ইউজার লগইন

রুম্পা'এর ব্লগ

কলি-কথা 2 (কলকাতা টু সারপ্রাইজ অঞ্চল ভায়া দিল্লী ...)

# রাজধানী ট্রেনে-যা এলাম জেনে
ট্রেন ছিল বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ। বৃষ্টিস্নাত কোলকাতায় ঘুরে ভরপুর খেয়ে ঘুরাঘুরি শেষে হাওড়ার উদ্দেশ্য রওনা দিলাম। হাতে অনেকক্ষাণী সময়। কারণ হাওড়াতে গিয়ে প্ল্যাটফর্ম খুঁজে পেতে কতক্ষণ লাগবে আদৌ জানি না। যথা সময়ে স্টেশন পৌঁছে জানা গেল প্ল্যাটফর্ম ১১তে গেলে ঠিকঠাকভাবে উঠে যেতে পারবো। গোছানো স্টেশন! ট্রেনও এলো যথাসময়ে। যথাসময় মানে একদমই যথা সময়। বগির বাইরে নাম দেখলাম। নাহ লিস্ট ঠিকই আছে। উঠেই দেখলাম দুই জন ইতিমধ্যে আছেন। আমরা দুইজন। আরো দুইজনের অপেক্ষা।আমাদের দুইজনের সিট হলো মিডল আর লোয়ার ব্যাঙ্কার। উপর তলায় কারা থাকবেন- আমার মনের মধ্যে তখন বিশাল তুফান এটা নিয়ে। ঠিক চারটে ছত্রিশ মিনিটে ট্রেন ছেড়ে দিল। ভাবছি আমাদের "কাদের সাহেব" একবার এসে এখানে ঘুরে গেলেই বুঝতেন সার্ভিস কাকে বলে! থাপড়ানো-চটকানো বাদে নিয়মটাকে অশীথিল করলেই ল্যাঠা চুকে যায়।

কলি-কথা ১ (কলকাতা টু সারপ্রাইজ অঞ্চল ভায়া দিল্লী ...)

ঢাকা থেকে বেনাপোল:
আগস্টের শুরুর দিকে। টান টান উত্তেজনা ঘরময়। পরিবারের প্রবীণ সদস্য হঠাৎ করেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন। আমাদের ঠিক সেই সময়ই অন্তত দশ-বারোদিনের জন্য দেশ ছাড়ার ইচ্ছে। আর যাই হোক, কাউকে অসুস্থ রেখে তো যাওয়া যায় না। বর বেচারা মুখ হাড়ি করে ঘুরছে। কারণ একবার বাসের টিকেট হাতছাড়া হয়ে গেলে আর পাওয়া রীতিমতো অসম্ভব। তাও নয় আগস্টের তারিখের টিকেটটা হাতছাড়া হয়ে গেল। রইলো হাতে ৮ তারিখের টিকেটের অপশন। মেডিকেল রিপোর্ট হাতে আসবে ৭ তারিখে। ঐ রিপোর্টের উপরই সব নির্ভর করছে তখনও। ওদিকে আমাদের এবার ইচ্ছে ছিল ঈদের আগের দিন বাড়ি ফিরে ঈদটা করবো। অর্থ্যাৎ শ্যামবাবুকে বশ করা সাথে কূলও রক্ষা আর কী! অবশেষে ৭ তারিখে অফিস থেকে বরকে ফোন দিলাম। আমি কিছু বলার আগেই সে বললো, "৮ তারিখে যাচ্ছি.. ব্যাগ গোছানো শুরু করো।" লাফনো মন নিয়ে বাড়ি ফিরে প্যাকিং শুরু করলাম।

বেটার লেট দ্যান নেভার- EID MUBARAK

বিশ্বাস করেন, জন্ম থেকেই আমি সবকিছুতে লেট। জন্মেছি লেট নাইটে.. সব ভর্তি ফিস দিয়েছি লেট ফি দিয়েছি.. অনেক খারাপ মানুষের সাথে মিশে নিজের পায়ে কুড়াল মেরে "লেটে" বুঝেছি কি আকাম করে ফেলেছি..তারপরও আমি বিশ্বাস করি "বেটার লেট দ্যান নেভার"..অতএব এতোদিন পর ঈদের গুটি কয়েক অনুষ্ঠান নিয়ে খুনসুটি করার লোভ সামলাতে পারছিনা। আগেই বলে নিচ্ছি, সব প্রোগ্রাম দেখিনি, যথাসম্ভব দেখেছি.. অতএব আমার বিশ্লেষণকে চুলচেঁড়া নয় বরং চুল ছেড়া বলতে পারেন। তাহলে শুরু করি..কি বলেন?

আরেকটি বিষয় না বললেই নয়। আমি জীবনে কখনো লটারিতে একটি প্লাস্টিকের শপিং ব্যাগও পাইনি কখনো। তাই ভাগ্য বিষয়ক বিষয়ে কখনো আশা রাখিনা। এবার কি মনে করে যেন মনে প্রাণে চাচ্ছিলাম, রমজান মাসটা ত্রিশ দিনের হোক। ঈদের আগে লম্বা ছুটি নিয়ে আমি আর আমার বর বেরিয়ে পড়লাম। মনে মনে ইচ্ছি ত্রিশ রোজা হলে ঐদিন রওনা করে ঢাকায় ফিরে সবার সাথে ঈদ করবো। শেষ পর্যন্ত আমাদের মনের সাধ পূর্ণ হলো ঢাকায় ঈদ করার মাধ্যমে। কিন্তু ঈদ করার চক্কড়ে যেটা হলো, পরবর্তী ৬ দিন খাওয়া আর টিভি দেখা ছাড়া কোন কাজ নেই।

ফুলপরীরে ঢিল- কান নিয়েছে চিল..

বরিশালের গহীণে কোন একগ্রামে নানাবাড়ি। ঈদের লম্বা ছুটি.. কোথাও না গেলেই নয়। বাড়ির একদল ঠিক করলো, এবার না হয় বরিশাল। কিছু দিন সবুজ আর পাখির সাথে বসবাসের ইচ্ছা আর ইচ্ছে কংক্রিটের মাঝে বড় হতে থাকা ষষ্ঠ শ্রেণী পড়ুয়া মেয়েটিকে শাপলার পুকুর দেখানো।
যেই ভাবা সেই কাজ। দুই খালা আর ছোট খালার দুই মেয়ে পুষ্পা-পরমা ঈদের তৃতীয় দিন (ঈদের প্রোগ্রামের তালিকা অনুযায়ী) কাক-ডাকা ভোরে রওনা দিলেন গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে। নিতান্তই গ্রামের বাড়ি বলতে যা বোঝায়, সেখানেই তাদের বাড়ি। ঝিঁঝি পোকার ঢাকে সন্ধ্যা. জোনাকির আলোয় রাতের ঝিকিমিকি উঠোন আর পাখির ডাকে সকাল। বেশ চমৎকার পরিবেশ। ছোট্ট ডিঙ্গিতে করে শাপলার ঢেউ ভেঙে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মাঝির মুখের হাসি আজকাল কয়টা জায়গায় দেখা যায়! শহরে তো একদমই না। এখনও যেখানে বিদ্যুৎ চমক দেখাতে পারেনা, সেখানে শহরের চঞ্চলতা তো নেইই - তেমন নেই কোলাহল..
একারণেই হয়তো প্রাগৌতিহাসিক অনেক বিষয় আজও এলাকাবাসীর মনে মনে পুষে রাখে নিষ্ঠার সাথে। কি যে বিপদ!

দেশকে জানো দেশকে জানাও..

সাম্প্রতিককালে ভারতভ্রমণ থেকে পাওয়া কিছু আলাপ বাংলায় তুলে দিচ্ছি হুবুহু। বিশ্বাস করুন এক ফোঁটাও বানোয়াট নয়।

কথোপত্থন-১
রাজধানী ট্রেন।দিল্লী থেকে জম্মু। আমি, আমার বর। মুখোমুখি জম্মুবাসী সোনালি কৌড় আর আকাশ। সোনালি আইটি প্রফেশনাল। ব্যাঙ্গালোরে পড়ালেখা করে মৌসুরিতে চাকরী করছে। এই আলাপ সেই আলাপে বললাম আমরা বাংলাদেশি। শুরু হলো আলাপ। আলাপের একাংশ-
সোনালি: আপনারা মুসলিম?
আমরা: হ্যা..
সোনালি: তাহলে তো আপনাদের ভাষা উর্দু .. তাই না?
আমরা: ক্যানো? নোপ আমাদের ভাষা বাংলা..
সোনালি: মজা করছেন? ক্যানো বাংলা হবে? আপনারা মুসলিম, উর্দুই হওয়া উচিৎ..মানে পাকিস্তানেও তো ভাষা উর্দু...
আমরা: মানে সোনালি, আমরা তো পাকিস্তানের সাখে যুক্ত না..আমাদের দেশে বাংলাভাষা নিয়ে ভাষা আন্দোলন পযর্ন্ত হয়েছে..আমাদের দেশের নাম আমাদের ভাষার নামে.. সো উর্দু হওয়ার কোন কারণ নাই..
সোনালি: ও তোমরা বাঙালি তাহলে!! নিশ্চয়ই দূর্গা পূজা করো সবাই মিলে?
আমরা: আমরা সবাই সবার ধর্মীয় অনুষ্টানে অংশ নেই..কিন্তু মুসলিমরা পূজা করেনা..
সোনালি: না, আমি তো জানি বাঙালিরা সবাই দূর্গা পূজা করে...

শিশুতোষ Status গুলো


অস্থিরতার ভ্রান্ত প্রলয়
জোয়ার ভাটার এসময়
মনের উপর মন চাপানো
ক্লান্ত করার দু:সময়

২.
ছাড়তে পারো সেই আঙিনা
ছাড়তে পারো সখা
ছাড়তে পারো বুঝতে পারা
ছাড়তে পারো দেখা
সব কিছুই তো ছাড়তে পারো
যায় না তাতে কিছু..
আষ্টেপৃষ্ঠে ধরা স্মৃতি
ছাড়বে না আর পিছু..

৩.
বিজ্ঞান মানি বা না মানি
ইথার কোথাও আছে..
যোজন যোজন দূর থেকেো
তুমি আমার কাছে..
বরফ তুমি
মুঠোয় তুমি
তাও তো মুঠোয় নেই
বিজ্ঞান বলে তরল তুমি
বাষ্প সহজেই
তরঙ্গ আজ শিরায় শিরায়
অস্তিত্ব কাঁপায়
তোমার বিনা স্পর্শে আজো
সিক্ত করে আমায়..

৪.
সত্য তুমি মিথ‌্যা তুমি
মিথ‌্যা আজব আলসেমী
মিথ্যা রঙিন- ঐ বালুচর
সত্য ধুসর- মরুভূমি"....Smile

৫.
ঘর বাঁধেনি তারে
যার মন বেঁধেছিল ঘর
ঘরের মাঝে ঘরকে খুঁজে
নিত্য যাযাবর

৬.
পথ যে পথে হারায় এসে
একলা হেঁটে অবশেষে
শূণ্য বাকে
পথের ফাঁকে
উষ্ণ আধাঁর ডাকে
তরল মনে
বান-উজানে
হাতের রেখা আঁকে
হাওয়ার রথে
অতল গর্তে
রন্ধ্রে রন্ধ্রে আঁধার
ডাক না মানা শর্তে
জীবন পথিক হলো আবার..

৭.
এই ছেলেরা জাগবে না
তোমার জন্য কাঁদবে না
যতই তেড়ে আসুক শত্রু

ডিজিটাল পাসপোর্ট: না জানলে Amazing Race; জানলে easy case

আজকে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে আবিষ্কার করলাম, পুরো পদ্ধতিটা আসলে মাত্র সর্বসাকূল্যে ৪৫ মিনিটের। কিন্তু এটা আমরা জেনেছি আজকে ঠেকে ঠেকে। আপনাদের জন্য পদ্ধতিটি তুলে ধরছি যেন আমাদের মতো ঠেকে শিখতে না হয়। ধন্যবাদ আমার বরকে। কারণ আমি লেখার আগেই সে এটাকে চমৎকারভাবে গুছিয়ে ফেলেছে সবার জন্য। আমি সরাসরি ওর গুছানো তথ্যটিকে এখানে তুলে দিলাম।

passport.jpg

সৌজন্য- হা হা চৌ

আমার ছেলেবেলার "ফল"

জানালার কপাটগুলো খুটখুট করে নড়ছে..ঘরের ভিতরে দেয়ালে কাঁপাকাঁপা ছায়া..পিনপতন নীরবতার চাইতেও বেশি কিছু। ভয়ে কুঁকড়ে পারলে বালিশের তলায় আশ্রয় নেয়ার যোগাড়... কোনমতে চোখ বন্ধ করে রাত পোহাবার অপেক্ষা। কলোনীর ঐ জামগাছ নিয়ে সে কি নানা রকমের গদ্য। সেই জাম গাছে নাকী ভূত আছে! রোজ রাতে ভূতটা আঁচল মেলে বসে আর মায়াতে সবাইকে ডাকে...শুনে ভয় পেতাম, রাতে গুটিশুটি মেরে পড়ে থাকতাম..মনের অজান্তে ঘুম। আর ঘুম শেষে ঝলমলে সকাল। জানালার কপাট খুলতেই ধ্যাড়ধ্যাড়ে হয়ে ওঠা জাম গাছটার সবুজ ডালপালা। যে গাছের ছায়া দেখে রােত ভয়েই অস্থির, সেই জাম গাছটাই আমার দিনের আলোর সবচেয়ে পছন্দের গাছ। হাত বাড়ালেই ধরা যেতো ছোট ছোট জামের গোছা। কখনো কখনো নীচে গিয়ে জাম গাছটায় উঠার অদম্য ইচ্ছা। সেই তখন থেকেই জামের প্রতি অদ্ভুদ একটা টান আমার এখন পযর্ন্ত। দাঁত কিড়কিড় না করা পর্যন্ত জামা চিবাতে হবেই।

আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যার, আপনাকে বলছি...

১.

আজো তোমার সন্তান কাঁদতে কাঁদতে রাস্তায় হাঁটে

আব্বাজান,
১.
তখন শিশু শ্রেণীর ক্লাস। তোমার চাকরিও নাই। তাই স্কুলের জুতা নাই। কখনো কখনো টিফিন নাই।বছর শেষে নতুন ক্লাসে ভর্তি হওয়ার পয়সা থাকাও স্বপ্ন। স্কুলে যাওয়ার পথে কান্না। স্কুলে চুপচাপ বসে থাকা.. একপর্যায়ে স্কুল থেকে নাম কাটানো... তখন আমি খুব ভাব ধরলাম- এ স্কুল পছন্দ না.. এই তো কিছুদিন পর নতুন স্কুলে কম বেতনে নতুন ক্লাসে ভর্তি হবো! যেখানে বেতন বকেয়া থাকলেও নাম কাটবে না। বাসা থেকে হাসিমুখে বের হলাম, স্কুলে গেলাম হাসিমুখে..কাঁদলাম রাস্তায়...

২.

অযথা

...........
জীবনগাথা
জীবনে গাঁথা
আশার দোলাচোলে
দিনভর হাতে মুক্তো-মণি
নিঃস্ব অস্তকালে
তীর হারা নদে
ক্ষণ গৎ বাঁধে
রুদ্ধ গভীর জালে
আসিয়াছে কাল
দেখিয়াছি কাল
"এখন" হারায় "কাল-এ"
অসীম ক্লান্তি
শ্রান্ত করিলে
ফিরিবো প্রাণের টােন
বিসজর্নে, সমর্পণে
ছন্দত্যাগী তালে
-------------------------------------------------------------------
(ভুল ত্রুটি মাফ ..এমনিতেই লিখলাম Crazy ..)

নিঃসঙ্গ নিঝুপদ্বীপ এবং একটি হুমায়ুনকাব্য

যাত্রী সংখ্যা ষোল। পাঁচ জোড়া দম্পতি। দুইজন বন্ধু। এক জোড়া কলিগ। একটি বোন। একজন সহকর্মী। ওহো, আর সতেরোতম ব্যক্তি একটা উদ্ভট পথপ্রদর্শক। এই হলো নিঝুম দ্বিপ বাহিনী। এদের নাম বলে নেয়া ভালো। তাহলে গল্পটা বলা যাবে আয়েশ করে।

নড়বড়ে রবি ঠাকুর আর বিস্মৃত কিছু সময়..

আমার ভাতিঝির বয়স সাড়ে ছয় বছর। সিমেন্টের ফ্লোরে খেলে আর আই ফোন দিয়ে রাগী পাখি তাড়ায়। ভাবতে অবাক লাগে আসলেই কি অদ্ভুদ ত্রৈধ বিন্দু দেখেছে এবং দেখছে আমাদের প্রজন্ম। আজব বাক্সটা ডিম আকার ছেড়ে সমান হলো..এখন আবার টেবিল ছেড়ে দেয়ালে ঝুলছে। ছবি প্রিন্ট করা আর আকাশ থেকে পড়া এখন সমান। সেই ছবি অ্যালবাম ছেড়ে আজ মানুষের ক্লিক নির্ভর। আম্মা প্রায়ই বকা দিত, 'ছবির উপরে হাত দিবানা- আঙুলের ছাপ পরবে'..এখন মানুষ কয়-'ম্যাকের উপরে হাত দিবানা- ছাপ পড়ে..'
এখন মানুষের মনে দাগ কাটার চাইতে যন্ত্রে আচঁড় কাটা সহজ...
সেই যন্ত্রের প্রতি ভালোবাসা এখন এতই কোন একদিন আমার ভাতিঝি হয়তো বলবে, আমরা মানব নই যানব..!!
আমরা যেহেতু একদমই মাটির মানব - তাই মাঝে মাঝে এখনকার সময়ের সাথে নিজেদের সময়টা মিলিয়ে নেই। কি অদ্ভুদ ছিল আমাদের স্কুল জীবন! খুব বেশিদিন আগে তো না।

গ্রো আপ- দেন ওয়েক আপ...

একটি কথা মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। কথা বলতে পারা এবং সঠিক স্থানে সঠিক কথাটা বলতে পারা একটি শিল্প। এবং এর মাঝে পার্থক্য আগারতলা আর চৌকির তলার মতো। লিখতে পারা বিষয়টিও ক্ষানিকটা তেমনই। সঠিক পয়েন্টে সঠিক লেখাটি লেখা এবং "মন-গড়া" আত্ম বিবেচনা বর্ণনা করা বোধ হয় পাগলে কিনা লেখে প্রবাদের মতোই। (এজন্যই আমি কম লিখি..Smile..)
আজকে আমার পরিবেশনা বাংলাদেশের, বাংলা ভাষাভাষীদের "লেখক" হয়ে ওঠার মনোভাবকে কেন্দ্র করে। প্রথমেই অভ্যাস অনুযায়ী ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি..

সমঝোতা বা অস্থিরতায় কাবু- আমরা যারা হাবু

আমারই কোন এক লেখায় একটি মন্তব্য ছিল, "রেগে গেলে লজিক এলোমেলো হয়ে যায়"..কথাটা মানি..তাই অনেকদিন পর আবার লেখার চেষ্টা। আসলে বোঝার চেষ্টা- প্রেক্ষাপট আর পরিস্থিতি নিয়ে.. ভুল হলে ধরিয়ে দিবেন। অন্তত এখনো কিছু মানুষ অতীতে কে কত "বড় ভুল" করেছে তা নিয়ে অযথা তর্ক এড়িয়ে ভুল শুধারােনার চর্চা করে। আমি বিশ্বাস করি আমি তাদের দলে..

১.