অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৩২ জন অতিথি অনলাইন

এক টুকেরা অনুভব

চা এর কাপটা দুহাতের মাঝখানে, চা এর কাপের উত্তাপ দু হাতের তালুতে। ছুটির দিনের প্রতিটা সকালের মত কাপটা নিয়ে বারান্দায় বসতেই সামনের খোলা জায়গায়?চোখে পড়লো অনেক ফুল ফুটেছে এই ক’দিনে।চোখে,  মনে একটা মুগ্ধতার ছটা। ফাল্গুন আসছে। আবার ফাল্গুন এলো বলে। অদিতি এখনও অনুভব করে সেই উষ্ণতাটাকে।  অদিতি  সবে অনার্স পাস করেছে। মাস্টার্স শুরু হয়নি। অদিতির ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান একদিন ডেকে বললো এক

সবার জীবনে প্রেম আসে তাই তো সবাই ভালোবাসে .....প্রথম যারে লাগে ভালো যায় না ভোলা কভু তারে...... স্বপ্নের নায়ক সেই তুমি.....

"ছোট বেলার গল্প শোনার দিন গুলো এখন কত দূরে.... আজ আসে না রাজার কুমার পঙ্খীরাজে উড়ে....."

ভেতর-বাহির (প্রথম পর্ব)

অনেকদনি পর রাতে ভালো ঘুম হয়েছে। দুপায়ের মাংসপেশীতে টনটনে ব্যাথা, ঘুম তো আসবেই। টানা তিন ঘন্টা ঠাঁয় দাঁড়িয়ে ছিলাম। না মাঝে মাগরিবের নামাযের বিরতির সময় পুলিশ ভাইদের সাথে একটু মেঝেতে বসেছিলাম, মাত্র ৫ মিনিট। ঐ এসএগেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মুফতে একটা টিকিট পেয়ে ঢুকে পড়েছিলাম।

হাতুড়ে গদ্য (ক্যাকফনি)

সন্ধ্যার ঝিম ধরানো সিগন্যালে; এলোমেলো কিন্তু সারিবদ্ধ ঝিঁঝিঁ পোকাগুলোর চিৎকার শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ আলফেসানী, কানে ইয়ার-প্লাগের হোসপাইপ লাগিয়ে মগজের শুকনো জমিতে কিছু শব্দ আর ছন্দের চাষে ব্যাস্ত ছিলো। হঠাৎই রিয়ার ভিউ মিররে তাকিয়ে স্মৃতির কলসি ভেঙ্গে একঝাঁক কোমল ছবি ছড়িয়ে ফেলল এদিকে সেদিকে।
-----------

আমরা বন্ধু

বন্ধু মানেই একসঙ্গে অনেকটা পথ চলা,
বন্ধু মানেই প্রাণের কথা যা কাউকে
যায়না বলা,
 যতই নামুক রাত্রি গভীর ঘনাক আঁধার কালো,
 বন্ধু মানেই হাজার
খুশি হাজার তারার আলো,
 বন্ধু মানেই ভোর-রাঙা ঐ সূর্য, হাসি আকাশ,
 আর যা
হারায় হারাক এই জীবন থেকে,

ছলকে ওঠা স্মৃতি; তলানিতে পড়া ভাবনা

সাপ ও ব্যাঙ সমাচার:
"ম্যা তেরি দুশমন দুশমন তু মেরা
ম্যা নাগিন তু সাপেরা"

We make so many FRIENDS ( Collected from Jbed)

We make so many FRIENDS,

Some become Dearest,

Some become Special,

Fell in LOVE with someone,

Some go abroad,

Some change their cities,

Some left US,

We left Some,

Some are in contact,

প্লাসে মাইনাসে প্লাস!

আজন্ম সুখি মেয়েটা আমাকে ফোন দিয়েছিল অনেকদিন পরে। ঠিক ফোন না মিসকল দিয়েছিল, কারন সে জানত আমি হয়তো কল দেবো। তার নামটাও সত্যি সুখিরই প্রতিশব্দ - হ্যাপি।

ফোনে প্রথম কথাই ছিল, এসব দুঃখের কথা কেনো লিখেছেন, সুখের কথা লিখতে পারেন না।
আমি একটু উচ্ছ্বাস নিয়ে বললাম, তার মানে বইটা পেয়েছো।
সেতো পাবই, আপনার বই আমি জোগার করবনা তা কি হয়। কিন্তু এত নেগেটিভ কথা লিখেছেন কেনো?

ভেতর-বাহির ( শূণ্য পর্ব)

রোজ যা ভাবি মনে
বলব ক্ষণে ক্ষণে
রোজ যা আমি দেখি
যায় না বলা সবই
ভেতর-বাহির প্রতীত যত
বলব যে তাই আমার মত...

দূরের মানুষ - কাছের মানুষ [গল্প - ১ম পর্ব]

বাড়ীগুলোর সামনে দিয়ে টানা বিদ্যূতের তারে আপন মনে বসে থাকা কতগুলো কাক , তাদের মধ্যে একটা কা কা করে ডেকে যাচ্ছে তারস্বরে। কিছু বলতে চাইছে হয়তো , হয়তো কিছু বুঝাতে চাইছে সে। আর সকালের আড়মোড়া ভাঙ্গা সূর্য টা এরই মধ্যে তাপ বিলাতে শুরু করেছে চারপাশে। তার আলো ঢাকা শহরের উচু উচু দালান ভেদ করে ভূমিতে স্পর্শ করুক বা না করুক, তাপ পৌছে যাচ্ছে সেই ভূমিতে , পিচ ঢালা রাস্তায় , ডোবা - নালায় এমনকি পরিপাটি করে সাজান

শিশির

খুব মায়াবতি, খুউবই মায়াবতী একটা মাইয়া। দেখলেই কইলজার মধ্যে খালি খালি লাগে। মনে লয় তুলা বিছাইয়া তারে তার উপরে বসাইয়া রাখি।

তার চেহারাডার দিকে সারাজীবন তাকায় থাকলেও যেন দেখার ক্ষিদা মিটবো না।

কপিতা: মিস কল

হে অচেনা, আমি তোমাকে একটুও মিস করি না।
তবু অচেনা কোন নম্বর থেকে মিস কল এলে
ব্যাকুল হয়ে দেখি এটা সেই অজানা নাম্বার কিনা।
নেটের কসম আমি তোমাকে কখনোই মিস করি না।

কেউ কি একটা চিঠি লিখবেন ?

একসময় অনেক চিঠি লিখতাম। প্রায় প্রতিদিন ৪/৫ টা চিঠি আসতো আমার নামে। অনেক কলম বন্ধু ছিলো আমার। আজ আর কারো কাছে চিঠি লিখিনা। পাইনা। মোবাইলে যত কথাই হোক, চিঠির ব্যাপারটাই ছিলো অন্যরকোম। এখনো সংগ্রহে হাজার দুয়েক চিঠি আছে। মাঝে মাঝে সেসব খুলে বসি। পড়ি। বউ, ছেলেকে পড়ে শুনাই। এরমধ্যে ছেলের মায়ের চিঠি আছে। বন্ধুদের আছে। যাদের প্রায়

ভুলে থাকা

হঠাৎ একদিন বিকেলে শুভংকরের ফোন পেয়ে
খুব অবাক হলো অহনা, বলল, আবার ফোন কেনো
বেশতো চলছিল আমাদের এই ভুলে থাকার পালা।
সবাইকে বোঝাতে চায় অহনা ভুলে গেছে সে শুভংকরকে
নিজেকে একান্তে জিজ্ঞেস করে অহনা একি সত্যি?
একি ভুলে থাকা নাকি ভুলে থাকার অভিনয়?
'কখন' ভুলে থাকে অহনা শুভংকরকে?
সকালে মেল চেক করার সময় কি বুক ধুক ধুক করে না অহনার
মোবাইলে অজানা নম্বর থেকে মিসড কল এলে কি

আমার প্রথম ফীচার লেংথ সিনেমা "অপুর গল্প"-এর টাইটেল সংগীত...

কোন এক ব্লগ পোস্টে আমি ফীচার লেংথ ফিল্ম বানানের কথা বলছিলাম মনে হয়। গল্পটা প্রায় গুছাইয়া নিয়া আসছি। চিত্রনাট্যের কাজে কয় মাস লাগবো এখনো নিশ্চিত না, তবে ধইরা রাখছি ৭/৮ মাস। আমার ফীচার ফিল্মের নাম খুব সাধারণ অপুর গল্প। একেবারেই বিনোদন ধারার একটা ছবি বানাইতে চাই। গল্পটা এই মুহুর্তে ফাঁস করতে চাই না...তবে একজন টাংকিবাজ জাতের ক্যারেক্টার ছবির প্রোটাগনিস্ট হইবো। অপু সেই ছেলেরই নাম। কাকত

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ