অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১ জন সদস্য ও ১০ জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

নববর্ষ স্পেশাল: রিয়াল লাইফ কৌতুকস্ ইন জাপান

... (+১২ --> +১৮ --> +৩০) ...
[*প্রত্যেকটি "জুক্স"ই রিয়াল লাইফে ঘটা, পাত্রপাত্রীর নাম সঙ্গতঃ কারণেই উহ্য রাখলাম।
**আগেই সাবধান কইরে দিই,পোস্টে দেয়া লিংকে গিয়ে ইংলিশ টু জাপানীজ অনুবাদ করে কল্পনাতীত খাচ্চর খাচ্চর শব্দের মুখোমুখি হইলে সেইটা আপনের দায়, আমি কিন্তু সাঁকো নাড়াইতে, মানে ক্লিক ওই লিংকে যাইতে কইনাই ;)]
==============================================

১.

নববর্ষের শুভেচ্ছা এবং কিছু সুখবর

শুভ নববর্ষ

আমরা বন্ধুর সকল বন্ধুদের জানাই পহেলা বৈশাখের শুভেচ্ছা

বউরে ডরায় না কেডা?

করিম সিদ্ধান্ত নিছে জীবনেও সে বিয়ে করবে না। একদিন সবাই গিয়া ধরলো, কেন বিয়া করবা না। করিমের জবাব, ভয়ে। বিবাহে তার ভয় নাই, ভয় বৌকে। যে জীবনেও বিবাহ করে নাই তার আবার বৌকে ভয়? কেমনে কী?
করিম বললো, অনেক আগে একবার বন্ধুর বিয়ে খাইতে গেছিলাম। ভীড়ের মধ্যে হঠাৎ এক মহিলার শাড়ীর আঁচলে পা পইরা গেলো। সেই মহিলা ঘুইরাই কইলো, চোখের মাথা খাইছো? দেইখ্যা হাঁটতে পারো না? এক চরে দাঁত ফালাইয়া দিবো। কোনো কান্ডজ্ঞান নাই। আন্ধা কোনখানকার।
এইটুক বলার পরই সেই মহিলার চোখ পড়লো আমার উপর। জিহবায় কামড় দিয়া কয়, ও সরি, আপনি। আমি ভাবছিলাম আমার হাজব্যান্ড।

সেই কথা করিম ভাবলে এখনও আইতকা ওঠে। তারপর থেকেই তার প্রতিজ্ঞা, জীবনেও বিবাহ করবে না।

তাইলে পুরান আরেকটা গল্প কই। আগেও সামুতে বলছিলাম।
চোর ধরা পড়েছে। ধরলো আবার দবিরের বউ সখিনা। খালি ধরাই পড়েনি, সখিনা তাকে এমন মার দিয়েছে যে বেচারা চোর হাসপাতালে।

আবজাব-৬

আমি বারবারই ভাবি মৃত্যু কি? আত্মার প্রস্থান নাকি, শরীরের অনুপস্থিতি। বারবারই দ্বিধান্বিত হই।

টহল পুলিশ - আপনার কোন কাজে লেগেছে?

'টহল পুলিশ' শব্দটা শুনলেই চোখে ভাসে কাঁধে ৩০৩ রাইফেল ঝুলিয়ে ২/৩ জনের একটা পুলিশদল রাস্তার পাশ দিয়ে অলস পায়ে হেঁটে যাচ্ছে কিংবা মোড়ের পানবিড়ির দোকানের টুলে বসে আড্ডা দিচ্ছে অথবা ফুটপাতের পিলার হেলান দিয়ে বসে বসে ঝিমোচ্ছে।

কলি'র কনিষ্ঠ কাহিনী

প্রথম ভালোলাগা

ফেরা

১)

শকুন

ঘুম ভাঙ্গানী পাখিরা আজ সকালে আমার ঘুম ভাঙ্গায়নি। চোখে, মনে, শরীরে রাজ্যের ক্লান্তি নিয়ে গভীর রাতে ঘুমাতে গেলাম। মনের সাথে, ধ্যান. ধারনা, ভালোবাসার সাথে যুদ্ধটাকে দমিয়ে রাখতে ক্লান্ত আমি। গভীর ঘুমে হারিয়ে গেলাম যেন কতকাল পর!!

একজন লড়াকু নির্মল সেনের বেঁচে থাকার গল্পো

সত্যবাদীদের পক্ষে প্রিয় মানুষ হওয়া অনেক কঠিন। বিশেষত আমাদের তথাকথিত রাজনৈতিন সরকারের কাছে। অপ্রিয় হবার এই কাজটা সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই নিষ্ঠার সঙ্গে তিনি করে আসছেন। চট্টগ্রাম অঞ্চলে, বিশেষ করে গ্রামগুলোতে বিপ্লব সংগঠক ছিলেন তিনি। এই তিনি হচ্ছেন সূর্যসেনের অন্যতম সহযোগী, বিপ্লবী, কলম সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা, বাম রাজনীতিবিদ নির্মল সেন।

ভেতর-বাহির ( নবম পর্ব)

শুভ নববর্ষ ১৪১৭

বাংলা নতুন বছর উদযাপনের প্রতি আমার আগ্রহ অসীম। কেনো এই টান আমি নিজেও জানি না। এমনিতেই আমি পার্টি এ্যনিম্যাল কিন্তু বাংলা নতুন বছর নিয়ে আমার যেটা হয়, সেটা হলো উন্মাদনা। এ উন্মাদনা নিয়ে অনেক মজার এবং বেমজার ঘটনাও ঘটে।

আলোয়-অন্ধকারে

এক ঘেয়ে শহরটাতে যখন সবাই উষ্ণতায় অস্থির,উষ্ণতার দায়ভার সরকার এড়াতে পারে কিনা এই আলোচনায় কেউ মেতে নেই।ঠিক তখনি অনেকদিন পর শহরে একটু বৃষ্টির মতন হলো।তারপরেও এটা শুক্রবারের জুম্মায় মওলানার দোয়ায় খুশি হয়ে সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ কিনা এই আলোচনায়ও কেউ মেতে উঠে না। সবাই ব্যস্ত সময়ের চেয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাওয়া জীবন যাত্রা নিয়ে। বিশাল চওড়া সব রাস্তা থেকে একেবারেই আলাদা ঢালু হয়ে নেমে গেছে গিঞ্জি এলাকার এই স

ডাইরী ৯৩

এক.
আজকাল আমার আক্রান্ত দিন যায় প্রায়শঃই। বয়সের আততায়ী দল পিছে লাগে চুপিসারে। তাদের গোপন বিদ্যায় আমার চোখ ফুলে লাল হয়। শরীরের প্রতি রন্ধ্রেরা দূর্বলতর...

মাত্র ছত্রিশ ঘন্টায় যদি এমনি হবে...তাহলে সমর ক্ষেত্রে সৈনিক কিরূপে জাগে রাত্রি-দিন!

দুই.
আমাকে নাও, আমাকে নাও বলে চীৎকার করতে করতে আমার সময় কাটে। যদিও আমাকে রেখেই সবাই চলে যায়...

তিন.

আজাইরা ২

আমি জানি তোমার চোখের জল
চোখের অনেক নিচে
তোমার হাঁসির আড়ালে
কখনো উপচে পড়ে না টলমলে অশ্রু।
তোমার করুন মুখটায় আস্তে আস্তে...
হাঁসি ছড়িয়ে পড়ে তোমার ঠোঁট থেকে
নাক, চোখ, আঙ্গুলের ডগায়।
জানি তুমি কখনো মুখ ফুটে বলবে না এসো
কোন সূর্য ডোবা সন্ধ্যায় বাড়িয়ে দিবে না
হাস্যময় হাত,
তোমার আমার হাতের মাঝে
কখনো খেলা করবে না
আমাদের কাক্ষিত ইচ্ছাগুলো ।

.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।।

আমাকে একটা বালিশ এনে দে..................ঘুমাবো ।

বাইরে বেসম্ভব গরম।
এইমাত্র মোটর সাইকেল দাবড়িয়ে এলাম
কাকরাইল থেকে।
অফিসে এসে এসিটা বাড়িয়ে দিতে
বললাম। আহ , কী ঠান্ডা !
কীযে ভালো লাগছে।
চোখ জুড়ে ঘুম আসছে...
এই, কে আছিস ? আমাকে একটা
বালিশ এনে দে..................ঘুমাবো ।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ