অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৯ জন অতিথি অনলাইন

তবুও ফিরে আসুক

(১)
তবুও ফিরে আসুক

সবুজ, মাটি ফাটল ধরলো হঠাৎ,
আর তুমি উঠে আসলে অবলীলায়।

কী ছিলনা না তোমার,
মাটি ছিল, পতাকা ছিল
অদৃষ্ট দেখার মোটা ফ্রেমের
একজোড়া স্বচ্ছ কাঁচ ছিল,
আর, ছিলাম আমরা।
ছিল এত,
তারপরও তোমাকে লুকাতে হয়েছিল, এ’ কটি বছর,
দিন ও রাতের খেলায তুমি নিশ্চিত পলাতক ছিলে।এবং
তুমি দেখলে না
লাল বৃত্ত আরও গাঢ় হয়েছে এ’ কদিনে।

তুমি এসেছো ?
ভুলে যেও না
ভরা পদ্মা এখন শুধুই বালি, এবং
তুমি শুধুই ছবি।

(২)
সম্প্রসারিত

বন্ধু,
তুমি কি খুঁজিতেছ,
অনেকগুলো বছর পর
অন্যের ছায়া হইতে তুমি
যে প্রতিমা তৈরী করিয়া আনিয়াছ
তোমার নিজস্ব ভূমির সহিত তাহার মিল কোথায়?

তুমি ক্রমশঃ দূরে চলিয়া যাইতেছ।

জম্মদিনে..[-আবোল তাবোল!]

তেইশ!তেইশ হয়ে গেল?!
ভাবা যায়?এইতো মাত্র কয়েকদিন আগেই দেখতাম(আয়নায় আর কী!)
ছোট্ট নিরীহ শান্তশিষ্ট লেজবিশিষ্ট একজন!
ইস্কুল যায়,চুপচাপ বসে ক্লাস করে।বাদাম খায়,জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকে।

বাসায় ফিরেই স্বমূর্তি!বাকি সারা দিন বাসার সবাইকে জালিয়েই দিন কেটে যায়।(এখনো!)
সেই পুঁচকার কী না বয়ষ এখন তেইশ!
বাপরে..!কত্ত বড় হইয়া গেছি!

অবশ্য লাভ নাই কোন।ছোট ছেলে তো,সারাজীবন ছোটই থাকতে হইব!
কী আর করা..
সারা দিন রাত দৌড়াদৌড়ি;চা কফি,পড়াশোনায় ফাঁকিবাজি আর দুষ্টামি!
এভাবেই চইলবে,
এই আমার কপাল!
বাহ,কত্ত বড় বড় কথা ভাবতে শিখে গেছি।কী দারুন নিদারুন অবস্হা!
মাঝে মাঝে একটু খারাপ-ই লাগে,
আমার সাথের পোলাপাইন সব পড়াশোনা প্রায় শেষ,দুইদিন পর চাকরিতে ঢুইকা যাইব।আর আমার সামনে এখনো অকুল দরিয়া অগাধ সমুদ্দুর ইত্যাদি ইত্যাদি..!
তার উপর যা একখান শহরে থাকি,
কোনদিন জানি ঠুস্ করে মরে যাই ভয়-ই করে।

স্টোরিয়া পোলস্কা (১)

অবশেষে বহুকাঙ্খিত সামার ভ্যাকেশন। ইউরোপের সামার, হায় ভগবান অবস্থা। বৃষ্টিতে বৃষ্টিতে পুরো ইউরোপ জেরবার এবার। সস্তার প্লেনওয়ালারা টারমাক নেন না পয়সা বাঁচান। আগের দিনের মতো সিঁড়ি বেয়ে কাক ভেজা হয়ে উঠলাম প্লেনে। সুনীলের “মানুষ মানুষ” উপন্যাসের আনোয়ারাকে খুঁজতে খুঁজতে কখন যে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম টের পাইনি। দুপুরবেলা বহুদিন পর একটা ন্যাপ নেয়া হলো। মেয়ের গুতানিতে উঠলাম, স্যান্ডউইচওয়ালি এসেছে। স্যান্ডউইচ খেতে খেতে আবার ঘুমিয়ে পড়ার দশা আমার। পোল্যান্ডের অর্থনৈতিক অবস্থা হল্যান্ডের তুলনায় বেশ খারাপ। অনেক পোলিশ স্যাঙ্গুইন ভিসার সুবিধার কারণে হল্যান্ডে জব করেন। সপ্তাহান্তে কিংবা মাসে মাসে তারা বাড়ি যান। আমাদের শহর থেকে কাজ করে গ্রামের বাড়িতে পরিবারের কাছে ফিরে যাওয়ার মতো। প্লেনে অনেক পোলিশ মেয়ে আছে। ইষ্ট ইউরোপীয়ান মেয়েদের দেখলেই ওয়েষ্ট ইউরোপীয়ান মেয়েদের থেকে আলাদা করে চেনা যায়। এরা অনেক সুন্দর স্কার্ট বা

মজার বিজ্ঞাপণ নিয়ে টুকটাক, তুংতাং

জাপানের টিভি চ্যানেলগুলোতে মাঝে মাঝে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মজার মজার বিজ্ঞাপনগুলো নিয়ে অনুষ্ঠান করে। বলাই বাহুল্য, সবগুলো বিজ্ঞাপণই খুব বুদ্ধিদীপ্ত থাকে। আর নতুন নতুন আইডিয়ারও দেখা পাওয়া যায় মাঝে মাঝে।

তেমনি একটা বিজ্ঞাপণ সেদিন দেখলাম টিভিতে। দেখে মনে হলো, মানুষের চিন্তাভাবনা কতটা ক্রেজী (ভালো অর্থে) হতে পারে, আর কতটা মাত্রা ছাড়িয়ে (এখানেও ভালো অর্থেই) যেতে পারে! বিজ্ঞাপণটা নিয়ে ক্রিয়েটিভিটি আর অবজেক্টিভিটির একটা খেলার বুদ্ধি মাথায় এলো।

প্রথমে বিজ্ঞাপণটার বর্ণনা দেবার চেষ্টা করি।

দেখা যায় যে রাতের বেলা অফিস শেষে ঘরে ফেরা বাবা জামা-কাপড় না পাল্টেই সোজা চলে যান একমাত্র পুত্রসন্তানের ঘরে। ছয়-সাত বছরের ছেলেটিকে দেখা যায় বেঘোরে ঘুমাচ্ছে। পরের দৃশ্যে বিছানায় বসে বাবা সন্তানের দিকে তাকিয়ে প্রশান্তির হাসি হাসেন, আর তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে থাকেন। তখনই ঘটনাটা ঘটে!

ব্লগারদের সিডিউল নির্ধারণ করা হোক

আমরা বন্ধুর মোটামুটি নিয়মিত পাঠক হিসেবে মাঝে মাঝে একটু হতাশ হয়ে পড়ি যখন দেখি যাদের লেখা খুব পছন্দ করি তাঁরা কোনো পোস্ট দেননি। বিশেষ করে ইদানিং যেন মন্দা চলছে এই ব্লগটিতে।

তাই, আমরা বন্ধু-তে গা ছাড়া ভাবটা দূর করতে আমার অনুরোধ/প্রস্তাব হচ্ছে, কে কী বারে লিখবেন তা আগে থেকেই নির্ধারণ করে জানিয়ে দেওয়া হোক। যেমনটা, পত্রিকার কলামিস্টদের বেলায় আগে বেশ দেখা যেত। এর মাধ্যমে সেই বিশিষ্ট ব্লগার কিছুটা প্রস্তুতি নিয়ে চমৎকার চমৎকার পোস্ট দিবেন। আমরাও অপেক্ষায় থাকব, এবার মাসুম ভাই কী আমিষ/নিরামিষ পরিবেশন করলেন, সামছা আকিদা জাহান কী ফাটালেন, তুষার আবদুল্লাহর কবিতায় কতটুকু ভেসে গেলাম, মেসবাহ য়াযাদ কী দেখে আসলেন ইত্যাদি।

দুটি পথ

মটর পাতায় দুই ফোটা জল
এক ফোটা তোমার, এক ফোটা আমার।
তিতাসের ঢেউয়ের এক ভাজে তুমি, আরেক ভাজে আমি
বালুকাবেলায় চঞ্চলা দুই ঝিনুক
সোনালীটি তোমার, সাদাটি আমার।
জোনাক জ্বলে, জোনাক নিভে
আলোটা তোমার, অন্ধকার আমার।
রেললাইন চলে গেছে নিরুদ্দেশ,
মেঠোপথের জানা আছে কোথায় শেষ..
তুমি আমি পথের সন্ধিতে দাড়িয়ে,
বেছে নিতে হবে পথ।
তোমার সংগে দরকষাকষি নয়,
নরম মেঠো পথ তোমার,
পাথরে ভর করে চলা রেলপথ থাকুক আমার!

নৈতিকতা বিষয়ক কিছু এলোমেলো ভাবনা...

একবার হযরত মুহাম্মদের কাছে তার এক উম্মত পুত্রের চিনি প্রীতি বিষয়ে অভিযোগ নিয়া আসলেন। পুত্র চিনি খাইয়া সব উড়াইয়া ফেলতেছে এমনকি পিপীলিকারাও নষ্ট করবার অধিকার পাইতেছে না। মুহাম্মদ পুরা অভিযোগটা শুনলেন, তারপর তাকে এক সপ্তাহ পর পুত্রকে নিয়া আসতে বললেন। এক সপ্তাহ পর পুত্র সহ উম্মত আবারো হযরতের নিকটে যাওনের পর তিনি তৎক্ষণাৎ পূত্রকে অধিক চিনি খাওয়ার কুফল বুঝাইয়া দিলেন। উম্মত এবং তার পুত্র উভয়েই খুশী মনে হুজুরের বিশ্লেষণে-ব্যবস্থা মাইনা নিলো। সবশেষে উম্মত ঠিক বিদায় নেওয়ার সময় হযরত মুহাম্মদরে জিজ্ঞাসিলেন এই সামান্য নিদানে হুজুর কেনো এক সপ্তাহ সময় নিলেন? হযরত স্মিত হাইসা জবাব দিলেন, তার নিজেরো চিনির প্রতি আসক্তি ছিলো এই এক হপ্তা তিনি নিজের অভ্যাস পরিবর্তন করছেন। অন্যরে উপদেশ দেওয়ার আগে তিনি নিজে আগে বদভ্যাস ত্যাগ করছেন।

সুঁই আর চালনের গল্প

সুঁই চিনেনতো ? যাহা দ্বারা কাপড়-চোপড় সিলাই করা হয়। এইবার চিনিয়াছেন ? বেশ, আপনাকে ধন্যবাদ সুঁই চিনিবার জন্য। তো এইবার একটা কোশ্চেন করি আপনাদের। না না, সবাইরে না। কেবলমাত্র যাহারা সুঁই চিনিতে পারিয়াছেন তাহাদের জন্য আমার এই কোশ্চেন:
বলেনতো, একটি সুঁইয়ের পাছায় কতগুলি ছিদ্র থাকে ?
সবাই একসাথে বলিলেতো হইবে না। একজন করিয়া বলেন। জ্বি, আপনারা সঠিক উত্তর দিতে পারিয়াছেন। সুঁইয়ের পাছায় একটাই ছিদ্র থাকে। যাহার মাধ্যমে সুতা প্রবেশ করানো হয় এবং কাপড়-চোপড় সিলাই করা হয়।

এইবার অনুমতি দিলে আরেকটি কোশ্চেন করি। তাহার পূর্বে জানিয়া রাখা অবশ্যক যে, আপনাদের মধ্যে কাহারা চালন চিনেন ? অনেকেই দেখি চিনিতে পারিয়াছেন। ধন্যবাদ আপনাদেরকে। এইবার কোশ্চেনের উত্তর বলেন দেখি:
বলেনতো, একটি চালনের পাছায় কতগুলি ছিদ্র থাকে ?
কী বলিলেন, অনেকগুলি ? ঠিক বলিয়াছেন।

বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি - ৬

অনেকদিন ধরে ব্লগে আসা হয় না। কিছু লেখা হয়না। লেখা মানে অভ্রের সাহায্যে কী বোর্ডের বারোটা বাজানো।

লেখা বলতে যা বুঝায়, তা তো আর হয় না । তবুও একটু আধটু চেষ্টা। কয়েকটা অবিন্যাস্ত বাক্যের প্রক্ষেপন , কিছু শব্দ চয়ন আর ২/১ টা কমেন্ট আসে - খারাপ লাগে না সব মিলিয়ে ।

সব কিছুরই একটা সময় থাকে , একটা প্রস্তুতি থাকে । ব্লগিং করারও মনে হয় সেরকম সময় , প্রস্তুতি থাকে। গত কিছুদিন যাবৎ মনের অবস্থা ছিল সদ্য বন্যার জল নেমে যাওয়া বিধ্বস্ত জনপদের মতন ।

চারপাশ থেকে বানের জলের মতন আসা একটার পর একটা ঝামেলার মুখোমুখি হতে হতে নিজের উপরেই আস্থা হারাতে শুরু করেছিলাম এক পর্যায়ে। জীবনটা এরকমই। আর আমার পুরো জীবনটাই এরকম - ঝড়ের কবলে পড়া জাহাজের মতন - ডুবে যেতে যেতে আবার ভেসে উঠে । ভেসে উঠেই ভুলে যেতে চাই ঝড়ের মুখে পড়া ভাঙা মাস্তুল কিংবা ছিঁড়ে যাওয়া পালের সাথে জড়ানো জীবনের কথা ।

আজ আমার মন ভাল নেই..

আজ সকালে ঘুম ভাঙ্গার পর থেকেই মন খারাপ হয়ে আছে।বারবার শুধু নানার কথা মনে পড়ছে।কত্ত দিন হয়ে গেল নানাকে দেখিনা।নানা নেই এতদিন হয়ে গেল তাও ভাবতে অবাক-ই লাগে যে নানা নেই।কিছু কিছু মানুষ তাদের না থাকার মাঝেই অনেক বেশি করেই থেকে যায়।

নানার কথা মনে পড়লেই কিছু গান মাথায় ঘুরঘুর করতে থাকে।

এই যেমন,

হেমন্তের গলায় রবীন্দ্রসঙ্গীত, যখন পড়বে না মোর পায়ের চিহ্ন

অর্ণবের গলায়, নয়ন তোমারে পায়না দেখিতে রয়েছ নয়নে নয়নে

অথবা শাফাকাত আমানাত আলী খানের মোরা সাইয়ান মোসে বোলে না

আহারে..

তখন আমার জীবনের একটি টার্নিং পয়েন্ট। প্রথম চাকুরী বদল। সে সময়ে আকাশছোয়া বেতনবৃদ্ধি !! (এখন অবশ্য তা মনে হয়না) নিজের কর্মজীবনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ছুড়ে দিয়ে নিলাম জীবনের অন্যতম বড় সীদ্ধান্ত। নিজের শিক্ষাজীবন- কর্মজীবন যেমন আমার দিকে তাকিয়ে..তেমনই তাকিয়ে থাকা পরিবার। পারবো তোহ!

কমবয়সের একটা আলাদা মজা আছে..বড় বড় সীদ্ধান্তগুলো নিয়ে নেয়া যায় চট করে। বয়স যত বাড়তে থাকে সীদ্ধান্ত গুলো হতে থাকে ছোট ..আর সীদ্ধান্ত নেয়ার সময়টা হতে থাকে বড়..

তখন বয়স তুলনামূলক কম ছিল। অতএব পেরেছিলাম..

পাবো না আর তোমায় অসম্ভবের পায়ে মাথা খুটে

ইদানিং সকালে ঘুম থেকে উঠেই আর খবরের কাগজ হাতে নেয়া হয় না। আবিদ মারা যাওয়ার পরদিন সকালে মা পেপার পড়ার সময় যখন বলল, ‘ক্লোজআপ ওয়ানের এই ছেলেটা মারা গেল’, প্রথমে খেয়াল করি নি। পেপারের উপর চোখ পড়তেই দেখি আবিদ। হাসছে।
অনেকক্ষন, অনেক অনেক ক্ষন আবিদের ছবিটার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না কেন ওর ছবি পেপারের প্রথম পাতায়। লেখাটা পড়তে পারছিলাম না। অক্ষর গুলো অপরিচিত লাগছিল।

পেপারে কি তবে ভুল খবর আসলো? ভাবতে ভাবতে পেপার রেখে পিসি অন করলাম। ফেসবুকে তখনো আবিদের স্ট্যাটাস -

passing a wndrfl tym with MATTRA at cox'sbazar....

২৪ ঘন্টাও হয়নি এই স্ট্যাটাসের। একটা একটা করে ছয়টা পেপার দেখলাম। একই নিউজ সব গুলোতে। কি করে সম্ভব!!

গল্প: একদিন সবকিছু গল্প হয়ে যায়

শেষ পর্যন্ত সে আমাকে তার বাসায় নিয়েই গেল। প্রথমে সে বলছিলো; ভয় নেই, মারবো না। সে সময় আমি ভয় পাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। আমার মতো একটা ইনোসেন্ট ছেলেকে এভাবে জোরজবরদস্তি ব্যচেলর ফ্ল্যাটে নিয়ে যাওয়ার আর কি অর্থ থাকতে পারে? জানতে চাচ্ছিলাম তার কাছেই। সে হাসিমুখে কেবলই বলছিলো, আরে কিছু না। আপনি আজকে নিয়ে দু’দিন আমাকে বাসা পর্যন্ত লিফট দিলেন। সৌজন্যের খাতিরেও তো আমার উচিত আপনাকে এক কাপ চা খাওয়ানো। আমি প্রবল বেগে মাথা নেড়ে নেড়ে দিনে-দুপুরে চা খাওয়ার ব্যপারে আপত্তি জানাচ্ছিলাম। ও সেটা কানেই তুলছিলো না। দিনে-দুপুরে সর্বত্র বসে চা খেতে পারবেন, শুধু আমার ফ্ল্যাটে গিয়ে চা খেতে বললেই আপত্তি?

চেহারা

আমি আগে টের পাই নাই পৃথিবীতে কত ধরনের চেহারা আছে।পৃথিবীতে অনেক মানুষ, কিন্তু চেহারা তারচে বেশি, কারন, সবারই কয়েকটা করে আছে।

রাইনে মারিয়া রিলকে
নোটবুকস অব মাল্টা লরিজ ব্রিজ

বেখেয়ালি মানুষ আমার একদম পছন্দ না

গ্রাজুয়েশনের আগে ফাইনাল সেমিস্টারে ক্লাসের সবারই একবার দুইবার প্রেম হয়ে ভেঙ্গেও গেছে কেউ নতুন সম্পর্কের সন্ধানে আবার কেউ সম্পর্ক পার্মানেন্ট করার কথা নিয়ে বাসায় আলোচনার নানান প্ল্যান করছে, কিন্তু তৈয়বের কিছুতেই একটা প্রেম হয়না। এক লেভেল নিচের সুমিকে তৈয়বের ভীষণ ভালো লাগে কিন্তু কিছুতেই ভালো লাগাটা মুখ ফুটে বলতে পারেনা, এরই মাঝে তৈয়ব দুইবার গ্রিস্মের ছুটিতে চাপাই নবাবগঞ্জের লেংরাআম এনে সুমিকে উপহার দিয়েছে, সুমি শুধু হাসিমুখে আমগুলো রিসিভ করে হলে ঢুকে গেছে বেশি গল্প করেনি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ