অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১২ জন অতিথি অনলাইন

কোরবানী

কোরবানী হোক লোক দেখানোর দায়,
কোরবানী হোক মিথ্যেটুকুর সায়,
কোরবানী হোক অহম জেদ আর ক্রোধ,
কোরবানী হোক অ-সমতার বোধ,
কোরবানী হোক হামলে নেয়া দ্যুতি,
কোরবানী হোক মিথ্যে প্রতিশ্রুতি,
কোরবানী হোক অনড় ইগোর চাওয়া,
কোরবানী হোক দুর্নীতিতে পাওয়া,
কোরবানী হোক দেখায় বিভেদ যত,
কোরবানী হোক কোরবানীরই মত,
কোরবানী হোক 'অসত্য' আর 'দামী',
কোরবানী হোক আস্ফালনের 'আমি',
কোরবানী হোক 'অনাচারের সাধ',
কোরবানী দিক কোরবানীরই স্বাদ!!

ঈদ মুবারক!!!

ধর্মের আলোকে(!!!) স্বাধীনতার বিরোধিতা, যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন ও ধর্মীয় জঙ্গিপনাঃ

তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে স্বাধীনতার বিরোধিতা, যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন ও ধর্মীয় জঙ্গি-পনা তিনটি একেবারেই আলাদা বিষয়। এই বিষয়গুলির উদ্দেশ্য সময়কাল ভেদে পার্থক্য হলেও রাজনৈতিক বিচারের এক। বিশেষ করে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিষয় তিনটির আন্ত-সম্পর্ক দ্রুততার সহিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। যদিও সাধারণ জনগণের মননে এই তিনটি বিষয়ের আন্ত-সম্পর্কটি এখনো তেমন জায়গা করে নেয়নি, তবে বিষয় তিনটির অতি উচ্চমাত্রার আন্ত-প্রতিক্রিয়াশীলতা দেশের রাজনীতিতে ক্ষমতায় পালা বদলের হাতিয়ার হয়ে উঠছে। অন্যান্য সামাজিক সমস্যা গুলিকে ছাপিয়ে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হিসাবে স্থান করে নিয়েছে। আর রাজনৈতিক ক্ষমতা কেন্দ্রিক এই ইস্যুগুলির বাণিজ্যিক নিউক্লিয়াস হিসাবে ব্যবহ্রত হচ্ছে ধর্ম।

স্মৃতিকাতরতা - ০৩

যে দিকে দেখিবেন - সেদিকেই ক্যামেরা । মোবাইলে ক্যামেরা , ডিজিটাল ক্যামেরা, সিসিটিভি'র ক্যামেরা , ওয়েব ক্যাম ইত্যাদি ইত্যাদি ক্যামেরায় সয়লাব । হরদম ছবি তুলিতেছে সবাই। সেই ছবি কত ভাবেই না দেখিতে পাইতেছে সকলে ।

এ যুগের ছোকড়ারা জানেই না আসল ছবি তুলিবার মজা কী। তাহারা হাতের কাছে যাহা কিছু পাক না কেন , খটাস করিয়া ছবি তুলিবে তাহা দিয়া। শুনিয়াছি কেহ কেহ নাকি শৌচাগারের গিয়াও ত্রিশ খানেক ছবি তুলিয়া আসে।

১১.১০.১৩- মন খারাপের একদিন

১.
ও কি আমার মতো লিখতে পারে কবিতা
ছুঁতে পারে তোমার মন!
জানে কি তোমার ভালো লাগা মন্দ লাগা
কিংবা ছন্দপতন!
তবু ও জিতে যায় সামাজিক নিয়মে,
এলে না তুমি, রাখতাম বুকের ভেতর
পদ্যের ওমে।।

২.
ঐ রোদ ঐ বরফ সব তোমাকে ছোঁয়
ঐ জল ঐ হাওয়া সব তোমাকে ছোঁয়
কার্নিশে বসা পাখিটাও তোমার কথা
ঠোটেঁ তুলে কয়;
তুমি শুধু আমাকেই করলে অচ্ছুৎ
বুঝেও বুঝলে না আমার মানুষী ভালোবাসার
অমানবিক ক্ষয়

৩.
তুমি সাগর জলে
তুমি মধুচন্দ্রিমায়
তুমি করছো স্নান
বিস্ময় ঝর্ণায়
আমি ডুবে যাই
অগাধ বেদনায়

৪.
মিথ্যা মদিরা মিথ্যা ধোঁয়ার চুম্বন
যতক্ষণ চোখে দেখা ততোক্ষণই
আনন্দের আলোড়ন

৫.
অনবদ্য ভ্রান্তি সাথে সান্দ্র দুচোখের পাতা
পুজিঁবাদ করে যায় নিনাদ
কাজ এবং কাজ, অলখে রয়ে যায়
ব্যক্তিজীবন রং ছাড়া সাদা।
ছয়দিন নেই সাতদিন নেই
ঘুরছে পুজিঁর চাকা
প্রথম বিশ্ব বাঁধা চল্লিশ ঘণ্টার শ্রমে
তৃতীয় বিশ্ব সেসব মানে না
চলে সপ্তাহে বাহাত্তর ঘণ্টা
আহা দেহ তো পঁয়ত্রিশেই জেরবার
অজান্তে অক্বা পায় মন টা।
কড়ির কাছে বিক্রি হয়ে গেছি সেই কবে
কবি মন বয়ে চলে দহন
সামনে নিয়ে অমানুষিক ভীড়ভাট্টা
ভাবে একটাই জীবন

নত শিরে

আমার ভালবাসার মাত্রা
আর কটটুকু হলে
তোমার ভালবাসাকে ছুতে পারব।
আর কত নদীর জল সমুদ্রে প্রবাহিত হলে
তোমায় ভালবাসায় সিক্ত করতে পারব।
আর কত ফুল বাগানে ফুটলে
তোমার ভালবাসার মালা গাথা হবে।
আর কতটি বিনিদ্র রজনী অপেক্ষার পর
ভোরের সূর্যের উদয় হবে।
সে ভোর শরত হেমন্ত, শীত, বসন্ত
বর্ষা, গ্রীষ্ম যাই হউক না কেন?
তাতে কি আসে যায়?
যদি শুনি তোমার ভালবাসা
আমার দ্বারপ্রান্তে,
তখন, তখন যে
সব কিছু ফিকে হয়ে
তা যে হবে ঐশ্বরীয়।
কি বললে! তোমার ভালবাসায়
কি এমন লাভ?
হা!হা! হা!......
কি পাগল হয়ে গেলে নাকি?
এমন কথা শুনলে কে না পাগল হয়?
ভালবাসা কি কেউ কখনো লাভ ক্ষতি
ভেবে করে।
আমি তোমাকে ভালবাসি
তোমাকে ভাল লাগে এটাই শুধু জানি।
বিশ্বাস কর এটাই শুধু জানি।
তাতে
আমার নিজের উপর আমার কোন
নিয়ন্ত্রন নেই। আমি কে? আমি কি?
আমার.........।
বিশ্বাস হয় না?
তোমার অনুমতিতে,
রক্ত হয়ে
যখন তোমার শিরা উপশিরায়
বয়ে বেড়াব, তুমি বুঝবে?
অক্সিজেন হয়ে
তোমার নিশ্বাসের সাথে মিশে
তনু তনু সঞ্চালিত হব, তুমি বুঝবে।
বাতাস হয়ে তোমার শরীর নামক
অবয়ব খানির শাখা প্রশাখা

ইতিহাসের ধারায় দূর্গা পূজা

durga.jpg
বাংলাদেশ, পাকিস্থান, ভারত তথা ভারতবর্ষ অথবা পৃথিবীতে দূর্গোৎসবের কালক্রমিক ইতিহাস নির্মাণ করা এখনো সম্ভব হয়নি। এ কাজের উপযোগী সুস্পষ্ট ও অনুপুঙ্খ ধারাবাহিক তথ্য-উপাত্তও পাওয়া যায়নি। কোনো ইতিহাসবিদ বা সমাজবিজ্ঞানী ভারতবর্ষ তথা পৃথিবীতে দূর্গোৎসবের উদ্ভবের ইতিহাস ও আনুষঙ্গিক ঘটনাপঞ্জি নির্ভরযোগ্য দলিলপত্র ঘেঁটে পরিপূর্ণভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হননি। ফলে কখন, কীভাবে দূর্গোৎসব শুরু হলো--তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে পূরাণ, মহাভারত, রামায়ন, ধর্মীয় কাব্য, নানা ঐতিহাসিক গ্রন্থ ও সূত্র থেকে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়।
Durga3_0.jpg

বিরক্তিকর মহাকাল

দিন ছোট হবার সময়টা বড্ড বিরক্তিকর। ছুটির দিনে এক লহমায় পাখির ডানায় উড়ে চলে যায়। নতুন দিনে চোখ খুলে শুধু ক্লান্ত অনুভূতি ঘিরে থাকে। পাশে শুয়ে থাকা অসম্ভব সুন্দর ন গ্ন পিঠে মাথাটা এলিয়ে দেই। সোদা ঘ্রানে মাদকতা ছুয়ে যায় নিউরনের প্রতিটা কোষে। সোনিয়ার অস্পষ্ট আরবী গোঙ্গানীতে লেগে থেকে এক আহ্লাদী সুর। চিৎ হয়ে শুয়ে আমার মাথাটা ওর পেটে ঠেলে দেয়। আমি চুমুতে নীচে নামতে থাকি, সময়কে অবজ্ঞা করে তলিয়ে যা্য। কাজে হয় দেরী, মনটা জানি না কোথায়।হোয়াটসআপে ছবির ছড়াছড়ি, আকর্ষিত ইশারার অনন্ত অবগাহন।

আমার আরবেটলীডার এখনো ঠিক হয়নি, আমার কাজের মূল্যায়ন কে করে সেটাও জানি না। জানি শুধু কাজের সময়ে এলকোহল খাওয়া যাবে না। চেকিং এ ধরা খেলে জরিমানা, ঝামেলা। একসময় দুটা-তিনটা বীয়ারে পুষিয়ে যেতো দিব্যি। এখন প্রতিটা নিঃশ্বাসে লেগে থাকে ওয়াইন বা হুইস্কির বুঁদ হবার নেশা।

চিঠি

(লেখাটি না কি ছোট তাই প্রকাশ করছে না। ৫০র অক্ষর না হলে না কি আমার এই ফালতু লেখা হোম পেইজে দিবে না। আর দিবে না বলেই এইসব লিখে যাওয়া। )

চিঠি এসে দরোজায় কড়া নাড়ে
মেঘগুলো নিচে নেমে আসে
যা যা ছিলো সবই আছে
ভুলে ভরা জীবনে।
চিঠি আসে, ভুলে;
স্মৃতি আসে-
মাঝ রাতে,
চাঁদের পাশে কার মুখ ভাসে?
সমুদ্র এসে পায়ে দোল খায়
অবহেলা সারাবেলা নিজের সনে
আমার একটা সমুদ্র আছে মনে মনে!

আমি গান গাই, হাহাকার, আর্তনাদ যতো
আমি বলি, আমি কেনো আমার মতো?

রশীদ করীমের প্রবন্ধ পাঠের আনন্দ!

রশীদ করীমের বড় পরিচয় উপন্যাসিক হিসেবেই। উপন্যাস লিখেই তিনি নাম যশ খ্যাতি সব পেয়েছেন। সত্তর আশির দশকে রশীদ করীমের জনপ্রিয়তা তো প্রশ্নতীত। নিজেও তিনি খুব বুর্জোয়া গোছের বিশাল এক চাকরী করতেন তাতে অর্থকড়ির জন্য তাকে কোনোদিন লিখতে হয় নি। মন যখন চেয়েছে তখনই লিখেছেন। কোন এক ইন্টারভিউতে পড়েছিলাম -ছোটবেলায় মধ্যবিত্ত পরিবেশে মানুষ হলেও দারিদ্রকে তিনি ভালোভাবে দেখেন না। তার মত হলো দরিদ্র মানুষ সব কিছুতেই দরিদ্র থাকে। ভালো কবিতা পড়তে পারে না, ভালো গান শোনা হয় না, ভালো সিনেমা বা ক্রিকেট খেলা দেখার সুযোগ পায় না। দরিদ্র মানুষের জীবন কেটে যায় অন্ন বস্ত্র সংস্থানেই। স্বাচ্ছন্দ্যময় জীবন উপভোগ করার সুযোগ তাতে নেই। রশীদ করীমের জীবন সময় উপভোগের জীবন। জীবনের শেষ ১৫-১৬ টা বছর অসুস্থতা ছাড়া গোটা জীবনকে তিনি তুমুল ভাবে অনুভব করেছেন। তার এই অনুভবের সবটুকু গল্প পাওয়া যাবে তাঁর প্রবন্ধ সমগ্রতে!

আর সবকিছু ডুবে আছে আগ্রহহীনতায়

১.
পার্কে একটা কুকুর বাচ্চা দিয়েছে। ছোট ছোট বাচ্চাগুলো রাস্তার ওপর শুয়ে থাকে। খুব মায়াজড়ানো দৃশ্য। অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখা যায়। একটা পরিবার বাচ্চাগুলোর দেখাশোনা করে। তাদের অবশ্য নিজেদের দেখাশোনা করারই সামর্থ্য নেই। ওই পরিবারেও কয়েকটা শিশু আছে। তারা রাস্তার পাশেই পেতে রাখা ছোট ছোট চাটাইয়ে শুয়ে থাকে। মাঝে মাঝে কুকুরের বাচ্চাগুলোকে কোলে নিয়ে বসে থাকে। কুকুরগুলোর গায়েও কোনো কাপড় নেই, বাচ্চাগুলোর গায়েও কোনো কাপড় নেই। কুকুরগুলোর লোম আছে, বাচ্চাগুলোর তাও নেই। মানুষ এখান থেকে হয়তো কুকুরগুলোকে বড় করার জন্য নিয়ে যাবে কিন্তু পরিবারটাকে সচল রাখার কাজে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসবে না। বরং পরিবারের উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটি রুটি-রুজি জোগাড়ে বের হয়ে নানা উপায়ে মানুষেরই প্রতারণার শিকার হবে। আমার কুকুরের পরিবারের প্রতি যেমন মায়া লাগে, মানুষের পরিবারটির প্রতিও ঠিক তেমনি মায়া লাগে। কুকুর আর মানুষকে এক পর্যায়ে দেখে নিজের প্রতিও খানিকটা মায়া হয়।

কেন আমরা রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ প্রকল্প বিরোধী??

চুক্তি!!
২০১০ সালের জানুয়ারিতে রাষ্ট্রীয় এক সফরে ভারতে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেখানে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ভিত্তিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং সঞ্চালনের একটি প্রস্তাবনা ছিল। ওই প্রস্তাবনার ভিত্তিতেই ২০১২ সালে বাংলাদেশের অধীন সুন্দরবনের নিকটবর্তী রামপালের দুটি ৬৬০ ইউনিট মিলে মোট ১৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডে (পিডিবি)-এর সঙ্গে ভারতের ন্যাশনাল থারমাল পাওয়ার করপোরেশন (এনটিপিসি)-র চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সর্বশেষ গত ২০ এপ্রিল ২০১৩ ঢাকায় ভারতের সঙ্গে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

!!ভয়!!

হুমায়ুন আহমেদের উঠোন পেরিয়ে দুই পা ও সুনীলের তিন সমুদ্র সাতাশ নদী!

এইটা ঠিক বই নিয়ে পোষ্ট না। দুই বাংলার দুই বিখ্যাত লেখকের ভ্রমন কাহিনী লেখা নিয়ে দুয়েক প্রস্থ আলাপ মাত্র। শুরু করি নিজের কথা দিয়েই। সবার মত বেড়াতে আমারও ভাল লাগে। কিন্তু বাউন্ডুলের মত বেড়াতে না, নিজের মতো বন্ধু বান্ধবদের সাথে ঘুরতে মজা পাই। কিন্তু যা হয় ছেলেবেলায় আর কি, বাবা মার ধারনা বাইরে ঘুরতে গিয়ে ছেলে নষ্ট হয়ে যাবে তাই আমার দূরে কোথাও ঘুরতে মানা। কাছে কুলে কোথাও গেলে যাও, না গেলে মুড়ি খাও। তাই ছোটবেলা থেকেই আমার বেড়ানো মানেই রাস্তায় রাস্তায় ঘোরা একা একা। কারন এরকম ধুলা বালু মেখে হাটার লোক বন্ধু মহলে তখন কেউ ছিল না। মাঝে মাঝে খুলনা বা চিটাগাং থেকে জামালপু্রের বাড়ীতে যাওয়া এই ছিল এক মাত্র লম্বা সফরের বিবরন। আর চার পাঁচ বছর পর আব্বুর বদলী হতো চাকরীর নিয়মে তখন তল্পিতল্পা নিয়ে স্থান বদল করতে হতো। তবে একই পরিবেশ, চেনা জানা মানুষদের সাথেই আবার পাশাপাশি থাকা। আমার প্রথম বেড়ানো জন্য বের হওয়া ভার্সিটির এডমিশন টেস্ট উপলক্ষ্যে। শুধু রাজশাহী, সিলেট ও জগন্নাথে যাই নি। এছাড়া খুলনা, ঢাকা, জাহাংগীরনগরে এক্সামের উসিলায় লম্বা লম্বা সফর দিয়েছি!

জীবন থেকে নেয়া-১

আজকের দিনটি আমার জন্য খুবই আবেগঘণ দিন। মানুষ যে কত ছোট ছোট বিষয়ে খুশি হয়ে যায় এটা হচ্ছে তার প্রমাণ। আবার কত বড় বড় বিষয় আমলেই নেয় না- সেটারও ক্যালাসগিরি ভাবাই যায়।
একারণেই অনেকদিন ধরে ভাবছিলাম ডিজিটাল ডায়েরি লেখা শুরু করবো। টুকটাক করে যে লিখি না তাও না। কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু অদৃশ্য হাত পিছন থেকে টেনে ধরে। কোনটা মুখ খামচে ধরে, কোনটা আবার কলম কেড়ে নেয়। সত্যি ভাবি- এই যে অকপটে জীবনের অনেক সত্য বলি- তাতে আবার কেউ দূবর্লতা খুঁজে পায় নাতো! বা এমন কি ভেবে নিবে না তো যে আজাইরা কথা কয়! ভাবার পরেই মনে হয়- আমি কখনই নিজের অতীত-বতর্মান বা অনাগত ভবিষ্যতের ব্যাপারে লজ্জিত- কুণ্ঠিত বা চিন্তিত নই। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় আলহামদুলিল্লাহ জানি যা করেছি- তা আমার পছন্দে, যা বলি- সেটা আমার মর্জিতে আর যা করবো তাও মনের খুশিতে।

অনেকেই আছে যারা অতীত বলতে চান না, আর সারা জীবনের আনপ্রফেশনাল আমি অতীত ভুলতে চাই না। কখনো ভুলতে চাই না মাটি কামড়ে বেঁচে থাকার সংগ্রাম। অনুগ্রহে - অবহেলায় হাসিমুখে "ভালো আছি" বলার দিনগুলো। আমার পা না হয় মাটিতেই থাকুক- বাকীটা যে যার ইচ্ছে..

পর্দার আড়ালে

আমার বন্ধু লতিফুল কবির লিটন আর এক বন্ধু ইকবালুর রহমান রোকন যাদের আপনারা প্রতিদিন একাধিক পোষ্টে ফেবু দেখতে পাবেন।প্রথমজন কানাডা প্রবাসী আর দ্বিতীয়জন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।তারা দুইজন বর্তমান দুই প্রধান রাজনৈতিক দলের সমর্থক/নেতা।দলে তাদের অবস্থান বা নেতৃত্বের উচ্চতা মাপা আমার উদ্দেশ্য নয়।তবে আমার বন্ধুদের মধ্যে অনেকে এবার সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হবেন এটা নিশ্চিত। সবাইকে বাদ দিয়ে আমি এই দুইজনকে কেন আমার লেখার প্রথমেই নিয়ে এলাম।আশা করি লেখনির পরিসমাপ্তি তে তার উত্তর পাব।

একজন অনন্ত জলিল

সেদিন কি বার ছিল মনে নেই।যেটাই হোক,ভার্সিটি বন্ধ।ঘুম থেকে উঠলাম দুপুর ১২টার দিকে,তাও সুমিতের ফোন পেয়ে।এই ছেলেটা এতই এক্সাইটেড ছিল যে তার কথাগুলো ভুলতে পারিনি।প্রথমবার ফোন রিসিভ করিনি,দ্বিতীয়বারে রিসিভ করে বললাম,“হ্যালোওওও”।ওপাশ থেকে সুমিত বলল,“কিরে ঘুম থেকে উঠিসনি?”বুঝলাম, অনেক বেজে গেছে।“হুম,উঠবনা মানে!ওয়াশরুমে ছিলাম।”“আমি ভাবলাম উঠছিস কিনা!আমিতো চলে আসছি,তুই তাড়াতাড়ি আয়।"
হাতিরঝিল হওয়াতে কার কি সুবিধা হয়েছে জানিনা,আমার কিন্তু বেশ সুবিধা হয়েছে। অনেক রাস্তাই ছোট হয়ে গেছে।এই যেমন সেদিন ওরা ১২টার কাছাকাছি সময়ের মধ্যে বসুন্ধরা সিটিতে গিয়ে বসে ছিল,আর আমি ঘুম থেকেই উঠলাম ১২টায়।

ওহ!বেশি বকবক করে যাচ্ছি,আসল কথায় আসি।সেদিন বসুন্ধরা সিটিতে জমায়েত হওয়ার উদ্দেশ্য মুভি দেখা(স্টার সিনেপ্লেক্সে বাংলা চলচ্চিত্র দেখলেও ভাব নিয়ে সেটাকে মুভি বলতে হয়,তাই আমিও একটু ভাব নিলাম)।মুভি/চলচ্চিত্র/ছবির নাম “নিঃস্বার্থ ভালোবাসা-WHAT IS LOVE”,উদ্যোক্তা মৌমিতা।বোঝাই যাচ্ছে,অনন্ত জলিলের ছবি,এক্সাইটমেণ্ট একটু বেশি থাকাটাই স্বাভাবিক।বলা বাহুল্য,অনন্ত’র কোন ছবি আমি এর আগে হলে গিয়ে দেখিনি।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড।

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

● ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ