ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

অপেক্ষা

অ্যশ-ট্রে'টা এতো ভরে উঠেছে যে আর একটা ফিল্টারও ও'র ভেতর গুঁজে দেয়া যাচ্ছে না। এটা একদিনে হয় নি, দিনে দিনে হয়েছে। তিল তিল করে জমতে জমতে আজ ও উপচে পড়া শুরু করেছে। আমি তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছি।
হাঁড়কাপুনি শীত কয়টা দিন খুব কাবু করে রেখেছিলো। ব্লগ ছাড়া আর কোথাও যেন একবিন্দু উষ্ণতা নেই। আসলে এমন শীতের সঙ্গে পরিচয় নেই তো, যে কারণে প্রথম ধাক্কায় বলা যায়; সব্বাই বেশ কাবু হয়ে পড়েছিলাম।
আমি ১০-১২ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা সহ্য করে নিতে পারি। এই তাপমাত্রায় শীতের আমেজটা বেশ পাওয়া যায়। এ সময়ে পড়ার জন্য কালো জ্যকেট আমার খুব পছন্দ। ছেলেদের মনে হয় সবারই একটা কালো জ্যকেট থাকে। মেয়েদের যেমন সবারই একটা লাল শাড়ি।

গল্প: কার ছবি নেই

১.
বাংলাদেশ ব্যংক কলোনী হাই স্কুলটা আগ্রাবাদের ব্যংক কলোনীর ভেতরে অবস্থিত। জায়গাটা পনেরো-ষোলো বছর আগে যেরকম ছিলো, স্বাভাবিকভাবেই এখন আর সেরকম নাই। কলোনী-গেটের মুখে ইদানীং লাইব্রেরী'টা চোখে পড়লো। এইখান থেকে ১৩ টাকা দিয়ে চাচা চৌধুরী কেনা হতো। কমিকগুলোর নতুন পাতা ওল্টানোর অনুভূতিটা মনে পড়ে গেল। কখনো কখনো একটা কমিক কিনেই হাঁটতে হাঁটতে পড়ে ফেলা হতো। আবার কখনো 'পড়ে ফেললেই শেষ হয়ে যাবে' ভেবে ইচ্ছে করে দেরী করা হতো। অনেকদিন পর সায়ানের সে কথাগুলো মনে পড়ে গেল, তিতলিকে নিয়ে এখানে এসে।

শিশুকালের কথা ও কবিতা: একদিন আমি

কবিতা পোস্টানো অবশ্যই বিপদজনক একটা কাজ। তারপরও কবিতা পোস্ট করে যাচ্ছি। অপূর্ণতাকে ছাড়িয়ে যাবার নিরন্তর অপচেষ্টা চালানোর এই বিষয়টা আমার ভেতরে কিভাবে আসলো একটু ব্যাখ্যা করি, ছোটবেলায় মোগলি নামের একটা কার্টুন সিরিজ খুব প্রিয় ছিলো। সে সময় খুব মনে মনে চাইতাম একটা বুমেরাং পেতে। পরে টিনটিনেও অনেককে বুমেরাং মারতে দেখেছি। এ জীবনে বুমেরাং পাওয়ার শখ পূরণ হয় নি আজো। পূরণ হয় নি এরকম আরো অনেক শখ। তারপরও সময় থেমে থাকে নি। একবিন্দুও ছাড় দেয় নি কাউকে। হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করে ল্যন্ডস্কেপে আঁকা দূরের উইন্ডমিলটার মতো। সেখানে বোধহয় সময়ের এত টানাপোড়েন নেই। ছবির উইন্ডমিলটা সারাজীবন একরকমভাবে ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থাকে। আমি ওটাকে হিংসে করি। ভীষণ রকম।
আমার ভেতরে হিংসা প্রচুর। কেউ একটু ভালো লিখলেও আমার খুব হিংসে হয়। মনে হয়, আমি কেন পারি না? এই 'আমি কেন পারি না'ই তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে সারাজীবন ধরে।

গল্প: ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে, তোমার নাম ধরে কেউ ডাকে

ঢাকা ইউনিভার্সিটির সেন্ট্রাল লাইব্রেরী, দুইতলা। বেটি ফ্রাইডেনের দ্য ফেমিনিন মিসটিক বইটার মধ্যে নাক, চোখ, কান, মন সব ডুবিয়ে হারিয়ে গেছে তিতলি। মেয়েটার আর ক'দিন পরে সিক্সথ্ সিমেস্টার ফাইনাল। পড়াশোনার ভীষণ চাপ, দেখলেই বোঝা যায়। ওকে একটু দুর থেকে দেখতে দারুণ লাগছে! চেয়ারের ওপর দুই পা তুলে আশপাশের, টেবিল, মোটা ডিকশনারি, জানালার কাঁচ, বাইরের কুয়াশা, পুরো পরিবেশটাকে কেমন জমিয়ে নিয়ে বসে পড়ছে মেয়েটা।
সায়ানের ইচ্ছে করলো, পেছন থেকে গিয়ে ওর দুই গালে নিজের দু'হাতের চারটা-চারটা ঠান্ডা আঙ্গুল ছোঁয়াতে। তবে লাইব্রেরীর মধ্যে এই কাজটা করা ঠিক হবে না। আশপাশের পন্ডিতেরা বিরক্ত হতে পারে। যদিও পন্ডিতদের বিরক্তি ধর্তব্যের মধ্যে পড়ে না, তবুও একটু টেকনিক্যল সমস্যা আছে বলে চাইলেই আদর করে ওর গালে হাত ছোঁয়ানো যাচ্ছে না। কয়দিন ধরে মেয়েটা ভেতরে ভেতরে কেমন একটা রাগ পুষে রেখেছে এবং সেটা বোঝা যাচ্ছে। আগে সেই রাগটা ভাঙানো দরকার।

গল্প: ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে, তোমার নাম ধরে কেউ ডাকে

ঢাকা ইউনিভার্সিটির সেন্ট্রাল লাইব্রেরী, দুইতলা। বেটি ফ্রাইডেনের দ্য ফেমিনিন মিসটিক বইটার মধ্যে নাক, চোখ, কান, মন সব ডুবিয়ে হারিয়ে গেছে তিতলি। মেয়েটার আর ক'দিন পরে সিক্সথ্ সিমেস্টার ফাইনাল। পড়াশোনার ভীষণ চাপ, দেখলেই বোঝা যায়। ওকে একটু দুর থেকে দেখতে দারুণ লাগছে! চেয়ারের ওপর দুই পা তুলে আশপাশের, টেবিল, মোটা ডিকশনারি, জানালার কাঁচ, বাইরের কুয়াশা, পুরো পরিবেশটাকে কেমন জমিয়ে নিয়ে বসে পড়ছে মেয়েটা।

গল্প: ইচ্ছেপূরণ

মজার বিষয় হচ্ছে, আমি সবসময় স্বপ্ন দেখেছি, বিদেশে গিয়ে পড়া-শুনা বা দোকানের কাজ বা অন্য যেকোন কিছু করে দেখতে হবে, দেশের বাইরে জীবনটা কেমন; কিন্তু কপালে কখনোই সে সুযোগ জুটলো না।

অথচ তুমি সবসময় চাইতে রুটে ফিরে যেতে, সুযোগ হলে গ্রামে একটা স্থায়ী জীবন গড়ে নিতে, সেই তুমি কি না চলে গেলে সুদূর বিদেশে। আর আমি আটকে থাকলাম আমাদের এই দুইরুমের ফ্ল্যটে। স্বপ্নের এই বাসাটায়।

পৃথিবীটা যে খুবই আজব একটা জায়গা সে কথা কে না জানে? তাও আমি দেখি, ওস্তাদ সবসময় এটা আমাকে জানানোর নানান তরিকা খুঁজে খুঁজে বের করার পেছনে একটা ভালো রকম সময় খাটান।

যে কারণে ছোটকাল থেকে এরকম নানাবিধ ঘটনার মধ্য দিয়ে আমি বার বার জেনেছি, এই পৃথিবী এক আজব জায়গা। বা বলা যায়, আসলে আমাদের নিয়তিই হচ্ছে এমন অবিশ্বাস্য একটা জায়গায় জীবন কাটানো।

রম্যকবিতা: ওকে মিসেস চার্মিং লেডী, ওকে

এবি'তে কবিতা জাতীয় লেখা পোস্ট করাটা কিছুটা বিপদের বটে। যেমন এই পোস্টটাই, লেখার পর প্রিভিউ দিয়ে দেখি মাথা থেকে হাঁটু পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে, খালি দুই পায়ের পাতা ঢেকে আছে। এ বিষয়ে আগেও আলোচনা হয়েছে। এখানে জুড়ে দিলাম টেকনিক্যল কারণে। Big smile
---
সুন্দরী নিজেকে তুমি যতই কালো ভাবো
তোমার চেয়ে বেশি সুন্দর
কাউকে কি আর পাবো?

যাক সে কথা,
শুনি কি খবর তোমার
দিন-কাল যাচ্ছে কেমন
কাটছে কেমন তার?
---
আরে তুমি, বিষয়টা কি এতগুলা দিন পর
কোথা থেকে উদয় হলে
ওহে পিশাচ নর।

চলে তো খুবই গিয়েছিলে
লাগবে না আর বলে
এখন হঠাৎ কেমন করে
আমায় ফোন দিলে?
---
উরিব্বাবা, বিষম তোমার রাগ
এর কাছেতেই হার মেনেছে
আমার অনুরাগ।

বললাম না, যাক সে কথা
ওতে কি লাভ বলো?
আমিও আছি, তুমিও আছ
জীবনটাতো গেল।
---
এই কথাটা ঠিক
আছি কিন্তু বেঁচেই দু'জন
যাই নি মোটেও মরে।

তোমার সঙ্গে হয়তো কখনো

পাখি উড়ে উড়ে উড়ে যায় কোথায়

কংক্রীটের পোড়ামুখো জীবন চলছে নিজের গতিতে। আমি পাশ ফিরে শুই, খাট ককিয়ে ওঠে। আমার চোখে ঘুম ছিলো না। শরীরে ক্লান্তি ছিলো। সেটা মনের ওপরেও প্রভাব খাটাচ্ছিলো, অনেকক্ষণ ধরে। বড় নিরাশা করে পাশ ফিরেছিলাম কি না কে জানে। চাপা একটা নিঃশ্বাসকে দেখলাম সন্তপর্ণে দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে বের হয়ে যেতে।

একটা মহল্লার কুকুর অযথাই অনেকক্ষণ ধরে নিস্তব্ধতা চিড়ে ঘেউ ঘেউ করে যাচ্ছে। এই শহর সারাদিনে আমার নাক দিয়ে, মুখ দিয়ে বিষ ঢুকিয়েছে শরীরের ভেতর। আমার শ্বাসনালী জ্বলে যায়, ও তাও আমার ভেতর বিষ ঢালতেই থাকে। আহারে জীবন, তুমি বড় অদ্ভুত।

পাখি উড়ে উড়ে উড়ে যায় কোথায়

কংক্রীটের পোড়ামুখো জীবন চলছে নিজের গতিতে। আমি পাশ ফিরে শুই, খাট ককিয়ে ওঠে। আমার চোখে ঘুম ছিলো না। শরীরে ক্লান্তি ছিলো। সেটা মনের ওপরেও প্রভাব খাটাচ্ছিলো, অনেকক্ষণ ধরে। বড় নিরাশা করে পাশ ফিরেছিলাম কি না কে জানে। চাপা একটা নিশ্বাসকে দেখলাম সন্তপর্ণে দরজাটা ভেজিয়ে দিয়ে বের হয়ে যেতে।
একটা মহল্লার কুকুর অযথাই অনেকক্ষণ ধরে নিস্তব্ধতা চিড়ে ঘেউ ঘেউ করে যাচ্ছে। এই শহর সারাদিনে আমার নাক দিয়ে, মুখ দিয়ে বিষ ঢুকিয়েছে শরীরের ভেতর। আমার শ্বাসনালী জ্বলে যায়, তাও ও বিষ ঢোকাতেই থাকে। আহ্ প্রেমিকা, তুমি বড় অদ্ভুত।

অ্যওয়ার্ড গিভিং সেরিমনি ২০১০

একটা পুরানো পেচ্ছাপেছির গল্প বলি, মেসবাহ ভাই একবার রায়হান ভাইকে হালকা চাপ দেয়ার উদ্দেশ্যে বললো

অতীব শ্রদ্ধেয় রায়হান ভাই খালী নিজেরে বুইড়া মনে করে...

ভাই এর জবাবে যে কমেন্ট করলো সেটা ছিলো অদ্ভুত। কমেন্টে একাধিক লাইক দিয়ে কে কয়টা দিলো সেটা দেখানোর ব্যবস্থা নাই। আমি সেই কমেন্টটায় অসংখ্য লাইক দিতে চাই। আর পেচ্ছাপেছিটাতো ছিলো অতি অদ্ভুত।

সকলের অবগতির জন্য বলে রাখি, দুলাভাই (শুধু আমার না সোহেল কাজীরও দুলাভাই) মানে মেসবাহ য়াযাদ এখনও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় জড়িত থাকলেও বয়েস কিন্তু কম না উনার। প্রোফাইলের ছবি দেখে কেউ বিভ্রান্ত হইবেন্না, উহা ভাগিনা আই মিন তাহার ছেলের ফটুক। Wink

সম্প্রতি এবির পিকনিকের চমৎকার ছবিগুলো দেখে আমার মনে হয়েছে, সাঈদ ভাইএর জীবনের দারুণ একটা সময় চলছে। তার দ্রুত বিয়ে করে বউ নিয়ে এনজয় শুরু করে দেয়া উচিত।

অপনষ্টক

১.
বড় কষ্টে গড়া এ মহাসংসারও একদিন নুয়ে পড়বে
আর আমি তো কোন নশ্বর।

২.
আমাদের মসজিদের ইমামটা বোধহয় মারা যাবে
ওর ফজরের আযান দিতে খুব কষ্ট হয়
আমি ওর কথা ভাবি,
আচ্ছা কিসের ভরসায় ও সারাটাজীবন কাটিয়ে দিলো
একদিনও আযান মিস না করে?

৩.
বুজে যাওয়া চোখ মেলে দেখি
আলো এসে গেছে।
তাহলে?
এখন আরো একটা দিন
আমার সামনে।

৪.
হাতুড়ি দিয়ে দেয়ালে পেরেক ঠুকতে খুব মজা,
আমার একদিন কন্ঠনালীতে পেরেক ঠুকে
আজীবনের নেশা মেটাতে ইচ্ছে হয়।

৫.
প্রিয় বিছানা আমার
তোমার প্রতিটি ক্যাঁচ-ক্যাঁচ
আমাকে তোমায় উপলব্ধি করতে
সাহায্য করে, জেনে রেখো।

৬.
কয়েকটা ছোট ছোট বৃষ্টির ফোঁটা কার্ণিশ বেয়ে
পলিথিনের ওপর পড়ে সুরের জাল বুনে ফেলতে পারে।
আমার শরীরটা এত অকাট যে বৃষ্টির ফোঁটারা

কারণ

ফার্স্টে একটা কুইজ। কেন মহিলাদেরকে অসহ্য বলে ঘোষণা দেয়া হবে না?

এক আড্ডায় যাথারীতি মেসবাহ ভাই মেজবান। বিমা হাপাইতে হাপাইতে যোগ দিছে। মেসবাহ ভাই জিগান, কিরে বিমা কী হইছে তোর হাপাস ক্যান?

পোস্টটা খুলতে নিশ্চিতভাবেই ভীষণ বেগ পেতে হবে

ছবি তোলা, ছবি ঘাঁটাঘাটি করা এসব শখের বশে করি। শুনেছিলাম শখের তোলা নাকি লাখ টাকা। যেহেতু সাঈদ ভাই'র দেয়া মধ্যবিত্তের সংজ্ঞায় পড়ি না (গাড়ি-ফ্ল্যাট নাই, রিসোর্টে বেড়াতেও যাই না), তাই আমার শখের মূল্য নিতান্ত দুই-চার-পাশশো টাকার বেশি হবে না। তাই বলে ছবি নিয়ে ঘাটবো না? মোটেও মানি না।
খুঁজে পেতে বড় সাইজের ছবি জোগাড় করেছি। যাতে পোস্ট লোড হইতে বেশি বেশি সময় লাগে। কারণ একটাই, সবাইকে আমার বাসায় একটু বেশিক্ষণ আটকে রাখা। Big smile

০১. পেছনে আগ্নেয়গিরি, ছুটছে মানুষ বাঁচার আশায়।

01.jpg

০২. F1 in F1

03.jpg

০৩. নৌ-বহর, কোন দেশের জানি না। মনে পড়ে গেলো, ছোটবেলায় মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার বিয়াপুক খায়েশ ছিলো।

04_0.jpg

০৪. হু হু বাবা, পারবেন ওর মতো? Tongue

এই পোস্টটা খুলতে নিশ্চিতভাবেই সবাইকে ভীষণ বেগ পেতে হবে

ছবি তোলা, ছবি ঘাঁটাঘাটি করা এসব শখের বশে করি। শুনেছিলাম শখের তোলা নাকি লাখ টাকা। যেহেতু সাঈদ ভাই'র দেয়া মধ্যবিত্তের সংজ্ঞায় পড়ি না (কারণ আমার গাড়ি-ফ্ল্যাট নাই, রিসোর্টে বেড়াতেও যাই না), তাই আমার শখের মূল্য নিতান্ত দুই-চার-পাশশো টাকার বেশি হবে না। তাই বলে ছবি নিয়ে ঘাটবো না? ঘাটবো তো বটেই। একটু বড় বড় সাইজের ছবি জোগাড় করেছি। যাতে পোস্ট লোড হইতে খানিকটা সময় বেশি লাগে। এর কারণ অতিথিকে নিজের বাসায় একটু বেশিক্ষণ আটকে রাখা। Big smile

০১. পেছনে আগ্নেয়গিরি, ছুটছে মানুষ বাঁচার আশায়।

01.jpg

০২. F1 in F1

03.jpg

গল্প: লিহীন

রওশনের মতো বুনো আর হিংস্র মনের ছেলে এ পৃথিবীতে অনেক কম জন্মেছে। যারা জন্মেছে তাদের বেঁচে থাকা সবসময়ই মানুষকে কষ্ট দিয়েছে, কলুষিত করেছে এবং সবশেষে মানুষ বাধ্য হয়েছে তাদের প্রতি নিষ্ঠুর হতে। এদেরকে মানুষের জন্য দুর্ভাগ্যের নিমিত্ত হয়ে পৃথিবীতে আসা একধরনের প্রাণী হয়তো বলা যায় কিন্তু মানুষ বলা যায় না। প্রকৃতি নিজের কোনো এক অদ্ভুত খেয়ালেই এদেরকে মানুষ বানিয়ে পাঠায় না।

চট্টগ্রাম শহরে সিডিএ বলে একটা এলাকা আছে। সেটার ১২ নম্বর রোডের একদম শেষ মাথায় রওশনদের বাড়ি। জায়গাটা খুব ঘিঞ্জিমতো, যেখানে ওদের বাড়ির পাশ দিয়েই চলে গেছে শহরের বড় বড় স্যূয়ারেজ ড্রেনগুলোর একটি। সেটাকে ওরা বড় নালা বলে।