ইউজার লগইন
ব্লগ
এক বিদেশিনী মেয়ে এবং এক বাংলাদেশী ছেলের গল্প ।

প্রেমিক-প্রেমিকার ভালবাসার গল্প বিভিন্ন রকম হতে পারে । যদি মেয়েটি হয় বিদেশিনী এবং ছেলেটি হয় বাংলাদেশি ।
কাছে আসবে আসবে বলে আর আসতে পারলনা......
এভাবে আমি একটু কল্পনা করেছি আর কিছুই নয় ।
****************************************************************************
রিহানের সাথে মেয়েটির পরিচয় হয়েছিল একটি চ্যাট সাইটে । মেয়েটির নামছিল টিউলিপ পার্কার । অভাক হবার কারণ নেই । মেয়েটি বাংলাদেশি ছিলনা মেয়েটি ছিল বিদেশিনী ।
টিউলিপের দেশ ছিল ফ্রান্স ।
চ্যাটে ওরা দুজন অনেক কথা বলত । একদিন রিহান টিউলিপকে বলল, আমরাতো এখানে সবসময় চ্যাট করি এবার এসো ফেসবুকে চ্যাট করি এতে আমাদের দুজনেরই সুবিধা হবে।
টিউলিপ কোন আপত্তি না করে লক্ষি মেয়ের মত রাজি হয়ে গেল । এভাবে ফেসবুকেও ওরা অনেক কথা বলত । টিউলিপ রিহানকে একবার বলেবসে আমরা কেন ইয়াহু মেসেঞ্জারে চ্যাট করছিনা ? এটা দিয়ে আমরাতো ভয়েস চ্যাট করতে পারি ।
এনাদ্দার অতীন্দ্রীয় প্রতুত্তরাধুনিক কাইব্য
ভুমিকাঃ- শিলাজিতভাইয়ে কৈয়া গেসিলেং,
শুনো ঠিক শুরুরয়াগে ভুমিকাটা জমিয়ে বলি
যদিউ অনেক বলার্তবুও অনেক্কমিয়ে বলি............ ইত্যাদি ইত্যাদি লৈয়েই আমগোর আইজকার ইত্যাদি.........
তো যেইটা কইতেছিলাম, প্রাচীন যুগে এক্ষান ইয়ে লিক্সিলাম। ইয়ে মাইনে আসলে সেইযে, লুগজনে যেইটারে কবিতা কয় সেডিই লিক্সিলাম আর কি। মাইনশে এই কবিতা সেই কবিতা লেখে। আমি লিক্সিলাম উত্তরাদুনিকেরো পরের্ভার্সনের কাইব্য। নিজের পের্শংসা নিজেরে কর্তে না কৈরা গেসেন মুরুব্বারা। মাগার বাট লেকিন নিজের ঢুল আবার্ফের নিজেরেই বাজাইতে কইয়া গেসেন মুরুব্বারাই। তাই কি আর করা, আমার্সেই কাইব্য মাশাল্লা খুবেক্টা খ্রাপয়নাই। সেই দুর্দুর থিকা লুগজনে ফুন্দিয়া, চিডি দিয়া পের্সংসা কর্ছিলো। তাই যারে বলে ইন্সপিয়ার্ড হৈয়া আবারো কাইব্য জগতের্খাতাত নিজের নাম লিখাইতে চইলা আইলাম এনাদার অতীন্দ্রীয় প্রতুত্তরাধুনিক কাইব্য লৈয়া। শুইনা কৈয়েঙ্গো, কেরাম হৈলো
এনাদার অতীন্দ্রীয় প্রতুত্তরাধুনিক কাইব্য
ওওই দেখা যায় যাত্রাবাড়ী ওওই যে ফেলাই ওভার
টেরাক ভৈরা গরু আইয়া বাড়াইয়া দিসে পেশার।
পেশার মামা পেশার মামা থাকো তুমি কৈ?
কষ্ট ও বেদনার কাব্য
কাল শ্রাবণের জন্মদিন। গত ৩ বছর ঠিক রাত ১২ টায় শ্রাবণের ফোনে একটি কল আসতো , কোন আকাঙ্খা ছাড়া।
ওপাশ থেকে বলতো শুভ জন্মদিন পাখি । আমার বিল্লি একবার মিউ বল, মিউ বললে তোমাকে অনেক কিউট লাগে।
শ্রাবণ বলতো কি যে বলনা তুমি, আজ আমার জন্মদিন তাই বলে কি আমি শিশু হয়ে গেছি নাকি?
না, পাখি শুধু আজ না, তুমি আমার কাছে সবসময়ই শিশু।
কাল তোমার জন্মদিন উপলক্ষে আমরা সারাদিন ঘুরবো।
আচ্ছা।
পাখি তোমার গিফটটা কি পছন্দ হয়েছে?
হ্যা, অনেক সুন্দর ।
দেখতে হবে না, কে কিনেছে? তুমি কিন্তু কাল ওইটা পরে বের হবে। আর আমি পরবো সবুজ শাড়ী। তোমার সাথে মিলিয়ে ।
আচ্ছা।
ওই তোমার কি খুব দাম বাড়ছে নাকি? গুনে গুনে কথা বলছো ?
কই না তো । তুমি বলছো তাই আমি কম বলছি ।
আচ্ছা যা ই হোক, তোমার জন্য তোমার পছন্দের গরুর গোস আর খিচুরি রান্না করে পাঠিয়েছি , পেয়েছো ? গোস্তে ঝাল একটু বেশি দিয়েছি, খেয়ে নিও, আর খাওয়া শেষে আমাকে কল কোরো । তাহলে এখন রাখি পাখিটা ।
আচ্ছা ঠিক আছে, আমি খেয়েই তোমাকে কল করবো ।
ছয় ছয় তিন
..............................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................................
মাঝে মাঝে আমার ভীষন ইচ্ছে করে
সমগ্র অনুভুতিগূলোকে মাটি চাপা দেই।
চলতি পথে মোড়ের অবহেলিত
ল্যাম্পোস্টের নিচে
কিংবা ঝুল বারান্দার কার্ণিশে
পায়ে ভেঙ্গে উঠা সিঁড়ির গাঁয়ে
লেপ্টে থাকা অনুভূতিগুলো
আমায় দেখে মুচকি হাসে
অনুভুতিগুলো তোমার টু –পয়েন্ট পিস্তলের
গুলির গল্পের মতো
দাগ দিয়ে যায় হৃদয়ের অভ্যন্তরে।
অনুভুতিগুলো অতন্দ্র প্রহরির মতো
দাঁড়িয়ে থাকে মধুমিতা কিংবা
জসিম উদ্দিন রোডের মাথায়
কিংবা ব্যস্ত শহরের সর্বত্র ।
ফিনফিনে অনুভূতিরা নিঃশব্দে হেটে বেড়ায়
বসুন্ধরা কিংবা কর্ণফুলি গার্ডেন সিটির ফুড কোর্টে।
শহরের অলিতে গলিতে কিংবা
অবেলা নবান্ন
সোনালি আলোর ক্লান্ত মিছিল
ধবল বক কিছু গাঙচিল
কুয়াশারা দলবেঁধে পর্দা আঁকে
যৌবনা ধানক্ষেত হেমন্ত বাঁকে।
সুনীলের জন্য মন খারাপ
১. লীসা আমাদের বন্ধু, তখন আমরা স্বনন নামে একটা আবৃত্তি সংগঠন করি। রূপাদি আমাদের আবৃত্তি গুরু, কিন্তু রিয়ার্সাল করতাম শাহাজাহানপুরের লিসাদের বাসায়। ইউনিভার্সিটিতে পড়ি, একদিন রিয়ার্সালে যাওয়ার আগে শাহবাগ থেকে কিনলাম সুনীলের তিন সমুদ্র সাতাশ নদী।
লীসা বইটি নিয়ে লিখলো
মাসুম ভাইয়াকে,
অনেক অনেক শুভেচ্ছা
-লীসা
তারপর বইটি নিয়ে তুষার লিখলো নিজের নাম। এরপর দুই বোন মিষ্টি ও টুম্পা লিখলো তাদের নাম। আমাদের সঙ্গে আবৃত্তি করতো অদিতী, অদিতীর মা, মানে খালাম্মা হয়তো আমাদের বিশ্বাস করতেন না, তাই সঙ্গে বুয়াকে দিয়ে দিতেন, তাই তুষার লিখলো অদিতীর বুয়ার নাম, নান্টু দা লিখে দিলেন রূপাদির জামাই চক্রেস ঘোষ ও সেই সময়ে হিট নায়িকা অঞ্জু ঘোষের নাম।
৮৮ সালের সেই বইটা এখনও আছে। এক নতুন ধরণের ট্রাভেলগ লিখতেন সুনীল। মূলত তার আমেরিকায় যাওয়া নিয়ে বইটি।
এরপরে সুনীলে আবার ডুব দেই ছবির দেশে কবিতার দেশে বইটি নিয়ে। আমার প্যারিস যাওয়ার স্বপ্ন দেখায় বইটি। বইটি পড়ে মনে হয়েছিল প্যারিস আমাকে একবার যেতেই হবে। অনেক বছর পড়ে যখন প্যারিস যাই সঙ্গী ছিল সুনীলের ছবির দেশে কবিতার দেশে।
সেই সুনীল নেই
২.
বিদায়, হে নিঃসঙ্গ সম্রাট!
:'(
সারাদিন এত্ত কিছু নিয়ে বকবক করি। একেকজন প্রিয় লেখক চলে যান,
একটা কথাও খুঁজে পাইনা বলার মত!
হেমন্ত..সাগর..মান্না দে..সতীনাথ..সত্যজিত্..সুকুমার..বিমল..শীর্ষেন্দু..সুনীল..রমাপদ..
কিছু নাম আর শুধু নাম নেই..আমার আমিত্বের অংশ হয়ে বসে আছে।
হুমায়ূন নেই,
এটাই এখনও পুরোপুরি মেনে নিতে পারি না।
সুনীলও চলে গেলেন।
আমার ছেলেবেলার কাকাবাবুর সুনীল।
আমার বেড়ে উঠার দিনে
একা এবং কয়েকজনের সূর্যের সুনীল।
রবিবুড়ো কে আরো আপন বানিয়ে দেয়া
প্রথম আলোর সুনীল।
বিমলের পর ইতিহাসে আগ্রহজাগানিয়া
সেই সময় আর পুর্ব পশ্চিমের সুনীল।
হিমুর ভাবগুরু নিলুর নীললোহিতের সুনীল।
ছবির দেশে কবিতার দেশে, প্রিয় মার্গারিটের সুনীল।
অথচ আবারও -
কিছুই বলার নেই..! :'(
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধাঞ্জলি
শুধু কবিতার জন্য এই জয়,
শুধু কবিতার জন্য কিছু খেলা,
শুধু কবিতার জন্য একা হিম সন্ধ্যেবেলা ভুবন পেরিয়ে আসা,
শুধু কবিতার জন্য অপলক মুখশ্রীর শান্তি এক ঝলক,
শুধু কবিতার জন্য তুমি নারী,
শুধু কবিতার জন্য এত রক্তপাত, মেঘের গাঙ্গেয় প্রপাত
শুধু কবিতার জন্য দীর্ঘদিন বেঁচে থাকতে লোভ হয়,
মানুষের মতো ক্ষোভময় বেঁচে থাকা,
শুধু কবিতার জন্য আমি অমরত্ব তাচ্ছিল্য করেছি ।।
তাঁর অনেক লেখার মাঝে এই লেখাটি কেন যেন আজ হৃদয়ে কড়া নাড়ছে প্রবলভাবে । কি অপরূপভাবে অমরত্বকে তাচ্ছিল্য করেও এই মহান পুরুষ অমর হয়ে রইলেন আমাদের হৃদয়ে । আর লিখতে পারছি না । হাত চলছে না !!!
(
(
স্বপ্ন রং
আমার স্বপ্নের রং গুলো এখন অস্বাভাবিক লাল,
এইতো কিছুদিন আগেও যেগুলো ছিল আকাশের মত নীল।
স্বপ্নগুলোকে এখন আর স্বপ্ন বলা যায় না..
রং বদলিয়ে তারা হয়ে গেছে দুঃস্বপ্ন..
দুঃস্বপ্নগুলো এখন রূপ ধরেছে ভয়াবহ।
পৃথিবীর বুকে আমার চিহ্ন মুছে দিতে তারা এখন সক্রিয়,
হয়তো সত্যি তারা সফল হবে আমার অস্তিত্ব মিশিয়ে দিতে।
তবু বাঁচার বড় ইচ্ছা হয়,
ইচ্ছা করে সাদা স্বপ্ন দেখতে,
কিন্তু না, তা হয় না,
আমার স্বপ্নগুলো আজ হারিয়ে গেছে আজ গভীর সাগরে।
সাগর থেকে স্বপ্নগুলো নিংড়ে আনার চেষ্টা করেছি,
কিন্তু সবই ব্যার্থ্..
যত সময় যায় হারিয়ে যায় অতল গভীরে……
২৭-০২-২০০৪ রাত ৯:৩৫
প্রশ্ন ও অন্যান্য কাব্য ত্রয়ী [এলোমেলো কাব্যকথন!]
# জানো কি? #
তোমাদের ব্যালকনীটা -
রোজ ভেসে যায় রোদে..
এক কোণে একলা বসে;
হয়তো হঠাৎ উচ্ছাসেতে,
উঠছো হেসে..
জানো কি?
হয়তো,
অন্য কোথাও..
তোমায় ভেবে;
রাঙিয়ে মন,
মন খারাপের রঙে..
আনমনা কেউ;
দেখছে হঠাৎ,
যায় জলে চোখ ভেসে..।।
[সচলায়তন, ২৬-০৬-১১ খ্রীঃ]
# কাব্য ত্রয়ী #
* * * * *
অভিমানে;
এই আধাঁরে,
স্বপ্ন হারায় মন..
চাঁদ ছোয়া ওই আকাশ খোজে, আমার হাসির ক্ষণ।
* * * * *
সময়,
পদ্মপাতার জল বুঝি তুই?
ইচ্ছে আমার,
আদর করে একটু তোরে ছুই..
* * * * *
দিনভর শুভ্র আলো,
রাতের আকাশ নিকষ কালো..
সুরের আগুনে;
ঝলসে যায়,
সাদাকালো পথচলা..
চোখ খুললেই,
রঙিন স্বপ্নের ফুলঝুরি..
চোখ মুঁদলেই;
স্মৃতির রাজ্যপাট,
হাসি কান্নার হুড়োহুড়ি..
কে বলে তুমি নেই..?!
[সচলায়তন, ০১-১১-১০খ্রীঃ]
ভালোবাসা তোমার ঘরে বৃষ্টি হয়ে নেমে আসুক..
১.
তুমি
তোমায় ছাড়া কাটেনা সময় দীর্ঘ হয় রাত,
জীবনটা আরও সুন্দর হত
যদি সর্বদা দিতে তুমি আমার সাথ ।
তোমায় ভেবে কেটে যায় মোর ক্লান্ত-ব্যাস্ত দিন
এসে তুমি বসবে পাশে, রাখবে মাথা কাঁধে
কবে আসবে সেদিন ?
তোমায় নিয়ে করব আমি তৃপ্ত জোসৎনা স্নান,
থেকো আমার হৃদয় মাঝে চুপটি করে
জানাচ্ছি এই আহ্বান ।
তোমায় ছাড়া ধরণীতে মোর বেঁচে থাকাই কষ্ট,
তাইত ভয়ে কেঁপে উঠে ভাবি
ছেড়ে যাবে না তো ?
তোমায় ছেড়ে যেথায়ই যাই পাবো নাকো স্বস্তি,
সারাটি ক্ষণ ভেবে চলি
নিয়ে অনেক ক্লান্তি ।
তুমি আমার শুধুই আমার মেনেছি এই সত্য,
ভুলবনা কভু, যাবনা ছেড়ে,
এই নাও দিয়ে দিলাম বাক্য ।
অনুভুতি শুন্য থতমত এই শহরে!
শিরোনামটা অযথাই রাখা। একটা না একটা শিরোনাম তো রাখতেই হবে কিছুই করার নাই। আবার শিরোনামহীন রাখবো তারও উপায় নাই। সাধারনত রিয়েল লাইফ বন্ধুদের ব্লগ কোনো কালেই পড়াই না। কারন ভালো লাগে না। নিজের যা ছাইপাশ লেখা মাঝে মাঝে বুধবার নিউএজে ছাপতো তারও খবর কাউকে জানাতে ইচ্ছা করতো না। নিজের প্রচার করতে ভালো লাগে না কখনোই। খুলনা নেভী স্কুলে তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি তখন এমনি প্রতি বিকেলেই মুখস্থ করা গান বন্ধুদের শুনাই। বন্ধুরা খুব তারিফ করে। ক্লাসে সবার সামনে গাইতে বললেই বন্ধুদের শত অনুরোধেও সবার সামনে দাড়িয়ে গান গাই নি। সেই থেকেই শুরু। ঢাকায় এসে তা সামাজিক অনুষ্ঠান বর্জনে রুপ নিলো। আমার এখনো মনে আছে ভাবীর যে গায়ে হলুদ হলো তাদের বাসায় সেখানেই আমি যাই নি। নিজের ভাইয়ের বিয়েতে বন্ধু বান্ধব নিয়ে মোটামুটি এক কোনা তেই পড়ে ছিলাম। অথচ কত আয়োজন আমারই ভাইয়ের বিয়ে। যেদিন ভাইয়ার গায়ে হলুদ বাসায় শত শত কাজ। সেইদিনেও আমি ভার্সিটি গেছি। ক্লাস শেষে দুপুরে বাসায় আসছি তখন ভাইয়া বলে আজকেও তোর ভার্সিটি যেতে হলো। আমি মুখ ফসকে বলে উঠলাম কাজ তো নাই আমার তাই বাসায় থেকে কি করবো?
ভাতার দাড়িয়ে আছে জ্যোস্নার মুখোমুখি
জাত গেল
ভাত গেল
ভাতার দাড়িয়ে আছে জ্যোস্নার মুখোমুখি।
খুনোখুনি গেল
গেলমান হুরের পীঠে টপ্পার তাল ধরে
ধারাবাহিকতার যুগ
তোমার জামার ত'লে নেচে যাচ্ছে সুপ্ত হুজুগ।
মান গেল
মাপের নিক্তি খোঁজে দুই পা
উন্মোচণের পালা শেষ হলে হাকিকত জানালো আ'পা।
জগত গেল
গত হওয়ার পর পরকীয়া প্যাকেটে করে এলো কাছিমের ডিম
ভিম পাউডারে এলোমেলো দগদগে ক্ষত
বিসর্জন না-কি বিষর্জণ বলো ডুব দিয়ে এলে ভিজে জামা
নামের বানানে থাকেনা নানা মাত্রার ব্রত আছে যত সংযত।
কোরবানী
ছোট বেলায় খুশির জোয়ার নিয়ে আসতো দুই ঈদ, এর মধ্যে এক ঈদে শহুরে জীবনে দিন কতকের জন্য মায়াকাড়া একটি গরু এসে কদিনের জন্য আমাদের মনোযোগের কেন্দ্রে রীতিমত হুলুস্থুল ফেলে দিত। গরুটাকে নাওয়ানো, খাওয়ানো, রাস্তায় রাস্তায় নিয়ে বেড়ানো, অন্যদের গরুর সাথে তুলনা করায় আমাদের উচ্ছাস সীমা ছাড়িয়ে যেত। আব্বা সবসময় শহরের উপকন্ঠের গ্রাম থেকে লোক মারফত গৃহস্তের পালা পোষা বকনা গরু কিনতেন। কিন্তু কাজি আর গাজি বাড়িতে তো বটেই, শেখ সৈয়দেও অলোক্ষ্য একটা প্রচ্ছন্ন কম্পিটাসান থাকতো, যেটা আমরা ছোটরাও বুঝতে পারতাম। জমে ওঠা হাটের থেকে চড়া দাম দিয়ে তাঁরা কিনতেন বিশাল বিশাল ষাঁড়। রাস্তা দিয়ে হেটে যাবার সময় সবচেয়ে দামি ষাঁড়ের পিছনে মালিকের খান্দানি আভিজাত্যও সগৌরবে হেটে যেত।