অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৭ জন অতিথি অনলাইন

মাফ করে দিও সবাই

বন্ধুরা, ক্ষমা করে দিও সবাই । ২৩/১০/১৪ তারিখ সকালে স্বজনরা হাসপাতালে নিয়েগেছিল, ফেরা হবে ভাবিনি । আল্লাহর রহমত আর সবার আন্তরিক শুভেচ্ছায় ফিরে এসেছি, তবে ডানপিঠে ‘ডান পা’ পুরো এবং তার দোসর ডান হাত আংশিক বিগড়ে আছে । আরে আমার হাত আমার পা, আমার কথা শুনবেনা ওরা ? “কি করা যায় !” ডাক্তারকে বললেন, “এক্সপার্ট কিছু হালকা ব্যায়াম শিখিয়ে দেবে । প্রতিদিন করুন, বুড়োদের রাগ-অভিমান পড়েও যেতে পারে”।

'সহজ কথা যায় না লেখা সহজে..' [আবোল তাবোল - ১৭]

কেমন আছো?
- এইতো, মোটামুটি। অথবা, ভালো নেই।

ভালো আছি, সে মিথ্যে হলেও মানুষ সহজেই মেনে নেয়।
অথচ, ভালো নেই বললেই অন্যদের ভালো থাকাতেও সমস্যা দেখা দেয়।

ভালো লাগে না।

লেখো না কেন?
- মন ভালো নাই, মন ভালো থাকে না।

মাঝে মাঝে ভুলে ভালো হয়ে গেলেও,
নিজের মাঝেই ভুল বোঝাবুঝিতে তা ভুলে যেতে সময় লাগে না।

অথবা, ভালো থাকার মত তেমন কিছু হয় না আর।
হলেও, তা শুরু হতে হতেই শেষ।

দিনকাল বড্ড বেশি স্লো হয়ে গেছে আজকাল। বলতে গেলে থেমেই আছে সে-ই কবে থেকে, মনে নেই। রিস্টার্ট দেওয়ার চেষ্টায় আছি অনেকদিন ধরেই, হচ্ছে না কিছুতেই।
ছুটি দরকার একটা, নিজের কাছ থেকেই – অথবা, এই বৃত্তবন্দি সময় থেকে। তাও হচ্ছে না। যার কাজ নেই, তার হাতের কাজ কখনই শেষ হয় না।

নিজের মত করে থাকতে পারাটাও ভালো থাকা। তাও হয় না সবসময়।
অসময়ে কথা শোনানোর সুযোগ হাতছাড়া করার ভুল করে না বলতে গেলে কেউই।

মৈথুনানন্দের মহোৎসব

মাইমুনা আসেনি। সে দেশেই আছে। বাচা গেলো, টেনশনটা কমলো। তবে বাবা মৃত্যুর আগে টেনশন বাড়িয়ে গেছেন। তার আগত নাতীর নাম আকবর রহমান রেখে গেছেন। আকবর নামটা শুনলে সবার মোঘল সম্রাটের কথা মনে পড়লেও আমার মনে পড়ে এক রিক্সা চালকের কথা। সেই রিক্সাচালক ভদ্রলোক কিশোরকুমারকে হুবহু নকল করতেন। তার গান গুলো ঠিক একই ভাবে গাইতেন। ছোটবেলায় ইত্যাদি অনুষ্ঠানে এই রিক্সাচালক "একদিন পাখি উড়ে " এমনভাবে গাচ্ছিলেন যে আমি তার গানে মোহমুগ্ধ হবার বদলে উল্টো স্ক্রিনে পাখি খুজতেছিলাম। কারন তার হাত আর মুখের ভঙ্গিটা সত্যি ময়না পাখি হারিয়ে যাবার দুঃখে কাতর ছিলো।

: বাবা কি আর নাম পান নাই?
: মুসলমান সম্রাটের নাম, খারাপ কি দেখলা বাবা?
: মনে হইতেছে এক রিক্সাচালক সারাদিন রিক্সা চালিয়ে দুপুরে ভাত ডান হাতে ভাত খাইতেছে আর এক হাতে হাতপাখা ঘুরাচ্ছে।

আটপৌরে শীতকাল

এবারও শীত কথা দিয়ে কথা রাখলো না; জ্যাকেট, বুট জুতো নতুন জীন্স শপিং করার পর থেকে শীত উধাও। কোথায় তুষারপাত হবে তা না, শুরু হয় ঝিরঝিরে বিরক্তিকর বৃষ্টি। এই বৃষ্টিতে ভিজে উদাস হওয়া যায় না, গায়ে শীতের কাঁপুনি ধরা আর কি।

স্টকহোম শহরটা ঘুরবার কিছু নেই তেমন। সামার হলে শহর ঘিরে থাকা লেকের পাশে বীচ আর নাগরিক শান্ত কোলাহল উপভোগ করার মত, ইউরোপের অপরাপর দেশের মতো ঐতিহ্যগত সৌন্দর্য্য এখানে অনুপস্হিত। বছরের পর বছর শহরটার খুব বেশী বাহ্যিক পরিবর্তন নেই। মানুষ শুধু ছুটছে, হয়তো গত বছর এই রাস্তা ধরে যে মেয়েটি সকাল বেলা কাজে যেতো, এ বছর রাস্তাটা একই থাকবে কিন্তু মানুষগুলো পাল্টে যাচ্ছে।

আলস্যের দিনলিপি ৩

আমার সবকিছু প্রচণ্ড অগোছালো হয়ে আছে। কতোটা অগোছালো তা মাপারও কোনো উপায় নেই। পড়াশুনা করি না কত যুগ তারও হিসেব নেই। অনেকদিন হল ক্লাসে যাই না। অনেকদিন হল বেলা দুপুর করে ঘুম থেকে উঠি। হটাৎ করে একদিন শীতকাল চলে এলো। আর আমার আলসেমিও কয়েকগুণ বেড়ে গেল। আমি আসলে করি টা কি? কোথায় আমার মন, জানি না।

অথচ আজ সকালে ঘুম ভেঙেছে। স্নান করে একটা ডিম ঝালফ্রাই দিয়ে ব্রেকফাস্ট করেছি। নজরুলের গান শুনতে শুনতে আরাম করে একটা সিগারেটও টেনেছি- মোর ঘুম ঘোরে এলে মনোহর। আহা কি স্নিগ্ধ সকাল। আর ভাবছি কেন ক্লাসে গেলাম না। এই ক্লাসটা খুব বেশি জরুরি নয়।

সততা !!!

প্রতিদিনের মত সেই দিনেও মায়ের ফোন ......

তবে মা সাধারণত সন্ধ্যা বেলায় কখনও ফোন দিত না। সারাদিন ক্লাস আর আড্ডা বিকেলে ঘুম, সন্ধ্যায় পদ্মার চড়ে ঘুরে বেড়ানো তারপর রুমে ফেরা। যা কথাই তা রাত নয়- দশটা ছাড়া হত না।

কিন্তু অন্য আর দশ দিনের মত সেদিন ছিল না। ফোন রিসিভ করার সাথেই ওপাশের কন্ঠটা কিছুটা বিচলিত। কুশল বিনিময় করার আগেই মায়ের মুখে গুরুগম্ভীর কথা শুনে কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। হঠাৎ মা কেনই বা এসব কথা বলছে। তারপর যা শুনলাম তা রীতিমতই কাল্পনিক, যদিও তা বাস্তব ছিল।

রোগ শোকে পাপ ঝরে পড়ে

রোগ শোকে পাপ ঝরে পড়ে
নভেম্বরের চার তারিখ থেকে পিঠের ব্যথায় ভূগছি। খুলনায় একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞকে দেখিয়ে ছিলাম। উনি দেখে ইসিজি করে বলেছিলেন, তেমন কোন সমষ্যা নেই। ওজন বেড়ে গেছে। এখন যে ওজন তা হার্ট এ সমস্যা সৃষ্টি করার জন্য যথেষ্ট। আমি সাধারণত ওজন মাপি না। ছোট খাট সমস্যা হলেও ডাক্তারের কাছে যাই না। তাই উনি যে ওজনটা বললেন, তা এর আগে যখন মেপেছিলাম তার চেয়ে আট কেজি বেশী। শুনে রীতিমত আতকে উঠলাম। উনি খাবার কমাতে এবং প্রতিদিন কম পক্ষে একঘণ্টা হাঁটতে বললেন।

আটপৌরে দিনগুলো!

ঝুলছে একটা পোষ্ট, প্রথম পাতার দেয়ালে। নিজেকে অনেক বুঝিয়ে সুঝিয়ে রাজী না করতে পেরেই এই পোষ্টটা লিখছি। তবে আদৌ নিশ্চিত না যে পোষ্টটা প্রথম পাতায় দিচ্ছি কিনা। তাও লিখছি, লিখতে তো কোনো দোষ নাই। অদ্ভুত এক দিন কাটলো আজ। সাধারণের ভেতরই অসাধারণ। এমন না যে খুব সিগনিফিকেন্ট কিছু ঘটছে বা করছি, তবুও দিনটা খুব ইন্টারেষ্টিং ভাবে কাটলো। এরকম ইন্টারেষ্টিং দিন আগে সমানে কাটাতাম, এখন কালে ভদ্রে আসে। টিভিতে একটা এ্যাড দেখায়, রোশন সাহেব বলেন কোন সুগন্ধি ইউস করতে আর তা করলেই নাকি হবে বি ইন্টারেস্টিং। আমি অবশ্য কোনো সুগন্ধিতে নাই, গায়ে ঝপজপা ঘামের গন্ধই আমার নিত্য দিনের সঙ্গী। নতুন বইয়ের পাতার ঘ্রান আর সুবাস ছড়ায় এমন ফুল ছাড়া, আর কিছুই ভালো লাগে না নাকে। তবে আমার যে বন্ধু ছিল, যার উপরে কিশোর বেলার প্রেম প্রেম ব্যাপার ছিল তাঁর গায়ের গন্ধ খুব আকর্ষণ করতো। রিকশায় কিংবা এক সাথে যখন বসে থাকতাম, কোচিংয়ে পাশে বসে আড্ড

"৮ নাম্বার বাস"

“৮ নাম্বার বাস” নিয়ে লিখবো এরকম একটা ইচ্ছে বহুদিন ধরেই পুষে আসছি। লেখা হয়ে উঠেনি। কারণ নেই, স্রেফ হয়নি।

ইচ্ছে ছিল ৮ নাম্বার বাসের ঐ হেল্পারের দৃঢ় কন্ঠ নিয়ে গল্প লিখবো, যে কিনা অবিরত বলে চলে, “ঐ যাত্রাবাড়ি-মতিঝিল-পল্টন-শাহবাগ-ফারামগেট-কলেজগেট কিংবা গাবতলি-কল্যানপুর-শ্যামলী-ফারামগেট-মতিঝিল-শাহবাগ।“ বলবো তার খিস্তি খেউর খাওয়ার গল্প। কিভাবে যাত্রীরা তাকে অশ্রাব্য ভাষায় প্রায়শই গালিগালাজ করে। আর বলবো তার এসব ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ না করার গল্প। তার তো চটে গেলে চলবেনা, তার আরো কিছু রোজগার দরকার আরেকটু ভালো করে চলার জন্য। তাই সে এসব গ্রাহ্য না করে নিজের মত ডেকে যায় গলা খাকড়িয়ে, “ঐ যাত্রাবাড়ি……………………………,

কথপোকথন

সকাল থেকেই তাথৈ এর মন ভাল নেই। মাঝে মাঝে দিনটা এত বিষণ্ণভাবে শুরু হয় যে ঘুম থেকে উঠেই রাজ্যের ভাল না লাগা এসে মনকে আচ্ছন্ন করে রাখার জন্য যথেষ্ট। একটানা শুনে চলছে লিওনেল রিচির সেই বিখ্যাত গান-

হ্যালো, ইজ ইট মি ইউ লুকিং ফর
কজ আই ওন্ডার হোয়্যার ইউ আর
এ্যান্ড আই ওন্ডার হোয়াট ইউ ডু
আর ইউ সামহোয়্যার ফিলিং লোনলি
অর ইজ সামওয়ান লভিং ইউ
টেল মি হাউ টু উইন ইওর হার্ট
ফর আই হ্যাভন্ট গট আ ক্লু
বাট লে মি স্টার্ট বাই সেয়িং
আই লভ ইউ।

থ্রী- টু -ওয়ান -জিরো একশন !!!!!

থ্রী- টু -ওয়ান -জিরো একশন !!!!!

ছোটবেলায় নাটক সিনেমা দেখার সময় কাহিনী বোঝার থেকে বেশী ভাবতাম, কিভাবে নাটক সিনেমা তৈরি করে। আর নায়ক মারা যাওয়ার পর কিভাবে আবার জীবিত হয়! আর ভিলেনের শত শক্তি থাকা সত্তেও কেনই বা সে নায়ক কে হারাতে পারে না???
মাথার ভিতর এইসব প্রশ্ন গিজ গিজ করতে করতেই এক সময় টিভি স্ক্রীন এ লেখা আসত দ্যা এন্ড!
২০০২ সালে পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে অচেনা এক ব্যস্তমুখী শহর ঢাকায় এসেছিলাম পড়াশুনার জন্য, পথে আসার সময় যমুনা সেতু (তখন পৃথিবীর ১১ তম দীর্ঘ সেতু) দেখার আনন্দ ওহ সে এক অদ্ভুত অনুভুতি তা না হয় আর একদিন বলব।

এইভাবে রাত নামে, শহরে শীতের টান বাড়ছে!

সকাল থেকে ভাবছিলাম হুমায়ুন আহমেদকে নিয়ে। কয়েকদিন আগে পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে গেছে ঢাকা শহর, ৬৬ তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে জানাতে। আমার ভাবনার পয়েন্ট ছিল, মাত্র ৬৪ বছর বয়সে তিনি চলে গেলেন, আমি তো কত অকম্ম মানুষদের দেখি, যারা সত্তর আশি বছর বেঁচে থাকে মূর্খ ও হতাশ জীবন নিয়ে, হয়তো তাঁদেরও বেঁচে থাকতেও ভালো লাগে না। কিন্তু হুমায়ূন আহমেদ কঠিনভাবে জীবনকেই ভালোবাসতেন। আপসোস করে বলতেন, কচ্ছপ নামের প্রানীর আয়ু ৩০০ বছর, আর মানুষ নামের শ্রেষ্ঠ জীবের আয়ু ৫০-৬০, ঈশ্বরের এই ব্যাপার স্যাপার মেনে নেয়া কষ্টের। ছেলের সাথে ছবি তুলতে চাইতেন, কারন ধারনা ছিল ছেলে হয়তো তাঁকে ভুলে যাবে। মৃত্যুর পর সবাইকে জীবিতরা ভুলে যায়। আমি তখন ক্লাস ফাইভে পড়ি, কলোনীর শোয়েব নামের এক ছেলের বাবা মারা যায়। প্রায় সমবয়সী সে দুদিন পরেই ক্রিকেট খেলতে আসে। আমি আর আমার বন্ধু আক্তার অবাক হয়ে ভাবতাম, কিভাবে পারে খেলতে যার বাবা কোনোদিন ফ

সরি বন্ধু!!!

শৈশব আর কৈশোরের স্কুল জীবনের দিনগুলি সত্যিই অনেক আনন্দের ছিল। মফঃস্বল এলাকায় লেখাপড়ার মান যাই থাকুক না কেন সেটা নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যথাই ছিল না, কারন মান জিনিসটাই আমি সেইসময় বুজতাম না। জীবনের লক্ষ বলে কিছু একটা থাকা আমার ভিতর তখনো ছিল না আজ ও নেই। মাঝে মাঝে ক্ষণিকের জন্য কিছু লক্ষ জন্মালেও তা পরক্ষণেই বিনাশ হয়ে যেত।

বাবা মায়ের একটাই কথা ছিল মানুষের মত মানুষ হতে হবে, আমি এখনো জানি না কি করলে বাবা মায়ের সংজ্ঞা অনুসারে আমি মানুষ হতে পারব।

থাক এবার আসল কথাই আসি, আমি থাকতাম অজপাড়া এক গ্রামে যেখানে ছিল না আধুনিকতার কোন ছোঁয়া, কিন্তু ছিল প্রকৃতির এক নিরমল ছোঁয়া ,সবুজ প্রান্তর পাখির কলতান যা শুনলে জুড়াত মন ও প্রাণ............

আলস্যের দিনলিপি ২

আজকে আশ্চর্যজনকভাবে সবকিছুই ঠিক যেমনটা হওয়া দরকার প্রতিদিন তেমন। রাত সাড়ে নয়টা এবং আমার ব্যাগে একটা কম্পিউটার। মাথার ভিতরে ঘুমোতে না দেওয়া ঝোড়ো বাতাস, রনি ভাই এবং তিনটি গীটার। আস্থা হারানো এই মন নিয়ে আমি আজ তোমাদের কাছে এসে দুহাত পেতেছি। ঠিক যেন স্বপ্ন দেখবো বলে, আমি দুহাত পেতেছি।

কিন্তু কীসের স্বপ্ন? চারপাশে দুঃস্বপ্নের মত জীবন। সবাই কি যেন হাতড়ে বেড়াচ্ছে। একজন গাইছে আমায় ধরে রাখ, অন্য কেউ গাইছে কোথাও প্রেম খুঁজে না পাবার যন্ত্রণা। আমিও কি জানি একটা খুঁজে বেড়াচ্ছি। এসব এখন শুধু এলোমেলো কথা হচ্ছে হয়ত, হয়ত এরকমই হবে আরও অনেক দিন।

বোধ

আজকের সকাল টা নিশির জন্য খুব একটা সুখের ছিলনা। তারপরও সবকিছুকে পাশে ফেলে ভ্রু যুগলের মাঝে দু'খানা ভাজ নিয়ে ছুটতে ছুটতে বের হওয়া। গন্তব্য চাকুরিস্থল।
দশ মিনিট দেরী মানে আধাঘন্টা জ্যাম।

ধানমন্ডি সাতাশ এর গলি থেকে রিক্সায় উঠে বসল নিশি।কোনদিকে তকাবার সুযোগ হয়নি ওর। উঠে বসেই রিক্সাওয়ালাকে তাড়া দিল...'ভাই একটু জলদি চালান সময় নাই।' রিক্সাওয়ালা নিশির মুখের দিকে তাকিয়ে একটু হাসি ছুড়ে দিল। হাসির কারন বোধগম্য নয়।মেজাজ টা একটু খারাপ হল বৈকি। নিশি নিজ ভাবনায় ডুব দিল।
ভাবনার জাল থেকে বের হয়ে নিশি খেয়াল করল কোথায় যেন একটু গোলমেলে লাগছে। ভালো ভাবে তাকাতে নিশি চমকে উঠল, রিক্সাওয়ালার ছুড়ে দেয়া হাসির মানে স্পষ্ট হল।
একটি মাত্র পা যার সম্বল সে কি পারবে নিশির গতির সাথে তাল মেলাতে।একটা অসস্তি নিশি কে মূহুর্তে গ্রাস করল।একটা বোধ নিশি কে নাড়া দিয়ে গেল।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ