ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

এক অসম প্রেমের কাহিনী

মাঝে মাঝে অবাক হয়ে ভাবি, জানার আছে কত কিছু। সামু ব্লগে প্রথম চোখে পড়েছিলো মাঙ্গা শব্দটি। এরপরে আমার নিজের ব্লগেও শব্দটি পেয়েছি বিভিন্ন সময়। এই সেদিনই পড়লাম নাম নাই আর ভাস্করদা'র লেখায়। কোন্ ধরনের এ্যনিমেশনকে মাঙ্গা নামে ডাকা হয় সেটি জানতাম ঠিকই, কিন্তু এছাড়া জানা ছিলো না প্রায় আর কিছুই।

তাপিত হৃদয় যেখানে শীতল হয়, সেখানে বস্তু রবে জেনো নিশ্চয়

খ্রিস্টাব্দ ২০০৮ ছিলো এ্যনিমেশন ভক্তদের জন্য দারুণ একটি বছর। বেশ কিছু চমৎকার এ্যনিমেশন দেখার সুযোগ, ভাগ্য হয়েছিলো সেবার। ওয়াল-ই আর মাদাগাস্কার: ইস্কেপ টু আফ্রিকা'র কথাতো আগেই বলেছি। সালের আরো একটা চমৎকার মুভি ছিলো কুং ফু পান্ডা। ড্রীমওয়ার্ক্সের পরিবেশনা ছিলো দারুণ; ডাস্টিন হফম্যান, অ্যাঞ্জেলিনা জলি, জ্যাকি চ্যাং, জ্যাক ব্ল্যাকদের ডাবিং ছিলো দারুণ আর এ্যনিমেশন হলেও কাহিনীচিত্র, দৃশ্যায়ন ছিলো দারুণস্য দারুন! মুভিটা দেখে অমৃতসম তৃপ্তি পেয়েছিলাম।

কবিতা: শুধু তোমার নামটুকু পার হতে পারি নি আজো

বয়সের সঙ্গে সবকিছুতে স্থিরতা চলে আসে। পৃথিবীর বয়সও বেড়ে চলেছে প্রতিদিন। সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু এগিয়ে যাচ্ছে স্থিতাবস্থার দিকে। আজ-কাল মানুষের মধ্যে একটা প্রাইম পার্ফেকশনের ব্যপার কাজ করে। চেহারায়, আকারে, ভঙ্গিতে, সবকিছুতেই। আমার মনে হয় অনন্য সাধারণ একটি প্রজাতি বিবর্তনের প্রায় শেষ ধাপে এসে পৌঁছেছে।
বিবর্তনের কথায় আরেকটা যে কথা মনে পড়লো, ইদানীং কালের মশাগুলো কিন্তু অন্যরকম হয়েছে। মশার বিবর্তন সবচে' দ্রুত হয়। যে কারণে সেটা সহজেই সবার চোখে পড়ে। আগে মশায় কামড়ে দেয়া জায়গাটা লাল হয়ে ফুলে থাকতো এবং অনেকক্ষণ পর্যন্ত ব্যথা করতো। এখনকার মশাগুলো পোকার মতো তীক্ষ্ণ কামড় দেয়। যেখানে হুল ফুটায় একদম জ্বলে ওঠে। কিন্তু জ্বলুনি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না। লাল দাগও পাই না তেমন একটা।

শাদা ময়লা রঙিলা পালে আউলা বাতাস খেলে

বিনোদন যে সবসময় সহজলভ্য নয়, তা যখন নিজেকে আয়নায় দেখি খুব টের পাই। বিনোদনের অভাবে এ শহরের ছেলে-শিশু-কিশোর বা অন্যরা সবাই কেমন নেতিয়ে পড়েছে। তাদের মাজায় জোর নেই। জিন্সের প্যন্ট মাজা বেয়ে নেমে আসতে চায়। একহাতে তাই টানতে টানতে ওরা পথ হাঁটে। ওদের অনিশ্চিত পথহাঁটা স্বউদ্যোগে আমার জন্য বেশ খানিকটা দুশ্চিন্তা বয়ে নিয়ে আসে। কারণ, আমি জানি বিনোদনশূন্যতা মানুষকে মাদক ও অবদমনের পথে ধাবিত করে। যা থেকে কোনো ফলপ্রসূ উৎপাদন সম্ভব নয়।

মানুষ মূলত প্রিয় মাটিরই তৈরী

বসার জায়গাটা থেকে ২০ বা ২৫ ডিগ্রি কোণে সামনে তাকালে এক চিলতে ছায়া রংএর কাঁচ এবং তারপরে দেখা যায় আকাশ। ওই আকাশটা আসলে কোনো বস্তু নয়, ওর কোনো আকার নেই; ও আমাদের কল্পনা। ওপর দিকে আসলে কিছু নেই শূন্যতা ছাড়া।
সেই শূন্যতাকে আঁধার করে নেমে আসছে গোধূলী। একটি সময় যখন অনেক কথা মনে পড়ে যায়। কথাগুলো সকালের ঘুম ভাঙা তাড়াহুড়োয় কিংবা দুপুরের নিরিবিলিতে মনে পড়ে না। সময় মানুষের চিন্তাশক্তি, বলা ভালো চিন্তার প্যাটার্নকে প্রভাবিত করে ভালোভাবেই।
ও কিন্তু আরো একটা দারুণ কাজ করে। সেটা হচ্ছে প্রলেপ দেয়া। গ্রামে মাটির ঘর লেপে দেয়ার একটা ব্যপার আছে। সময় মানুষের জীবনঘরটি নিয়মিত লেপে রাখে। সব ক্ষোভ, সব ক্ষত, পুঞ্জী পুঞ্জী হতাশা, ভুলে যেতে চাওয়া স্মৃতি কিংবা প্রিয়জনের কাছ থেকে পাওয়া সামান্যতম কষ্টগুলো সেই প্রলেপের নিচে চাপা পড়ে থাকে। এ থেকে আমি নিশ্চিত হই, মানুষ মূলত মাটিরই তৈরী।

আমাকে ছেড়ে যাওয়ার পর

মাঝে মাঝে গভীর ভাবের কথা ভাবতে হয়। কারণ আর কোনো কাজ থাকে না হাতে। বসার জায়গাটা থেকে ২০ বা ২৫ ডিগ্রি কোণে সামনে তাকালে এক চিলতে ছায়া রংএর কাঁচ ও তারপরে আকাশ দেখা যায়। সাদা-নীল আকাশটি অন্ধকার করে নেমে আসছে একটি গোধূলী। এটাকেই কি সন্ধ্যা বলা যায়? সময়টা কেমন মন উদাস করানো। এমন সময়ে অনেক কথা মনে পড়ে যায়। আমি নিশ্চিত সে কথাগুলো সকালের ঘুম ভাঙা তাড়াহুড়োয় কিংবা দুপুরের কাজের ফাঁকের নিরিবিলিতে মনে পড়ে না। আসলেই সময়গুলো মানুষের মনে কত শক্ত প্রভাব ফেলতে পারে।

গল্প: আমি তো দিয়েছিলাম তোমায় কৃষ্ণচূড়া ফুল

পথচলা মঙ্গলময় হোক।
-আচ্ছা হবে। তোমাদের স্থবিরতাও ফলপ্রসূ হোক। একেকজন সোলার প্যানেলের মতো আরাম সংগ্রহ করে করে নিজের ভেতর জমিয়ে রাখো।
শুধুই নিজের সুখের চিন্তা। আমার ভেতরে যে বেড-বাগ বাসা বুনেছে, সে খবর আছে?
-তাই নাকি? কই এখনো টের পাই নি তো। বলো নি কেন?
বলি নি, দেখতে চেয়েছি তুমি নিজে নিজে বোঝো কি না। তোমার সিংহাসনের কতটুকু যত্ন তুমি আসলে নাও, সেটা কি জানো?
-বেড বাগরাও আলাপ করতে আসে নি। ওদের তো যুদ্ধ'র প্রস্তুতি নিয়ে চলে আসার কথা।
তুমি ভালো বন্ধু নও বলে কি অন্যরাও তাই? আমরা সবসময় তবু যেন তোমার কোনো কষ্ট না হয় সে চেষ্টা করি। তাই বিবি'দের দেখা পাও নি।
-আচ্ছা তোমাদের তাহলে রোদে রেখে যাই। রাতে ওষুধ এনে লাগিয়ে দেবো, কি বলো?
না টানাটানির দরকার নেই। শুধু ওষুধটা মনে করে নিয়ে এসো। আর ভালো থেকো। যাও তোমার দেরী হচ্ছে।

সেই রঙিলাজনের জন্য

১.
সেদিন ক্যাপ্টেন ববি আর মেজর অনন্তের ঝগড়া হয়ে গেছে। সামনা-সামনি ক্রসফায়ারে দু'জনেই গুরুতর আহত হয়েছেন। অবশ্য যৎসামান্য ঘটনা থেকে এ গুলিকাণ্ডের উৎপত্তি। ছুটির দিন দুপুরে ক্যাপ্টেন বড় বড় গলদা চিংড়ির দোপেয়াজা রেধেঁছেন। ঝাল ঝাল করে। তাই খেতে খেতে মেজর বললেন, এরপরে ইয়েমেন।
সঙ্গে সঙ্গে প্রবল দ্বিমত আসলো ক্যাপ্টেনের দিক থেকে। মোটেও না, এরপরে সুদান। মেজর বললেন, আলী আব্দুল্লাহ সালেহ্ ৩২ বছর ধরে দেশটায় একনায়ক হয়ে আছেন। ক্যাপ্টেন প্রতিবাদ করলেন, তাতে কি? ওমর হাসান আল বশিরও ২১ বছর ধরে দেশটায় দুঃশাসন চালিয়ে যাচ্ছেন।

কবিতা: নমশূদ্রের প্রপঞ্চ

অনন্ত তুমি জানো
তোমাকে কতখানি ভালোবেসে পুড়ে গেছে এই অস্তিত্ব?
কতবার
খুলেছিলো দুই চোখ
এবং বন্ধ হয়ে গেছে।
কতবার
মুখোমুখি হয়ে যাবার
জন্য রাস্তায় রাস্তায় ঘুরেছি
ঘন্টার পর ঘন্টা।
কতবার
আমার প্লেলিস্টে চন্দনার সেই গান
রিপিট করেছে।
সে প্রতিটি বার আমাকে কুঠারাঘাত করেছে।
আমি কি ওক গাছ, বলো?
সে নিউরণগুলোকে নিয়ে
নাইলনের জালের মতো
কেটে বসেছে মগজে বার বার,
আমি কি প্যাসকেলের সেই বল, বলো?
পিরামিড কিছু বলে
শোনো আকাশটা সসীম নয়,
একদিন ভেঙ্গে যাবে আয়নাটা।
আসলেই জীবন কি থেমে থাকে না?
তাহলে ভীষণ কষ্ট হবে।
বাঁচবো কিভাবে?

মোজাইকের সাদা, কালো আর লাল পাথরগুলো

সেবার কোট ডি’ ভোয়ায় জঙ্গলের ওপর দিয়ে উড়ে যাবার সময়, এক যৎসামান্য ফাঁকা জায়গায় কোনো বলা-কওয়া ছাড়াই যখন আমাদের হেলিকপ্টার থামানো হলো, তখন বেশ খানিকটা অবাক হয়েছিলাম। অবশ্য আমাদের ক্যপ্টেন কারণটা সঙ্গে সঙ্গেই ব্যাখ্যা করলেন। অনাকাঙ্খিত এ বিরতির জন্য দুঃখ-টুঃখ প্রকাশ শেষে তিনি যে কৈফিয়ত দাখিল করলেন, তা মূলতঃ কারিগরী ত্রুটি সারানোর সঙ্গে সম্পৃক্ত। আমার মতো অজপাড়াগেঁয়ে মূর্খের সে কারণ বোধগম্য হলো না। শুধু বিলম্বটুকু মেনে নিলাম খুশিমনে। আফ্রিকার জঙ্গলেও কোনোদিন পর্দাপণের সুযোগ পাবো, এত অচিন্ত্যনীয়।

প্রিয় কাঠবিড়ালীরা হারিয়ে গেছে

এই বৃষ্টিভেজা রাতে তুমি নেই বলে/ সময় আমার কাটে না। আর্টসেলের অর্থহীন একটি গান। একই গানে বলা হয়েছে বৃষ্টিভেজা রাত ও বসন্তের সন্ধ্যার কথা। ধরে নিচ্ছি বসন্তের রাতে বৃষ্টি হয়েছে। তাহলে অবশ্য বেশ রোমান্টিক একটি আবহাওয়া তৈরী হয়। আমি সে আশায় এখনো শীতের কম্বল গুছিয়ে ফেলি নি। কোনো একদিন বৃষ্টি নামবে অঝোর ধারায়। তুমি আর আমি কম্বলের ভেতর থেকে কচ্ছপের মতো মাথা বের করে ইনটু দ্য ওয়াইল্ড দেখবো।
২১-এ ফেব্রুয়ারির বিকেলে চার ফোঁটা বৃষ্টি হয়েছিলো। ঠিক চার ফোঁটা না, মনে হয় চার কোটি আশি লাখ ফোঁটা। গড় হিসেবে আমার ভাগে যা পড়ার কথা কাকতলীয়ভাবে পড়েছেও তাই। কমও না, বেশিও না।
সেদিন বসে বসে মৌতাতের আরেঞ্জমেন্ট করছি, শুনলাম একটা ছেলে একটি মেয়েকে বলছে, এই সম্পর্কটা চুকলে তো ভালোই। জিমে গিয়ে ব্যায়াম শুরু কইরা দিমু।

আমার উপকূলে ভেঙ্গে পড়া ঢেউগুলো

আমাকে একটু বলবেন কেন আপনি যখন সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে নিজের জগতে ডুবে যান, তখন একটা সুখী প্রান্তর দেখতে পান না? যেখানে উঁচু-নিচু মসৃণ সবুজ ঘাসের জমিন আর ছোট ছোট নীল জলের দীঘি থাকে। থাকে ঝাউগাছের সারি। একটা গলফ্ স্টিক থাকে আপনার হাতে। থাকে একটা সাজানো বল। আপনাকে বলটা মারতে হবে। কেন পারেন না?
মস্তিষ্ককে আক্রান্ত করে রেখে যায় একটি কথা। মানুষের অন্তিম প্রাপ্তিটা কি? সেটা কি জীবনের শেষ মূহুর্তে পাওয়া যায়? মনে হয় না। একেবারে আক্ষরিক অর্থেই যাকে বলে শেষ মূহুর্ত, সেসময় ভালো কিছু দেয়া প্রকৃতির স্বভাববিরুদ্ধ। প্রকৃতি একটা ভালোকে সৃষ্টি করে অনেক পরিকল্পনা করে। যার জন্য সেই ভালোটি তৈরী, সে নিজে সেটা উপভোগ না করা পর্যন্ত তা মহাকালে মিলিয়ে যেতে পারে না।

র সবা

ছাত্র ইউনিয়নের বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভা চলছে মধুর গোলঘরে। ক্যম্পাসে ছাত্রলীগের শিবির পেটানো কর্মসূচির সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার ব্যপারে একটি সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। মিথুন সেদিন বাংলা বিভাগে গিয়ে কালা এনামুলদের সঙ্গে এক শিবির পিটিয়ে এসেছে। পিটিয়ে কলাভবনের দুইতলা থেকে স্লোগান দিতে দিতে নেমেছে, একটা-দুইটা শিবির ধড়, সকাল-বিকাল নাস্তা কর। জামাতি-শিবির-রাজাকার, এই মূহুর্তে বাংলা ছাড়।
ঘটনা রাফি, মাসুদ, অভিনু জানে। জানে অভিও। যে ছেলেটাকে পেটানো হয়েছে, ওকে পেটানোর পরিকল্পনা ছিলো মিথুনেরই। ওরা ছাত্র ইউনিয়নের ছেলে হলেও নিজেদের একটা হিটলিস্ট করেছে। সেই লিস্টে যারা যারা আছে তাদের সবাইকে ক্যম্পাস থেকে এই চান্সে পিটিয়ে বের করে দেয়া হবে। বাংলার ওসমানী মুহসীন হল শিবিরের এজিএস।

ভাষা আন্দোলনের বীর সৈনিক হালিমা খাতুনের প্রতি অসীম শ্রদ্ধা

মেট্টিকুলেশন পাশ করেছি সেই ১৯৪৭ সালে। সে সময় মেয়েদের জন্য কাজটা খুব সহজ ছিলো না। পড়া-শোনার অভ্যাসটা তৈরী হয়েছিলো তখনই। অনেক ধরনের বই পড়তাম। বিপ্লবী বই, সে আমলের লেখকদের বই; আরো অনেক কিছু। আজ তোমরা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা পড়ছো তার মৃত্যূর সত্তুর বছর পর। আমরা সুযোগ পেয়েছিলাম তার লেখা প্রকাশিত হবার সঙ্গে সঙ্গেই পড়ে ফেলার।

আরো আছে। সে আমলে পঞ্চপান্ডবের নাম শুনলে ঘাবড়ে যেতেন অনেক বাঘা বাঘা সাহিত্যিক। আমার কাছে প্রথাবিরোধী এই লেখক গোষ্ঠীকেও অনেক আকর্ষণীয় মনে হতো। আসলে সাহিত্যচর্চার কাজটি খুব সহজ নয়। আমি এখন পর্যন্ত শিশুদের জন্য ৫০টি বই লিখেছি। কিন্তু আজো নিজেকে লিখিয়ে বলে দাবী করার মতো স্পর্ধা আমার হয় নি। খুব গুরুত্বসহ নিজের লেখার যত্ন না নেয়া হলে সাহিত্যিক হওয়া সম্ভব নয়। আজ-কাল অনেকেই এ কাজকে পেশা হিসেবে নেবার সাহস দেখাচ্ছে। আমাদের সময়ে তেমনটি হবার জো ছিলো না।

গল্প: সেদিনও কিভাবে কিভাবে যেন ঠিকই

লিফটের ঝকঝকে কাঁচে নিজের চেহারাটা নিবিড়ভাবে একটু পর্যবেক্ষণ করে নিই। সঙ্গের মানুষগুলোকে খানিকটা উপেক্ষা করেই গালের মাঝ বরাবর উঁকি দিতে থাকা ব্রণটাকে একটু টিপে দেখি। নাহ্ এখনো শক্ত হয়ে আছে। কিছু বলা যাবে না। বললে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটে যাবে। অবশ্য আমি জানি, ব্রণগুলো ঠিক ইন্টারভিউএর দিন ছাড়া আর কোনোদিন ওঠে না। তাই এ নিয়ে আফসোস করে লাভ নেই। স্বাভাবিক প্রাকৃতিক নিয়ম হিসেবে মেনে নিয়ে অগ্রসর হতে হয়।
চুলগুলোও একটু দেখে দেখে ঠিক করে নিলাম। এরপরে হয়তো আর সে সুযোগ মিলবে না। এসব কর্পোরেট হাউজের ভাবগতিক সবসময়ই আমার কাছে বড় দুর্বোধ্য। হয়তো কোনো মিটিং রুমের মতো জায়গায় ঘন্টাখানেক সটান বসে থাকার পর ডাক আসবে জনাকয়েক লোকের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করার। আরেকবার চুল ঠিক করার সুযোগ না পাওয়াই স্বাভাবিক।