ইউজার লগইন
ব্লগ
শুভ জন্মদিন বাবা
প্রিয় আব্বা,
যদি তুমি যাও, আমিও তোমার সঙ্গে যাবো
১.
এক ধরনের মানুষ আছে; যারা কোনকিছুর সাতে কিংবা পাঁচে থাকেন না, বিশেষতঃ যখন দীঘির জলের মতো স্থির হয়ে থাকে জীবন। যখন চারিদিকে চলতে থাকে শান্তির বাতাস।
তবে কোনো গন্ডগোল হলে এঁরাই কিন্তু সবার আগে মানুষের জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিতে এগিয়ে আসেন। মাদাগাস্কার ইস্কেপ টু আফ্রিকা'তে মেলমিন চরিত্রটা ঠিক এমনই লেগেছিলো আমার কাছে। যদিও মেলমিন মানুষ না, একটা জিরাফ। তবে ওর চালচলন, কথা-বার্তা, চিন্তা আর প্রেমে পড়ার ধরণ মানুষের মতোই।
এ্যনিমেশন আমার কাছে একটা আশ্রয় কেন্দ্রর মতো। যখন আর পারি না, আমি ওর কাছে আশ্রয় নিই। আমার সবচে' প্রিয় এ্যনিমেশন ওয়াল-ই। মাঝে মাঝে নিজেকে ওয়াল-ই'ই মনে হয়। বুড়ো, জং ধরা, অসম্ভব কিউট কিন্তু ব্যাকডেটেড একটা রোবট; পৃথিবী পরিত্যক্ত হয়ে যাওয়ার পর সেখানকার জঞ্জাল সাফ করা এবং সেগুলো জমিয়ে আকাশছোঁয়া কিউব বানানো যার ডিউটি।
সব ধরনের ক্রিকেট থেকে সৌরভের অবসর
কলকাতা নাইট রাইডার্সের জীবন শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালে। ওই বছরই সৌরভ গাঙ্গুলী বিদায় জানিয়েছিলেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে। এরপর থেকে নাইট রাইডার্সের পাশাপাশি খেলেছেন বাংলা দলের হয়ে। কিন্তু এবার আইপিএলের কোনো দলের হয়েই খেলার সুযোগ না পেয়ে ক্ষোভে আজ সোমবার সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন কলকাতার এই ‘বরপুত্র’।
‘আমি আইপিএলে খেলার কোনো সম্ভাবনা দেখছি না। ফলে খেলা চালিয়ে যাওয়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ আইপিএলে নিজেকে ফিট রাখার জন্যই রঞ্জি ট্রফিতে খেলেছি আমি।’ ভারতের একটি টেলিভিশনকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে ক্রিকেটকে চিরতরে বিদায় জানানোর সিদ্ধান্তটি জানিয়ে বলেছেন সৌরভ।
এখানে জয়ী হবার বদলে ক্ষমা চাইতে ভালো লাগে

১.
আমাদের বারান্দায় ঘরের চৌকাঠে
কড়ি কাঠে চেয়ারে টেবিলে আর খাটে
দু:খ তার লেখে নাম।
(শামসুর রাহমান)
২.
হাত দেখার একটা নিয়ম আছে। হাত ধরে বলতে হয়, আপনি সবার জন্য এতো করেন, এতো ভাবেন কিন্তু সবাই আপনাকে নিয়ে ঠিক সেভাবে ভাবে না। সবাই আপনাকে বুঝতে পারে না।
সবাই নিজেকে নিয়ে এটাই ভাবে। কিন্তু নিজেও যে কত মানুষকে কষ্ট দেয়. দুঃখ দেয় সেটা বুঝতে পারে না, মনে রাখে না।
এই অংশটুকু আমি নিজেকেই উৎস্বর্গ করলাম।
৩.
ভালো হোক মন্দ হোক যায় মেঘ আকাশে ছড়িয়ে
আমাকে জড়িয়ে ধরে হাওয়া তার বন্ধনে বাহুর।
বুকে রাখে, মুখে রাখে – ‘না রাখিও সুখে প্রিয়সখি!
যদি পারো দু:খ দাও আমি দু:খ পেতে ভালোবাসি
দাও দু:খ, দু:খ দাও – আমি দু:খ পেতে ভালোবাসি।
অনেকদিন পর মগবাজার ওভারব্রীজ দেখা।
আজ হরতাল। হরতালে কার কি ক্ষতি হয় আমার জানা নাই। তবে আমার ক্ষতি মানসিক ও আর্থিক। হরতাল হলে আমার রিক্সায় অফিসে আসতে হয়। অফিস থেকে ফিরার পথে হেঁটে যাবার কথা চিন্তা করলেও অফিসে আসার সময় তা চিন্তা করতে পারি না। কারন সময় মত অফিসে হাজির হতে হবে। অফিস ছুটির পর রাতে রিক্সায় উঠা কিংবা হেঁটে যাওয়াতে আমার আর্থিক ক্ষতির সাথে মানসিক সমস্যা হয়, কখন ঠ্যক খেলাম, কখন মামুরা এসে বলবে - চিল্যাবি না, কি কি আছে দিয়ে দে! ঘড়ি দে, মোবাইল দে, মানিব্যাগ দে! লুকাইয়া কই টাকা রাখছস, দিয়া দে! নাইলে ভুঁড়ি নামাইয়া দিমু। বাংলামটর থেকে মগবাজার হয়ে মৌছাক - মোটামুটি হাইজ্যাকারদের স্বর্গক্ষেত্র বলা চলে! আজকাল নাকি প্রাইভেট কারে হ্যাইজাক ভাইরা এসে রিক্সার সামনে দাঁড়ায়! গতকাল এমনই কথা শুনলাম, কিছুদিন আগে নাইট ডিউটি করে সকালে বাসায় যেতে এমন একটা ঘটনা দেখেছিলাম সাইন্সল্যাবের মোড়ে।
আমরা বন্ধু পরিবারের দুই সদস্যের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন : সকলের অংশগ্রহনের আহ্বান
১
শওকত হোসেন মাসুমের লেখার সঙ্গে ব্লগের পাঠকরা সবাই পরিচিত। মুভিব্লগ এবং রম্যরচনায় অদ্বিতীয় এই ব্লগারের প্রাতিষ্ঠানিক অধ্যয়ন ও পেশাগত ক্ষেত্র জুড়ে রয়েছে অর্থনীতি। অর্থনীতি বিষয়ে তার একটি প্রবন্ধ সংকলন 'সাদা-কালোর অর্থনীতি' গ্রন্থাকারে আসছে চলতি বইমেলায়।
২
আবদুর রাজ্জাক শিপনের ছোটগল্প এবং সমসাময়িক ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে লেখা ব্লগগুলো আমরা বন্ধু-র নিয়মিত পাঠকদের মনোযোগ কেড়েছে। তার উপন্যাস 'চন্দ্রাবতীর চোখে কাজল রং' এবারের বইমেলায় মলাটবন্দী হয়ে আসছে।
আমরা বন্ধু পরিবারের দুই সদস্যের বইয়ের মোড়ক উন্মোচিত হবে বইমেলায়, নজরুল মঞ্চে, আগামী ১৩ই ফেব্রুয়ারি ২০১১, পহেলা ফাল্গুন ১৪১৭, রবিবার সন্ধ্যা ৬:০০ ঘটিকায়।
সেদিন সেই ক্ষণে ব্লগার বন্ধুদের প্রাণময় উপস্থিতিতে আমাদের আনন্দময় মুহূর্তের সঞ্চয় বেড়ে চলুক।
এখানে জয়ী হবার বদলে ক্ষমা চাইতে ভালো লাগে

১.
আমাদের বারান্দায় ঘরের চৌকাঠে
কড়ি কাঠে চেয়ারে টেবিলে আর খাটে
দু:খ তার লেখে নাম।
(শামসুর রাহমান)
২.
হাত দেখার একটা নিয়ম আছে। হাত ধরে বলতে হয়, আপনি সবার জন্য এতো করেন, এতো ভাবেন কিন্তু সবাই আপনাকে নিয়ে ঠিক সেভাবে ভাবে না। সবাই আপনাকে বুঝতে পারে না।
সবাই নিজেকে নিয়ে এটাই ভাবে। কিন্তু নিজেও যে কত মানুষকে কষ্ট দেয়. দুঃখ দেয় সেটা বুঝতে পারে না, মনে রাখে না।
এই অংশটুকু আমি নিজেকেই উৎস্বর্গ করলাম।
৩.
ভালো হোক মন্দ হোক যায় মেঘ আকাশে ছড়িয়ে
আমাকে জড়িয়ে ধরে হাওয়া তার বন্ধনে বাহুর।
বুকে রাখে, মুখে রাখে – ‘না রাখিও সুখে প্রিয়সখি!
যদি পারো দু:খ দাও আমি দু:খ পেতে ভালোবাসি
দাও দু:খ, দু:খ দাও – আমি দু:খ পেতে ভালোবাসি।
মৎস্য শিকার_------------
ঈদের নামাজ শেষে সকলে যখন কোরবানীর পশু নিয়ে ব্যাস্ত তখন আমার জানের জান জানু মিয়া তার পুত্র-কন্যাসহ এক বিশাল বাহিনী তৈরী করে নেমে গেছে নীচু ধান ক্ষেতে যেখানে বর্ষার সময় পানি জমে ও শীতে শুকিয়ে যায়। সেই পানিতে থাকে অসংখ্য বানে ভেসে আসা মাছ।
এই কচুরীপানা তুলে কাদাপানিতে মাছশিকার।

হয়তো জরুরী নয় তবুও
কঠিন, তাত্বিক কিছু লেখার জন্য যে ধরনের একাডেমিক পড়াশোনা ও চিন্তা ভাবনার গভীরতার প্রয়োজন হয় তা আমার নেই। লেখালেখি, নাচ, নাটক এগুলো আমার বেঁচে থাকার রসদ, নিজেকে সান্ত্বনা দেয়া যে না আমি মরে যাইনি, বেঁচে আছি এখনো। তাই আমি এগুলো থেকে আনন্দ নেয়ার চেষ্টা করি। সারাদিনে অনেক ধরনের স্ট্রেন যায় যেগুলো এড়ানোর কোন রাস্তা নেই, তাই যেই ঝামেলাগুলো এড়ানো সম্ভব সেগুলো অন্তত এড়িয়ে যাওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করি। জীবন আমাকে শিখিয়েছে, একটা খারাপ সম্পর্ক মেনটেন করতে যতোটা এফোর্ড দিতে হয়, ভালো সম্পর্ক মেনটেন করতে ততোটা দিতে হয় না। তাই তাত্বিক কিছু নয়, কিছু উপলব্ধি লিখতে কেন যেন আজ ইচ্ছে করছে। ছোটভাইসম গৌতমকে অনেক বার বলেছিলাম নেদারল্যান্ডসের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে লিখবো। মেয়ের স্কুলকে খুব কাছে থেকে ফলো করেছি একটা সময়, নিজেদের স্কুল জীবনের সাথে পদে পদে তুলনা করেছি কিন্তু লিখবো লিখবো করে কয়েক বছর চলে গেছে লেখা হয়ে ওঠেনি।
এক দুই এবং পরবর্তী
দেয়ালে একটা বড় পোস্টার লাগানো আছে, সাফল্য সিক্ত লড়াকু সাকিবের মেজাজি ছবি দেখা যাচ্ছে তাতে । রাতে বাতির আলো কিছুটা শোষন করলেও দেয়ালের হতশ্রী ভাবটা ঢেকে রাখতে পোস্টারটির বিকল্প হতে পারত না কিছুই । নীচের দিকটা বিছানার খুব কাছাকাছি, বিছানার সিংহ ভাগকে দেয়ালের গা থেকে ঝরে পড়া অবশেষ থেকে রক্ষা করতে ব্যবধান কম । কোনার দিকটায় পেনে লেখা কিছু মোবাইল নম্বরের সাথে ঠিকানার এলোমেলো অবস্থান, কথা বলার সময় এগুলোর উল্লেখ এলে তড়িৎ তা টুকে নেবার প্রয়াস থেকে পোস্টারের জমিনে নানান ভাবে লেখা এগুলো । পড়ার টেবিল থেকে চোখ তুলে তাকালে দেবদারু গাছের মাথায় ভর করে থাকা আকাশের নীল দেখা যায়, ঋতু বৈচিত্রে আকাশ আর দেবদারুর বদল কত স্মৃতির পাতা উল্টে যায় অবলীলায় তা তাৎক্ষনিক বুঝা না হলেও জীবন এক সময় ঠিকই টের পায়।
স্বপন-পারের ডাক শুনেছি
আজ একটা রাজ্য পেলাম।একান্তই আমার নিজস্ব।এখানে আমিই সম্রাজ্ঞী।আমি আমার ইচ্ছে মত,ইচ্ছে ঘুড়ি ওড়াবো আকাশে।স্বপ্নরেণু কুড়িতে কুড়িয়ে গেঁথে ফেলবো শব্দমালা। আহা কি আনন্দ !
নৈঃশব্দরা আজ ভাষা এনে দিল অনেকদিন পর।আমার নিঃসঙ্গ বেদনার গান, অনিশ্চিত অধ্যায় সব জমা করে রাখবো রাজ্যের কোষাগারে।আমি জেনেছি জীবন পোড়াতে জানে যেমন,দিতেও পারে তার চেয়ে ঢের।কে আর বলে কাঙাল আমায় !আমি পেয়েছি স্বপ্নলোকের চাবি।
আজি ওই আকাশ-'পরে সুধায় ভরে আষাঢ়-মেঘের ফাঁক
হৃদয়-মাঝে মধুর বাজে কী উৎসবের শাঁখ।।
একি হাসির বাঁশির তান,একি চোখের জলের গান--
পাই নে দিশে কে জানি সে দিল আমায় ডাক।
পুনশ্চঃ কৃতজ্ঞচিত্তে জানাচ্ছি যে লেখাটির শিরোনাম ও ব্যবহৃত গানটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতবিতান থেকে নেয়া।
মাসব্যাপী কার্ণিভাল ০৫
জনমুখে বাস্তবতা পরিবর্তিত হয়, ক্ষেত্রবিশেষে পুনঃনির্মিত হয়।
ছড়া
ঘর বেঁধেছ নিশ্কলংকপুরে
মন বেঁধেছ বেহদ্দ সাতপাকে
সূর্য্যমামা তোমায় দেখতে গেলে
তার ভাগিনা কাছেপিঠেই থাকে
উঠোন ছিল শর্ত দিয়ে ঘেরা
শর্ত ছিল উপবৃত্তাকার
উপবৃত্তে মজেছে যে তীর
তাকে ফেরায় সাধ্য আছে কার?
আমি থাকি নিস্তরঙ্গপুরে
জীবন থাকে সেমিডাবল খাটে
প্রতিশ্রুত জোৎস্না আসবে বলে
সময় আমার প্রতিক্ষাতে কাটে
মধ্যখানে শর্ত ছিল, আছে
জল ছূয়েছে তোমার চোখের মনি
সে জল আমার ভাগ্যলিপি লেখে:
" উপবৃত্তে তীরের বৈতরনী"
ডাইরী ১১৭
১.
দূরত্ব আসলে কিছু নয়। দূরত্ব আসলে ছদ্মবেশ-অযূহাত। সূর্যের থেকে বহুদূরে থেকেও পুড়েছি অহর্নিশ। আবার তোমার পাশে থেকেও পেয়েছি টের শীতলতা। দূরত্ব কেবল পারে স্মৃতির পসরা সাজাতে-গোছাতে। দূরত্বের মানে তবে স্মৃতির ফ্যাক্টরী...
২.
দূরত্ব ঘোচাতে আমি যতো এগিয়েছি, গন্তব্য ততোই সরেছে সুদূর। আমি একবার মরিচীকা ভেবে এগোতে এগোতে পৌছে গিয়েছিলাম পরীরাজ্যে...ফুল-পাখি-প্রাণীজেরা সেথা মিলেমিশে থাকে। আমি জল ঢালি বৃক্ষের শেকড়ে। বৃক্ষের সাথে আমার দূরত্ব ঘোচে। আমি পরশের ছোয়া দিলে তড়তড়িয়ে বেড়েছে লতা...একদিন গাছ বেয়ে আমি পৌছবো স্মৃতির কাছাকাছি, এমত আশার হাসাহাসি চলে...
৩.
আমার থেকে তুমি
"একটি সড়ক দুর্ঘটনা এবং আমার ছোট ভাইয়ের চলে যাওয়া।"
গত বৃহস্পতিবার দিবা গত রাত ২৮/০১/২০১১ ইং রোজ শুক্রবার যশোর সাগরদাঁড়ির মধুমেলা থেকে ফেরার পথে সতিঘাটা নামক স্থানে এক র্মমান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আমার ছোট ভাই শেখ নাজমুল আহসান (মিশু) নিহত হয়। আমার ভাইয়ের আরও বন্ধু আহত এবং এক বন্ধু নিহত হয়। আমার ভাই যশোর সরকারী এম এম কলেজের অনার্স (একাউন্টিং) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিল।সে কলেজের মেধাবী ও ভাল ছাত্র হিসাবে শিক্ষক ও বন্ধুমহলে পরিচিত ছিল। ঐ দিন রাত ৯ টার দিকে আমার সাথে মোবাইলে কথা হয়। ও আমাকে বলে ওরা ৬-৭ জন বন্ধু একটি প্রাইভেট কার নিয়ে মধু মেলায় গিয়েছে, শুক্র বার সকালে বাড়িতে আসবে।আমার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে মোবাইল রেখে দেয়। হঠাৎ মধ্য রাত ৩টার দিকে আমার বাড়িতে খবর আসে মিশু সড়ক দুর্ঘটনায় পড়েছে। আমার দ্রুত এ্যম্বুলেন্স নিয়ে সতিঘাটা নামক স্থানে পৌছায়। আমরা ওদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পৌছানোর আগেই আমার ভাই এ্যম্বুলেন্স এর ভিতর