ইউজার লগইন

রুম্পা'এর ব্লগ

গ্রো আপ- দেন ওয়েক আপ...

একটি কথা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। কথা বলতে পারা এবং সঠিক স্থানে সঠিক কথাটা বলতে পারা একটি শিল্প। এবং এর মাঝে পার্থক্য আগারতলা আর চৌকির তলার মতো। লিখতে পারা বিষয়টিও ক্ষানিকটা তেমনই। সঠিক পয়েন্টে সঠিক লেখাটি লেখা এবং "মন-গড়া" আত্ম বিবেচনা বর্ণনা করা বোধ হয় পাগলে কিনা লেখে প্রবাদের মতোই। (এজন্যই আমি কম লিখি..Smile..)
আজকে আমার পরিবেশনা বাংলাদেশের, বাংলা ভাষাভাষীদের "লেখক" হয়ে ওঠার মনোভাবকে কেন্দ্র করে। প্রথমেই অভ্যাস অনুযায়ী ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি..

সমঝোতা বা অস্থিরতায় কাবু- আমরা যারা হাবু

আমারই কোন এক লেখায় একটি মন্তব্য ছিল, "রেগে গেলে লজিক এলোমেলো হয়ে যায়"..কথাটা মানি..তাই অনেকদিন পর আবার লেখার চেষ্টা। আসলে বোঝার চেষ্টা- প্রেক্ষাপট আর পরিস্থিতি নিয়ে.. ভুল হলে ধরিয়ে দিবেন। অন্তত এখনো কিছু মানুষ অতীতে কে কত "বড় ভুল" করেছে তা নিয়ে অযথা তর্ক এড়িয়ে ভুল শুধারােনার চর্চা করে। আমি বিশ্বাস করি আমি তাদের দলে..

১.

আমরা এগারো জন- আগস্টের কোন এক আনন্দমাখা সন্ধায়

কলিং বেলের সুইচটা সামনে। আঙুলটা সুইচের উপর রাখার আগেই দরজাটা খুলে গেল। কানে ফোন ধরা তন্ময়ের। আমাকে দেখে ভিতরে যেতে ইশারা করে। আমি আর আমার বর ওর বাসায় ঢুকলাম।

হঠাৎ দেখি চোখের সামনে সবুজ একটা লন। লনের পাশ দিয়ে ছোট্ট একটি রাস্তা চলে গেছে ভিতরে। হাতের বায়ে 'সুরঞ্জনা'। রাস্তা ধরে আমতলায় পৌঁছানোর আগে থেকেই ভীর ভাট্টায় নজর পরে। ভিতরে কথা বলছেন আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ।

ধুর কি আবোল তাবোল..। তন্ময়ের গোছানো বাসায় সেই বিসাকের লালরঙা বাড়ি এলো কোথেকে! এই আড্ডা আর সেই আড্ডার ছবি মিলেমিশে একাকার হচ্ছে বারবার। ..তাই তোহ!

দিব্যি দেখা যাচ্ছে আন্দু (আমাদের আন্দোলন) বসে আড্ডা দিচ্ছে। ইশ আমি এবারো লেট।

দুর্ঘটনা বা অবহেলা নয়- হত্যাকাণ্ড

দুর্ঘটনা নিয়ে লিখতে ভালো লাগে না। কিছু দুর্ঘটনা না লিখিয়ে রাখতে পারলোনা। যে দুর্ঘটনাগুলো কাঁদিয়েছে, রাগিয়েছে আর প্রতিবাদী করে তুলছে ক্রমশ। একদিন হয়তো ক্রোধই দেশ ছাড়া করবে এই অধমকে। আগেই আবেগী এই লেখার জন্য ক্ষমা প্রার্থী..

১.

আহারে..

তখন আমার জীবনের একটি টার্নিং পয়েন্ট। প্রথম চাকুরী বদল। সে সময়ে আকাশছোয়া বেতনবৃদ্ধি !! (এখন অবশ্য তা মনে হয়না) নিজের কর্মজীবনকে চ্যালেঞ্জের মুখে ছুড়ে দিয়ে নিলাম জীবনের অন্যতম বড় সীদ্ধান্ত। নিজের শিক্ষাজীবন- কর্মজীবন যেমন আমার দিকে তাকিয়ে..তেমনই তাকিয়ে থাকা পরিবার। পারবো তোহ!

কমবয়সের একটা আলাদা মজা আছে..বড় বড় সীদ্ধান্তগুলো নিয়ে নেয়া যায় চট করে। বয়স যত বাড়তে থাকে সীদ্ধান্ত গুলো হতে থাকে ছোট ..আর সীদ্ধান্ত নেয়ার সময়টা হতে থাকে বড়..

তখন বয়স তুলনামূলক কম ছিল। অতএব পেরেছিলাম..

মানুষ কেনো নয়!

নিজেকে বড় ভাবার মতো বড় হয়েছি বলে মনে হয় না কখনো। তাই চুপ থাকাই শ্রেয় মনে করি বড়দের ভীড়ে। আজ একটু নীরবতা ভাঙতে ইচ্ছা হলো। কারো অনুভূতিকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে নয়, নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য।

সারা জীবন গার্লস স্কুল, কলেজ- এ পড়ার সুবাদে বিভিন্ন মেয়ের সাথে পরিচয় হয়েছে। এমনকী অনর্স-মাস্টার্সেও গালর্স কলেজে পড়ার জন্য একে বারে ছেলেবেলা থেকে বেড়ে ওঠার বিভিন্ন ধাপে দেখেছি মেয়েরা কিভাবে বড় হয়।
কিছু ঘটনা এখানে শেয়ার করবো সেই অভিজ্ঞতা থেকে।

আমি বানর হইলে সে হইবে না ক্যানো!!

ঁলোকে আমায় বানর বলে, তার প্রতিবাদ করি আমি..তুমি যখন বানর বলো ধন্য যে হয় েস বানরািম..- এই গানটি আমি নিজ উদ্যোগি হয়ে নিজের জন্য উৎসর্গ করে নিয়েছি..তবে এখন জোড়ালো প্রতিবাদ আমার। কেনো! েসটার জন্যই আজকের "ব্লগর-ব্লগর"..

হাইকোর্টের ওখানটায় প্রায়ই নানা রকমের নানা কায়দার ফেরিওয়ালা েদখতে পাওয়া যায়। সেদিন কাঠ-ফাটা েরাদেও েসদিন ছিলনা এর ব্যতিক্রম। এর মাঝেই মাথায় এক খানা টুপি পড়ে টুপি বিক্রি করে যাচ্ছে এক ফেরিওয়ালা। অল্পকিছুক্ষণ পরেই গরমে আর টিকতে না পেরে এদিক ওদিক সে তাকাচ্ছে, একটু ছায়া আর পানির আশায়..

আবার ৩০ এপ্রিল..

১.
বিষয়টি একদিন বিজয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবস পালনের মতো নয়..এ অভ্যাস প্রতিদিনের। যেকোন ভালো সময়ে বা খারাপ সময়ে.. না থাকার অভিযোগ..না পাওয়ার কষ্ট ..অথবা কেনো করতে পারা-এই সুক্ষ্ম বোঝা মাথার উপর..অনেক গুলো বছর ধরে..
২.
যখনই মজার কোন খাবার সামনে আসে, তখন কষ্ট হয়..ভদ্রলোক খেতে ভালোবাসতেন। প্রায় বছর তিনেক তিনি খেতে পারেননি। স্বপ্নের মাঝে একবার বলেছিলেন, পিঁয়াজ দিয়া মরিচ দিয়া ডইল্যা আহ!..সেটা নিয়ে আমরা অনেক মজাই করেছি..তখন.. ঝাল বাপের বেশ পছন্দ ছিল। আজো এই খাবারটা আমার বড্ড ঝাল লাগে..খেতে গেলে চোখে পানি চলে আসে।
৩.

সাপ... ভয়....!!

ধন্যবাদ। মৃদুল ভাইকে। সেদিন শুক্কুরবারে অদ-ভুতুড়ে আড্ডা না শুরু করলে কখনোই স্মৃতি হাতড়ে এই গল্প বের হতো না। মাঝে মাঝে এসে নিজের কিছু গল্প বলে যাই। কড়া বা কঠিন কথা বলতে পারিনা, গল্প ছাড়া। কি আর করা।

শুনুন, নতুন গল্প।

তখন আমার দেড় বছর। সিলেটে গিয়ে বিখ্যাত বন্যায় পুরো পরিবার আটকে গেছি। বেশ পিকনিক পিকনিকভাব। বিশেষ করে আমার বড় বোন খুশিতে আটখানা। ইশ্কুলে ক্লাস করতে হচ্ছেনা। আমিতো তখন দুধভাত। কোন কিছুই বোঝার উপায় নেই। ছোটবেলা থেকে একটি অভ্যাসে ছিলাম সেটা হলো বাউণ্ডেলপনা।
হামাগুড়ি, গুড়ি-গুড়ি পায়ে হাটা..যেই পন্থাই হোক না কেন, উঠোন-টুঠোন পেড়িয়ে কই কই পই পই করে চলে েযতাম আল্লাহ মালুম।
আমাদের বাড়ির পাশেই কিছু দূরে একটি বিরাট আকারের তেতুল গাছ ছিল। দূরে মানে বাড়ির সীমানা লাগোয়া।

নাম করণ এবং কিছু..

প্রথমেই বলে নেয়া ভালো, এই লেখা অবশ্যই নিজস্ব ধারণা এবং অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা অত্যন্ত অনভিজ্ঞ লেখা। কেউ দয়া করে মন খারাপ করবেন না।

কারণ কে যে কখন কোন কারণে মন খারাপ করে বসে সেটা বড়ই চিন্তার বিষয়। যেমন আমার এক বান্ধবী আমার উপর মহাখাপ্পা হয়ে আছে। কারণটি বড়ই যুক্তিহীণ। অন্তত আমার কাছে। আমার বান্ধবীটির ছোট্ট একটি কন্যা হয়েছে, নাম ইরিন। নামটি খুব সুন্দর, কোন সন্দেহ নেই। শুধু আমার দুষ্টুমি করার প্রবণতা না থাকলেই হতো। দুষ্টুমি মিশ্রিত কথোপকথনটি ছিল এরকম.

- বাহ দোস্ত মেয়েটা আল্লাহর রহমতে তো অনেক সুন্দর হয়েছে। তা নাম ইরিন রাখলি যে?
- কেন নামটা কি সুন্দর না? (বান্ধবীর কণ্ঠে তখন ইতিমধ্যে তপ্তভাব আরকি!)
- অনেক সুন্দর নাম। ধর তোর দ্বিতীয় মেয়ে হলে কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই নাম রাখতে পারবি “মৌসুমী”..

হাসপাতাল নিবাস ও কয়েকটি টুকরো ঘটনার সমাপ্তি

গত রোজা থেকে এই কোরাবানি ঈদ পর্যন্ত হাসপাতালের গল্প আসলে অসংখ্য। সব যদি লেখা শুরু করি তাহলে হয়তো কিছু কিছু বাংলাদেশি চ্যানেল গুলোর ঈদ আয়োজনের মতোই অতিরিক্ত বেদনাদায়ক হয়ে যাবে। কারো কষ্টকে সামনে এনে নিজে আরো কষ্ট পাওয়ার চেয়ে এগুলোর মাঝে জমে থাকা অন্য কিছু গল্প নিয়েই হাসপাতাল নিবাস।

নানু তো হাসপাতালে আছেন বহুদিন। আমাদের মোটামুটি অভ্যাস হয়ে গেছে নানুর হাসপাতালে থাকার বিষয়টি। রেডিও থেরাপি এবং কেমো থেরাপি চলছে সমান তালে.. হাসপাতালের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা আমাদের খুব কাছের আত্মীয় বলে নানুর সেবা চলছে চমৎকারভাবে। তা নাহলে ইতিহাস বলে এদেশের "হাসপাতাল" ড. হুমায়ুন আহমেদ-ড. জাফর ইকবাল- আহসান হাবীবের মাকেও সুচিকিৎসা দিতে ব্যর্থ হয়!!

আলোর মিছিল চাই- চাই আলোকিত মানুষ- বিসাকে কলেজ কর্মসূচি ২৫ বছরপূর্তি

নিজের নদী সবার থাকে। কেউ চায় সেই নদীতে ভেসে যেতে, কেউ চায় স্রোতের টানে ভেসে আসা খরকুটোকে সম্বল করে নতুন গতি বেছে নিতে। চিরায়ত গণ্ডির বাইরে গিয়ে নতুন ধারাকে অবলম্বন করাটা অনেকেরই কাছেই অসম্ভব। আর সেই না পাওয়ার ক্ষোভ থেকেই শুরু হয় নানা রকমের আফসোস। আর ভাবে আমার দেশ কেনো এমন নেই, কেনো ওমন হলোনা! অথচ জীবনকে নতুন গতি দেয়ার, নিজের মতো করে চালানোর যে আলোকিত পথ সবাই খোঁজে, তা কিন্তু ছিল চোখের সামনে।

ছিলেন, আছেন আলোকিত মানুষ গড়ার কারিগর অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। আর ইন্দিরা রোডের ছোট্ট একটি কামড়া থেকে আজ বাংলা মোটরের আকাশ ছোয়া বাড়িতে যে স্বপ্নের কারখানা, তার নাম বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।

হাসপাতাল নিবাস- কয়েকটি টুকরো ঘটনা

মেযবাহ ভাইয়ের রাতের গল্প পড়ে প্রায়ই ভাবি আমারও হাসপাতালের গল্প আছে। আজ লিখবো, কাল লিখবো। কিন্তু "অকাজের কাজি- মস্তবড় পাজি‍' হবার কারণে তা আর করা হয়ে ওঠেনা। অবশেষে আজ কাজ করার মাঝে প্রচণ্ড আলসেমীতে মনে হলো আমার হাসপাতালের গল্প কিছুটা শেয়ার করা যায়।

ব্যক্তিগতভাবে হাসপাতাল বিষয়টি আমার ভীষণ অপছন্দের। হাসপাতাল মানেই মন খারাপ, ঔষুধের গন্ধ আর অসুস্থতা ধরিয়ে দেয়া। নিজের ডেঙ্গু আমলে ৪৫ দিনের বদলে ১৫ দিন থাকা ছিল অপছন্দ থেকেই। এবং সেটার ফলে শারীরিক অবস্থার চূড়ান্ত অবনতি এবং ডাক্তার সাহেবের সাথে মুখ দেখাদেখি বন্ধ টাইপের অভিমানও সহ্য করতে হয়েছে।

একটি কাল্পনিক প্রেমের গল্প

১.
কানে তালা লেগে যাচ্ছে।বিকট আওয়াজে বিস্ফোরিত হচ্ছে একেকটা বোমা।কানে হাত দিয়ে বসে আছে আট-দশটা প্রাণী।এরা সবাই কথা বলতে জানে।চলতে জানে।এরা মানুষ।তারপরও ঘটনার আকস্মিকতায় তারা এখন নির্বোধ।এখানে বসে থাকলে প্রাণে বাঁচবে! নাকী বের হলে রক্ষা পাবে জানেনা।শুধু জানে এটুকু সময় চলে গেলে হয়তো বাকী জীবনটা এমন ঘাপটি মেরে থাকতে হবেনা।বাঁচার আকুলতায় মানুষগুলোর চোখ ছলছল করছে।

২,
এই তো কিছুদিন আগে।

কুয়োর ব্যাঙের স্বর্গ ভ্রমন- ২

রিসোর্টটি কাঠের বটে..তবে এতো সুন্দর করে সাজানো গোছানো। ঠিক যেন নীল রঙের মাঝে কাঠ আর সবুজের ছিটেফোঁটার আকিবুকি।

21.JPG