ইউজার লগইন
ব্লগ
প্রতিটা মানুষ রিসিপশনিষ্ট হয়ে গেছে
তোমাকে একটা ফোন করতে চাই
যখন 'গুডমর্নিং' জানাবে না
'গুডইভিনিং' অথবা 'হ্যালো', 'হাই' এবং 'কি ব্যাপার' ফেলে
স্রেফ একজন মানুষের মত আর্তনাদ করবে,
সালা - ফোন করার সময় হলো এতদিন পরে?
আমাদের রিসিপশনিস্টের প্রেমে প্রতিটা আগন্তুক
ভাবে তার প্রেমে মেয়েটা মশগুল
যদি সে বলে - 'দেখিনা কতদিন', 'কেমন ছিলেন'
মনে হয় যেনো তারই অপেক্ষায় ছিলো দিন গুনে
আমাদের কণ্ঠস্বর বেঁচে নেই আর ফোনে
রেকর্ডারের মত বেজে যায় আর কেউ দ্যাখে না ফিরে!
খাও দাও ফুর্তি করো
আর একদিন বাদে পরশু কাক ডাকা ভোরে রাজশাহী ছাড়বো আবার কবে আসবো ঠিক নাই।যেয়ে শুরু হবে সেই একঘেয়েমি জীবন ল্যাব টু বাসা দিয়ে আবার ল্যাব মাঝে মাঝে সুপারম্যানের রামডলা কোনদিন আলহাদের শুরে চিকন ডলা।তা যাই হোক।যা হবে সেটা পরে দেখা যাবে।
আজ অনেক দিন পর রাজশাহী শহর চক্কর দিলাম।সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আমাদের কিছু প্রিয় জায়গার বিকালের খাবার খেলাম।গত পোস্টে ছবি দেই নাই দেখে অনেকেই বকাবকি করলো তাই আজ আর সেই ভুল করছি না।
আমরা আগে মাঝে মাঝে সন্ধ্যার খাওয়া শুরু করতাম নবরূপের দই আর রসমালাই দিয়ে আজ ও তাই করলাম।খেয়ে দেয়ে বিল দিতে গিয়ে দেখলাম দাম আগের চাইতে অনেক বেড়েছে কিন্তু টেস্ট আগের মতোই আছে।
রসমালাই
কারো বই-পত্রের আহবানকে করেন ''স্টিকি'' আর পত্রিকা পড়ার আহবান হলো নীতিবিরুদ্ধ?
মডারেটর, আমরা বন্ধুর চলতি ''স্টিকি' পোস্ট হচ্ছে --দুই ব্লগারের বইমেলায় প্রকাশিত দুটি বই এর বিজ্ঞাপন এবং প্রকাশনা অনুষ্ঠানের খবরসহ সময় ও তারিখের ঘোষনা, যা রীতিমত ব্যবসায়িক প্রচারনা । কিন্তু আমার অনলাইন পত্রিকার লিঙ্ক দিয়ে তা পড়ার আহবানও কি সেই পর্যায়ে পড়ে? তবু আপনারা ক'জন ব্লগারের আপত্তিতে আমার নির্দোষ লেখাটি নীতিমালার দোহাই দিয়ে প্রথমপাতা থেকে সরিয়ে দিলেন! এটা কি পক্ষপাতিত্ব ও বৈষম্যমূলক হলো না?
আপনারা স্বীকার না করলেও পাঠকরা কিন্তু সবই বুঝবে, তাদের চোখ-কান খোলা আছে।বইয়ের প্রচারণা চালালেও তাকে স্টিকি করবেন আর একটা পত্রিকা পড়ার আহবানকে নীতিবহির্ভূত বলবেন, এটা কেমন নীতি সেটাই আমার প্রশ্ন? আশা করি ব্যাপারটা পরিষ্কার করবেন।
ঢাল-তলোয়ারবিহীন নিধিরাম সর্দার
সেদিন অর্থাৎ গত পরশু মানে ফেব্রুয়ারির ১০ তারিখ বিকেলে বইমেলায় গেলাম । মনে মনে ভেবে গেছি যে, ‘আমরা বন্ধু’র বন্ধুদের লেখা যে কটা বই এবার প্রকাশিত হয়েছে সব ক’টি কিনবো । রিক্সা, বাস, অবশেষে হেঁটে বইমেলায় অনেক ভিড় জমে উঠবার আগেই পৌঁছে গেলাম উদ্দিষ্ট লক্ষ্যে । টিএসসি মোড় থেকে সারিবদ্ধ হয়ে ধীর পায়ে এগুবার বিড়ম্বনা তখনও শুরু হয়নি । মনে মনে খুশি হয়ে উঠলাম – ভিড় ঠেলে স্টলের কাছাকাছি যেতে যে পরিশ্রম হয়, তা না-করেই বই ক’টি সংগ্রহ করে নিয়ে তারপর বইমেলায় ঘুরবো, এই আনন্দে ডানদিকে প্রথম যে গেইটটা পেলাম সেটা দিয়ে ঢুকে পড়লাম সেই মিলনমেলায় ।

মাসব্যাপী কার্নিভাল ০৭
আজকে দুপুরে চকোলেট মিল্ক ফেলে পিচ্চি আমার ডেস্কটপের একমাত্র কি-বোর্ডের ১২টা বাজিয়েছে, কি-বোর্ডের কিগুলোর আচরণগত পরিবর্তন ঘটেছে ভয়াবহ রকমের এবং তাদের ভাবগতিক বুঝে উঠতে গিয়ে বেশ কয়েকবার বিরক্ত হলাম, নাম্বার প্যাড কাজ করছে না, স্পেস চাপলে সিস্টেম স্লীপ মোডে চলে যাচ্ছে, শিফট কি কাজ করছে না, এন্টার এখনও অক্ষত কিন্তু ক্যাপস লকের অবস্থা খারাপ। সেটা সামলে কবে নতুন কি-বোর্ড কেনা হবে আমি জানি না, এভাবে সামলে রয়েসয়ে বিভিন্ন ভাবে মানিয়ে নেওয়ার অভ্যাস পুরোনো, সে কারণেই হয়তো নিছক আলস্যের কারণেই কি-বোর্ড কিনতে কিনতে একটা দীর্ঘ সময় চলে যাবে।
মোবারকঃ শেখার সুযোগ খালেদা-হাসিনার
আনোয়ার সাদাতের দল এনডিপি অনেকটা সাবেক রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি এর মতো গঠিত হয়েছিল ।ক্ষমতায় থেকে মসনদি হাতিয়ারের তেলেসমাতিতে জন্মে যায় এনডিপি । রাষ্ট্র আর দল যেন একই জিনিস বরং দ্বিতীয়টার গুরুত্ব বেশি, রাষ্ট্র যেন এক সম্ভ্রম হারানো আসহায় নারী । ১৯৭৮ সালে দলের প্রতিষ্ঠা করে ১৯৮১ তে আনোয়ার আল সাদাতের করুণ পরিণতি বরণ করতে হয়। দলটা দাঁড়িয়ে যায়, দাঁড়াবেই তো , অনেক অর্থ প্রাচুর্যের দল যে ওটা, সোনার চামুচ মুখে নিয়ে জন্মানো দল যে ওটা ।এনডিপি কেবল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টিই নয় এই দল তাত্ত্বিক ভাবে মিশরীয় জাতীয়তাবাদের প্রচার প্রসার আর অন্তরে ধারণের প্রধান বাহক। আমাদের বিএনপিও মসনদি মমতায় গড়ে উঠে ১৯৭৮ এ আর ১৯৮১ তে মহান প্রতিষ্ঠাতার দুঃখজনক পরলোক গমন, কিন্তু দলটির শক্তিশালী অবস্থান যথারীতি আর দাবীর বলে তারাও আমাদের জাতীয়তাবাদের অভিভাবক ।
সাহিত্য পত্রিকা ''ক্রন্দসী''র ভালোবাসা দিবস ও ২১ এর উদ্বোধনী সংখ্যা পড়ুন
মাসিক ক্রন্দসী সাহিত্য ম্যাগাজিন পড়ুন
প্রকাশিত হয়েছে শাহ আলম বাদশা সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা ''মাসিক ক্রন্দসী''র ভালোবাসা দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস/২০১১ উপলক্ষ্যে উদ্বোধনী সংখ্যাটি। ভালোলাগার মতো একাধিক ছোটগল্প, রম্যগল্প, ভালোবাসা দিবসের ছড়া-কবিতা, প্রবন্ধ/ফিচার ইত্যাদি সমৃদ্ধ সংখ্যাটি আশা করি সবার ভালো লাগবে। http://monthlywebmag.blogspot.com/
একটি হলুদ সন্ধ্যা ...
গত এক মাস ধরে অনেক জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে মুরাদ হাফিযের হলুদ সন্ধ্যা হল।ব্যাপক প্রস্তুতির পর জয়িতা আর শ্রেয়ার সাথে রওনা হলাম লিনা আপার গাড়িতে। বিয়ে বাড়িতে গিয়ে দেখা হয়ে গেল মেজবাহ ভাই, রায়হান ভাই, মাসুম ভাই, নাজ, টুটুল ভাই,জেবিন, বাবুষ্কা আর মুক্তর সাথে। জেবিনের টিপ দেখে আমি মুগ্ধ ।লিনা আপু,জয়িতা,নাজ আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক সুন্দর লাগছিল (যদিও শাড়ি নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম কিন্তু শেষ পর্যন্ত মনে হয় খারাপ হয়নাই
) আমাদের বর কে দেখাচ্ছিল লাজুক একজন বরের মতই। মনেই হচ্ছিল না যে পুরোনো বর। অনেক গল্প গুজবের পর যখন বাবুষ্কা চলে গেল, তারপর দুই ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে কনে পক্ষ এল।কনে পক্ষ দের দেয়া হয়েছিল ছোট্ট ছোট্ট থলিতে করে উপহার। লাল থলিতে তেমন কিছু পাওয়া যায়নাই। সাদা থলি ভর্তি ছিল চকলেট এ। সেই ভাগ শেষ পর্যন্ত কিন্তু পাইনাই (মুরাদ মনে রাখিয়েন) ......
আমার নয় কিছু
একটা ঘটনা ঘটেছে। সেদিন রাতে ফ্লাক্সের পানি শেষ হয়ে গেলে ডাইনিং টেবিলে পানি আনতে গিয়েছিলাম। এই সামান্য কাজের জন্য লাইট জ্বালাতে ইচ্ছে করে না কখনোই।
সুন্দর পরিপক্ব একটি নিঝুম রাত, এরমধ্যে একটা টিউবলাইট জ্বালিয়ে চারিদিকে কৃত্রিম আলো ঢেলে দেয়ার কি অর্থ হতে পারে? এই ভাবতে ভাবতে অন্ধকারে ফিল্টার থেকে পানি ভরছিলাম। হঠাৎ দেখলাম, ফ্লাক্সের তলা অলৌকিকভাবে ফুটো হয়ে পানি নিচে আমার পাএর ওপর গিয়ে পড়ছে। ঠিক সে সময় আমি ঘরের ভেতর বেশ কয়েকটা নিঃশ্বাস পড়ার শব্দ শুনলাম। এবং একটা অসমাপ্ত শব্দ, নান্।
এরপরে স্বাভাবিক বুদ্ধিতে যা মাথায় আসে তা হলো, ভয়ে একটা চিৎকার দেয়া। মনে হচ্ছিলো এখনো মুখের পেশীগুলো বিবশ হয়ে যায় নি। সর্বশক্তিতে একবার আপনজনদের আমার বিপদের কথা জানিয়ে দিতে পারলেই আমি বেঁচে যাবো। চিৎকার দিলাম কিন্তু শব্দ হলো না। বুঝতে পারলাম, গলা দিয়ে আর স্বর বেরুচ্ছে না।
আসেন বন্ধুরা, কে কোথায় আছেন?
আসেন বন্ধুরা, কে কোথায় আছেন। আজ শুক্রবার। সাধারনত আমাদের সবারই সাপ্তাহিক ছুটির দিন। আর ছুটির দিনে আমাদের মোটামুটি সবার ঘরেই ভাল রান্না হয়। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্দ্ব, খ্রীষ্টান সবার ঘরেই। বিশেষ করে এইদিনে দুপুরের খাবারটা আমাদের দেশে বেশ জেরেসোরে হয় - স্বামী স্ত্রী, ছেলে মেয়ে, ভাই বোন, মা বাবা সবাইকে নিয়ে দুপুরে খেতে বসার মজাই আলাদা, এই আনন্দ বলে শেষ করার মত নয়।
আমার এমনি একটা পুরানো ইচ্ছা যদি এমন একদিনে আমরা বন্ধু'র সবাইকে নিয়ে এক দুপুরে খেতে বসতে পারতাম! চলুন, আপনাদের জন্য আমার আইটেম গুলো কি কি হতে পারে দেখে আসি।
আইটেম ১; দুই ধরনের ভর্তা। টমেটো পুড়িয়ে শুকনা মরিচের ভর্তা। সাথে টাকি মাছের ভর্তাও থাকবে।
একটা নোবেল প্রাপ্তির সুখবর
যেকোনো দিন বাংলাদেশের দৈনিক পত্রিকার পাতা খুলে পড়লেই আঁতকে উঠি, মনে হয় ক্রাইম থ্রিলার পড়ছি, গুমখুন, গুপ্তহত্যা, ষড়যন্ত্রের নীলনকশা, বিদেশী শক্তির উস্কানি আর বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার স্বদেশী এজেন্টদের পারস্পরিক সংঘর্ষ আর এদের মুখোশ উন্মোচনে নিবেদিতপ্রাণ সংবাদপত্রকর্মীদের দেশপ্রেম দেখে মুগ্ধ হয়ে যাই।
দেশের দুটো গোয়েন্দা সংস্থা বিশেষ মন্তব্য প্রতিবেদনের উপসংহারে বলেছে " দেশের গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করবার চক্রান্তে লিপ্ত আছে বিদেশী রাষ্ট্রের এজেন্টগণ।" তবে আমাদের মাননীয় মন্ত্রী বলেছেন 'কোনো চক্রান্তেই এ দেশের গার্মেন্টস শিল্প ধ্বংস করা সম্ভব হবে না।'
নিত্য পুরাতন ও অন্যান্য
সময়ের সাথে সব বদলায় না মানুষ বদলায়। আমার মনে হয় সময় আর মানুষ পরপস্পরের সাথে বদলায়। গত কটা দিন ঘাপটি মেরে ফেসবুকে বসে থেকে আমার এ উপলব্ধি। এই যেমন আগে বন্ধুরা আপডেট দিত-বোরিং ক্লাস ঘুম আসে। কাল এক্সাম সব ভুলে গেছি...।পি কে স্যারের *******। আজ তাদের আপডেট অফিসে বসে ফেসবুক ঘাটছি বা কাল শুক্রবার কি শান্তি। আবার কাল এক বন্ধু দেখলাম এক ধাপ এগিয়ে আপডেট দিল কবে যে একটা বঊ পাব ইত্যাদি। আমার ও ভালোই চেঞ্জ হয়েছে। কোন ছবি ভাল লাগলে বা খুব বেশি কিছু না হলে আমার কোন স্ট্যাটাস থাকেনা। কি লিখব?
কবিতা পড়ার প্রহর
চোখের উপর হাত উল্টো করে চেপে শুয়ে আছে অদিতি। ঘড়ির কাঁটা টিকটিক করে বাজছে। একটু আগেই সে ঘড়িতে সময় দেখলো রাত ১২.৪০ মিনিট। অদিতি ভাবছে, প্রতিদিন অরিত্রর সাথে তার দেখা হয় না, তবু একই শহরে থাকে, অকারণেই একটু পর পর কথা হয় ফোনে, অকারণ এস এম এস। মনে হয় দুজন দুজনের পাশেই আছে।অরিত্র গতকাল রাতের বাসে চট্রগাম গিয়েছে তার অফিসিয়াল কাজে।ঢাকায় না ফেরা পর্যন্ত অদিতির মন অস্থির থাকবে।মোবাইল ফোনটা আরেক হাতে ধরে আছে। ফোন করতে ইচ্ছে করলেও করতে পারছে না কারণ অরিত্রর সাথে তার দুজন সহকর্মীও আছে। তারা রাতের খাবারের পর আড্ডা দিচ্ছে, সেটা অদিতিকে এস এম এস করে জানিয়েছে।হাত সরিয়ে চোখ মেলে দেখতে ইচ্ছে করছে না কত রাত হলো।হঠাৎ মোবাইল বেজে উঠলো।অদিতি খুব আদুরে গলায় বললো...
-হ্যালো!
-কি করো?ঘুমাওনি কেনো?
-তোমার সাথে কথা বলতে ইচ্ছে করছিলো যে!মনে হচ্ছে অনেক দূরে তুমি।
বাঙালির গরব : হাজার বছর আগে বাঙালিরা জনগনের মধ্য থেকে রাজা নির্বাচিত করেছিল দেশকে অরাজকতা থেকে রক্ষা করার জন্য

ব্যক্তিই পারে পরিবর্তন করতে সমগ্র জাতির ভাগ্য।
ব্যক্তিই পারে সৃষ্টি করতে নতুন ইতিহাসের।
একজন ব্যক্তি মহাত্মা গান্ধী সারা পৃথিবীকে উপহার দিয়েছেন প্রতিবাদের নতুন পদ্ধতি।
একজন ব্যক্তি নেলসন মেন্ডেলা সারা দক্ষিন আফ্রিকার বর্ণবাদের শৃঙখল ভেঙেছেন।
একজন ব্যক্তি শেখ মুজিব একটা জাতিকে হাজার বছরের গোলামির গ্লানি দূর করে স্বাধীন ভূখন্ড উপহার দিয়েছে।
একজন ব্যক্তি রাজা গোপাল একশ বৎসরের মাৎসান্যায়ের অবসান ঘটিয়ে হতদ্যম বিশৃঙখল নিজ জাতিকে সমৃদ্ধিশালি গর্বিত জাতিতে উন্নীত করেছিলেন।
হাজার বছর পিছনের বাঙালির গর্বের সেই চমকপ্রদ অভূতপূর্ব ঘটনাবলীর দিকে একটু নজর ফেলা যাক।
মাৎসান্যায়
সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, বৃদ্ধ হয়ে যাচ্ছিনা বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সময় ঘনিয়ে এল
বিশ্বকাপের উত্তাপ লাগতে শুরু করেছে অনেক আগে থেকেই। তবে সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশে বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে আজ। প্রথম দল হিসেবে গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় আসছে কানাডা। কানাডাকে দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু হবে মাঠের বাংলাদেশেরও। ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে নিজেদের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ খেলবে তাদের বিপক্ষে।