একলা নাও
সে দুঃখনোঙ্গরে বাঁধা।
তুমি হইলা পুজার যোগ্য
ফুল-ফল সব তোমার ভোগ্য,
তুমি প্রেমের ধারা,
রাধা বিনে বহে কেমন
দিন রাত সব আছে যেমন
প্রেমের ঝর্নাধারা।
অধরা
অধরা
হৃদয়ে রেখেছো হাত-
বুকের পাঁজর তলে হৃদয়রতন টকটকে লালতরমুজ-
অবোধ ষোড়শী হেসে খেলে ফালি ফালি কাটে,
আঁধার সমান বিরহপাথর-প্রেমের উত্তাপে গলে।
সময় বঙ্কিম সিঁথি খুঁজে তবু অধরার মুখ
পাতাল পাহাড় সাগর অরণ্যে ছুটে নিয়ন বাতির সাথে
ক্ষয়িষ্ণু কাহিল বুক।
আত্মমগ্ন কথামালা - ১৭
।
সেই কোন শিশুকাল কোনো একটা রূপকথায় পড়ছিলাম রাজকন্যারে পীরেনিজ পর্বতমালার ওইপাড়ের থিকা উদ্ধার কইরা নিয়া আসে রাজকুমার। সেই থিকাই মাথার ভিতর পীরেনিজ নিয়া একটা বিরাট ধরণের রোমান্টিসিজম লালন কইরা যাইতেছি। সাগরের জোয়ার-ভাটার মতো, এই রোমান্টিসিজম কখনো পিকে থাকে কখনো নাইমা যায়। সময়কালের কোনো ঠিক-ঠিকানা নাই...
।
*
আলতো আদরে মাতে
পীরেনীজ ছুঁয়ে আসা সোনালী মেঘের দল...
*
।
আইজ সকালের আকাশ দেইখা কোনো ফিলিং হয়নাই মাথার ভিতর। দুপুরে বেরইলাম, আর আকাশ দেইখা মনে হইতে থাকলো একেবারে জলরঙে আঁকা। ঘুইরা ফিরা আবারো সেই শিশুকাল মাথার ভিতর ফিরা আসলো। যেই সময় আমরা সিএমওয়াইকে চিনতাম না, আরজিবি চিনতাম না। রঙগুলারে আলাদা আলাদা নামে চিনতাম। সেই পিওর আকাশী নীল রঙের আকাশ ছিলো দুপুরে। সাথে পেঁজা তুলো মেঘের ছোপ ছোপ...
।
রোদের টুকরাগুলা পইড়া ছিলো সেই পুরানো সরকারী বাগানের সবুজ কার্পেটের উপরে। আশেপাশের বড়বড় গাছগুলা মনে হইতেছিলো স্নেহের দৃষ্টিতে তাকাইয়া ঘাস আর রোদের খুনসুটি দেখতেছে...
।
বহুদিন লেখতে পারতেছিনা। চেষ্টা কইরা চলতেছি। কিন্তু কিছুই জমাট বাধতেছে না।
বেঁচে আছি??!!!
কখন রাত হয়, কখন সন্ধ্যা নামে, রাতের ঘুম কি জিনিস, অবসর কাকে বলে, নিজের কাছে নিজে ফেরা কি, এগুলো সব আজকে একবছরের উপর ভুলে গেছি, লিখতে ভলে গেছি, শেষ কবে টিভি দেখেছি বলতে পারি না। সবকিছু সব সময় কন্যাকে দিচ্ছি, তারপর যখন দিনশেষে মেয়ে চরম অসুস্থ হয়, বেচারার কান্নার শক্তিটুকুও আর থাকে না, ৪ ৫ দিনে ২কেজি ওজন কমে যায তখন নিজেকে কেমন যেন অপরাধী লাগে। মনে হয আমি ঠিকঠাক ওর যত্ন করতে পারছি না, নিজেকে কেমন ব্যর্থ মা মনে হয়।
সব ঠিক আছে আমার কিছুর দরকার নেই, শুধু দীপিতা সুস্থ থাক, মাঝে মাঝে মাথার ভেতর যখন কোন গদ্য অথবা পদ্য লাফ দিয়ে ওঠে তখনই আমার একটু কষ্ট হয়। এবার দীপিতা আম্মু বই ও করছি না, ডায়রী পর্যন্ত লিখি না তোমার কষ্ট হবে ভেবে, একটা ঈদ সংখ্যা পূজো সংখ্যা কিনিনি, যদি পড়তে ইচ্ছে করে এই ভেবে। আমার ভূতুম পাখি তুমি তাড়াতাড়ি সেরে ওঠো, এখন তুমি না খেয়ে ঘুমা্চ্ছো, এ সুযোগে পিসি খুললাম। আদর গো মা-মণি
কোরবানী ঈদের সময়ের সত্যি ঘটনা নিয়ে লেখা দুই পর্বের গল্প : আলোকিত অন্ধকারের জনপথে
১ম পর্ব
শুনবেন সেই সব গল্প ?
আড্ডা চলছে - পুরনো দুজন কলিগ বেড়াতে এসেছেন - হারানো সময়ের ভালোলাগা অনেক কথা উঠে আসতে শুরু করেছে - পরিবেশটা বেশ উপভোগ করছি - হুট করেই একজন জিজ্ঞেস করলেন - একটা চাকরি দিতে পারেন ? - আমি কিছুটা অবাক হয়েই তাকালাম - কাউকে চাকরি দেবার মত অবস্থানে আমি এখনো পৌঁছাইনি - আমার বন্ধুদের কেউ হয়ত পারবে এই ভেবে জিজ্ঞেস করলাম - কার জন্য ? ভদ্রলোক চুপ করে গেলেন - কিছুটা যেন দ্বিধাগ্রস্ত - আমি আবার জিজ্ঞেস করলাম - চাকরিটা কার প্রয়োজন ? ভদ্রলোক নিরুত্তর - পরিবেশটা ও কেমন যেন একটু গুমোট হয়ে গেল - অস্বস্তি কাটাতেই প্রসঙ্গ বদলে ফেললাম - অল্পক্ষণেই আরষ্টতা কাটিয়ে আমরা আবার গল্পে মেতে উঠলাম.
'বুঝলেন - একটা মেয়ে আছে - ভালো মেয়ে' - ভদ্রলোক নিজে থেকেই বলছেন আবার - 'একটা চাকরির খুব দরকার ওর'.
আপনার কোনো আত্মীয়া নাকি ? জিজ্ঞাসা আমার.
না - চিনি আর কি.
বুঝলাম - থলের বেড়াল বেরোতে শুরু করেছে . কাছের কেউ?
না - পরিচিত - মানে- মেয়েটা একটু অন্য ধরনের পেশায় আছে.
আইসিএসএফ কর্মশালা ২: ট্রাইবুনালের সাক্ষী-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা
১৯৭১-এ সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধসমূহের বিচারের মাধ্যমে বিচারহীনতার সংস্কৃতির নিরসন এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ, কর্মী এবং সংগঠনসমূহের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (ICSF)। বাংলাদেশে বর্তমানে চলমান বিচার প্রক্রিয়াকে পর্যবেক্ষণ, অনুশীলন এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যেই এই নেটওয়ার্কের প্রতিষ্ঠা। এসব উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল এবং এর বিভিন্ন অঙ্গসমূহকে দালিলিক, আর্কাইভ এবং গবেষণা সহায়তা প্রদান করা ছাড়াও ট্রাইবুনালের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং দফতরসমূহের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ, মতামত এবং পরামর্শ বিনিময়, এবং ক্ষেত্রবিশেষে সরাসরি পদক্ষেপ গ্রহণ এই নেটওয়ার্কের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমের অংশ। আইসিএসএফ-এর কার্যক্রম, এর প্রকল্পসমূহ, এর সাংগঠনিক ইউনিটসমূহ এবং সাংগঠনিক নীতিমালাসমূহ সম্বন্ধে আরও বিস্তারিত জানতে ঘুরে আসুন: http://icsforum.org
৫টি কবিতা
এপিটাফ
অনুভূতিহীন এই নগরে
আমি পতনের শব্দ শুনতে শুনতে ক্লান্ত
তাই দৃশ্যের দর্শক না হয়ে,
রোদের মধ্যে মিশে গেছি
হয়ে গেছি রাতের চিত্রকল্প।
দ্যাখো তো আমাকে দেখতে পারো কি না
সিগারেট
অন্ধকারের করতালিতে তোর মুখের ছায়া কখন লাফিয়ে উঠে
সেই ভয়ে আমি সিগারেট পাশে রাখি,
সিগারেটে আগুন ধরিয়ে তোর ঘাতক ছায়াকে ভয় দেখাই
যতোবার তোর মুখের ছায়া উদয় হয় আমি একটা সিগারেট জ্বালাই!
সিগারেট শেষ হয়। সিগারেটের প্যাকেট হৃদয়ের মতো হয়ে যায়
সিগারেট পুড়ে, কলিজা পুড়ে, তোর মুখের ছায়া তবু পোড়ে না।
গোপন
তোমার গোপন দাগ
রোজ দেখে স্নানের জল।
তাহলে গোপন রইলো কিভাবে?
চে’ গুয়েভারা
আমাকে পথ দেখাতে হবে না
কোন পথে যেতে হবে আমি জানি,
আমার পথ দেখিয়ে দিয়ে গেছেন চে’ গুয়েভারা।
প্রস্থান
ঢাক পিটিয়ে, শঙ্খ বাজিয়ে নয়
রোদের ব্যানারে ঘোষণা দিয়ে নয়,
খুব নিভৃতে ঝরা পাতার মতো
ঝরে পড়বে ক্ষুদ্র একটি পাতা,
যে পাতা অনেক কষ্ট করে ঝড়ের মোকাবেলা করতো,
বিশ্বাস আর স্বপ্ন ছাড়া তার আর কোন অস্ত্র ছিলো না।
জঙ্গলে স্থিত
বলো কারে জিজ্ঞেস করি
ব্যস্ততা,ঘাসের সস্তা উথ্থানের কারণ
বাকল আকলে মোড়ানো বিবিধ ধাতুর জিহ্বা
লকলকে লাউডগা চারকোণ আবরণ।
অন্ন' এই শব্দ সাঁকোমুখী মুখ
দেহ,হাত,নখ,সুখ বিপরীত সুখ
সকল সাবালক স্মৃতিযূথ দেহের আহার।
উচ্চতা টলমলে পা', পাদুকাভাস নদীস্রোত খরতা
নদী কি আলাপমাখা সমতার তীর ছুঁড়েছিল?
চিলচোখ কৌতুহল,কৌতুককোণ সম্পর্ক উচাটন
পঁচা মাংসের 'পর জমানো বিয়োগ বারতা।
পার হওয়া চিহ্নস্মৃতি আদানের উপ্
খুলে খুলে লোহা,কাঠ,আলকাতরা
এরপর যাবে না বোঝা নৌকা,নদীজল
ভেসে ছিল,তুমি ছিলে অতীতের পেটে পীঠে আস্ত মমতা।
স্বীকার ও শিকার দ্বৈত দীনহীন দীক্ষার তসবিহ্
নয়ে নয় পার হয়ে সংখ্যাতত্ত্ব ধাবমান
তুমি হবে না পার বোলেই তিনতারের জঙ্গলে স্থিত অপার।
ঈদের বার্তা
ধর্ম আটকে গেছে পুঁথির সাধু ভাষায় - হৃদয়গুলো পড়েছে ঢাকা পোশাকি আদিখ্যেতায় - সুউচ্চ মিনার আছে - আছে শোভিত মিম্বর আর দুর্লভ টাইলস - মখমলি জায়নামাজে আছে প্রার্থনারত মাথা - তবুও অপারগ ওই বিধাতা - ভুল ফ্রিকোয়েন্সিতে আহবান - চতুষ্পদের প্রমাণ আকারে অদৃষ্টকে সন্ধান - জানি - সব প্রহসন - নিরেট অতিশায়ন - তবুও তো এসেছে ঈদ - তাই বাত্যয় খুঁজি - চেনা অচেনা হৃদয়ের কাছে - ঈদের বার্তা বলি.
জড়ভরত কড়চা
বড় বিপদের কথা...মরে যাওয়া মানে পৃথিবী থেকে পুরাই বিচ্যুতি। এমনকি মরে যাওয়া মানে নিজের দেহের উপরও অধিকার হারানো। কয়দিন আগে হুমায়ূন আহমেদ কোথায় দাফিত হতে চেয়েছিলেন সেটা নিয়ে তুলকালাম। এবার সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের দেহ দান করার অন্তিম ইচ্ছেটাকেই দাহ করলেন তার পরিবার। ভবিষ্যতে পছন্দের কবরস্থানে গিয়ে নিজেই জিন্দা কবর কিংবা হাসপাতালে গিয়ে জিন্দা দেহ সমর্পণ ছাড়া উপায় নাই
নাই তারেক মাসুদ, নাই হুমায়ূন আহমেদ, নাই সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। তারেক মাসুদের সাতচল্লিশের দেশভাগের উপর ‘কাগজের ফুল’ আর বঙ্গভঙ্গ নিয়ে ছবি দুটি হওয়া দরকার ছিল; হুমায়ূন আহমেদের হাত দিয়ে ‘দেয়াল’ কিংবা সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের রামায়ণ নিয়ে উপন্যাসও পুরো শেষ হওয়া দরকার ছিল। শুধু এই কয়েকটা কাজ শেষ হলে আমাদের আত্ম-উউপলব্ধি অনেকটুকু সমৃদ্ধ হতে পারতো, যারা করতে পারতেন তারা চলে গেলেন, আমার মত ২৫ কোটি বাঙ্গালী দিব্যি বেঁচে রইলো শুধু সংখ্যা হিসেবে
কোরবানীর মেহেরবানী!
এন্ড্রয়েডে মায়াবী বাংলা কিবোর্ড দিয়ে পোষ্ট আগে কেউ লিখছে কিনা তা আমার জানা নাই। এই জটিল ঝামেলা পুর্ন কাজে চায়নিজের মালের উপরে আস্থা রাখলাম কি আর করা। তবে টাচে লিখতে আমার কাছে সবসময় ভেজাল লাগে তাও মনে হলো শুয়েই তো আছি লিখে ফেলি হাবিজাবি। আর আমার নোকিয়া সি টুতে টাকা নাই থাকলে সেটা দিয়েই লিখতাম এতো টাচের গেন্জামে যায় কে?
তার আর উপায় ছিল না
আজ পিছনে তাকালে কেন কুয়াশা নামে চোখে
আজ আমার সানগ্লাসের কাঁচ ঝাপসা হয়ে আসে।
কোথায় সেই চির দামিনী, চঞ্চলা, চপলা
বিপুলা উৎসাহী, উদ্যমী, কর্ম-প্রাণ ভোমরা
কোথায় সেই অত্যাচারিনী, অবিচারিনী, আমার ত্রাতা?
তার মলিন চেহারায় যেন রাজ্যের যত ক্লান্তি ছাপা!
পিছনে তাকিয়ে কেন বুকে কাঁপন এত
অথচ আজো সে আবেগে ব্যথিত
মুখে যদিও থাকেনা উত্তর চোখেতে জল সদা উত্থিত
হাওয়া দিলেই ভাসে বাড়িঘর বাঁধভাঙা বানে।
তার বানী কেন আজ এত বাজে কানে!
যে এককালে ঘুমাত গভীর স্বপনে দিবায়
আজ নির্ঘুম নিঃঝুম রজনী কাটায়।
দুগ্ধবতী গাভী তিলে তিলে সব দিয়ে
শেষে এই বললি 'চলে যা পালিয়ে'!
এছাড়া তার আর কিবা উপায় ছিল।
এক দেশে সংখ্যালঘু সারা পৃথিবীতেও তাই
তবু নিজ ভুমে অবমাননা সহ্য করা দায়।