ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

মিউজিকাল চেয়ার, কিন্তু মিউজিকটা কি থামবে না ভাবছেন?

বন্ধু শাফায়েতের সঙ্গে আলাপ হচ্ছিলো। এখন একটা পরিবর্তন দরকার। আমাদের দেশটার কথাই বলছি। নব্বুইয়ের পর থেকে একটু এপিঠ-ওপিঠ হওয়া ছাড়া, দীর্ঘ একটা সময় ধরে যেটার কোনো পরিবর্তন হয় নি। জাতি হিসেবে একটা ব্লকড্ সময় পার করছি আমরা। ব্লকটা আমাদের কোনো কাজেও লাগছে না। কারণ বারবার ক্ষমতার পালাবদল দেশটাকে একটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছুনোর লড়াইয়ে নামতেই দেয় নি কখনো। তাই পালাবদলের রাজনীতি থেকে পরিত্রাণ দরকার। আর দরকার পরিবর্তন সম্পর্কে ভাবার, ভাবনাগুলোকে বাস্তবে রূপ দেবার, বাস্তবটাকে সামনে এগিয়ে নেবার, সামনে নতুন নতুন রাস্তা খুঁজে বের করবার লোক। সংখ্যায় অনেক শক্তসমর্থ লোক ছাড়া আসলে কোনো কিছু চিন্তা করার সুযোগ নাই। বাঙালি জাতির দেহ সুঠাম। জাতি পরিশ্রমীও। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যে স্থির থেকে পরিশ্রম করে যাওয়ার সৌভাগ্য জাতিটির হয় নি। এগিয়ে যাওয়া শুরু করার আগে একটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করা জরুরি।

কবিতা: বিষয়বস্তু মৃত্যু

বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেল '৭১-এর নির্বাহী প্রযোজক তানভীর জাহিদ নয়ন, তার বন্ধু জামিল লিপু ও বন্ধুপত্নী আসমা আক্তার হীরা পুকুরে ডুবে মারা গেছেন। সঙ্গে থাকা সুবর্ণা সেঁজুতি টুসি (নয়নের স্ত্রী) বেঁচে গেছেন। কিছুদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় অপার সম্ভাবনাময় চলচ্চিত্র নির্মাতা তারেক মাসুদ মারা গেলেন। পাশে থাকা স্ত্রী ক্যাথরিন মাসুদ বেঁচে রইলেন। এই বেঁচে থাকা মানুষগুলোর কষ্ট অবর্ণনীয়। দেখলে চোখ ভিজে আসে। এই অনুভূতির নাম ভয়। এই অবস্থার নাম, নিজের আশপাশে এমন মত্যুর ছোবল কিভাবে সহ্য করবো- সে ভয়ের আঁকড়ে ধরা।
মৃত্যু কখন কিভাবে কার দরোজায় টোকা দেবে তা আমরা কেউ জানি না। এই একটা ঘটনা মানুষের আশপাশে মহাজাগতিক স্প্ল্যাশ-এর মতো আলোড়ন তৈরি করে। প্রতিনিয়ত সে ফোঁটাগুলো পড়ছে। পৃথিবী নামক পুকুরটিতে। যার দু'চারটা এসে ঝাপটা দিয়ে যায় আমার চোখে-মুখেও। মনে করিয়ে দিয়ে যায়- আজ না হোক, কাল আমিও চলে যাবো এখান থেকে।

যুদ্ধাপরাধ ইস্যূ চিরতরে ধামাচাপা পড়ে যাওয়ার জন্য একটি ট্রাইব্যূনালের ব্যর্থতাই যথেষ্ট

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই একে বাধাগ্রস্থ করার চেষ্টা চালিয়েছে একটি পক্ষ। এক সময় দেশের সব রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহকে ‘যুদ্ধাপরাধ ইস্যূ বানচালের ষড়যন্ত্র’ হিসেবে ট্যাগিং করার একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছিলো। তখন এই ট্যাগিং-এর সমালোচনা করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু নিজেদের সব কাজের মাধ্যমে জামাত যে কেবলই যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে, সে দিকে কবে নজর দিয়েছে কে?

সন্তানের গাএ মা'র বদদোয়া লাগা সংক্রান্ত মীমাংসার গল্প

শের-ই-খুদা হযরত আলী একবার ছেলেদের মজলিসে নিজের পেশীবহুল শরীর দেখে নিজেই মুগ্ধ হচ্ছিলেন। পুত্র ইমাম হোসেন বসে ছিলেন সেখানে। বললেন, আমার মা'র মনের পবিত্র রূপের কাছে এ সৌন্দর্য তুচ্ছ। আলী দৌড়ে স্ত্রী'র কাছে গেলেন। দেখাও সেই সৌন্দর্য। যা তুমি এমনকি লুকিয়ে রেখেছো নিজের স্বামীর কাছেও!
এতো শারীরিক কোনো সৌন্দর্য নয়, যে খালি চোখে দেখা যাবে। তোমায় সে রূপ কিভাবে দেখাই প্রিয়? শুধালেন বিবি ফাতিমা নিজেই। সঙ্গে হযরত আলীর স্ত্রী এ অভিশাপও দিয়ে বসলেন- যে গোপনে তাকে দেখেছে, সে যেন ভাতৃঘাতি যুদ্ধে জীবন হারায়।
আলী বললেন, অভিশাপ কাকে দিলে? এ তো তোমার নিজের ছেলে। আল্লাহর মর্জিতেই সে তোমার মনের পবিত্রতা সম্পর্কে জানে। বাতেনি মসজিদে* গিয়ে তোমার সেই রূপ দেখে এসেছে।

আগরতলায় বেগড়বাই

মানে কি? আগরতলা একটা শহরের নাম। বেগড়বাই বোধহয় একটা মানসিক অবস্থা। আগরতলা আবার একটা ক্যাপিটাল সিটি। আমাদের ক্যাপিটাল সিটি ঢাকাতে বেড়াতে বা কোনো কাজে এলে গ্রামদেশের মানুষের মনে বেগড়বাই ভাব উৎপন্ন হয়। যেটা আমরা যারা এই শহরটায় থাকি, তাদের জন্য একটা লজ্জার ব্যপার। আমরা একজন অতিথির জন্য ভালো একটা ব্যবস্থা করতে অক্ষম। অথচ আমরাই যখন গ্রামদেশে যাই, তখন মনে হয় স্বর্গবাসে এসেছি। সে সময় খুব ভালো লাগে তো, তাই আসার সময় খুব করে বলে-টলে আসি আপনারাও আমাদের শহরে আসবেন। কিন্তু আমাদের সে মিষ্টি কথায় ভুলে কেউ দিকভ্রষ্ট হয়ে চলে আসলেই সেরেচে। তারপরে কি হয় আর বললাম না। তো ক্যাপিটাল সিটিতে গেলে মানুষের বেগড়বাই ঘটা যে সম্ভব, তার উদাহরণ খুঁজতে খুব বেশি দূরে যেতে হয় না। আমরা আর আমাদের শহরই বড় উদাহরণ। সুতরাং আগরতলাতেও বেগড়বাই ঘটতেই পারে। আমার কথাটায় ভুল নেই। কিন্তু প্রশ্ন হতে পারে, কেন এ কথাটা টাইপ করলাম?

মাছরাঙাটাকে কিছুটা পথ সঙ্গ দিয়েছি আমি

নিষিদ্ধ অনিষিক্ত একটা জীবন আছে আমার। বন্ধুহীন, একাকীত্বময়। একাকীত্ব্টা আবার এমন যে এটা নিয়ে বড়াই করতেও ইচ্ছে হয় না। শুধু রিক্ত ও রক্তাক্ত নিজেকে দেখে মাঝে মাঝে ভাবি, এটা কাকে দেখতে পাচ্ছি?
অনেকদিন আবার এমনভাবে নিজেকে খুঁজি, যেন জানিই না আমি কোথায় আছি। কখনো হয়তো প্রত্যেকটা বন্ধুর ব্যপারেই করার মতো অভিযোগ থাকে আমার কাছে। তখন নিজেকে সবচেয়ে গরীব মনে হয় এবং তারপর গরীবদের মতো করেই রাস্তা ছেড়ে দিই সময়কে।
আশার কথা এই যে, পথশেষে এখানে কোনো আশার প্রদীপ নেই। প্রদীপ থাকলে হয়তো যে আলোটা বের হতো, সেটাকে একটা নাম দিতে হতো। কিন্তু কোনো নাম দেয়ার প্রয়োজন হয় না।

গল্প: এক মধ্যদুপুরে মনে পড়া টানা বারান্দা

ন্যান্সি যে স্লাগোকে ভালবাসে, সেই কথাটা সেদিন সমুদ্রের বালুর ওপরে লেখার চেষ্টা করছিলো। কিন্তু ঢেউ এসে বার বার লেখাটা মুছে দিয়ে যাচ্ছিলো। দেখে আমার খুব মজা লাগলো। এই দুইটা কমিক চরিত্রকে আমার দারুণ লাগে। আমার বন্ধু আছে ন্যান্সি নামে। সে অবশ্য কমিকের ন্যান্সি হলে আমি স্লাগো হতে রাজি নই। বন্ধুদের সঙ্গে ভালবাসাবাসি করলে নাকি বন্ধুত্ব নষ্ট হয়। আসলেই সত্য কি না কে জানে। ছোটবেলায় তো ক্লাসমেটদের প্রেমে ধুমধাম পড়ে যেতাম। ওদের অনেকে ভালোবন্ধুও ছিলো। সে সময় কখনো মনে হয় নি বন্ধুত্ব ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বড় হওয়ার কত যে জ্বালা!

কবিতা: পরাগায়ন ও শিষ্টাচার

নিজেকে তীব্র আগুনের দিকে ছুটে চলা একটা পতঙ্গ মনে হচ্ছে। যে দ্রুতগতিতে নিজের ভস্মীভূত পরিণতির দিতে ধাবমান। ভালো লাগছে এই ভেবে যে, অবশেষে নিজের জন্য নিরন্তর খারাপ লাগতে থাকাটাকে দূরে সরিয়ে দিতে পেরেছি। এখন শুধুই অপেক্ষা। এবং এই নিষ্ঠুর আমাকে দীর্ঘদিন ধারণ করার জন্য কৃতজ্ঞতা। সময়, প্রকৃতি আর ভূখন্ডের প্রতি।
কবিতাকে আমি সহজ মনে করি না। আমার কবিতা লেখার অপচেষ্টাগুলো কখনো সফল হয়েছে, এমন দাবিও করি না। যে কারণে ব্যর্থতার দায়টুকু মাথা পেতে নিতেও আপত্তি নেই।

রাত্রিনা তোমার শারীরিক সৌন্দর্য্যও
ঐশ্বর্যময়, সর্বত্র ধন-সম্পদের ছড়াছড়ি
উদয়াস্ত আমি যদি কোনো ঠোঁট চাই
পাওয়ার জন্য, তোমার নধর
ঠোঁট দু’টোই চাইবো।
যদি কখনো কাউকে দেখে আমার
জড়িয়ে ধরে বুকের উত্তাপ
অনুভব করতে ইচ্ছা হয় তো সে তুমি।
কখনো হয়তো তোমার বুকে
খেলা করতেও ইচ্ছে হতে পারে,
কারণ আমার বাহুলগ্না ছাড়া
আর কোনো অবস্থাজনিত

একঝাঁক ইচ্ছে ডানা যাদের আজ উড়তে মানা

একদিন দেখবো আলো আঁধারের শেষ যেখানে
আসবেই দখিন বাতাস আকাশের বার্তা নিয়ে,
একঝাঁক ইচ্ছে ডানা যাদের আজ উড়তে মানা
মিলবেই তাদের অবাধ স্বাধীনতা।

যেখানে তোমার আমার কোনো কথা নেই কথা নেই কোথাও থামার
ঠিক নেই ঘরের হদিস শুধু আছে পথ কতদূর নেই তা জানা
দুঃখ নেই কিছু সেখানে
নেই সুখ খোঁজবার কোনো দায়
প্রয়োজন নেই কারো একা বসে ভাববার একটু বাঁচার উপায়,
কেঁদো না বন্ধু আমার গাও গান নিয়ম ভাঙার
এ গানের শেষেই আছে ভোরের আকাশ,
একঝাঁক ইচ্ছে ডানা যাদের আজ উড়তে মানা
মিলবেই তাদের অবাধ স্বাধীনতা।

দূর্দান্ত একটা লিরিক। গানটা প্রায়ই আনমনে গুনগুন করার চেষ্টা করি।

আরো একটা গান। এটা ডুয়েট, শিরোনাম হচ্ছে; কই যাও একলা একলা?

Dancing where the stars go blue

ভালবাসা তারপর দিতে পারে গত বর্ষার সুবাস

কষ্টগুলোর শিকড় ছড়িয়ে
ঐ ভয়ানক একা চাঁদটার সাথে,
স্বপ্নের আলোতে যাবো বলে
যখন চোখ ভিজে যায় রাতে

ভালবাসা তারপর দিতে পারে
গত বর্ষার সুবাস,
বহুদিন আগে তারাদের আলো
শূন্য আঁধার আকাশ।

প্রখর রোদে পোড়া পিঠ
আগুনের কুণ্ডে শেঁকা হাত
শিশির ছোঁয়া পাবে হাসি
অন্ধকারে কেটে যাবে রাত,

ভালবাসা তারপর দিতে পারে
গত বর্ষার সুবাস,
বহুদিন আগে তারাদের আলো
শূন্য আঁধার আকাশ।

অর্ণবের সঙ্গেই সাধারণত এটা বেশি ঘটে। ওর এক-একটা গান মাঝে মাঝে নিউরণের ভেতরে চলে যায়। সেখান থেকে সেগুলোকে বের করে নিয়ে আসার কাজটা সহজ হয় না কখনোই।
---

গল্প: লিহীন

(খুনোখুনি, রক্তপাত আছে লেখায়...)

রওশনের মতো বুনো আর হিংস্র মনের ছেলে এ পৃথিবীতে অনেক কম জন্মেছে। যারা জন্মেছে তাদের বেঁচে থাকা সবসময়ই মানুষকে কষ্ট দিয়েছে, কলুষিত করেছে এবং সবশেষে মানুষ বাধ্য হয়েছে তাদের প্রতি নিষ্ঠুর হতে। এদেরকে মানুষের জন্য দুর্ভাগ্যের নিমিত্ত হয়ে পৃথিবীতে আসা একধরনের প্রাণী হয়তো বলা যায় কিন্তু মানুষ বলা যায় না। প্রকৃতি নিজের কোনো এক অদ্ভুত খেয়ালেই এদেরকে মানুষ বানিয়ে পাঠায় না।

চট্টগ্রাম শহরে সিডিএ বলে একটা এলাকা আছে। সেটার ১২ নম্বর রোডের একদম শেষ মাথায় রওশনদের বাড়ি। জায়গাটা খুব ঘিঞ্জিমতো, যেখানে ওদের বাড়ির পাশ দিয়েই চলে গেছে শহরের বড় বড় স্যূয়ারেজ ড্রেনগুলোর একটি। সেটাকে ওরা বড় নালা বলে।

গল্প: একদিন সবকিছু গল্প হয়ে যায়

শেষ পর্যন্ত সে আমাকে তার বাসায় নিয়েই গেল। প্রথমে সে বলছিলো; ভয় নেই, মারবো না। সে সময় আমি ভয় পাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। আমার মতো একটা ইনোসেন্ট ছেলেকে এভাবে জোরজবরদস্তি ব্যচেলর ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়ার আর কি অর্থ থাকতে পারে? জানতে চাচ্ছিলাম তার কাছেই। সে হাসিমুখে কেবলই বলছিলো, আরে কিছু না। আপনি আজকে নিয়ে দু’দিন আমাকে বাসা পর্যন্ত লিফট দিলেন। সৌজন্যের খাতিরেও তো আমার উচিত আপনাকে এক কাপ চা খাওয়ানো। আমি প্রবল বেগে মাথা নেড়ে নেড়ে দিনে-দুপুরে চা খাওয়ার ব্যপারে আপত্তি জানাচ্ছিলাম। ও সেটা কানেই তুলছিলো না। দিনে-দুপুরে সর্বত্র বসে চা খেতে পারবেন, শুধু আমার ফ্ল্যাটে গিয়ে চা খেতে বললেই আপত্তি?

অন্তহীন অন্ধকারের আরক্তিম অস্তিত্ব

em xobby.jpg

ই বাজাতাম

ছেঁড়া তালপাতা, জন লেননের সোচ্চার ভালবাসা আর বব ডিলানের অভিমান একসঙ্গে মিক্সচারের মধ্যে ঢেলে দিয়েছি। আজকে একটা ক্রাশ বানাবো। এক মগ ক্রাশ সহকারে বসে একটা সময়, সেটার হয়তো একঘন্টা-দেড়ঘন্টা এরকম লিমিট থাকবে; সেই সময়টা পার করবো। বাস্তব জীবনে আমার তেমন কোনো বন্ধু-বান্ধব নেই। যাদের সঙ্গে নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ হয়। খোঁজখবর রাখা হয়। এ ধরনের ব্যবস্থার অনেক ধরনের কুফল আছে জানি। তাও এ ধরনের ব্যবস্থা মেনে নিতে আমার খুব বেশি খারাপ লাগে না। ক্রাশটায় দেয়া হবে প্রচুর পরিমাণে চিনি। সঙ্গে মিন্ট থাকতে পারে। খুবই অল্প পরিমাণে। আর দু’এক টুকরো ধইন্যাপাতা। কতভাবেই না মানুষের জীবনটা কাটে? কখনও হয়তো মানুষ মানুষকে বলে ‘তোমাকে ছাড়া বাঁচতে পারবো না একদিনও’; আবার পরে দেখা যায় দু’জনের দু’জনকে ছাড়া খুব চলে যাচ্ছে। ভালো কে কম বেসেছিলো? কেউ জানে না নিরপেক্ষ উত্তর।

আমারই গাছের শেকড় আমায় সালোকসংশ্লেষণের জন্য গিলে নেয়

em.jpg
নদীর জলে ক্রমাগত বৃষ্টি ঝরে পড়ছে। আমার ঝিঁ ঝিঁ পোকার ডাকের ভেতর ডুবে থাকা জানালাটার একটা কপাট নষ্ট। কেয়ার ঝোপের পাশের কপাটটাই নষ্ট। তাই কেয়াফুলের দিকে বার বার চোখ চলে যায়। আমি চাই না প্রিয় ফুলটিকে দেখতে। কিন্তু ঘুরে ফিরে আমার চোখ ওদিকেই চলে যায়। তন্ময় হয়ে তাকিয়ে থাকি।