ইউজার লগইন

মীর'এর ব্লগ

একরত্তি ছেলেটার জন্য মন খারাপ

২৩ বছরের আলেক্জান্ডার সুপারট্রাম্পের জন্য মনটা খারাপ লাগছে। অসাধারণ একটা ছেলে ছিলো। গ্রাজুয়েশন শেষ করে বেরিয়ে পড়েছিলো পৃথিবীর পথে। নিজের উপার্জিত প্রায় ২৪ হাজার ইউএস ডলার দান করে দিয়েছিলো অক্সফামে।
সেই ছেলেটাকে পছন্দ হয়ে গিয়েছিলো। মুভিটা (ইনটু দ্য ওয়াইল্ড) অনেকে হয়তো বান্ধবীকে নিয়ে কম্বলের নিচে শুয়ে শুয়ে দেখতে খুব একটা পছন্দ করবে না। কিন্তু আমি নিশ্চিত, বন্ধু-বান্ধব নিয়ে একটা সেইরকম পরিবেশে এই মুভিটা শেষ করে বেশ কিছুক্ষণ হতবাক হয়ে বসে থাকা যায়। এ প্রসঙ্গে নাম নাই'কে কি একটা ধন্যবাদ দেবো? কেননা দুই ঘন্টা ২৮ মিনিটের মুভিটা একবার অর্ধেক দেখে, কেন যেন রেখে দিয়েছিলাম। অন্যান্য মুভি দেখছিলাম, কিন্তু ওটা শেষ করছিলাম না। সে একদিন তাগাদা দিলো!

বৃষ্টিকথা

মনস্তত্ত্ব নিয়ে আমার পড়াশোনা খুবই সীমিত। কিন্তু তা বলে আগ্রহ সীমিত এমন ভাবা যাবে না। বরং মনস্তত্ত্ব বুঝতে চেষ্টা করাটা আমার একটা শখ বলা যেতে পারে। মানুষের মধ্যে বিভিন্ন রকম মজার বিষয় আছে। লেখক হুমায়ুন আহমেদ নেত্রকোণার কুতুবপুর গ্রামে তার বাবার বাড়িতে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন। শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠ। কি মনে হলো, একদিন তিনি ঘুরে দেখতে গেলেন সেই স্কুল। সঙ্গে নিয়ে গেলেন কিছু চাবি।
সেসব চাবি দিয়ে তাঁর দরজা খুলে দেয়ার ইচ্ছে ছিলো। শিশুদের জন্য সৌভাগ্যের দরজা। তিনি শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত কিছু কর্তাব্যক্তিকে নিয়ে গিয়েছিলেন। তাকে সেখানে দেখলাম সবসময় বেশ ব্যস্ত। মাইকে একটা কথাও বলার শুরুতে ‘অ্যাই শোনো আমি কিন্তু আজ কথা বলতে আসি নি’ বলে শুরু করছেন। অ্যাই শব্দ দিয়ে একটি জনগোষ্ঠীকে তিনি সম্বোধন করছেন। তারা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।

গল্প: পানকৌড়ি বা ঘাসফড়িঙ না দেখেই কেটে গেছে প্রায় ছয়টি বছর

খেলার কাজটি ভালো পারতাম জন্মের পর থেকেই। আব্বু-আম্মু কিংবা আর সবার কোলে কত যে খেলেছি, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। তখন সবাই কোলে নিয়ে আমার খেলা দেখতেও মজা পেতো। আমিও সবার কোলে উঠে অনেক মজা পেতাম। এর কিছুকাল পর যখন একটু দৌড়াতে শিখেছি তখন জীবনের প্রথম সত্যিকারের খেলার সরঞ্জাম উপহার পেলাম। সে সময় স্কুলে যাওয়ার কোনো বালাই ছিলো না বলে দৌড়-ঝাপেরও কোনো সীমা-পরিসীমা ছিলো না। দিনের যখন খুশি, যেখানে খুশি শুরু হয়ে যেতাম। শুধু আম্মুজানের চোখের আড়াল হওয়ার পারমিশনটুকু ছিলো না। তাতে কোনো অসুবিধা হতো না। বাবা’র সরকারী চাকুরীর সুবাদের প্রাপ্ত বিশাল বাড়িটিতে অনেকখানি জায়গা জুড়ে ছিলো হাত-পা দুইদিকে যতদূর যায় ততদূর ছড়িয়ে দৌড়ানোর সুযোগ। আজ-কালকার ঈশ্বরের আশীর্বাদেরা সে সুযোগ কতটুকু পায়, জানি না।

ক্রী একবার তার এক বন্ধুকে এনে বসিয়েছিলো ঝাকড়া লেবু গাছটাতে


হাউজ অভ ফ্লাইং ড্যাগার্স দেখতে সাজেস্ট করার জন্য বাফড়া বস্'কে মাইকে ধন্যবাদ। বর্ণ আল্টিমেটামের অনেকদিন পর একটা এ্যকশন মুভি দেখে ভালো লাগলো। অবশ্য ভালো হলিউডি এ্যকশন এখনো চোখে পড়ে নাই। ইদানীং মুভির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দৃশ্যগুলোর মেকিং খুব খেয়াল করে দেখার চেষ্টা করি। এইটার লাস্ট সীনে ময়নাপাখি নায়িকাটির জন্য খুব খারাপ লেগেছে। তবে পুরা সিনেমাটা সর্বোচ্চ জোস্। জ্যাকি চ্যান-জেট লী'র ফরবিডেন কিংডমের চেয়েও ভালো।

ভয়ংকর চাপ অনুভব করছি। এটা রক্তে হতে পারে। মজ্জায় বা নিউরণে হতে পারে। হাত কিংবা পায়ের নখেও হতে পারে। ঠিক ধরতে পারছি না কোথায়। কিন্তু অনুভব করছি। প্রেশার রিলিজ বাটন না টেপা পর্যন্ত এটা চলতে থাকবে। খুঁজে পাচ্ছি না বাটনটা কোথায়।

আদ্যিকালে দেখা একটা স্বপ্নে আমি বিমান চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছিলাম। সেটা যদি স্বপ্ন না হতো, তাহলে ভালো হতো। অন্তত নতুন একটা কাজ শেখা হতো। পুরোনো কাজগুলোকে পুরোনো ছালের মতো লাগছে।

ক্রী পাখিটা ঘুরে বেড়ায় প্রিয় পোস্টের আলমিরায়


লস্ট ইন ট্রান্সলেশন দেখে মাথা ফুলস্পীডে ঘুরতেসে। আহা আমারও তো কত রাত ঘুম আসে না। কিন্তু তাতে কি আর স্কারলেট জোহানসন মেলে? মুভির শুরুতে যখন কুশীলবদের নাম দেখায়, সেই সীনটা দূর্দান্ত। একটি মেয়ে পাশ ফিরে শুয়ে আছে। পরনের হালকা মিষ্টি কালারের প্যান্ট আর পেছনের দেয়াল একই রঙএর। তারচে' একটু ব্রাইট মেয়েটির গাএর রঙ। অসাধারণ কম্বিনেশন! আর মুভির কাহিনী, কিছুই বললাম না। লাইফের এই দূর্দান্ত এ্যঙ্গেলটা কয়জন মানুষ দেখতে পায়?

নদীর বুকে বৃষ্টি ঝরে পাহাড় তারে সয় না

আজকাল খারাপভাবে টিকে থাকাই মনে হয় জীবন। ভালো থাকা কি সম্ভব? আর কখনো? আমি মাঝে মাঝে বিষয়টা ভাবি। আমার ভেতরে বেঁচে থাকার একটা প্রবল তৃষ্ণা সবসময় কাজ করে। যে কারণে কথাটা ভাবতে হয়।
সেদিন দেখলাম এক বন্ধু ইমেইল ঠিকানা লিখেছে নোহয়্যার অ্যাট গার্ল। নোহয়্যার? কোথাও না। আমার মনে পড়ে গেল নোহয়্যার ইন আফ্রিকা'র কথা। সিনেমাটায় ওবুয়া চরিত্রটা ছাড়া আরেকটি চরিত্র মনে নাড়া দিয়ে গিয়েছিলো। ছোট্ট মেয়েটি- আদর করে যার বাবা ওকে 'ছোট্ট পরী' ডাকতো। সে যখন প্রথমবার জামার্নি থেকে সুদূর কেনিয়ায় বাবার খামারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়, তার মা মাত্র একবার তাকে সাহসী হতে বলে দিয়েছিলো। আমি পুরো সিনেমায় মেয়েটিকে সাহসীই পেয়েছি।

গল্প: মাঝে মাঝে মানুষের অক্ষমতা পুষিয়ে দিই নীরবে


চার ক্যান ডেডিকেটেডলী ব্রু'ড ব্যরন্স সদ্ব্যবহার করার পরও সেদিন রাতে শরীরটা ম্যাজম্যাজ করছিলো। তাই চুলগুলো একটু টানিয়ে নেবার বাসনায় মহল্লার ছেলেটার ডেরায় গিয়ে উঠলাম। এত রাতে ওর খদ্দের খুব বেশি ছিলো না। সে পাকা হাতে পানি মেখে, নিপুণ কারিগরের মতো আমার চুল টেনে দিল। আরামে চোখ মুদে আসছিলো। আয়নায় দেখছিলাম চোখের কোণে লাল একটা আভা তৈরী হচ্ছে। নিজেকে ডিমওয়ালা মাছের মতো লাগছিলো। যে মাছ গভীর পানিতে থাকে। জেলেদের জালে বন্দী হওয়ার দুশ্চিন্তা যাকে ছুঁতে পারে না। অনাগত দিনের কোনো এক অদৃশ্য সুখের স্বপ্ন আমার নিমিলীত চোখে ঝিলিক দিচ্ছিলো। এই বিন্দাস মনোভাবের উৎপত্তি কোথায় ঠিক ধরতে পারছিলাম না। তবে কি ইলোরা ভাবী?

ইচ্ছে করে একটা বন্দুক নিয়ে বেরিয়ে পড়তে

এই পোস্টটার কোনো ট্যাগ নেই। মনোভাব নামে কোনো ট্যাগ থাকলে, সেটা ব্যবহার করতাম। চলমান বিভিন্ন ঘটনা দেখে আমার এক প্রকার মনোভাব তৈরী হয়েছে। সেটা প্রকাশের জন্য এই পোস্ট।

স্মৃতি থেকে হারিয়ে গিয়েছি নিয়ম মেনেই

আমার প্রিয় সবকিছুর তালিকাই অনেক লম্বা। আমার যে অল্পতে মুগ্ধ হবার সমস্যা আছে, তা আগেও বোধহয় বলেছি। প্রিয় গান-এর তালিকা বানিয়ে ফেলা আসলে সম্ভব নয় কখনোই। কেননা প্রতিনিয়ত নতুন গান যেমন প্রিয়তে যায়, তেমনি পুরোনোরাও জমে থাকে কোনো অচেনা কুঠুরীতে। হারায় না। অনেকদিন পর হয়তো জলের অতল থেকে বুদবুদের মতো উঠে আসে দু’একটা প্রিয় গান।

গল্প: রাতজাগা তারারা দেখে নি দিনের আলোয় পাখির উড়ে যাওয়া

মুনিয়া পাখিটা তার নরম তুলতুলে শরীর নিয়ে আমার হাতে উঠে আসছিলো। সেটার টুকটুকে ছোট্ট পা, নখের মিষ্টি খোঁচা- আমাকে আনন্দময় সুড়সুড়ির অনুভূতি দিচ্ছিলো। নির্নিমেষ চোখে দেখছিলাম, পাখিটাকে আমি চিনি। এটা প্রিয়’দের বাসা থেকে এসেছে। ওর সবচে’ ছোট্ট বোনটা মুনিয়া পাখি পুষে। আমি গেলেই সে পাখিগুলোর খাঁচার কাছে আমাকে নিয়ে যায়। আমি পাখিগুলোকে নিজ হাতে দানা খাওয়াই। পাখিরা যখন হাতের তালু খুটে খুটে দানা খায়, তখন আমার খুব ভালো লাগে। কিন্তু অবুঝ পাখিটার তো তা বোঝার কথা নয়। তাহলে সেটা পথ চিনে চিনে আমার বাসায় উড়ে এসেছে কিসের টানে?

গল্প: বাক্সবহির্ভূত পুতুল

ইংলিশ রাজ্যের ফুটপাথে কেউ গ্লাভস্ না খুললে তার সঙ্গে হ্যন্ডশেক করা হয় না। আমেরিকার পথেও একজন ভদ্রলোক কখনোই গ্লাভস্ না খুলে কোনো সুন্দরীর সঙ্গে হ্যন্ডশেক করে না। তবে দু'দেশেই অপেরা কিংবা উচ্চমার্গীয় পার্টি কিংবা বিয়ের অনুষ্ঠানগুলোয় গ্লাভস্ না খুলেই অনেকে কাজ চালিয়ে দেয়। এটা হচ্ছে ডিমান্ড অভ সিচুয়েশন। মানবসমাজে প্রচলিত এই হ্যন্ডশেকের রীতিটা আমার কাছে বেশ উপাদেয় ও স্বাস্থ্যকর মনে হয়। এতে মানুষে মানুষে ঘনিষ্ঠ যোগসাজশ ঘটে। কেননা দু'জন মানুষের মধ্যে স্পর্শ বিনিময়ের মাধ্যমে স্বাভাবিকভাবেই রক্তে-মাংসে একটা সুক্ষ্ণ দ্যোতনা সৃষ্টি হয়, যা মানুষকে সামান্য হলেও প্রভাবিত করে।

আমি নিজে অনেক বড় বড় বিপদ থেকে উদ্ধার পেয়েছি হ্যন্ডশেকের কল্যাণে। আবার মজার অনেক ঘটনাও আছে হ্যন্ডশেক নিয়ে। দুনিয়ায় কখনো কখনো চূড়ান্ত আনপ্রেডিক্টেবল এবং আউট অভ বক্স প্রকৃতির মানুষের দেখা পাওয়া যায়। নিয়া ছিলো তেমনই একজন মানুষ। ওর সঙ্গে চমৎকার একটা সম্পর্ক হয়তো হতোই না, যদি প্রথমদিন হ্যন্ডশেক নিয়ে একটা গণ্ডগোল আমাদের মধ্যে না হতো।

আমার সোনালী হলুদ সূর্য ডোবার কিনারায়

মাঝে মাঝে সিরিয়াস রকম উইয়ার্ড (weird) অবস্থা তৈরী হয়। ভদ্রলোকী-অভদ্রলোকী কোনো কাজ করেই মন ওঠে না। এমন হলে খুব নাজুক পরিস্থিতিতে পড়ে যাই। কেননা আমার দু'টো মুখোশ আছে। দু'টোই যখন আমাকে আড়াল করতে ব্যর্থ হয় তখন ভেতরে ভেতরে অস্থির না হয়ে পারি না। অস্থিরতা কমাতে বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে গেলাম সেদিন। 'না না আজকে আমি জামাইএর সঙ্গে বাইরে যাবো। তুমি চলে যাও।' দ্রুত স্থানত্যাগ করলাম।
সে সময় কেন জানি মাথার ভেতর তিন পাগলের হলো মেলা গানটি বাজছিলো। লালন সাঁইএর তিন গুরু- শ্রীচৈতন্যদেব, শ্রী নিত্যানন্দ ও অদ্বৈত আচার্য। পনেরো শতকে জন্ম নেয়া তিন বাউন্ডুলে। আবার তিন বৃহত্তম মানবপ্রেমিক। আমার পরিচিত আরো দুই মানবপ্রেমিক হচ্ছেন, স্বামী বিবেকানন্দ ও তাঁর গুরু শ্রীরামকৃষ্ণ। এরা আবার উনিশ শতকের মানুষ। মনে পড়ে গেল একটি গল্প।

কাউকে আশার আলো দেখা শেখাতে হবে না

ব্লগে লিংক দিয়ে ঢোকা যাচ্ছিলো না। ভয়ংকর এক সাইটে চলে যাচ্ছিলাম বার বার। আশার আলো। মানুষকে যে আশার আলো দেখাতে হচ্ছে, মানুষ যে নিজে নিজে দেখতে পাচ্ছে না; এটাই একটা ভয়ংকর ব্যপার।
তবে এনজিও'গুলোকে আমি সমর্থন করি। পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ এককভাবে বড় কিছু করতে পারে না। সবারই হয়তো আলাদা আলাদা ক্ষমতা থাকে, কেননা মানুষের ক্ষমতা অসীম। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে সে ক্ষমতা অব্যবহৃত পড়ে থাকে।
ছোটবেলায় একটি নীতিকাহিনী পড়েছিলাম। দশের লাঠি একের বোঝা। গল্পটা পড়ার পর থেকে আমি একটা আশা নিয়ে বেঁচে আছি। একদিন হয়তো পৃথিবীর কাউকে আশার আলো দেখাতে হবে না। সবাই নিজে নিজেই সেটা পারবে।

জলভেজা পাহাড়ে উদাসী মেঘের ভেলা

পিরীতে সাজায়েছি রো বাসরের বাঁশি
সুরে সুরে সুরোমালা ভেতরে ফাঁকি

কবিতা: প্রার্থনা তোমার হারিয়ে যায় অন্ধকারে

সে যাই হোক, এখনকার সিচুয়েশন ডিমান্ড করতেসে, ঘাসফুলটার ভেতর থেকে একটা ভয়াল অজগর সাপ বেরিয়ে আসুক। ওটার চাপায় গেঁথে থাকা ধারালো দাঁত দু'টোও বের হয়ে আসুক। এসে গ্রাস করে নিক তার নিজের লেজটাকেই। কিন্তু তেমনটি ঘটছে না। এই না ঘটাটা শুভলক্ষণ নয়।
রঞ্জন সেদিন সন্ধ্যায় গার্মেন্টসের ভেতরেই আল্পনাকে জাপটে ধরেছিলো। তাদের দু'জনের শরীরে বা মনে কোথাও মাধুর্য নেই। ওদের জাপটা-জাপটিতেও ছিলো না। দেহভরা কাম হঠাৎ কুল-কিনারা ভাসিয়ে বইতে শুরু করেছিলো। কেউ দেখে নি।
হরতালে প্রথম নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটলো তিন বছরের মাথায়। উত্তালতাও ইদানীং নতুন মাত্রা পেয়েছে। একদল লোক হিংস্র পশুর মতো রামদা' আর লাঠি হাতে রাস্তায় নামে লুটপাট করতে। কুপিয়ে মানুষ মারতে। আরেকদল নামে বন্দুক হাতে। তাদের পরনে থাকে উর্দি। কিন্তু মননে থাকে জিঘাংসা। কোনো পিকেটিং হয় না। তবু পুলিশের গুলিতে সেই পশুদের একজন মারা যায়। মরেই শহীদ বনে যায়।