ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ৩

এসো আরো দুই বছর আমরা একে অপরকে ইমপ্রেস্ করি,
তারপর নাহয় হাত ধরার পর্বে যাবো।
কারণ পরিচয়ের প্রথম দিকের দিনগুলির মতো সময়
আর ফিরে পাওয়া যায় না।
---

চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ২

পার্কের ভেতরে ঢুকেই আপনি যে লাল ইট বিছানো চওড়া আইল্যান্ডটা দেখতে পাবেন, সেটা আপনার বসার জায়গা। আপনার সঙ্গে যদি বান্ধবী থাকে তাহলে আপনি এখানে বসতে পারেন। যদি না থাকে তাহলে তো আরো ভালো, বসে একটা সিগারেট ধরান। কি কি কাজ বাকী আছে সেটার একটা লিস্ট মনে মনে তৈরি করা শুরু করুন। আপনি যদি একটা ফোন করতে চান এবং কাউকে এখানে আসতে বলতে চান, তাহলে বেশি ভিতরে না গিয়ে আইল্যান্ডের শুরুর দিকেই কোথাও বসুন। যাকে আসতে বলতে চান তাকে বলুন, ছবির হাটে চলে আসতে। সে ছবির হাটে পা দিয়েই আপনাকে দেখতে পাবে। আর যদি কোনোদিন ভাগ্যক্রমে ওস্তাদের মুড-টুড বেশি ভালো থাকে, তাহলে হয়তো আপনি এমন কাউকে নিয়ে এখানে উত্তেজিত ভঙ্গিতে ঢুকে পড়বেন, যাকে বলার জন্য অনেকগুলো কথা আপনার মাথার ভেতরে ঠেলাঠেলি করতেসে। কিন্তু আপনি জানেন, প্রিয় সময়গুলো সবসময়ই খুব দ্রুত কাটে। এবং আপনি এও জানেন, আজো না-বলা থেকে যাবে অধিকাংশ কথাই। তখন আপনি মনে মনে খুশি

চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ

লাইকানথ্রপ হবার সুবাদে
আমি প্রতি ফুলমুনে
একবার করে ভাবতাম,
যদি আমি একজন স্বাভাবিক মানুষ হতাম
তাহলে আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মেয়েটির ঠিকানা ছিলো।
---

রিটায়ার্ড হার্ট পোস্টটার বদলে

ভারতের একটা ম্যাগাজিন আছে, এফএইচএম। একটু ইয়ে ধরনের ম্যাগাজিন আর কি। তবে দু'চারটা স্টোরি পড়ে মনে হলো ম্যাগাজিনের মূল কন্টেন্ট হচ্ছে- ফ্যাশন টুলস, ফ্যাশন আইডিয়াজ আর ফ্যাশন ইউটিলিটিজ। বিক্রি-বাট্টা বাড়ানোর জন্য তাদের স্ট্র্যাটেজী হচ্ছে বিভিন্ন নায়িকাদের রগরগে ছবি দিয়ে কভার পেজ করা। এছাড়া বিভিন্ন গসিপ বা খবরকে মসলা-টসলা মিশিয়ে ভালো ট্রিটমেন্টও দেয় দেখলাম।

একটা অসম্পূর্ণ গল্প

প্রথম দেখার কালে বন্ধু
কথা দিয়াছিলে...

স্কুলজীবনে যে ক'জন বালিকার প্রতি মন থেকে অনুরাগ অনুভব করেছিলাম, তাদের মধ্যে হৃদিতা আর টুয়ী ছিলো সবচে' দারুন। দুঃখের কথা; শেন ওয়ার্ন আর স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল সমসাময়িক হওয়ায়, ম্যাকগিলের প্রতিভার প্রতি সুবিচার করতে পারে নি ইতিহাস। তেমনি টুয়ীর প্রতিও সুবিচার করতে পারি নি আমি। পরবর্তীতে এ দুঃখ ভুলতে পেরেছিলাম, হৃদিতার বিয়ের অনুষ্ঠানে টুয়ীর সঙ্গে দেখা হয়ে যাওয়াতে। তখনও 'বিয়া হইসে তাতে কি/ হলুদে তো গিয়েছি' গান বের হয় নি। স্বাভাবিক ভাবেই মন ভার হয়ে থাকার কথা। ছিলোও।

সেই সময় টুয়ীকে দেখে তাই নিজেকে মনে হয়েছিলো, দ্রুতগামী কোনো জাহাজের পাশে লাফিয়ে লাফিয়ে পাল্লা দিতে থাকা একটা উড়ুক্কু মাছ। মেয়েরা অনেক অসাধারণ প্রকৃতির হয়। হৃদিতার সঙ্গে ভাব করার মতো একটা গর্হিত অপরাধকেও টুয়ী সেদিন অকপটে মাফ করে দিয়েছিলো।

ভালোবাসি তোমায় তাই জানাই গানে

কালো বর্গের উপর সাদা রং-এর নির্মাণে নির্বাণ লাভ করেছে কী-বোর্ডের স্ট্রোকগুলো। কেন এই পৃথিবীজুড়ে শুধু মারামারি, হানাহানি আর খুনোখুনি? কিছুটা শান্তির সঙ্গে যদি বসত গড়তে পারতাম, তাহলে নিশ্চিন্ত মনে একটা দোয়েলের বা ফড়িং-এর জীবন কাটাতাম। আমার শ্বাসনালী দিয়ে সেই স্বপ্ন প্রবেশ করে না কখনো। কারণ বাতাসে পোড়া গন্ধ। মানুষের ফুসফুস পুড়ছে নিরন্তর। আর হৃৎপিণ্ডগুলো হাপরের মতো দম দিয়ে যাচ্ছে তাতে। আমি যখন আর সহ্য করতে পারতাম না, তখন একছুটে তোমার কাছে চলে যেতাম। পালিয়ে থাকতে চাইতাম, তোমার ছোট্ট ভেজা ভেজা মায়াবী আঙ্গুলগুলোর মাঝে। তোমার পলকা কাঁধে মাথা রেখে দূর দিগন্তে হারিয়ে যেতাম।

অথচ কি অসীম শক্তি যে ছিলো ওই কাঁধের, তা কেবল আমিই জানি। পৃথিবীর মতো এতবড় শত্রুর হাত থেকেও আমায় আড়াল করে ফেলতে তুমি। বাঁচিয়ে দিতে। মুঠোভরা বেঁচে থাকার রসদ দিয়ে দিতে আমার জন্য। এত শক্তি কোথায় পেয়েছিলে মেয়ে?

গল্প: যে কারণে বিশ্বাস হারানোর ক্ষমতা হারিয়েছি

জার্নালিজম ডিপার্টমেন্টের নিজস্ব ক্লাসরুম ছিলো একটাই। রুমটার নাম ছিলো হাজার আটাশি। এখন হাজার আটাশি অনেক আধুনিক চেহারা পেয়েছে। কিন্তু এক সময় সেখানে কেবল তক্তার তৈরি একটা প্ল্যাটফর্ম এবং তার ওপরে ছিলো অতি পুরোনো ধাঁচের একটা ডায়াস। পড়ানোর জন্য ব্ল্যাকবোর্ড আর সাদা চকই ছিলো স্যার-ম্যাডামদের একমাত্র ভরসা। তখন আমরা পশ্চিমমুখো হয়ে বসে ক্লাস করতাম। এখন সবাই পূর্বদিকে মুখ করে বসে এবং পড়াশোনা হয় প্রজেক্টরে-প্রজেক্টরে। স্যারেরা সবসময় ল্যাপটপ নিয়ে ক্লাসে আসেন। যেটা আমাদের সময় হাতেগোণা দু'একজন আনতেন।

আমাদের বাসা থেকে ইউনিভার্সিটির দুরত্বটা কখনোই বাড়ে নি। কিন্তু বছর বছর বেড়েছিলো রিকশার ভাড়া। প্রথম প্রথম আমি ২০ টাকা করে যেতাম। একদম কলাভবনের দোরগোড়া পর্যন্ত। বন্ধু তোজা নাকি একবার ১৫ টাকাতেও গিয়েছিলো। এই ভাড়াটা শেষতক ৪০ টাকায় গিয়ে ঠেকলো। এরপর কি হয়েছে আমি জানি না।

সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা

পবিত্র একটি উপলক্ষ এসে দাঁড়িয়েছে আমাদের ঠিক দরোজার সামনে। স্কুলের কোনো এক ক্লাসে আমার বই-এ পড়েছিলাম; আজ ঈদ, মদিনার ঘরে ঘরে আনন্দ। সেই আনন্দের দিনে একটি দুঃখী ছেলে বসেছিলো রাস্তার পাশে। মুহাম্মদ তাকে কোলে তুলে বাড়ি নিয়ে গিয়েছিলেন। বাড়িতে নিয়ে নতুন কাপড়, খানা-খাদ্য দিয়ে ছেলেটির দুঃখ দূর করেছিলেন। আজ আমাদের দেশের রাস্তাগুলোর দুই ধার ভরে গেছে দুঃখী ছেলেদের ভীড়ে। কিন্তু কোনো মুহাম্মদ নেই তাদেরকে কোলে তুলে নেওয়ার জন্য। নতুন পোশাক, সুস্বাদু খাবার বা ঈদের অন্য আনন্দগুলোর ভাগ দেওয়ার জন্য।

একমাত্র

একটা সিরিজ লেখার পরিকল্পনা মাথার মধ্যে চলছিলো। কিন্তু পেইনফুল একটা কাজ করি বিধায় সবসময় চিন্তাগুলোকে পোষার সুযোগ পেলে না। তারপরেও আমার পরিকল্পনাটা নিয়ে আমি আশাবাদী। আমরা সবাই সামনে কি করবো, সেটা নিয়ে ভেবে সময় কাটাই। আসলে যেটা করা দরকার সেটা হচ্ছে অতীতে কি করতাম, সেটা নিয়ে ভাবতে হবে। কিন্তু পেছনে তো ফিরে যাওয়া সম্ভব না। সেক্ষেত্রে নিজের বাস্তবতার দিকে চোখ ফেরান।
জীবনে কয়টা অবস্থার প্রকৃত পরিবর্তন ঘটেছে? সে সংখ্যাকে আপনার বয়স দিয়ে ভাগ করলে কত দাঁড়ায়? এটা একটা প্রেডিকশন। ঠিক কত বছর পর পর গড়ে আপনার অবস্থা চেঞ্জ হচ্ছে সেটা বোঝা যায়। সর্বশেষ পরিবর্তনটা যত বছর আগে হয়েছে তত বিয়োগ করুন। যেটা বাকী থাকলো ততদিন আপনি আজ যেমন আছেন, তেমনি থাকবেন বলে ধরে নিতে পারেন।

এক হাজার শীত-বসন্ত পরে যখন আবার দেখা হবে

বন্ধু শাফায়েতের সঙ্গে আলাপ হচ্ছিলো। ওর সঙ্গে আমার প্রতিদিনই একবার আলাপ হয়। মাঝে মাঝে সেগুলো দেশাত্মবোধক আলোচনায় রূপ নিয়ে ফেলে। ওকে সেদিন সৌদি দূতাবাস আক্রমণের প্ল্যানটা ডিটেইল ব্যাখ্যা করে বুঝালাম। সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কেন জরুরি সেটা বললাম। কিভাবে যুদ্ধটা শুরু করবো তা নিয়েও আলাপ হলো। কিন্তু বদমাশটা যেতে রাজি হলো না। ওর নাকি তখন নবাবগঞ্জে যাওয়াটা বেশি জরুরি। এস এস পাইপ কিনতে হবে ছাদে রেলিং দেয়ার জন্য।
কিন্তু আমার মাথায় চিন্তাটা ঘুর ঘুর করতেই থাকলো। সেনাবাহিনীর বন্ধুগুলোকে আগে মোটিভেট করতে হবে। সম্ভব? সম্ভব না। ওদেরকে বিশেষ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আগেই মোটিভেটেড করে রাখা হয়েছে। তাইতো? কিন্তু বাংলাদেশ নামের এই ভূখণ্ড যে আর সবার মতো সেই ভদ্রলোকগুলোকেও জন্ম থেকে মোটিভেশনের আওতায় রেখেছে, সেটার কি হবে? কেউ কি আমরা সেই জিনিসটি খুঁজে দেখার চেষ্টা করেছি?

মিউজিকাল চেয়ার, কিন্তু মিউজিকটা কি থামবে না ভাবছেন?

বন্ধু শাফায়েতের সঙ্গে আলাপ হচ্ছিলো। এখন একটা পরিবর্তন দরকার। আমাদের দেশটার কথাই বলছি। নব্বুইয়ের পর থেকে একটু এপিঠ-ওপিঠ হওয়া ছাড়া, দীর্ঘ একটা সময় ধরে যেটার কোনো পরিবর্তন হয় নি। জাতি হিসেবে একটা ব্লকড্ সময় পার করছি আমরা। ব্লকটা আমাদের কোনো কাজেও লাগছে না। কারণ বারবার ক্ষমতার পালাবদল দেশটাকে একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছুনোর লড়াইয়ে নামতেই দেয় নি কখনো। তাই পালাবদলের রাজনীতি থেকে পরিত্রাণ দরকার। আর দরকার পরিবর্তন সম্পর্কে ভাবার, ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দেবার, বাস্তবটাকে সামনে এগিয়ে নেবার, সামনে নতুন নতুন রাস্তা খুঁজে বের করবার লোক। সংখ্যায় অনেক শক্তসমর্থ লোক ছাড়া আসলে কোনো কিছু চিন্তা করার সুযোগ নাই। বাঙালি জাতির দেহ সুঠাম। জাতি পরিশ্রমীও। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে স্থির থেকে পরিশ্রম করে যাওয়ার সৌভাগ্য জাতিটির হয় নি। এগিয়ে যাওয়া শুরু করার আগে একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করা জরুরি।

কবিতা: বিষয়বস্তু মৃত্যু

বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল '৭১-এর নির্বাহী প্রযোজক তানভীর জাহিদ নয়ন, তার বন্ধু জামিল লিপু ও বন্ধুপত্নী আসমা আক্তার হীরা পুকুরে ডুবে মারা গেছেন। সঙ্গে থাকা সুবর্ণা সেঁজুতি টুসি (নয়নের স্ত্রী) বেঁচে গেছেন। কিছুদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় অপার সম্ভাবনাময় চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ মারা গেলেন। পাশে থাকা স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদ বেঁচে রইলেন। এই বেঁচে থাকা মানুষগুলোর কষ্ট অবর্ণনীয়। দেখলে চোখ ভিজে আসে। এই অনুভূতির নাম ভয়। এই অবস্থার নাম, নিজের আশপাশে এমন মত্যুর ছোবল কিভাবে সহ্য করবো- সে ভয়ের আঁকড়ে ধরা।
মৃত্যু কখন কিভাবে কার দরোজায় টোকা দেবে তা আমরা কেউ জানি না। এই একটা ঘটনা মানুষের আশপাশে মহাজাগতিক স্প্ল্যাশ-এর মতো আলোড়ন তৈরি করে। প্রতিনিয়ত সে ফোঁটাগুলো পড়ছে। পৃথিবী নামক পুকুরটিতে। যার দু'চারটা এসে ঝাপটা দিয়ে যায় আমার চোখে-মুখেও। মনে করিয়ে দিয়ে যায়- আজ না হোক, কাল আমিও চলে যাবো এখান থেকে।

যুদ্ধাপরাধ ইস্যূ চিরতরে ধামাচাপা পড়ে যাওয়ার জন্য একটি ট্রাইব্যূনালের ব্যর্থতাই যথেষ্ট

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই একে বাধাগ্রস্থ করার চেষ্টা চালিয়েছে একটি পক্ষ। এক সময় দেশের সব রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহকে ‘যুদ্ধাপরাধ ইস্যূ বানচালের ষড়যন্ত্র’ হিসেবে ট্যাগিং করার একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছিলো। তখন এই ট্যাগিং-এর সমালোচনা করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু নিজেদের সব কাজের মাধ্যমে জামাত যে কেবলই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে, সে দিকে কবে নজর দিয়েছে কে?

সন্তানের গাএ মা'র বদদোয়া লাগা সংক্রান্ত মীমাংসার গল্প

শের-ই-খুদা হযরত আলী একবার ছেলেদের মজলিসে নিজের পেশীবহুল শরীর দেখে নিজেই মুগ্ধ হচ্ছিলেন। পুত্র ইমাম হোসেন বসে ছিলেন সেখানে। বললেন, আমার মা'র মনের পবিত্র রূপের কাছে এ সৌন্দর্য তুচ্ছ। আলী দৌড়ে স্ত্রী'র কাছে গেলেন। দেখাও সেই সৌন্দর্য। যা তুমি এমনকি লুকিয়ে রেখেছো নিজের স্বামীর কাছেও!
এতো শারীরিক কোনো সৌন্দর্য নয়, যে খালি চোখে দেখা যাবে। তোমায় সে রূপ কিভাবে দেখাই প্রিয়? শুধালেন বিবি ফাতিমা নিজেই। সঙ্গে হযরত আলীর স্ত্রী এ অভিশাপও দিয়ে বসলেন- যে গোপনে তাকে দেখেছে, সে যেন ভাতৃঘাতি যুদ্ধে জীবন হারায়।
আলী বললেন, অভিশাপ কাকে দিলে? এ তো তোমার নিজের ছেলে। আল্লাহর মর্জিতেই সে তোমার মনের পবিত্রতা সম্পর্কে জানে। বাতেনি মসজিদে* গিয়ে তোমার সেই রূপ দেখে এসেছে।

আগরতলায় বেগড়বাই

মানে কি? আগরতলা একটা শহরের নাম। বেগড়বাই বোধহয় একটা মানসিক অবস্থা। আগরতলা আবার একটা ক্যাপিটাল সিটি। আমাদের ক্যাপিটাল সিটি ঢাকাতে বেড়াতে বা কোনো কাজে এলে গ্রামদেশের মানুষের মনে বেগড়বাই ভাব উৎপন্ন হয়। যেটা আমরা যারা এই শহরটায় থাকি, তাদের জন্য একটা লজ্জার ব্যপার। আমরা একজন অতিথির জন্য ভালো একটা ব্যবস্থা করতে অক্ষম। অথচ আমরাই যখন গ্রামদেশে যাই, তখন মনে হয় স্বর্গবাসে এসেছি। সে সময় খুব ভালো লাগে তো, তাই আসার সময় খুব করে বলে-টলে আসি আপনারাও আমাদের শহরে আসবেন। কিন্তু আমাদের সে মিষ্টি কথায় ভুলে কেউ দিকভ্রষ্ট হয়ে চলে আসলেই সেরেচে। তারপরে কি হয় আর বললাম না। তো ক্যাপিটাল সিটিতে গেলে মানুষের বেগড়বাই ঘটা যে সম্ভব, তার উদাহরণ খুঁজতে খুব বেশি দূরে যেতে হয় না। আমরা আর আমাদের শহরই বড় উদাহরণ। সুতরাং আগরতলাতেও বেগড়বাই ঘটতেই পারে। আমার কথাটায় ভুল নেই। কিন্তু প্রশ্ন হতে পারে, কেন এ কথাটা টাইপ করলাম?